Categories
বিবিধ

বিএস রোডে সোনার দোকানে চুরির অভিযোগ, কলকাতা থেকে দুই মহিলাকে ধরল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- সোনার গয়না দেখার নাম করে দোকানে ঢুকে প্রায় ১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকার সোনার চেন চুরির অভিযোগ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরে কলকাতা থেকে দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া ১২ গ্রাম ওজনের সোনার চেন।
গত ৮ অক্টোবর ইংরেজবাজারের বিএস রোডে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুশান্ত নিয়োগীর দোকানে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, গয়না দেখার ছলে চেন হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয় দুই মহিলা। বিএস রোডের পরপর তিনটি দোকানে তাদের ঢোকার ছবি ধরা পড়ে সিসি ক্যামেরায়। সেই ফুটেজ পুলিশের হাতে তুলে দেন ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। আইসি পঙ্কজ সিংয়ের নির্দেশে অফিসার আনসারুল হকের নেতৃত্বে একটি দল কলকাতা থেকে অভিযুক্ত দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতদের মালদা জেলা আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়।
সোনার দোকানে পরপর চুরি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে। এই চুরির কিনারা হলেও চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মাল উদ্ধার ও চুরির ঘটনায় যুক্ত দুই মহিলাকে গ্রেফতার করার জন্য ইংরেজবাজার থানার পুলিশ এবং সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক উজ্জ্বল সরকার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুই মহিলার নাম, সোনিয়া ইয়াসমিন (৩৮) বাড়ি বুনারটি উত্তর ২৪ পরগনা এবং মুমতাজ বিবি (৫২) বাড়ি ধর্মতলা কলকাতা।

Share This
Categories
বিবিধ

হরিশ্চন্দ্রপুরে জাতীয় সড়কে লরির ধাক্কায় মৃত্যু, চালক ও খালাসির পালানোর অভিযোগ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- দুধ দিতে যাওয়ার পথেই প্রাণ গেল ৫৫ বছরের এক ব্যক্তির। জাতীয় সড়কে লরির ধাক্কায় সাইকেল থেকে ছিটকে পড়তেই তাঁর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায় লরির চাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কাশিমপুরের বাসিন্দা দীপক দাসের। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ হরিশ্চন্দ্রপুরগামী ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাশিমপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইকেলে করে দুধ দিতে পাশের পিপলা গ্রামে যাচ্ছিলেন দীপকবাবু। জাতীয় সড়কে ওঠার সময় তুলসীহাটার দিক থেকে আসা একটি লরি তাঁকে সজোরে ধাক্কা মারে। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ! রাস্তায় ছিটকে পড়তেই তাঁর উপর দিয়ে চলে যায় লরির চাকা। ঘটনাস্থলেই নিভে যায় একটি প্রাণ। দুর্ঘটনার পর লরি ফেলে চালক ও খালাসির পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক লরিটি আটক করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় সড়কে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর কত প্রাণ কাড়বে? সাধারণ মানুষ কি নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন না? জীবিকার তাগিদে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এভাবে প্রাণ হারানোর ঘটনা এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদার গোসাইপুরে দুই পড়ুয়ার সন্ধান নেই, সন্তানদের ফেরার অপেক্ষায় পরিবার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :— টিউশনি পড়তে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল দুই ভাই। কিন্তু তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি তারা! দিন পেরিয়ে গেলেও দুই ছেলের কোনও খোঁজ না মেলায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। কোথায় গেল দুই ভাই? কী হয়েছে তাদের সঙ্গে? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পরিবারের সদস্যদের মনে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের বিনোদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোসাইপুর এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ দুই পড়ুয়ার নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল, বয়স ১৬ বছর, এবং প্রসেনজিৎ মণ্ডল, বয়স ১৩ বছর। বিশ্বজিৎ নগরিয়া স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। অন্যদিকে, প্রসেনজিৎ বাঙ্গিটালা স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।
গত ৬ তারিখ দুই ভাই একসঙ্গে টিউশনি পড়তে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। অমৃতি এলাকার এক শিক্ষকের কাছে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু অভিযোগ, তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি দুই ভাই। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিলেও এখনও পর্যন্ত তাদের সন্ধান মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ, একসঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেও কোথায় রয়েছে দুই নাবালক পড়ুয়া, তা এখনও জানতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দুই ছেলের খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা ক্রমশ বাড়ছে। সন্তানদের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পরিবার। কখন, কোথা থেকে মিলবে দুই ভাইয়ের খোঁজ? নিরাপদে কি বাড়ি ফিরবে তারা? এই মুহূর্তে সেই আশাতেই রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
দুই নিখোঁজ পড়ুয়ার সন্ধান পেতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের আশায় পরিবার। বিশ্বজিৎ ও প্রসেনজিৎকে কোথাও দেখতে পেলে বা তাঁদের সম্পর্কে কোনও তথ্য জানা থাকলে, দয়া করে নিকটবর্তী পুলিশকে জানান।

Share This
Categories
বিবিধ

ডালি, কুলো ও চালুনে ফুটে উঠবে গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, বুলবুলচণ্ডীর পুজোর বাজেট ৮ লক্ষ টাকা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—ইতিহাসের পাতায় জড়িয়ে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজোর স্মৃতি। সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু, অবসান হয়েছে জমিদারি প্রথার, কিন্তু হারিয়ে যায়নি সেই পুজোর ঐতিহ্য।
এক সময় জমিদার পরিবারের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই পুজো বর্তমানে পরিচালনা করছে বুলবুলচণ্ডী মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাব যা এম এম সির দুর্গাপূজা নামে খ্যাত । এবছর ক্লাবের দুর্গাপুজো ৬৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন ভাবনার মেলবন্ধন ঘটিয়ে এবার মণ্ডপসজ্জায় থাকছে টেরাকোটা শিল্পের কারুকার্য , যা দর্শনার্থীদের পুজো মন্ডপে বিশেষ আকর্ষণ করবে বলে মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। জমিদার পরিবারের সদস্য সাধন কুমার রায়ের কথায়, প্রায় ১৫০ বছর আগের সেই দুর্গাপুজোর স্মৃতি আজও তাদের মনে পড়ে। তৎকালীন জমিদার স্বর্গীয় ব্রজলাল রায়ের হাত ধরেই এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীকালে রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় পুজোর দায়িত্ব সামলান। এরপর এলাকায় ‘রানি মা’ নামে পরিচিত গিরিজা সুন্দরী দেবীও এই পুজোর আয়োজন করেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিদার পরিবারের উদ্যোগেই নিষ্ঠার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতো দেবী দুর্গার আরাধনা, লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক দিয়ে গুলি চালিয়ে পুজো শুরু হত। এই পুজো কে ঘিরে মেলা ও আদিবাসী নৃত্য হত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জমিদারি প্রথার অবসান ঘটে। এরপরও কয়েক বছর ধরে পুজো চললেও ১৯৫৪ সালে জমিদার পরিবারের পক্ষ থেকে পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে বুলবুলচণ্ডী মৃত্যুঞ্জয় মেমোরিয়াল ক্লাব এই পুজোর দায়িত্বভার গ্রহণ করে।
ক্লাবের উদ্যোগে নতুন করে শুরু হয় দুর্গাপুজো । সেই থেকে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে এই ঐতিহ্যবাহী পুজো। পুজো কমিটির সম্পাদক ও ক্লাবের দায়িত্বে থাকা সদস্যরা জানান, এবারের পুজোর অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে টেরাকোটা শিল্পের কারুকার্যে মণ্ডপসজ্জা। বাঁশের তৈরি বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। ডালি, কুলো, চালূন সহ গ্রামবাংলার পরিচিত নানা সামগ্রী ব্যবহার করে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে লোকজ শিল্প ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নান্দনিক রূপ। এবারের পুজোর বাজেট প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।

Share This
Categories
বিবিধ

দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মালদায় অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলার আয়োজন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে, মালদা গভ. আই টি আই, মালদা কলেজ ও জেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টায় মালদা কলেজে অনুষ্ঠিত হলো প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা ও প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম । সোমবার প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের মাধ্যমে এক শুভ সূচনা পায়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডঃ মানস কুমার বৈদ্য অধ্যক্ষ মালদা কলেজ,শ্রী শান্তনু চক্রবর্তী অধ্যাপক মালদা পলিটেকনিক কলেজ,ডক্টর প্রবাল ব্যানার্জি অধ্যাপক মালদা কলেজ,সমরেন্দ্র সাহা সুপারভাইজার মালদা আই টি আই ,দেবব্রত রায় সুপারভাইজার মালদা আই টি আই সহ আরও অনেকে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলায় বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে মোট ১৮ টি কম্পানি তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত বুথ স্থাপন করে। তরুণ-তরুণীদের জন্য এই প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা হয়ে ওঠে এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান সুযোগের প্ল্যাটফর্ম। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি ও প্রশিক্ষণ মূলক সুযোগ তৈরিতে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। কতৃপক্ষের মতে, সমাজকে কর্মক্ষেত্রে যুক্ত করতে এই ধরনের প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ মেলা ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।

Share This
Categories
বিবিধ

গত বছরের ৮২ থেকে বেড়ে ১২৯, বামনগোলায় সরকারি অনুদান পেল আরও বেশি পুজো কমিটি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে পুজো কমিটিগুলির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দিল রাজ্য সরকার। মালদা জেলার বিভিন্ন ব্লকের পাশাপাশি বামনগোলা ব্লকের মোট ১২৯টি দুর্গাপুজো কমিটির হাতে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হল। সোমবার দুপুরে বামনগোলা কমিউনিটি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুজো কমিটিগুলির হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী জুয়েল মুর্মু, বামনগোলার বিডিও মনোজিৎ রায়, বামনগোলা থানার আইসি অমিত মাশান্তা এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী বিনা কীর্তনীয়া সরকার-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের উপস্থিতিতে ব্লকের বিভিন্ন দুর্গাপুজো কমিটির হাতে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, গত বছর বামনগোলা ব্লকে ৮২টি পুজো কমিটি এই অনুদান পেয়েছিল। এবছর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৯-এ। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবছর আরও ৪৭টি পুজো কমিটি সরকারি অনুদানের আওতায় এসেছে।

দুর্গাপুজোর প্রস্তুতিতে মণ্ডপসজ্জা, প্রতিমা নির্মাণ, আলোকসজ্জা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুজো কমিটিগুলিকে একাধিক খরচ সামলাতে হয়। সেই প্রস্তুতিতে সরকারি আর্থিক অনুদান পুজো উদ্যোক্তাদের সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুদানের মাধ্যমে পুজো কমিটিগুলি আরও ভালোভাবে উৎসবের আয়োজন করতে পারবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

সব মিলিয়ে, বামনগোলা ব্লকে গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি সংখ্যক পুজো কমিটিকে অনুদানের আওতায় আনার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বেতন বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধার দাবিতে সরব জিআরএস, ভিএলই ও এসটিপি কর্মী সাথী মঞ্চ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- স্থায়ীকরণ, বেতন বৃদ্ধি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নামলেন মালদা জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীরা। পশ্চিমবঙ্গ জিআরএস, ভিএলই এবং এসটিপি কর্মী সাথীর যৌথ মঞ্চের আহ্বানে সোমবার মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে জমায়েত হন তাঁরা।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পঞ্চায়েতে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীরা এদিন নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত হন। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও এখনও স্থায়ীকরণ-সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত। তাই দ্রুত তাঁদের দাবিগুলি পূরণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বিক্ষোভ শেষে সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁদের একাধিক দাবিসংবলিত ডেপুটেশন জেলা প্রশাসনের হাতে তুলে দেন। দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার ইঙ্গিতও দিয়েছেন কর্মীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

বিপ্লব মুর্মুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য গাজোলে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার বিজেপির বুথ সভাপতির ছেলের নিথর দেহ। সাত সকালে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য মালদার গাজোল ব্লকের বাবুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিংহইল এলাকায়। পরিবারের অনুমান পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে তাদের ছেলেকে। ছেলের মৃত্যুর পিছনে থাকতে পারে রাজনৈতিক বা মেয়ে ঘটিত কারণ। এমনটাই দাবি মৃত যুবকের বাবার। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গাজোল থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় থানায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শুরু হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া। জানা যাচ্ছে মৃত যুবকের নাম বিপ্লব মুর্মু। মৃত যুবকের বাবা মাঝি মুর্মু ওই বুথের বুথ সভাপতি। পুরো ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মালদা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক ব্যানার্জি । পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর মূল কারণ ময়না তদন্তের পরেই জানা যাবে। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, এদিন সকালে এক মহিলা ঐ যুবককে বাড়ির সামনে পড়ে থাকতে দেখে। এরপরই পরিবারকে খবর দেওয়া হলে ছুটে আসেন সকলেই। দেখা যায় যুবকের নিথর দেহ। তবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় এমনটাই দাবি পরিবারের।

Share This
Categories
বিবিধ

শহরের যানজট কমাতে তৎপর পুলিশ, মালদার রাজ হোটেল মোড়ে নতুন ট্রাফিক পয়েন্ট।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদা শহরের ট্রাফিক পরিষেবার আরও উন্নতি এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রবিবার সন্ধ্যায় রাজ হোটেল মোড়ে নতুন করে গড়ে তোলা ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টর উদ্বোধন করা হলো। এই উদ্যোগের ফলে শহরের ব্যস্ততম এলাকায় যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার অনুপম সিং, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) অর্ক ব্যানার্জি, মঙ্গেস সুব্বা, ডিএসপি (ডিএনটি) কেওয়ান তামাং এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মহেশ সিং। শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

Share This
Categories
বিবিধ

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশি সহায়তা, মালদায় ১৪টি ১১২ রেসপন্স ভ্যানের উদ্বোধন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – অপরাধ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছবে পুলিশ। জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে মালদা জেলা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে চালু হল ১৪টি ১১২(ERSS) এমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেমের পুলিশ মোবাইল ভ্যান। রবিবার মালদায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিষেবার উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু, বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, রাজু কর্মকার, মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং-সহ জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও এলাকায় অপরাধ, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে ১১২ নম্বরে ফোন করলেই ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছবে পুলিশি সহায়তাকারী ভ্যান। এর ফলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, আক্রান্তদের সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা সম্ভব হবে। জরুরি পরিষেবায় সময় নষ্ট না করে দ্রুত সাড়া দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শনিবার কলকাতায় এই ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ মালদায় ১৪ টি থানায় ১৪টি ভ্যান চালুর ফলে জরুরি পুলিশি পরিষেবা আরও গতিশীল হবে বলে আশা পুলিশ প্রশাসনের।

Share This