Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব রেডক্রস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৪ বিশ্ব রেড ক্রস দিবস প্রতি বছর ৮ মে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সংঘাত এবং সংকট দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে এবং রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের মানবিক নীতির উপর জোর দেওয়ার জন্য পালিত হয়। এই দিনটি সংস্থাগুলির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্টের জন্মদিনকে স্মরণ করে বিশ্বব্যাপী রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের মানবিক প্রচেষ্টার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

প্রতি বছর ৮ মে বিশ্ব রেড ক্রস দিবস পালিত হয়। ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং কার্যক্রম জানুন।

বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৫—

প্রতি বছর ৮ই মে বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিবর্গ বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালনে একত্রিত হয়। এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের মৌলিক নীতিগুলি তুলে ধরা হয়। এটি রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের উদ্বোধনী প্রাপক হেনরি ডুনান্টের প্রতি শ্রদ্ধা হিসেবে কাজ করে। একটি বার্ষিক থিম্যাটিক ফোকাস সহ, সবাইকে শান্তির দিকে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৫: তারিখ—

৮ মে শেষ পর্যন্ত বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ এটি রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্টের জন্মবার্ষিকী। প্রথম ‘আন্তর্জাতিক রেড ক্রস দিবস’, যেমনটি পরিচিত ছিল, ১৯৪৮ সালের ৮ মে পালিত হয়েছিল।

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস ২০২৫: থিম—

২০২৫ সালের বিশ্ব রেড ক্রস দিবসের প্রতিপাদ্য হল “মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখা”, যা বৈষম্য, স্বাস্থ্য সমস্যা এবং সংঘাতের মতো চ্যালেঞ্জিং সময়ে মানবিক আদর্শকে সমুন্নত রাখার গুরুত্বের উপর জোর দেয়। এই প্রতিপাদ্যটি দয়া, শান্তি এবং আশাবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান হিসাবে কাজ করে এবং প্রয়োজনে ত্রাণ সরবরাহকারী রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবকদের নিঃস্বার্থ সেবাকে সম্মান জানায় ।

এছাড়াও, অন্য একটি সূত্রে এই প্রতিপাদ্যটি “মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখা: আশা, সাহায্য, নিরাময়” হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মানব জীবন এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য সংস্থার লক্ষ্য তুলে ধরে ।

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস: তাৎপর্য—-

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সংগঠনের নীতি, মিশন এবং ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। এটি সংকটের সময় মানবতা, সহানুভূতি এবং সংহতির তাৎপর্য তুলে ধরে। বিশ্ব রেড ক্রস দিবস পালন করা ব্যক্তিদের রেড ক্রসের গুরুত্বপূর্ণ মানবিক প্রচেষ্টা এবং বিশ্বব্যাপী মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে সমর্থন প্রদর্শনের অনুমতি দেয়।

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস ২০২৫ : ইতিহাস——

বিশ্ব রেড ক্রস দিবসের উৎপত্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পাওয়া যায়, যেখানে রেড ক্রস শান্তির প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৩৪ সালে, টোকিওতে ১৫ তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রেড ক্রস ট্রুস রিপোর্ট প্রবর্তন করা হয়েছিল, সংঘাতের সময় আহত সৈন্যদের সুরক্ষার নীতিগুলি উপস্থাপন করে। এই নীতিগুলি ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাস্তবায়িত হয়েছিল। পরবর্তীকালে, “লীগ অফ দ্য রেড ক্রস সোসাইটিজ (এলওআরসিএস)”-এর বোর্ড অফ গভর্নরস হেনরি ডুনান্টের জন্মদিনের সম্মানে 8 মে একটি বার্ষিক স্মরণের প্রস্তাব করেছিল। রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীদের প্রতিশ্রুতি এবং বীরত্বকে সম্মান জানাতে বিশ্ব রেড ক্রস দিবস উদযাপন উপলক্ষে এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৮ সালে গৃহীত হয়েছিল।

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস ২০২৫ : কার্যক্রম—

বিশ্ব রেড ক্রস দিবস মানবিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য এবং রেড ক্রসের জন্য অনুদান সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করে। এই কার্যক্রমগুলি রক্তদান ইভেন্ট, প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা, তহবিল সংগ্রহের ড্রাইভ, সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং ব্যতিক্রমী স্বেচ্ছাসেবক এবং মানবিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি অন্তর্ভুক্ত করে। এই ইভেন্টগুলিতে জড়িত হওয়া ব্যক্তিদের রেড ক্রসের দুর্বলদের সাহায্য করার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেয়।

স্বাস্থ্য এবং সচেতনতার উপর ফোকাস করুন—-

বিশ্ব রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট দিবস শান্তিকে স্মরণ করে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রচার করে। সঙ্গীত এবং টেলিভিশন বার্তার মাধ্যমে, ব্রিটিশ রেড ক্রসের সহায়তায় বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষকে যক্ষ্মা, H.I.V./AIDS, এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার বিষয়ে শিক্ষিত করা হয়।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৮ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৮ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  বিশ্ব রেডক্রস দিবস ৷
(খ) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৪ – হ্যারি এস. ট্রুম্যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
১৮৯৫ -এডমন্ড উইলসন, মার্কিন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি ।
১৮৯৯ – ফ্রিড্রিখ হায়েক, একজন অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ।
১৯০৩ – আলভিন রবার্ট কর্নেলিয়াস, পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি।
১৯০৬ – রোবার্তো রোসেলিনি, ইতালীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯১১ – আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯১৬ – জোয়াও হ্যাভেলাঞ্জ, ব্রাজিলীয় ব্যবসায়ী এবং ক্রীড়া কর্মকর্তা।
১৯২৪ – কলিম শরাফী, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।
১৯২৬ – জোয়াও হ্যাভেলাঞ্জ, প্রখ্যাত ব্রিটিশ সম্প্রচারক, লেখক এবং প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা।
১৯২৯ – গিরিজা দেবী, সেনিয়া ও বারাণসী ঘরানার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ।
১৯৩৭ – থমাস পিনচন, আমেরিকান উপন্যাসিক।
১৯৩৮ – জাভেদ বার্কি, পাকিস্তানের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং অধিনায়ক।
১৯৪২ – রবিন হবস, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৪৪ – চলপতি রাও, ভারতীয় অভিনেতা।
১৯৪৭ – এইচ রবার্ট হরভিটস, মার্কিন জীববিজ্ঞানী।
১৯৪৭ – শর্মিলী আহমেদ, বাংলাদেশী টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৫৭ – রিনো কাতাসে, জাপানি অভিনেত্রী।
১৯৬০ – ফ্রাংকো বারেসি , ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৬১ – বিল ডি ব্লাজিও মার্কিন রাজনীশাহিত।
১৯৭০ – মাইকেল বেভান, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।
১৯৭০ – লুইস এনরিকে, স্পেনীয় ফুটবল ম্যানেজার এবং প্রাক্তন খেলোয়াড়।
১৯৭৫ – এনরিক ইগলেসিয়াস, স্প্যানিশ-আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা এবং সংগীত প্রযোজন।
১৯৮১ – স্টিফেন এমেল, কানাডিয়ান অভিনেতা।
১৯৯৩ – প্যাট কামিন্স, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৯৪ – ফ্রান্সের রসায়ন বিজ্ঞানের জনক এ্যান্থেনিও লেভিকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।
১৮৬৩ – ভারতে প্রথম রেডক্রস দিবস উদযাপিত হয়।
১৮৮৪ – হ্যারি এস. ট্রুম্যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
১৯০২ – দক্ষিণ ফ্রান্সে অবস্থিত একটি পাহাড় থেকে বিকট শব্দে হঠাৎ অগ্ন্যুৎপাত শুরু হওয়ায় সেন পিয়ারে নামের একটি শহর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
১৯০৩ – আলভিন রবার্ট কর্নেলিয়াস, পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি।
১৯১১ – আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯২১ – রুমানিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৪ – কলিম শরাফী, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।
১৯৪৫ – সোভিয়েত লাল ফৌজের বার্লিন বিজয়ের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফ্যাসিস্ট জার্মানির পরাজয় ঘটে।
১৯৬২ – রবীন্দ্রনাথের জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করা হয়।
১৯৯৬ – দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্য যুগের পরবর্তী নতুন সংবিধান চালু হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৮৮ – জিওভান্নি আন্তোনিও স্কোপোলি, তাইরলীয় চিকিৎসক ও প্রকৃতিবিদ।
১৭৯৪ – অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে, ফরাসি অভিজাত এবং রসায়নবিদ।
১৮৭৩ – রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল।
১৮৮০ – ফরাসি ঔপন্যাসিক গুস্তাভ ফোবের।
১৯০৩ – পল গোগাঁ, ফরাসি চিত্রকর।
১৯৬৫ – ওয়ালি হার্ডিঞ্জ, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ও ফুটবলার ছিলেন।
১৯৮১ – কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় স্থায়ী প্রধান বিচারপতি ফণিভূষণ চক্রবর্তী।
১৯৮৮ – রবার্ট এ হাইনলাইন, মার্কিন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক।
১৯৯৩ – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক।
১৯৯৯ – ডার্ক বোগার্ড, ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।
২০০৮ – জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা,পরিচালক ও নাট্যব্যক্তিত্ব।
২০২৩ – প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি : দিলীপ রায়। ।।

বাংলা সাহিত্য জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ কবি আমাদের সকলের প্রিয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । আমরা জানি রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য, “ভাবগভীরতা, চিত্ররূপময়তা, আধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোমান্টিক, সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা ।” তাঁর লেখা অসাধারণ সব কবিতা ও গান, আজও প্রত্যেকটা বাঙালীর মন কাঁড়ে ।

তিনি শুধুমাত্র শ্রেষ্ঠ কবি বা গল্পকারই ছিলেন না, সেইসাথে ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিকও । রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক । ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তাঁর রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল । কথা সাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন । সমাজ কল্যাণের উপায় হিসাবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র মানুষকে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মত প্রকাশ করেছিলেন এবং পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরূদ্ধে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন । রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় মনুষ্য সেবার কথাই বলা হয়েছে । রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে মানুষ ঈশ্বরের পুজার কথা বলেছিলেন । সঙ্গীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন । রবীন্দ্রনাথের গান তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি । তিনি দুই হাজারের উপর গান রচনা করেছেন । তাঁর রচিত “জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে” – ভারতে এবং “আমার সোনার বাংলা” – বাংলাদেশে জাতীয় সঙ্গীত ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিবান পিরালী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ৭ই মে ১৮৬১ সালে ( ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ ) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা শহরে অবস্থিত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে | তাঁর বাবার নাম ছিল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি কিনা ছিলেন তদানীন্তনকালের ব্রাহ্মসমাজের একজন ধর্মগুরু এবং তাঁর মায়ের নাম সারদাসুন্দরী দেবী । অনেকেই জেনে অবাক হবেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর বাবা মায়ের ১৪তম সন্তান । বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয় শিক্ষা গ্রহণ করেননি । গৃহ শিক্ষক রেখে বাড়িতেই তাঁর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল । মাত্র আট বছর বয়সে কবিতা লেখা শুরু । ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় তাঁর “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশ পায় । এটিই তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা ।
১৮৭৮ সালে মাত্র সতের বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান । ১৮৮৩ সালে ৯ই ডিসেম্বর রবীন্দ্রনাথের বিয়ে হয় বেণীমাধব রায়চৌধুরী নামে ঠাকুরবাড়ির এক অধস্তন কর্মচারীর কন্যা ভবতারিণীর সঙ্গে । বিয়ের সময় ভবতারিণীর পুণরায় নামকরণ করা হয় এবং তাঁর নাম পাল্টে রাখা হয় মৃণালিনী দেবী । ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন । ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মাচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন । সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন । ১৯০২ সালে তাঁর পত্নী বিয়োগ হয় । ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন । ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে “নাইট” উপাধিতে ভূষিত করেন । ১৯১৫ সালে জালিনওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন । ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয় । দীর্ঘজীবন তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন ।
অবশেষে দীর্ঘ রোগভোগের পর ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট , জোড়াসাঁকোর বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৭ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৭ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  বিশ্ব হাঁপানি দিবস
(খ) প্রকৌশলী দিবস (বাংলাদেশ)

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৪০ – পিওতর ইলিচ চাইকভ্‌স্কি, রাশিয়ান সুরকার ও শিক্ষাবিদ।  .

১৮৬১ -(২৫ শে বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাঙালি সাহিত্যিক (মৃ.

৭/০৮/১৯৪১)।(২২ শে শ্রাবণ,১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)
১৮৬৭ – ভাদিস্লাভ স্ট্যানিশস্লাভ রেইমন্ট, পোলিশ কথাসাহিত্যিক।
১৮৮১ – উইলিয়াম পিয়ার্সন, রবীন্দ্র সাহিত্যের অনুবাদক।
১৮৮৯ – গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল, কবি, কূটনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও নারীবাদী।
১৮৯২ – মার্শাল জোসিপ ব্রজ টিটো, যুগোশ্লাভিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপ্রধান।

১৮৯৩ – ফিরোজ খান নুন, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ, পাকিস্তানের ৭ম প্রধানমন্ত্রী।
১৯০১ – গ্যারি কুপার, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯১০ – শান্তিদেব ঘোষ ভারতীয় বাঙালি লেখক কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী ও রবীন্দ্র সংগীত বিশারদ।

১৯১৫ – অমিয় বাগচী বাঙালি কবি ও গীতিকার।
১৯১৯ – ইভা পেরন, আর্জেন্টিনার অভিনেত্রী ও ২৫তম ফার্স্ট লেডি।
১৯৩১ – সিদ্দিকা কবীর, বাংলাদেশী পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩৬ – শিশির কুমার দাশ অগ্রণী বাঙালি কবি,নাট্যকার অনুবাদক ও বাংলা সাহিত্যের স্বনামধন্য পণ্ডিত।
১৯৩৯ – সিডনি অল্টম্যান, কানাডীয়-মার্কিন আণবিক জীববিজ্ঞানী।
১৯৪৩ – পিটার কেরি – অস্ট্রেলীয় ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

১৯৬৫ – নরম্যান হোয়াইটসাইড, সাবেক উত্তর আয়ারল্যান্ডীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৭১ – তোমা পিকেতি, ফরাসি অর্থনীতিবিদ।
১৯৮৪ – কেভিন ওয়েন্স, কানাডীয় পেশাদার কুস্তিগির।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮০৮ – স্পেনের জনগণ নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করে।
১৮৩২ – গ্রিসকে স্বাধীন রাজ্য ঘোষণা করা হয়।
১৯১৫ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানরা আমেরিকায় “লুসিতানিয়া” জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।
১৯২৩ – অমৃতরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু।
১৯২৯ – লাহোরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বহু হতাহত হয়।
১৯৪১ – মিত্রশক্তির কাছে জার্মানি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪৮ – জাতিসংঘের বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা।
১৯৫৪ – (ক)  দিয়েন বিয়েন ফু-র পতনের ফলে ভিয়েতনাম ফরাসি শাসন থেকে মুক্ত হয়।
(খ) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয় পাকিস্তান গণপরিষদ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮২৫ – আন্তোনিও সালিয়েরি, ইতালীয় ধ্রুপদী সুরকার।

১৮৪০ – কাসপার ডাভিড ফ্রিডরিখ, ঊনবিংশ শতকের জার্মানির রোমান্টিক ল্যান্ডস্কেপ চিত্রকর।

১৯০৯ – হের্মান অস্ট্‌হফ, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।
১৯২৪ – আল্লুরি সিতারামারাজু, ভারতীয় বিপ্লবী ও স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৯৪১ – স্যার জেমস ফ্রেজার, স্কটিশ নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৫১ – ওয়ার্নার ব্যাক্সটার, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৭১ – রণদাপ্রসাদ সাহা, বাংলাদেশের বিখ্যাত সমাজসেবক এবং দানবীর।
১৯৭৪ – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিকন্যা বাসন্তী দেবী।
১৯৯৩ – অজিতকৃষ্ণ বসু, সঙ্গীতজ্ঞ ও ব্যঙ্গ সাহিত্যস্রষ্টা।
২০০৩ – শিশির কুমার দাশ,অগ্রণী বাঙালি কবি,নাট্যকার অনুবাদক ও বাংলা সাহিত্যের স্বনামধন্য পণ্ডিত।
২০১৯ – সুবীর নন্দী, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।
২০২২ – পার্থ ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি বাচিক শিল্পী তথা আবৃত্তিকার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক নো-ডায়েট দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।।।।

আজ থেকে ঠিক ৩০ বছর আগে ১৯৯২ সালের ৬ মে প্রথম ব্রিটেনে পালিত হয় নো ডায়েট ডে। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ভারতে তা ছড়িয়ে পড়ে। ডায়েট, বডি টাইপ, ফ্যাট ফোবিয়া নিয়ে সারা বিশ্বে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর পালিত হয় এই দিনটি।

ইন্টারন্যাশনাল নো ডায়েট ডে (INDD) হল শরীরের গ্রহণযোগ্যতার একটি বার্ষিক উদযাপন, যার মধ্যে চর্বি গ্রহণ এবং শরীরের আকৃতির বৈচিত্র্যের পাশাপাশি যে কোনো আকারে স্বাস্থ্যের ধারণা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস ১৯৯২ সালে যুক্তরাজ্যে মেরি ইভান্স ইয়ং দ্বারা শুরু হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত, ইসরায়েল, ডেনমার্ক, সুইডেন এবং ব্রাজিল সহ অন্যান্য দেশের নারীবাদী গোষ্ঠীগুলি আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস উদযাপন করতে শুরু করেছে।
১৯৯৮ সাল থেকে, ইন্টারন্যাশনাল সাইজ অ্যাকসেপ্টেন্স অ্যাসোসিয়েশন (ISAA) এবং ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন (NOW) উভয়ই একই ধরনের দিন স্পনসর করেছে। ISAA এর দিন হল আন্তর্জাতিক আকার গ্রহণ দিবস যা ২৪ এপ্রিল পালিত হয়। এখন একটি লভ ইওর বডি ক্যাম্পেন সংগঠিত করেছে, যার বাৎসরিক লাভ ইউর বডি ডে শরত্কালে, যেটি ফ্যাশন, সৌন্দর্য এবং ডায়েট ইন্ডাস্ট্রির “নকল ছবি” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার সমালোচনা করে যে বিভিন্ন শারীরিক আকারের মহিলাদের চিত্রগুলি দাবি করে এবং এর পরিবর্তে আকার ব্যবহার করা হয়।
আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস ৬ মে পালন করা হয় এবং এর প্রতীক হল একটি হালকা নীল ফিতা।
আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস উদযাপনে, অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য—
(ক) একটি “সঠিক” শরীরের আকৃতির ধারণাকে প্রশ্ন করুন
ওজন বৈষম্য, আকারের পক্ষপাত এবং ফ্যাটফোবিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ান।
(খ)ডায়েট এবং শরীরের ওজন সম্পর্কে আবেশ থেকে মুক্ত একটি দিন ঘোষণা করুন।
(গ) বাণিজ্যিক খাদ্যের অকার্যকারিতার উপর জোর দিয়ে খাদ্য শিল্প সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করুন।
(ঘ) খাওয়ার ব্যাধি এবং ওজন কমানোর অস্ত্রোপচারের শিকার ব্যক্তিদের সম্মান করুন
(ঙ) ওজন বৈষম্য, আকারবাদ এবং ফ্যাটফোবিয়া শেষ করতে সাহায্য করুন।
ইতিহাস—–
১৯৯২ সালে মেরি ইভান্স ইয়ং দ্বারা আন্তর্জাতিক নো ডায়েট ডে তৈরি করা হয়েছিল। ইয়াং ব্রিটিশ গ্রুপ “ডায়েট ব্রেকারস” এর পরিচালক। ব্যক্তিগতভাবে অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসার সম্মুখীন হওয়ার পর, তিনি লোকেদের তাদের শরীরের উপলব্ধি করতে সাহায্য করার জন্য কাজ করেছিলেন। ইয়ং, একজন ব্রিটিশ নারীবাদী, মোটা হওয়ার জন্য স্কুলে উত্পীড়িত হওয়ার তার নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এবং ম্যানেজমেন্ট কোর্সে অংশ নেওয়া মহিলাদের সাথে কথা বলার মাধ্যমে তার ধারণাগুলি তৈরি করেছিলেন।
১৯৯২ সালের মে মাসে, ইয়াং প্রথম নো ডায়েট ডে চালু করে। যদিও মূলত ইউকে-ভিত্তিক ন্যাশনাল নো ডায়েট ডে হওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, ইয়াং ছুটির দিনটিকে একটি আন্তর্জাতিক করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। লন্ডনের হাইড পার্কে পিকনিকের সাথে এক ডজন মহিলার দ্বারা উদযাপন করা একটি ছোট ব্যাপার ছিল। বয়স ২১ থেকে ৭৬ এর মধ্যে এবং তারা সবাই স্টিকার পরেছিল এই বলে: “ডাইচ দ্যাট”। বৃষ্টি হয়েছিল, এবং তাই ইয়াং তার বাড়িতে পিকনিকের আয়োজন করেছিল।
১৯৯৩ সাল নাগাদ, আরও অনেক দেশে নারীবাদীরা আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস উদযাপনের পরিকল্পনা করছিলেন। আমেরিকানরা, বিশেষ করে যারা ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, নিউ মেক্সিকো এবং অ্যারিজোনায়, তারা উদ্বিগ্ন যে তারিখটি দক্ষিণ রাজ্যে Cinco de Mayo উদযাপনের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। ইয়াং এর জন্য ৫ মে এর কোন বিশেষ গুরুত্ব ছিল না, তাই তিনি তারিখ পরিবর্তন করে ৬ মে করতে রাজি হন।
মানুষ প্রায়শই ডায়েটিংয়ের নিয়মগুলির সঙ্গে এতটাই সংযুক্ত হয়ে যায় যে তারা জীবন উপভোগ করতে ভুলে যায় । উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ডায়াবেটিসের মতো লাইফস্টাইল ডিজ়িজগুলো এখন মানুষের ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছে। যার ফলে সুস্থ থাকতে মানতেই হচ্ছে কঠোর ডায়েট। ভাল না লাগলেও জোর খেতে হচ্ছে অপছন্দের ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার। আর কারোর মনে ওজন কমানোর মোটিভেশন এমন ভাবে ঢুকে গিয়েছে যে সে ছুঁয়েও দেখে না ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট। কিন্তু তবু মাঝে মাঝে মন চায় মাটন বিরিয়ানির ঝড় ওড়াতে। তাছাড়া শরীরে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেটের অভাব বাড়িয়ে তুলতে পারে অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও। তাই নো ডায়েট ডে হল নিজের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দিন । ডায়েট, বডি টাইপ, ফ্যাট ফোবিয়া নিয়ে সারা বিশ্বে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর সারা বিশ্বে এই দিনটি পালিত হচ্ছে ।আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস উদযাপনের মাধ্যমে, তাদের শখ পূরণ এবং জীবন উপভোগ করার জন্য একদিনের জন্য খাওয়ার সমস্ত নিয়ম ভঙ্গ করার সুযোগ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৬ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৬ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) আন্তর্জাতিক নো-ডায়েট দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৬১ – মতিলাল নেহেরু, ভারতের বিখ্যাত আইনজীবী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর পিতা।  .
১৮৬৮ – গ্যাস্টোন লেরোউক্স, ফরাসি সাংবাদিক ও লেখক।
১৮৭১ – ভিক্টোর গ্রিগ্নারড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৭২ – উইলেম ডে সিটার, নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৮৭২ – জামাল পাশা, উসমানীয় সামরিক নেতা।
১৯০৪ – হ্যারি মারটিনসোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ লেখক ও কবি।
১৯১৫ – অরসন ওয়েলস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা, লেখক এবং প্রযোজক।
১৯১৬ – রবার্ট হেনরী, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯১৮ – জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান, আবুধাবির আমির এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
১৯২৯ – পল লাউটারবার, মার্কিন রসায়নবিদ। (
১৯৩২ – আলাউদ্দিন আল আজাদ, বাংলাদেশী বাংলাদেশের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, নাট্যকার, গবেষক ও অধ্যাপক।
১৯৪৩ – আন্দ্রিয়াস বাডের, জার্মান সন্ত্রাসী ও সহ-প্রতিষ্ঠিত রেড আর্মি দল।
১৯৪৬ – রজতকান্ত রায়,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ।
১৯৫০ – জেফ্রি ডেভার, মার্কিন রহস্য ও অপরাধ সাহিত্য লেখক।
১৯৫১ – স্যামুয়েল ডো, লাইবেরিয়া সার্জন, রাজনীতিবিদ ও ২১ তম প্রেসিডেন্ট।
১৯৫৩ – টনি ব্লেয়ার,ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
১৯৬১ – জর্জ ক্লুনি, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমাজকর্মী।
১৯৭৫ – অ্যালান রিচার্ডসন, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৮১ – লক্ষ্মী রতন শুক্লা, ভারতের পেস বোলার।
১৯৮৩ – দানি আলভেস, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।
১৯৮৭ – মোন গেউন-ইয়উং, দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী।
১৯৮৭ – ড্রিস মের্টেনস, বেলজিয়ামের পেশাদার ফুটবলার।
১৯৮৯ – ডোমিনিকা কিবুল্কোভা, স্লোভাকিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৯২ – তাকাশি উসামি, জাপানি ফুটবলার।
১৯৯৪ – মাতেও কোভাচিচ, ক্রোয়েশীয় পেশাদার ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৭৫ – ব্রিটিশ রাজের হাতে মহারাজ নন্দকুমার গ্রেফতার হন।
১৮৩১ – ভারত উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের বালাকোট উপত্যাকায় মুক্তি বা আজাদী আন্দোলনের নেতা সাইয়েদ আহমাদ ব্রেলভী ইংরেজ ও শিখ বাহিনীর সাথে এক লড়াইয়ে শতাধিক মুজাহিদসহ শহীদ হন।
১৮৩৫ – জেমস গর্ডন ব্যানাট বিখ্যাত নিউইয়র্ক হেরাল্ড পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশ করেন।
১৮৪০ – ইংল্যান্ডে প্রথম ডাকটিকেট চালু হয় ।
১৮৫৭ – ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বেঙ্গল নেটিভ ইনফ্যান্ট্রিকে বিলুপ্ত করে। মঙ্গল পাণ্ডেকে সিপাহি বিপ্লবের প্রথম শহীদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১৮৮৯ – প্যারিসের আইফেল টাওয়ার সকলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।
১৯১০ – বাবার মৃত্যুর পর পঞ্চম জর্জ ব্রিটেনের রাজা মনোনীত হন।
১৯১১ – পিকাসোর আঁকা ৩ কোটি ডলার মূল্যমানের ছবি প্রাগ ন্যাশনাল গ্যালারি থেকে চুরি হয়।
১৯৩৯ – জার্মানী ও ইতালী সামরিক ও রাজনৈতিক মৈত্রী ঘোষণা করে, যা বার্লিন-রোম অক্ষ নামে পরিচিত।
১৯৪০ – উইন্সটন চার্চিল বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর জর্মানী ফ্রান্সের রাইমে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
১৯৫৪ – রজার ব্যানিস্টারই প্রথম ৪মিনিটে এক মাই দূরত্ব দৌড়ে অতিক্রম করেন।
১৯৬৫ – ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার বিল লরি ও সিম্পসন ৩৮২ রান করেন।
১৯৭৫ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফোর্ড ভিয়েৎনাম যুদ্ধ সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
১৯৮৮ – গ্রায়েম হিক উরচেস্টার এর হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে একাই ৪০৫ রান করেন।
১৯৯১ – পিকাসোর আঁকা তিন কোটি ডলার মূল্যমানের চারটি ছবি চেকোস্লোভিয়ার প্রাগস্থ ন্যাশনাল গ্যালারি থেকে চুরি হয়ে যায়।
১৯৯৪ – ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথ ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিস মিতেরাঁ দুই দেশের মধ্যে চ্যানেল টানেল উদ্বোধন করেন।
১৯৯৪ – চীন-জাপান পারমাণবিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৭ – প্রয়াত গ্রেট পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন এবং বিখ্যাত ব্যান্ড দল বি গিস কে “রক এন্ড রোল” এর হল অব ফেইমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৯৯৯ – সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার বেলগ্রেডে ন্যাটোর ‘ভুলবশত’ চীনা দূতাবাসের উপর বোমা নিক্ষেপে দুইজন চীনা নাগরিক নিহত ও বিশজন আহত হন।
২০০১ – সিরিয়া সফরের সময় প্রথম কোন পোপ হিসেবে পোপ পল ২ মসজিদে প্রবেশ করেন।
২০০২ – দীর্ঘ ১৯ মাস গৃহবন্দী থাকার পর মিয়ানমারের নেত্রী নোবেল বিজয়ী অংসান সুচি মুক্তিলাভ করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৮৯ – তানসেন, উত্তর ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ, আকবরের সভার নবরত্নের অন্যতম।
১৭৫৮ – ম্যাক্সিমিলিয়েন দ্য রোবসপিয়ের, ফরাসি বিপ্লবের নেতা, জঁ-জাক রুসোর অনুরাগী, জ্যাকোবিন টেররের নেতা।
১৮৩১ – সাইয়েদ আহমাদ ব্রেলভী, ভারতের মুসলিম সংস্কার আন্দোলনকারী এবং “নবী মুহাম্মদের পথ” (তারিকাহ মুহাম্মাদিয়াহ), একটি বিপ্লবী ইসলামী আন্দোলন, এর প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৫৯ – আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্, জার্মান অভিযাত্রী ও বিজ্ঞানী।
১৮৭৭ – জোহান লুডভিগ রুনেবেরগ, সুইডিশ বংশোদ্ভূত ফিনিশ কবি ও স্তবগান লেখক।
১৯১৯ – এল. ফ্রাঙ্ক বাউম, আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৩০ – রজতকুমার সেন, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা।
১৯৪৯ – মোরিস মাতরলাঁক, বেলজীয় নাট্যকার, কবি এবং প্রবন্ধকার।
১৯৫১ – এলি কারতঁ, প্রভাবশালী ফরাসি গণিতবিদ।
১৯৫২ – মারিয়া মন্টেসরি, ইতালীয় চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, এবং “মন্টেসরি শিক্ষাপদ্ধতি”র জন্য সুপরিচিত।
১৯৫২ – রেবতী মোহন বর্মণ, বিংশ শতাব্দীর বাঙালি লেখক।
১৯৬৩ – মন্টি উলি, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৭৩ – বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষাবিদ ডা: সতীশরঞ্জন খাস্তগীর।
১৯৯২ – মারলেনে ডিট্রিশ, জার্মান অভিনেত্রী ও গায়িকা ছিলেন।
২০০২ – পিম ফরটুয়ন, ডাচ সমাজবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।
২০১১ – কাজী নূরুজ্জামান, বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।
২০১৩ – গিউলিও অ্যান্ডরেওটি, ইতালীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ও ৪১ তম প্রধানমন্ত্রী।
২০১৫ – নভেরা আহমেদ, বাংলাদেশি ভাস্কর।
২০২১ – পশ্চিমবঙ্গে জনশিক্ষা আন্দোলনের নেতা শক্তি মণ্ডল।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস (আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফস ডেও বলা হয়) হল একটি বার্ষিক বিশ্ব উদযাপন যা ৫ মে বিশ্বজুড়ে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে মিডওয়াইফরা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা স্বীকৃতি দিতে এবং সম্মান করার জন্য চিহ্নিত করা হয়। মিডওয়াইফরা প্রায়ই গর্ভবতী মহিলাদের জন্য প্রাথমিক পরিচর্যাকারী, গর্ভাবস্থা, প্রসবকালীন এবং প্রসবোত্তর সময়কালে সহায়তা এবং নির্দেশনা প্রদান করে।

দিনটি মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফরা যে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে তা চিনতে এবং উদযাপন করার একটি সুযোগ প্রদান করে। ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ মিডওয়াইভস (ICM) দ্বারা ১৯৯২ সালে মিডওয়াইফের আন্তর্জাতিক দিবসটি ধাত্রী পেশার বিষয়ে উদযাপন এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক নথি অনুসারে, এই অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে ৫০ টিরও বেশি দেশ এবং সেইসাথে আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন WHO এবং UNFPA দ্বারা পালন করা হয়।
মিডওয়াইফরা হলেন দক্ষ স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার যারা গর্ভাবস্থা, প্রসবকালীন এবং প্রসবোত্তর সময়কালে মহিলাদের প্রয়োজনীয় যত্ন এবং সহায়তা প্রদান করে। তারা মা ও নবজাতক উভয়ের জন্য প্রসবপূর্ব যত্ন, প্রসব ও প্রসবের সময় সহায়তা এবং প্রসবোত্তর যত্ন প্রদান করে।

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস ২০২৫ তারিখ–

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস ২০২৪, ৫ মে রবিবার পালিত হবে।

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবসের তাৎপর্য–

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস গর্ভাবস্থায় এবং সন্তানের জন্মের পরে মহিলাদের জন্য একজন মিডওয়াইফের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি সুযোগ প্রদান করে। দিনটি নিরাপদে এবং কার্যকরভাবে অনুশীলন করার জন্য ধাত্রীদের অধিকারের পক্ষে সমর্থন করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। এই দিনে সেমিনার, ওয়ার্কশপের মতো বেশ কিছু ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনটি মিডওয়াইফারি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সংস্থানগুলিতে বৃহত্তর বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তাকেও তুলে ধরেছে যাতে সমস্ত মহিলার মানসম্পন্ন মা ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবাগুলিতে অ্যাক্সেস রয়েছে তা নিশ্চিত করতে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৪ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৬৭ – ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের কর্নাটকী সঙ্গীতের কিংবদন্তী শিল্পী ত্যাগরাজ।

১৮২৫ – টমাস হেনরি হাক্সলি, প্রখ্যাত ইংরেজ জীববিজ্ঞানী, শিক্ষক এবং অজ্ঞেয়বাদ দর্শনের অন্যতম প্রবক্তা।
১৮২৬ – ফ্রেডরিক এডউইন চার্চ, মার্কিন ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টার।

১৮৪৯ – জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর,বাঙালি নাট্যকার,সঙ্গীত স্রষ্টা, সম্পাদক ও চিত্রশিল্পী ।
১৯১৮ – কাকুয়েই তানাকা, জাপানি সৈনিক, রাজনীতিক ও ৬৪ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯২৮ – হোসনি মুবারক, মিশরের সামরিক নেতা এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।
১৯২৯ – অড্রে হেপবার্ন, ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং মানবহিতৈষী।
১৯৪২ – স্যাম পিত্রোদা, ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসানির্বাহী এবং নীতি সৃষ্টিকর্তা।
১৯৫৭ – পিটার স্লিপ, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৬০ – ভের্নার ওয়েরনের ফায়মান, অস্ট্রীয় রাজনীতিবিদ ও ২৮ তম চ্যান্সেলর।
১৯৬৪ – মনিকা বারডেম, স্প্যানিশ অভিনেত্রী।
১৯৭০ – পল ওয়াইজম্যান, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার এবং কোচ।
১৯৭২ – ট্রেন্ট মিল্টন, অস্ট্রেলীয় প্যারালিম্পিক স্নোবোর্ডার।
১৯৮৩ – ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৮৪ – মাঞ্জারুল ইসলাম রানা, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৯৮৫ – রবি বোপারা, ইংলিশ ক্রিকেটার।
১৯৮৫ – ফার্নান্দো লুইজ রোজা, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।
১৯৮৭ – সেস্‌ ফাব্রিগাস, স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৮৭ – জর্জ লো‌রে‌ঞ্জো গে‌রে‌রো, স্প্যানিশ মোটরসাই‌কেল রেসার।

১৯৮৭ – রাজা নাইনগোলান, বেলজীয় পেশাদার ফুটবলার।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫০২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার চতুর্থ সমুদ্র ভ্রমণে গিয়ে কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন।
১৬২৬ – ডাচ অভিযাত্রী পিটার মিনিট (Peter Minuit) ম্যানহাটন দ্বিপে প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে পা রাখেন, যেখানে আজকের নিউ ইয়র্ক শহর অবস্থিত।
১৮০০ – কলকাতা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধিবদ্ধ আইনে সম্মতি প্রদান করা হয় ।
১৮০৭ – ফ্রান্স ও ইরানের মধ্যে ফিংকেষ্টাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৮৬ – শিকাগোর হে মার্কেটে বিশাল শ্রমিক সমাবেশে মার্কিন পুলিশ নির্মম নির্যাতন চালায় এবং ৮ জন শ্রমিক নেতাকে প্রাণদণ্ড দেয়।
১৯০৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পানামা খাল নির্মাণ শুরু করে।
১৯১৯ – চীনে ‘৪ঠা মে’ আন্দোলন নামে সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ বিরোধী বিখ্যাত গণআন্দোলনের সূচনা হয়।
১৯৪৫ – জার্মানীর ন্যাশনাল সোশালিস্ট পার্টি বা নাৎসি পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
১৯৫৮ – লেবাননের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ক্যামিলি শ্যামৌনের শাসনের বিরুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক গণবিক্ষোভ ও গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৭৯ – মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
১৯৮২ – ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে আর্জেন্টিনার সঙ্গে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়।
১৯৯৪ – গাজা ও জেরিকোতে স্বায়ত্তশাসন দিতে ইসরাইল এবং পিএলও’র মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
১৬৭৭ – আইজাক ব্যারো, ইংরেজ গণিতবিদ যিনি স্পর্শক নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
১৭৯৯ – টিপু সুলতান, বৃটিশ ভারতের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা।
১৮৮৯ – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক।
১৯৩৮ – কার্ল ফন অসিয়েত্‌স্কি, জার্মান নোবেল বিজয়ী সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন।
১৯৫৬ – পূর্ণচন্দ্র দাস, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী।
১৯৫৭ – হেম চন্দ্র রায়চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ।
১৯৬১ – প্রবাসজীবন চৌধুরী পদার্থবিদ্যা ও দর্শনের প্রখ্যাত অধ্যাপক ও সৌন্দর্যতত্ত্ববিশারদ।
১৯৬৬ – অতুলকৃষ্ণ ঘোষ, বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৯৭২ – এডয়ার্ড কেলভিন কেন্ডাল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ।
১৯৭৬ – ইন্দুমতী সিংহ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নারী বিপ্লবী।
১৯৮০ – জোসিপ ব্রজ টিটো, যুগোস্লাভিয়ার ফিল্ড মার্শাল, রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রেসিডেন্ট।
১৯৮৩ – আবুল ফজল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
১৯৯২ – অর্থনীতিবিদ আখলাকুর রহমান।
২০১২ – রাশিদি ইয়েকিনি, নাইজেরিয়ান ফুটবলার।
২০১৩ – ক্রিস্টিয়ান ডি দুভ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ বংশোদ্ভূত বেলজিয়ান বায়োকেমিস্ট।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আধ্যাত্মিকতা ও শিল্পের মেলবন্ধন : ত্যাগরাজের সঙ্গীত সাধনা ও তার অমর সৃষ্টি।।।

ত্যাগরাজ, কর্ণাটিক সঙ্গীতের সমার্থক নাম, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গেছেন। ১৭৭৬ সালের ৪ মে জন্মগ্রহণ করেন, ত্যাগরাজ, যিনি থ্যাগব্রাহাম এবং কাকারলা থ্যাগব্রাহাম নামেও পরিচিত, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সুরকার এবং কণ্ঠশিল্পী। তাঁর অবদান, সমসাময়িক শ্যামা শাস্ত্রী এবং মুথুস্বামী দীক্ষিতারের অবদান, কর্ণাটক সঙ্গীতের শ্রদ্ধেয় ত্রিত্ব গঠন করে।

ত্যাগরাজের রচনাগুলি, প্রাথমিকভাবে তেলেগু ভাষায় এবং রামাকে উৎসর্গ করা, আজও জনপ্রিয়, “নাগুমোমু” বিশেষভাবে প্রিয় হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে।
ত্যাগরাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানগুলির মধ্যে একটি হল পঞ্চরত্ন কৃতি, পাঁচটি বিশেষ রচনা যা প্রায়শই তাকে সম্মানিত অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়। উপরন্তু, তার উৎসব সম্পদা কৃতি মন্দির উদযাপনের একটি প্রধান বিষয়। ত্যাগরাজের জীবন চারটি মারাঠা রাজার শাসনামলে বিস্তৃত ছিল, তবুও তার মনোযোগ আদালতের পরিবর্তে তার সঙ্গীতের প্রতি অবিচল ছিল।
আজকের তামিলনাড়ুর তিরুভারুর জেলায় একটি তেলেগু বৈদিক মুলাকানাডু ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, ত্যাগরাজের শিকড় অন্ধ্র প্রদেশের কাকারলা গ্রামে ফিরে আসে। তার পরিবার স্মার্ট ঐতিহ্য মেনে চলে এবং তার জন্মস্থানে মন্দিরের দেবতার নামানুসারে তার নামকরণ করা হয়। তার পরিবারে সঙ্গীত চলে, তার কাকা গিরিরাজও একজন বিখ্যাত কবি এবং সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন।
অল্প বয়স থেকেই, ত্যাগরাজ সঙ্গীতে নিমগ্ন ছিলেন, তাঁর পিতামহ, কালহাস্তেয়, যিনি একজন স্বনামধন্য বীণা বাদক নিজেই বীণা বাজানো শিখেছিলেন। কালহাস্তেয়ার মৃত্যুর পর, ত্যাগরাজের সঙ্গীত যাত্রা স্বর্গীয় ঋষি নারদ দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে থাকে, যাকে তিনি গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন। কথিত আছে যে একজন সন্ন্যাসী তাকে প্রদত্ত একটি মন্ত্র ত্যাগরাজকে নারদের দর্শন পেতে সক্ষম করেছিল, যা তার সঙ্গীত রচনাগুলিকে আরও প্রভাবিত করেছিল।
ত্যাগরাজের জীবন ছিল ভক্তিপূর্ণ, শুধু সঙ্গীতের প্রতি নয়, আধ্যাত্মিক সাধনার প্রতিও ছিল, যা তাকে জীবনের শেষ দিকে তপস্বী করার ব্রত নিতে পরিচালিত করেছিল। তিনি ৬ জানুয়ারী, ১৮৪৭ সালে, ৭৯ বছর বয়সে, রচনার একটি সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার রেখে মারা যান। তাঁর শেষ রচনা, “গিরিপাই নেলাকোন্না” (রাগ সাহানা, আদি তালাম), এবং তিরুবাইয়ারুর কাবেরী নদীর তীরে তাঁর শ্মশান, কর্ণাটিক সঙ্গীতের একটি যুগের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।
ত্যাগরাজের উত্তরাধিকার বংশ পরম্পরায় সঙ্গীতজ্ঞ এবং কর্ণাটিক সঙ্গীতের অনুরাগীদের প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তাঁর জীবন এবং কাজগুলি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ভক্তি ও শৈল্পিকতার স্থায়ী শক্তির প্রমাণ হিসাবে রয়ে গেছে।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

আজ ০৩ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৩ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৬৯ – নিক্কোলো মাকিয়াভেল্লি, ইতালীয় ইতিহাসবিদ এবং দার্শনিক।

১৮৩৯ – জামশেদজী টাটা, ভারতীয় শিল্পপতি ও টাটা গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৬৭ – জে. টি. হার্ন, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৮৮৩ – বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত।
১৮৯২ – জর্জ প্যাজেট টমসন, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৯৬ – ভি কে কৃষ্ণমেনন, ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
১৯০২ – আলফ্রেড কাস্টলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ।
১৯০৩ – বিং ক্রাজবি, মার্কিন গায়ক ও অভিনেতা।
১৯০৬ – ম্যারি অ্যাস্টর, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯১৯ – পিট সিগার, মার্কিন লোকসঙ্গীত শিল্পী।
১৯২৯ – জাহানারা ইমাম, শহীদজননী-খ্যাত বাংলাদেশি লেখিকা।
১৯৩০ – হুয়ান গেলমান, আর্জেন্টিনার কবি ও লেখক।
১৯৩৩ – স্টিভেন ভেইনবার্গ, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৪৬ – নুরুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা, যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
১৯৫১ – অশোক গহলোত, ভারতীয় রাজনীতিক ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী।
১৯৫২ – লিওনিদ খাচিয়ান, আর্মেনীয়-বংশোদ্ভুত রুশ গণিতবিদ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
১৯৫৫ – ডেভিড হুকস, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট খেলোয়াড় ও ধারাভাষ্যকার।
১৯৬০ – ডেরেক অ্যাবট, ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৭৭ – মরিয়ম মির্জাখানি, ইরানি গণিতবিদ।
১৯৮৫ – এজেকিয়েল লাভেজ্জি, আর্জেন্টিনীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৯ – কাতিনকা হসু, হাঙ্গেরীয় প্রমিলা সাঁতারু ও ব্যবসায়ী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৪ – কলম্বাস জ্যামাইকা আবিষ্কার করেন।
১৫১৫ – পর্তুগীজ নৌসেনারা ইরানের হরমুজ দ্বীপ দখল করে।
১৭৬৫ – বাংলার গভর্নর পদে নিযুক্ত হয়ে রবার্ট ক্লাইভ কলকাতায় উপনীত হন।
১৭৬৫ – ব্রিটিশদের সঙ্গে মারাঠাদের তুমুল সংঘর্ষ হয়।
১৭৮৮ – লন্ডনে প্রথম সান্ধ্য দৈনিক ‘দি স্টার’ প্রকাশিত হয়।
১৮০২ – শহর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির যাত্রা শুরু।
১৮৩৭ – অ্যাথেন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয় গ্রীসে।
১৯১৩ – প্রথম ভারতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র রাজা হরিশচন্দ্র মুক্তি পায়।
১৯২৩ – ভারতের গোরখপুরে হিন্দুধর্মীয় গ্রন্থের বৃহত্তম প্রকাশনা সংস্থা গীতা প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৭ – মার্গারেট মিচেল তার “Gone with the Wind.” এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পান।
১৯৩৯ – সুভাষচন্দ্র বসু কংগ্রেস ত্যাগ করে ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেন।
১৯৫৩ – ডয়চে ভেলে জার্মানির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জার্মানির বন্ শহরে স্থাপিত হয়।
১৯৬০ – অ্যান ফ্রাঙ্ক হাউস উদ্বোধন করা হয় আমস্ট্রাডামে।
১৯৬৮ – ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭১ – পিরোজপুর পতন হয় এবং পাক হানাদার বাহিনী ৬২ জনকে হত্যা করে।
১৯৭৩ – বাঙালি স্থাপত্যবিদ এফ আর খান -এর ডিজাইনে নির্মিত তৎকালীন পৃথিবীর সর্বোচ্চ ভবন সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমান উইলিস টাওয়ার) -এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন।
১৯৭৬ – বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয় এবং সংশোধনে বলা হয়, বাংলাদেশে ধর্ম ভিত্তিক দল গঠন করা যাবে।
১৯৭৯ – রক্ষণশীল দলের মার্গারেট থ্যাচার বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন ইউরোপের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
২০০১ – যুক্তরাষ্ট্র প্রথম জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের পদ হারায়। ২০০২ – পাকিস্তান নিউজিল্যান্ডকে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ইনিংস ও ৩২৪ রানে পরাজিত করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৪৮১ – দ্বিতীয় মুহাম্মদ (উসমানীয় সুলতান), অটোমান সুলতান।

১৯৬৯ – জাকির হুসেইন রাজনীতিবিদ, ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৯৭১ – (ক)  মুক্তিযোদ্ধা সাইফ মিজানুর রহমান (২০১৪ সালে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত)।
(খ ) ফায়জুর রহমান আহমেদ (কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের পিতা)।
১৯৮১ – নার্গিস দত্ত ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৮৮ – প্রেমেন্দ্র মিত্র কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্য-ব্যক্তিত্ব।
১৯৯২ – জর্জ মার্ফি, মার্কিন নৃত্যশিল্পী, অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ।
১৯৯৯ – গডফ্রে ইভান্স, ইংলিশ ক্রিকেটার।
২০০৫ – জগজিত সিং অরোরা, ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল।
২০০৯ – ভারতের মারাঠি লেখক রাম শেখর।
২০১১ – জ্যাকি কুপার, মার্কিন অভিনেতা, টেলিভিশন পরিচালক, প্রযোজক ও নির্বাহী।
২০১৪ – গ্যারি বেকার, মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This