Categories
রিভিউ

আজ ২৫ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৫ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – মনোজ বসু, (ভারতীয় বাঙালী সাহিত্যিক)।

১৯০৫ – এলিয়াস ক্যানেটি, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বুলগেরিয়ান বংশোদ্ভূত সুইস লেখক ও নাট্যকার)।

১৯০৮ – বিল বোস, (ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯২০ – রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন, (ব্রিটিশ ভৌত রসায়নবিদ ও কেলাসবিজ্ঞানী)।

১৯২২ – লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জন বি গুডএনাফ।

১৯২৩ – সুইডিশ লেখক মারিয়া গ্রাইপ।

১৯২৯ – সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, (ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ)।

১৯৩০ – মারে চ্যাপেল, নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৩৬ – গ্লেন মার্কাট, (অস্ট্রেলিয়ান স্থপতি)।

১৯৩৯ – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, (বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব)।

১৯৫৬ – ফ্রান্সিস আর্নল্ড, (আমেরিকান বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী)।

১৯৭৪ – রিফাত বিন সাত্তার, (গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব বিজয়ী বাংলাদেশী দাবাড়ু)।

১৯৮৬ – হাক (ফুটবলার), (ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার)।

১৯৮৮ – পাওলিনিয়ো, (ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার)।

১৮৪৪ – টমাস এয়াকিনস, (মার্কিন বাস্তবতাবাদী চিত্রশিল্পী, ফটোগ্রাফার, ভাস্কর ও চারুকলা শিক্ষক)।

১৮৭৫ – জিম করবেট, (ইংলিশ শিকারী ও সংরক্ষনবাদী প্রকৃতিবিদ)।

১৮৯২ – প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়, (প্রখ্যাত রবীন্দ্রজীবনীকার)।

১৮৯৪ – ওয়াল্টার ব্রেনান, (মার্কিন অভিনেতা)।

১৮৯৪ – গাভ্রিলো প্রিন্সিপ, (অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রান্ত্‌স ফার্দিনান্দ ও তার স্ত্রীর আততায়ী)।

১৮৯৯ – চলচ্চিত্র পরিচালক আর্থার লুবিন।

১৭৯৭ – ডাচেস অব কেমব্রিজ প্রিন্সেস অগাস্টা।

১৭৯৯ – স্কটিশ উদ্ভিদবিদ ডেভিড ডগলাস।

১১০৯ – ডোম আফোনসো হেনরিকস, পর্তুগালের প্রথম রাজা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – প্রতিভা পাতিল, ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতির (ও প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯০৯ – লুই ব্ল্যারিয়ট বিমানে ইংলিশ চ্যানেল পার হন।

১৯৩৮ – ফিলিস্তিনের জনাকীর্ণ বাজারে দুটি পৃথক বোমা বিস্ফোরণে ৬২ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনী নিহত ও প্রায় এক’শ জন আহত হয়।

১৯৪৩ – মুসোলিনকে পদত্যাগে বাধ্য করে ইতালিতে ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

১৯৪৬ – প্যারিসে এক ফ্যাশন শোতে প্রথম বিকিনি প্রদর্শিত হয়।

১৯৪৮ – পশ্চিমা দেশগুলোতে ব্রাসেলস চুক্তি কার্যকর।

১৯৫৭ – ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

১৯৭৫ – বিশ্বের প্রথম টেস্ট-টিউব শিশু লুইস ব্রাউন জন্ম গ্রহণ করে।

১৯৭৮ – মাতৃগর্ভের বাইরে প্রথম নবজাতক ভ্রূণ শিশুর জন্ম।

১৯৭৯ – জার্মানির কান শহরে ফিলিস্তিনী সংগঠন আল সায়েকের তৎকালীন মহাসচিব যাহির মোহসেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের অনুচরদের হাতে নিহত হন।

১৯৯৩ – দখলদার ইসরাইলী বাহিনী লেবাননে প্রচন্ড হামলা চালায়।

১৮১৪ – জর্জ স্টিফেনশন প্রথম বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের সাফল্যজনক কার্যকারিতা প্রদর্শন করেন।

১৮৪৮ – অস্ট্রিয়া ও ইতালির মধ্যে প্রথম কুস্তোৎসার যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৮৯৪ – চীন ও জাপানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।

১৭৬৩ – মীরজাফর দ্বিতীয় বারের জন্য মুর্শিদাবাদ এর নবাব হয়।

১৭৯৪ – ফরাসী কবি আঁদ্রে শেলিয়েকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।

১৭৯৯ – আবুকিরের কাছে তুর্কিরা নেপোলিয়নের কাছে পরাস্ত হয়।

১৫৮১ – হল্যান্ডের ৭টি প্রদেশ স্পেনের অধিকার থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৪০৯ – সিসিলির রাজা প্রথম মার্টিনের মৃত্যু।

১২১৫ – দ্বিতীয় ফ্রেডরিক জার্মানির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – সৈয়দ আলী আহসান (খ্যাতনামা কবি-সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান ২০০২ সালের ২৫ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি একজন খ্যাতনামা সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিকও)।

২০০৩ – জন শ্লেসিঞ্জার, (ইংরেজ চলচ্চিত্র ও মঞ্চ পরিচালক ও অভিনেতা)।

২০১৪ – সাংবাদিক, সংসদ সদস্য বেবী মওদুদ।

১৯০৯ – ভারতের বিশিষ্ট আইনজীবী ও কানাড়া ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা আম্মেম্বল সুব্বা রাও পাই।

১৯৩৬ – জার্মান দার্শনিক হাইনরিখ রিখার্ট।

১৯৫৩ – পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র (অন্যতম সাংসদ,আইনজ্ঞ, বাগ্মী)।

১৯৬৩ – ইতালীয় মনোবিজ্ঞানী উগো কারলেত্তি।

১৯৭৩ – লুই সেন্ট লরেন্ট, (কানাডার দ্বাদশ প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৮০ – বিনয় ঘোষ, (বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী, সাহিত্য সমালোচক, সাহিত্যিক, লোকসংস্কৃতি সাধক, চিন্তাবিদ ও গবেষক)।

১৯৮৬ – ভিনসেন্ট মিনেলি, (মার্কিন মঞ্চ ও চলচ্চিত্র পরিচালক। ১৮৩৪ – স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ ইংরেজ কবি, সাহিত্য সমালোচক এবং দার্শনিক)।

১৮৪৩ – চার্লস ম্যাকিনটোস, ( জল নিরোধক কাপড়ের উদ্ভাবক )।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৪ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জেল্ডা ফিট্‌জেরাল্ড, মার্কিন সমাজকর্মী, ঔপন্যাসিক, চিত্রশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী।

১৯১১ – পান্নালাল ঘোষ, ভারতীয় বাঙালী বাঁশী বাদক ও সুরকার।

১৯১৭ – জ্যাক মরনি, প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৩০ – প্রথম বাঙালি মহিলা ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রথম ভারতীয় মহিলা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইলা ঘোষ মজুমদার।

১৯৩১ – প্রখ্যাত বাঙালি সুরকার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৩৪ – প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর সেন।

১৯৬৯ – মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ।

১৮০২ – আলেক্সাঁদ্র্ দ্যুমা, বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক।

১৮২৪ – হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও সমাজসেবক।

১৮৫৭ – ডেনমার্কের নোবেলজয়ী লেখক হেইনরিখ পন্টোপিডান।

১৮৬৭ – ফ্রেড টেট, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৮৮ – আর্থার রিচার্ডসন, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।

১৮৯৭ – অ্যামেলিয়া এয়ারহার্ট, একজন মার্কিন বিমান অগ্রগামী এবং লেখিকা।

১৭৮৩ – সিমন বলিভার, দক্ষিণ আমেরিকার বিপ্লবী সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১১ – মার্কিন অভিযাত্রী পেরুর ষোড়শ শতকের ইনকা সভ্যতার অন্যতম প্রতীক মাচু পিচু শহর আবিষ্কার করেন।

১৯২১ – ফিলিস্তিন, ইরাক, ও পূর্ব জর্দান বৃটিশদের অধীনে এবং সিরিয়া ও লেবানন ফরাসী সরকারের অধিনে চলে আসে।

১৯৩২ – কলকাতায় রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।

১৯৩৩ – ২৭ বছর ধরে ধারাবাহিক প্রচারিত নাটক ‘দ্য রোমাঞ্চ অব হেলেন ট্রেন্ট’-এর প্রথম পর্ব প্রচারিত হয়।

১৯৪৪ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বৃটিশ বিমান বাহিনী জার্মানীর হামবুর্গ বন্দরে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ বোমা বর্ষণ করে।

১৯৪৬ – সমুদ্র তলদেশে প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

১৯৭৬ – ঢাকায় প্রেসিডেন্টের গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ – অত্যন্ত ব্যয়বহুল ওয়াল্ট ডিজনির ‘দ্য ব্ল্যাক কলড্রন’ সিনেমা হলে মুক্তি পায়।

১৯৮৬ – এডিনবয়ায় কমনওয়েলথ গেমস শুরু। ৩১ টি দেশের ক্রীড়া বর্জন।

১৮১৪ – ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৩ ‌- চিলিতে দাসত্ব প্রথা বিলোপ।

১৮৬১ – নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের দায়ে পাদ্রি জেমস লঙ কারারুদ্ধ হন।

১৮৬৮ – মার্কিন বিজ্ঞানী ও গবেষক ‘জন ওয়েসলি হিট’ প্লাস্টিক তৈরীর জন্য নতুন ধরনের উপাদান তৈরী করতে সক্ষম হন।

১৮৭৯ – মি. ফিউরি কলকাতায় প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি প্রদর্শন করেন।

১৫৩৪ – ফরাসি অভিযাত্রী কানাডায় তরী ভিড়িয়ে সেটিকে ফ্রান্সের অঞ্চল বলে ঘোষণা করেন।

১২০৬ – কুতুবুদ্দিন আইবেক সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আহমাদ সামলো, ইরানি কবি ও সাংবাদিক।

২০০৩ – সমিত ভঞ্জ, ভারতীয় বাঙালি  চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০০৯ – আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

২০১২ – জন আটা মিলস, ঘানার আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় রাষ্ট্রপতি।

২০২০ (ক) দেলোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য।

(খ) অমলাশংকর, ভারতীয় ব্যালে নর্তকী।

১৯৩৯ – স্যার আবদুল করিম গজনভি, বাঙালি রাজনীতিবিদ, অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী।

১৯৭৪ – স্যার জেমস চ্যাডউইক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ পদার্থবিদ।

১৯৭৫ – অরুণাচল বসু, বাঙালি কবি ও অনুবাদক।

১৯৮০ – উত্তম কুমার, বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।

১৯৮০ – বিনয় ঘোষ, সমাজবিজ্ঞানী ও সাহিত্য-সমালোচক।

১৯৮৬ – ফিৎস লিপম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন জৈবরসায়নবিদ।

১৯৯১ – আইজ্যাক সিঙ্গার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ ঔপন্যাসিক।

১৯৯৯ – বাদশাহ হাসান, মরক্কোর বাদশাহ।

১৮৭০ – কালীপ্রসন্ন সিংহ, ঊনবিংশ শতকের সাহিত্যিক, মহাভারতের বাংলা অনুবাদক।

১৮৮৪ – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, বাগ্মী ও রাজনীতিক, হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক রায়বাহাদুর কৃষ্ণদাস পাল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
কবিতা

এলে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে :::: রাণু সরকার।।।

চলে তো গিয়েছিলে,
আবার কেনো এলে-
কুড়ি বছর পর?
কষ্ট গুলোকে সংগ্রহ করতে গিয়ে আরো কষ্ট জন্ম নিলো।

দেখছোনা ওরা জ্বলছে–
দিলেতো সব ভণ্ডুল করে,

নমিত শরীর বারবার ওঠাবসা করতে পারি না যে–
কিছু কষ্ট কোথায় যে লুকিয়ে পড়লো কী জানি–
কিছুক্ষণ আগেও ওরা ছিলো।
ওদেরও ভয় আছে জ্বলার, যে কী জ্বালা একমাত্র আমিই জানি।
ভাবছিলাম বসে,
ওরা কোথায় থাকতে পারে।

তুমি এলে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে-
হয়তো তোমার ভয়ে তারা লুকিয়ে পড়েছে।
একটুও পালটাওনি তুমি, আগের মতই আছো।
এই বয়সে এসেও গর্হিত বস্ত্র পরিধান করেছো
যাগ্গে-আমার বলাটাই অপ্রয়োজনীয়,

কষ্ট গুলো ভালোই জ্বলছিলো-
প্রথমে তো আসতেই চাইছিলো না,
জোরপূর্বক জ্বালাতে হলো,
কেনো না এদের সান্নিধ্যে আর থাকতে
পারছি না।

কেনো এলে তুমি?

আমি তো অট্টালিকা ও মূল্যবান যাকিছু ছিলো সব তো দিয়ে এসেছি।
সাথে করে কিছুতো আনিনি,
তবে কেনো এলে আমার জীর্ণ কুটিরে?
এসেই আমার কষ্টের আগুনে দিলে জল ঢেলে।
এই ধোঁয়ায় কষ্ট গুলো ছটফট করছে-
একবারে পুড়ে গেলে এতো কষ্ট হতো না।

এ- তুমি কী করলে অর্ধমৃত করে রেখেদিলে !

Share This
Categories
রিভিউ

২৩ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৩ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জুলিয়েট ব্র্যান্ডনসান, (সুইস লেখক ও ইতিহাসবিদ)।

১৯০৬ – ভ্লাডিমির প্রেলগ, (ক্রোয়েশীয়-সুইস জৈব রসায়নবিদ)।

১৯০৬ – চন্দ্রশেখর আজাদ, (ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী)।

১৯২৫ – তাজউদ্দীন আহমদ, (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা)।

১৯৪৯ – ক্লাইভ রাইস, (দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৫০ – অ্যালান টার্নার, (অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার)।

১৯৫২ – পল হিবার্ট, (অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৫৩ – গ্রাহাম গুচ, (ইংল্যান্ডের সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৫৭ –  থিও ভ্যান গগ, (হল্যান্ডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা)।

১৯৬১ – উডি হ্যারেলসন, (মার্কিন অভিনেতা ও নাট্যকার)।

১৯৬৫ – স্ল্যাশ, (ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী ও গীতিকার)।

১৯৬৭ – ফিলিপ সিমোর হফম্যান, (আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক।

১৯৭২ – ফ্লয়েড রেইফার, (বিশিষ্ট বার্বাডিয়ান ক্রিকেটার)।

১৯৭৬ – ইয়েহুডিট পোল্‌গার, (হাঙ্গেরীয় দাবাড়ু)।

১৯৮২ – পল ওয়েসলি, (আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক)।

১৯৮৬ – মেহদী হাসান খান, (অভ্র কী-বোর্ড-এর প্রোগ্রামার)।

১৯৮৯ – ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, (ইংরেজ অভিনেতা)।

১৮০৮ – হরচন্দ্র ঘোষ,( উনিশ শতকের বাঙালি জজ)।

১৮৪৩ – রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষ, (বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী)।

১৮৫৬ – বাল গঙ্গাধর তিলক, (ভারতের জাতীয়তাব্দী নেতা, সমাজ সংস্কারক, আইনজীবী ও স্বাধীনতা কর্মী)।

১৮৭৮ – ইরাকের কাজেমাঈন শহরে বিখ্যাত আলেমে দ্বীন আয়াতুল্লাহ সাদরুদ্দিন সাদর।

১৮৮৪ – এমিল জ্যানিংস, (জার্মান অভিনেতা)।

১৮৮৬ – ওয়াল্টার হার্মান শটকি, (জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী)।

১৮৮৮ – রেমন্ড চ্যান্ডলার, (ব্রিটিশ-মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং চিত্রনাট্যকার)।

১৮৯২ – হাইল স্যালেসি, (ইথিওপীয় সম্রাট)।

১৮৯৫ – পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র, (অন্যতম সাংসদ, আইনজ্ঞ, বাগ্মী)।

১৮৯৮ – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, (বিংশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত।

১৯০০ -প্রথম প্যান-আফ্রিকা সম্মেলনের আয়োজন।

১৯০৩ – ফোর্ড মোটরগাড়ি কোম্পানি ডেট্রয়েটে প্রথম গাড়ি বিক্রি করেছে।

১৯১৪ – সার্বিয়াকে চরমপত্র দেয় অস্ট্রিয়া।

১৯২১ – চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন।

১৯২৩ – মিত্র ও সহযোগী শক্তির সাথে তুরস্কের নতুন লুজান চুক্তি (Traité de Lausanne) স্বাক্ষরিত।

১৯২৭ – ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভারতের বোম্বাইয়ে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৩৪ – ব্রিটিশ সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে বেআইনি ঘোষণা করে।

১৯৪২ – বুলগেরিয়ার কবি ও সমাজতান্ত্রিক নিকোলা ভ্যাপসারভকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।

১৯৪২ – ব্রিটিশ সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

১৯৫২ – জেনারেল মহম্মদ নেগুইবের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানে মিশরের রাজা ফারুক ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯২ – জর্জিয়ার কাছ থেকে আবখাইজয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৫ – হেল-বপ ধূমকেতু আবিষ্কার হয়। পরের বছরের শুরুতে সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়।

১৮২৯ – আমেরিকাতে উইলিয়াম অস্টিন বার্ড টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন।

১৮৮১ – আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা সমূহের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯৩ – কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত হয়।

১৭৯৩ – ফ্রান্স‌-এর হাত থেকে মেইনজ পুনরুদ্ধার করে প্রুশিয়া।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – মেহমুদ, (ভারতীয় অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক এবং প্রযোজক)।

২০০৭ – মুহাম্মদ জহির শাহ, (আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ)।

২০১২ – ক্যাপ্টেন ডাক্তার লক্ষ্মী সেহগল, (আজাদ হিন্দ ফৌজের রাণী ঝাঁসি রেজিমেন্টের প্রধান)।

২০১২ – স্যালি রাইড, (আমেরিকান মহাকাশচারী এবং প্রকৃতিবিজ্ঞানী)।

২০১৩ – দালমা সান্তোস, (ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার)।

২০১৮ – বাসবী নন্দী, (ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী)।

২০২১ -( একুশে পদকপ্রাপ্ত গণসংগীত শিল্পী, স্বাধীন বাংলা বেতার শব্দসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা) ফ‌কির আলমগীর।

১৯১৬ ‌- স্যার উইলিয়াম র‍্যামজি, (স্কটিশ রসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী)।

১৯৩৩ – যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, (ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী)।

১৯৪২ – অ্যান্ডি ডুকাট, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ও ফুটবলার)

১৯৪৮ – ডি ডব্লিউ গ্রিফিথ, (প্রভাবশালী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক)।

১৯৫৭ – ইতালীয় কথাসাহিত্যিক জুজেপ্পে লাম্পাদুজার।

১৯৬৩ – নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক,লেখক ও বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৬ – মন্টগামারি ক্লিফট, (মার্কিন চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও বেতার অভিনেতা)।

১৯৬৮ – হেনরি ডেল, (ইংরেজ ওষুধবিজ্ঞানী ও শারীরতত্ত্ববিদ)।

১৯৭১ – ভ্যান হেফলিন, (মার্কিন মঞ্চ, বেতার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

১৯৮৫ – জনি ওয়ারডল, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৯৯ – এস এম আহমেদ হুমায়ুন, (বাঙালি লেখক ও সাংবাদিক)।

১৯৯৯ – মরক্কোর বাদশা দ্বিতীয় হাসান।

১৮৮৫ – ইউলিসিস এস. গ্রান্ট, (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টাদশ রাষ্ট্রপতি)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
কবিতা

আচমকা : রাণু সরকার।

হৃদয়টা রইলো পড়ে বৃষ্টিতে সিক্ত,
রোদ্দুরের তপ্ত আদ্রতা,
কিছু দূরে ছোট্ট এক জলাশয়,
প্রতিদিন জল নিতে আসতো লাজুক
এক মেয়ে!

দেখে মনে হয় দুর্ভিক্ষ আক্রমন করেছে তারে।
শরীরে বাসা বেধে চরম ব্যাধিতে
চোখের বিস্ময় থেকে আঙুলের প্রতিটি ডগায়
তার দুঃখ-কষ্ট !

জ্যোৎস্নার উৎসবে অকস্মাৎ বেজে উঠলো মাদল!
কী তার কারণ ?
বৃষ্টির দিনে জঙ্গলে জেগে ওঠে কামনা!
সুঠামদেহী সুদর্শন পুরুষ সাত রঙে-
চালিত করছে রূপ!

আর তার খুব কাছেই ছিলো।
আচমকা মধুলোভীর নিশ্বাস গায়ে আসে,
হিংস্রের মত দুর্গন্ধ!
গভীর স্তব্ধতা চেয়েছিল হলো না,
কোথা থেকে ছুটে এলো বিকট আওয়াজ
তারা বিপরীত দিকে চলে গেল।
জীবনে আর দেখা হবে না!

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন পুরীর পঞ্চতীর্থ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো পুরীর পঞ্চতীর্থ ।

 

পঞ্চতীর্থ বলতে ভারতের পুরী শহরে অবস্থিত পাঁচটি জলাধারকে বোঝায়। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, পুরীতে তীর্থযাত্রা সম্পূর্ণ করতে হলে এই পাঁচটি জলাধারে স্নান করতে হয়।

 

এই পাঁচটি জলাধার হল:—

 

ইন্দ্রদ্যুম্ন কুণ্ড: প্রাচীন ভারতের মালবদেশের অবন্তী অঞ্চলের রাজার নামও পান্ড্য রাজার মতো একই সূর্যবংশের বংশধর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। ইনি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে  জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কিংবদন্তি হয়ে আছেন  এবং যাহা স্কন্দ পুরাণে পুরুষোত্তম-ক্ষেত্র – মাহাত্ম্য বিভাগে বিশেষভাবে বর্ণিত আছে। গুণ্ডিচা মন্দিরের কাছে অবস্থিত। মহাভারতে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের অশ্বমেধ যজ্ঞ ও জগন্নাথ সংস্কৃতির চার প্রধান দেবতার আবির্ভাব বর্ণিত হয়েছে। এই মহাকাব্যে আছে, কীভাবে সহস্রাধিক গরুর ক্ষুরের চাপে পবিত্র ইন্দ্রদ্যুম্ন জলাধার নির্মিত হয়েছিল। রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এই জলাধার ব্রাহ্মণদের দান করেছিলেন। ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারত এবং পুরাণে বর্ণিত পান্ড্য রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন সূর্যবংশের রাজা সুমতির পুত্র এবং ভরতের পৌত্র।  বিষ্ণু ভক্ত এই রাজা গজেন্দ্র স্তূতি অর্থাৎ বিষ্ণু সহস্রনামে  গজেন্দ্রমোক্ষে ভগবান বিষ্ণুর দ্বারা গজেন্দ্র জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মোক্ষ বা মুক্তি লাভ করেন।

 

রোহিণী কুণ্ড : রোহিণী কুণ্ড হল বিমলা মন্দিরের কাছে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গনের ভিতরে অবস্থিত একটি পবিত্র কূপ।  রোহিণী কুণ্ডকে নারায়ণের আবাস বলে মনে করা হয়।  এখানে অবস্থিত অক্ষয় কল্পবত নামক পবিত্র বটবৃক্ষটিরও পূজা করা হয়।  পুরাণ অনুসারে, শিকারী জরা সাভার ঘটনাক্রমে কৃষ্ণকে হত্যা করে তাকে দাহ করেন।  কৃষ্ণ জারার স্বপ্নে আবির্ভূত হন এবং তাকে বলেছিলেন যে তার দেহাবশেষ একটি লগে রূপান্তরিত হবে যা সমুদ্র থেকে রোহিণী কুণ্ডে ভেসে যাবে।  ইন্দ্রদ্যুম্ন জরার সাহায্যে সেই পবিত্র লগিটি ​​খুঁজে পান যেখান থেকে জগন্নাথের মূর্তি খোদাই করা হয়েছিল।

 

মার্কণ্ডেয় কুণ্ড : হল পুরীর তীর্থ পরিক্রমার প্রথম স্থান। জলাধারটির আয়তন ৪ একর। এর পাশে মার্কণ্ডেয়েশ্বরের মন্দির আছে।

 

শ্বেতগঙ্গা কুণ্ড : নীলাচলের দক্ষিণে অবস্থিত। এই কুণ্ডের পাশে বিষ্ণুর মৎস্য অবতার ও রাজা শ্বেতের মন্দির আছে।

 

স্বর্গোদ্বার অঞ্চলের সমুদ্রকে “মহোদধি” বলা হয়। এটি একটি স্নানক্ষেত্র। মহোদধি নামেও সমুদ্রকে স্বর্গদ্বারা এলাকায় একটি পবিত্র স্নানের স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  সমুদ্র আরতি হল একটি দৈনিক ঐতিহ্য যা বর্তমান শঙ্করাচার্য ৯বছর আগে শুরু করেছিলেন।  প্রতিদিনের অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে মঠের শিষ্যদের দ্বারা পুরীর স্বর্গদ্বারে সমুদ্রে প্রার্থনা এবং অগ্নি নিবেদন প্রতি বছরের পৌষ পূর্ণিমায়।

 

অন্য সংস্করণ অনুসারে পুরীর ৫টি তীর্থ হল ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যা পুরীতে আসা সমস্ত তীর্থযাত্রীদের অবশ্যই যেতে হবে:

 

(ক) বলরাম

(খ) অক্ষয় ভাতা

(গ) মার্কন্ডেয় ট্যাঙ্ক

(ঘ) ইন্দ্রদ্যুম্ন ট্যাঙ্ক

(ঙ) সমুদ্র

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২২ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) পাই দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৩ – সুমিত্রা দেবী (অভিনেত্রী), (ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী যিনি তার অভিনয় দিয়ে বাংলা আর হিন্দি উভয় চলচ্চিত্রকেই সমৃদ্ধ করেছেন)।

১৯২৩ – মুকেশ, (ভারতীয় চলচ্চিত্রের সুবিখ্যাত নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী)।

১৯২৬ – মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, (মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী)।

১৯৯৫ – ‘দুঃখের রানী’ হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় গায়িকা মারিলিয়া মেন্ডনকা।

১৮১৪ – প্যারীচাঁদ মিত্র, (বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর)।

১৮৪৭ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, (বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক)।

১৮৮৭ – গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ)।

১৮৮৮ – সেলম্যান ওয়াক্সম্যান, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইউক্রেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী ও মাইক্রো জীববিজ্ঞানী)।

১৮৯৫ – পলিন ফাইফার, (মার্কিন সাংবাদিক ও লেখিকা)।

১৭৮৪ – ফ্রিডরিশ ভিলহেল্ম বেসেল, (জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং তার রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর ২১ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

২০০২ – রাতে ফিলিস্তিনের নিরপরাধ নারী ও শিশুরা যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিল, তখন ইসরাইলী এফ-১৬ জঙ্গীবিমান রাতের অন্ধকারে গাজা উপত্যকার কয়েকটি এলাকায় বোমাবর্ষণ করে।

২০০৩ – ইরাকের সাবেক শাসক সাদ্দাম হোসেনের দুই পুত্র উদয় ও কুসাই উত্তর ইরাকের মসুলের কাছে মার্কিন হামলায় নিহত হয়।

২০১১ – নরওয়েতে ভয়ানক হামলা চালায় ৩২ বছর বয়স্ক অ্যানডার্স ব্রেভিক নামের এক নরওয়েজিয়ান।

১৯৭২ – (ক) রাশিয়ার মনুষ্যবিহীন নভোযান ভেনেরা-৮ শুক্রে অবতরণ করে।

(খ) – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গুয়াতেমালা।

১৯৭৭ – চীনের নেতা দেং জিয়াও পিং পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৮৩ – পোল্যান্ডে সামরিক আইন প্রত্যাহৃত হয়।

১৯০৫ – জাপানের সাথে শান্তি বৈঠকে রাশিয়া সম্মত হয়।

১৯১২ – ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক রবীন্দ্রনাথের সংবর্ধনা।

১৯১২ – চীনের কার্যকরী শাসক হন ভাইসরয় ইউয়ান শি-কাই।

১৯১৫ – ইতালির ইযোনিযো পাহাড়ি এলাকায় ইতালি ও অস্ট্রিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯১৭ – আলেকজান্দার কেরেনস্কি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯২৬ – শহীদ অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জন্ম।

১৯৩৩ – উইলি পোস্ট প্রথম একা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। উড়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে তার সময় লেগেছিল সাত দিন ১৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।

১৯৪৪ – পোল্যান্ডে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়।

১৯৪৬ – ব্রিটেনে পাউরুটির রেশন চালু হয়।

১৯৪৭ – ভারতের গণ পরিষদে তেরঙা ভারতের জাতীয় পতাকা বা রাষ্ট্রীয় ধ্বজা হিসাবে গৃহীত হয়।

১৯৪৮ – নেদারল্যান্ডসের রানি উইলহেলমি পদচ্যুত হন।

১৯৬১ – ফরাসী সেনারা তিউনিসিয়ার পূর্ব উপকূলীয় শহর বিযোর্তে হামলা চালায়, ফলে তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে তাদের তুমূল সংঘর্ষ বাঁধে।

১৪৫৬ – উসমানীয় তুর্কিরা বেলগ্রেড অধিকার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৭৬ – (ক) শিল্পকলাবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক রবার্ট এরিক হুইলারের মৃত্যু।

(খ) – বাঙালি লেখক, ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক মণীন্দ্রলাল বসু।

১৯৮৬ – মহুয়া রায়চৌধুরী, (প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৪ – নাট্যসম্রাজ্ঞী সরযূবালা দেবী (বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৫ – হ্যারল্ড লারউড, বিখ্যাত ও পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯১৮ – প্রথম ভারতীয় বিমান চালক ইন্দ্রলাল রায় যুদ্ধরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৮ – হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার (বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী )।

১৯৭০ – ‘মাসিক বসুমতী’ পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক প্রাণতোষ ঘটকের মৃত্যু।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আর্থিক বিকাশে মাছ চাষের গুরুত্ব অপরিসীম :  দিলীপ রায়।

আমাদের দেশে মাছ চাষের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে । খাল, বিল, নদী-নালা, জলাশয়, পুকুর, মাছ চাষের উপযুক্ত  মাধ্যম । ইদানীং বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ পরিলক্ষিত হয় । তবে মূলত  আমাদের দেশে যে সকল মাছের চাষ করা হয় তার বেশীরভাগই রুই-কাতলা  জাতীয় মাছ । এসকল মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউস, ইত্যাদি । তা ছাড়া হ্যাচরির মাধ্যমে চিংড়ি মাছ চাষ আজ জনপ্রিয় । যেমন গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি, ইত্যাদি । তবে কুচো চিংড়ির চাষ না হলেও নদী-নালা-খাল-বিল  থেকে বেশি ধরা হয় । মাছের ভেরি  বা  হ্যাচারি মূলত বেশি  দেখা যায় সুন্দরবন এলাকায়  ।  এসব মাছ ব্যাতীত বেশ কিছু মাছের চাষও আমাদের দেশে হয়ে থাকে যেমন, মাগুর, শিং, পাঙ্গাস ইত্যাদি  । মাগুর, শিং সাধারনত উন্নত প্রথায় চাষ হওয়ার কারণে এক-একটি মাছের ওজনও নজরকাড়া ।  পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা খাল-বিলে (চাষ ছাড়া)  জল শুকিয়ে গেলে সেখানেও  দেশি মাগুর, শিং মাছের সন্ধান পাওয়া যায় ।
মাছ চাষ বা মৎস্য চাষ হলো সাধারণত খাবারের জন্য পুকুরে বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে  মাছ চাষ করা । এটি জলজ চাষের প্রধান রূপ এবং এই চাষ সামুদ্রিক প্রাণীর সাথেও হতে পারে । একটি সুবিধা যা বিনোদনমূলক মাছ  ধরার জন্য বা একটি প্রজাতির প্রাকৃতিক সংখ্যার পরিপূর্ণ  করার জন্য ছোট মাছেদের ছাড়ার  ব্যবস্থাকে সাধারণত মাছের হ্যাচারি হিসাবে উল্লেখ করা হয় ।
লাভজনক মাছ চাষ বাস্তবায়ন করতে গেলে  ধাপে ধাপে ধাপে কতকগুলি পদক্ষেপ নিতে  হয় । যেমন  মাছ চাষ শুরু করার উপযুক্ত পদক্ষেপগুলি হলো   পুকুর / জলাশয়  নির্বাচন, ফিশ ফার্মের ধরণ (খাঁচা, ট্যাঙ্ক বা পুকুর), খাঁচা বা পুকুর নির্মাণ,  মাছের প্রজাতি নির্বাচন,  খাবার খাওয়ানো, যত্ন ও পরিচর্যা, মাছ ধরা ও বিপণন (মার্কেটিং), ইত্যাদি  ।
মৎস্য চাষ ক্ষেত্রটির পরিধি ব্যাপক । পুকুর, জলাভূমি ছাড়াও, লোনা জলে মাছ চাষ দেখা যায় । এছাড়া রয়েছে  শীতল জল এবং বাহারি ও শৌখিন মাছ চাষ ।
মাছ ও মাছ থেকে পাওয়া প্রোটিনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে ।  চীনে বিশ্বের মোট মাছ চাষের ৬২% হয়ে থাকে ।  ২০১৬ সাল নাগাদ পৃথিবীর মোট উৎপাদিত সীফুডের মধ্য জলজ পালনে ৫০% এর অধিক সীফুড উৎপাদিত হয়  ।
ভারতে মৎস্য চাষ একটি উদীয়মান ক্ষেত্র (সেক্টর) । ভারতে মৎস্যচাষে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে । এখনও পর্যন্ত মৎস্যচাষে বিশ্বে ভারতের স্থান তৃতীয় এবং বিশ্বে মৎস্য উপাদনের ৭.৯৩ শতাংশ আসে ভারত থেকে । সেইসঙ্গে বিশ্বে মৎস্যচাষের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদনে ভারতের স্থান দ্বিতীয় । ভারতের অর্থনীতিতে মৎস্যচাষ ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে । জাতীয় GDP-তে মৎস্যচাষের  ক্ষেত্রের অবদান প্রায় ১ শতাংশ । যে দ্রুতগতিতে এই ক্ষেত্রের বিকাশ ঘটছে তাতে শুধু জাতীয় আয়ই নয়, বরং রপ্তানি, খাদ্য ও পুষ্ঠি নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতেও  এই ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চলেছে । এই মৎস্যচাষ  ক্ষেত্র ২.৮ কোটিরও বেশি মৎস্য শিকারি ও মৎস্যচাষীর কর্মসংস্থান করছে ।
মৎস্যচাষের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে মৎস্যচাষ, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রক মোট ২০,০৫০ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে চালু করেছে “প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা” । এছাড়াও, মৎস্যচাষের সঙ্গে  সঙ্গে এই মৎস্যচাষ ক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে নীল বিপ্লবের সূচনা করেছে ভারত সরকার । তা ছাড়া সমবায় ভিত্তিক মৎস্যচাষের জোরদার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে ।  ভারতে মৎস্যচাষ সমব্যয় আন্দোলনের ক্ষেত্রে শীর্ষ ও জাতীয় স্তরের সমব্যয় সংস্থাটি হলো “ন্যাশনাল ফেডারেশন ফিশার্স কো-অপারেটিভস লিমিটেড (FISHCOPFED) । ১৯৮২ সাল  থেকে FISHCOPFED  কাজ শুরু করে । দেশের মৎস্যচাষ সমবায়গুলির ক্ষমতায়নই   FISHCOPFED-এর মূল লক্ষ্য । এছাড়াও অনেক রাজ্যে প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায় সমিতিগুলির কাজের সুবিধার্থে মৎস্য বিপণনের ক্ষেত্রে খুচরো ও পাইকারি বিক্রেতা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করে থাকে এই সংস্থা ।  এই প্রক্রিয়ায় মৎস্যচাষীরা তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য পেতে পারেন ।
মৎস্যচাষ সেক্টরের পরিধি অনেক ব্যাপক । এর মধ্যে অনেকগুলি বিভাগ রয়েছে – যেমন সামুদ্রিক, অন্তর্দেশীয়, লোনা জলের মৎস্যচাষ । এছাড়া রয়েছে শীতল জল এবং বাহারি ও শৌখিন মৎস্যচাষ ।
এখানে উল্লেখ থাকে যে, দেশের রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে চব্বিশটিতে রাজ্যস্তরীয় মৎস্যচাষ ফেডারেশন রয়েছে ।  মৎস্যচাষ ক্ষেত্রে কিছু কিছু রাজ্য ফেডারেশন অত্যন্ত ভাল কাজ করছে  । যেমন – কেরলের “মৎস্যফেড”, গুজরাতের “গুজরাত ফিশারিজ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গের “বেনফিশ” । এছাড়া রয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজ্য ফেডারেশন, মধ্য প্রদেশ রাজ্য ফেডারেশন, অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য ফেডারেশন, ইত্যাদি ।
পরিশেষে যেটুকু জানা গেছে, প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায়গুলির মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ উপকৃত । বলা চলে এই সমবায়গুলি সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জীবিকা, পুষ্টি  তথা সামাজিক নিরাপত্তা দিতে পারে । এখানে আর একটি কথা প্রনিধানযোগ্য, মানুষের হাতের নাগালে  পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে  দেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে গেলে এই সমবায়গুলিকে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হবে । প্রাথমিক মৎস্যচাষ সমবায়গুলিকে কম্পিউটার চালিত করা গেলে তৃণমূল স্তরেও এই মৎস্যচাষ সমবায় ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ  বিকাশ ঘটবে ।
সুতরাং আগামীদিনে আর্থিক বিকাশে মৎস্যচাষ দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠবে, এটা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যদ্‌বাণী করা যায় ।

 

(চিত্র ঋণ : গুগুল)

(তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ও যোজনা-৭/২৩)
———–০————

Share This
Categories
কবিতা

জানা নেই গন্তব্যস্থল :: রাণু সরকার।।।।

শরতের আকাশ দেখতে ভীষণ ভালো লাগে,
প্রতি শরতেই আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি
দল বেঁধে কারা যেন চলছে খড়ের আঁটি মাথায় নিয়ে।
অস্পষ্ট দৃষ্টিতে দেখি, অতোদূরে।
কষ্ট করে দৃষ্টিনিক্ষেপ করি,

ওদের গন্তব্যস্থল জানা নেই, চলছে তো চলছেই
দলের মধ্যে বৃদ্ধ বেশি,
কিশোর কম।
আবার কখন দেখি,
তুলোর পুঞ্জ মথায় নিয়ে ধীরগতিতে চলছে বৃদ্ধদের দল-
কিশোররা চলছে ক্ষিপ্রবেগে।

বৃদ্ধদের মুখ গম্ভীর দেখে মনে হচ্ছে অব্যক্ত
কত ভাষা অন্তরালে,
আমি ডেকেছিলাম-
একটু থমকে দাঁড়াল
কীজানি কী মনে হলো, আবার মন্থর গতিতে
চলতে লাগলো।

ওরা যাচ্ছে কোথায়?
আমায় ভাবনারা কুঁড়ে কুঁড়ে খায়!

Share This
Categories
কবিতা

একটি রাত : রাণু সরকার।।।

আমি ঋণগ্রস্ত,
কে দেবে দেনার দায় থেকে রেহাই?
বিলম্ব হবে না পরিশোধ করতে!
পাওনাদার প্রতিদিন দৈহিক নির্যাতন করছে-

একটি রাতের জন্য চাই,
দেবে কী?
ঋণের পরিমাণের উপর যে মূল্য-
তার বেশি আমি দেবো!

নেবো শুধু তোমার হাতে-
ঋণের দায় থেকে তবেই পাবো
নিষ্কৃতি!
শুধু একটি রাতের জন্য!

আমার একটু চাওয়া আছে-
যেভাবে অসত্য বলো-
সব শিখবো এক রাতে,
উড়ে বেড়াতে পটু-
প্রচরণশীল বিহগের মতো-
কখন অমতে ঐকাত্ম্য হতে চাওয়া!

Share This