Categories
রিভিউ

আজ ১৭ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১৭ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  মুজিবনগর দিবস, বাংলাদেশ।
(খ) বিশ্ব হিমোফিলিয়া (একটি বিলম্বিত রক্তক্ষরণ জনিতরোগ) দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩৮ – হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, উনিশ শতকের বাঙালি কবি।

১৮৫৩ – রসরাজ অমৃতলাল বসু, বাঙালি নাট্যকার ও নাট্য অভিনেতা।
১৮৮২ – রবার্ট মরিসন ম্যাকাইভার, স্কটীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী।
১৮৯৭ – থর্নটন ওয়াইল্ডার, আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
১৯১৫ – সিরিমা রাতওয়াত ডায়াস বন্দরনায়েকে, শ্রীলংকান রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯১৬ – সিরিমাভো বন্দরনায়েকে, শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

১৯১৮ – (ক)  সুনীল জানা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি ফটো সাংবাদিক।
(খ) উইলিয়াম হোল্ডেন, মার্কিন অভিনেতা।
১৯২৩ – লিন্‌জি অ্যান্ডারসন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৫৯ – শন বিন, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯৭২ – মুত্তিয়া মুরালিধরন, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট খেলোয়াড়।
১৯৭২ – জেনিফার গার্নার, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।
১৯৭২ – ইয়ুইচি নিশিমুরা, জাপানি সাবেক ফুটবলার ও রেফারি।
১৯৭৪ – ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম, ইংরেজ গায়িকা, অভিনেত্রী ও ফ্যাশন ডিজাইনার।
১৯৮৫ – রুনি মেয়ারা, মার্কিন অভিনেত্রী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেনের সঙ্গে ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ খোঁজার চুক্তি করেন।
১৬২৯ – প্রথম বাণিজ্যিক মাছের খামার চালু হয়।
১৭৮১ – ওয়ারেন হেস্টিংস কলকাতায় প্রথম মাদ্রাসা স্থাপন করেন।
১৮৩৯ – গুয়াতেমালা প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯৪ – রুশ জননেতা ও সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী নিকিতা ক্রুশ্চেভের জন্ম।
১৮৯৯ – এই দিনে কলকাতায় প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
১৯১৫ – এক যুদ্ধে বিশ্বে প্রথমবারের মত শ্বাসরোধক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
১৯২০ – আমেরিকান প্রফেশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়।
১৯৪১ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ইরাকে প্রবেশ করে।
১৯৪৬ – ফরাসি দখলদারিত্ব থেকে সিরিয়ার স্বাধীনতা লাভ।
১৯৫৩ – কম্বোডিয়া ফরাসীদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭১ – কুষ্টিয়া জেলার (বর্তমানে মেহেরপুর জেলা) বৈদ্যনাথতলার (বর্তমানে মুজিবনগর) আম্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
১৯৭৫ – কম্বোডিয়ান গৃহযুদ্ধের অবসান, খেমার রুজ রাজধানী নমপেন থেকে আটক হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৯২ – আলেকজান্ডার ম্যাকেঞ্জি, স্কটিশ বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ও ২য় প্রধানমন্ত্রী।
১৯২৯ – সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪২ – জঁ-বাতিস্ত পেরাঁ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।
১৯৬১ – বিমলচন্দ্র সিংহ, সংস্কৃত সাহিত্য দর্শনশাস্ত্রে ও ফরাসি ভাষার সুপণ্ডিত ও চিন্তাশীল লেখক।
১৯৭১ – গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রীয় তালিকাভুক্ত শহীদ বুদ্ধিজীবী।
১৯৭৫ – ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, আদর্শ শিক্ষক দার্শনিক ও ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি ও দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৯৭৬ – হেনরিক ডাম, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডেনিশ প্রাণরসায়নী ও শারীরবিজ্ঞানী।
১৯৮৩ – প্রবোধকুমার সান্যাল, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও পরিব্রাজক।
১৯৯৪ – রজার স্পেরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান স্নায়ুমনোবিজ্ঞানী।
২০০৪ – ইসরাইলের হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ফিলিস্তিনের অন্যতম শীর্ষ সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব ও ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের নেতা আব্দুল আজিজ রানতিসি মর্মান্তিকভাবে শহীদ হন।
২০০৮ – এমে সেজায়ার, মার্তিনিকের ফ্রাঙ্কোফোন কবি, লেখক, এবং রাজনীতিবিদ।
২০১৪ – গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কলম্বিয়ার সাংবাদিক ও লেখক।
২০১৫ – ইজ্জাত ইব্রাহিম আদ-দাউরি, ইরাক ফিল্ড মার্শাল ও রাজনীতিবিদ।
২০২০ – যুবায়ের আহমদ আনসারী, ইসলামি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

হিমোফিলিয়া : এক বিরল রক্তপাতজনিত ব্যাধির সাথে লড়াইয়ে বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা।।।

ওয়ার্ল্ড হিমোফিলিয়া দিবস হল একটি বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা অনুষ্ঠান প্রতি বছর ১৭ এপ্রিল উদযাপিত হয়, যা বিশ্ব ফেডারেশন অফ হিমোফিলিয়া (WHF) দ্বারা শুরু হয়েছিল একটি উন্নত চিকিত্সা এবং যত্নের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানোর অভিপ্রায়ে।

হিমোফিলিয়ার সাথে আরও ভাল নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ প্রচার করার পাশাপাশি।
একটি বিরল গুরুতর, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হেমোরেজিক ডিসঅর্ডার, হিমোফিলিয়া ফ্যাক্টর VIII এবং ফ্যাক্টর IX প্রোটিন (রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান) এর ত্রুটির কারণে ঘটে, যা রক্ত ​​জমাট বাঁধার অস্বাভাবিকতার দিকে পরিচালিত করে। যদিও সমস্ত জাতি এবং জাতিসত্তার লোকেদের হিমোফিলিয়া নির্ণয় করা যেতে পারে, তবে পুরুষদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি কারণ এই রোগটি X ক্রোমোজোমের সাথে যুক্ত। ৫০% সম্ভাবনা রয়েছে যে একটি ছেলে যার মা হিমোফিলিয়া জিন বহন করে সেও হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হবে এবং তার মেয়ের বাহক হওয়ার ঝুঁকি ৫০%। তাই, পুরুষদের মধ্যে হিমোফিলিয়া বেশি দেখা যায়, যদিও এটি মহিলাদের প্রভাবিত করতে পারে যা মাসিক এবং সন্তান জন্মদানে অসুবিধা সৃষ্টি করে।

বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস ২০২৫ এর থিম

এই বছর, ২০২৫ সালে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য হল ” সকলের জন্য প্রবেশাধিকার: নারী ও মেয়েদেরও রক্তপাত হয় “। এই প্রতিপাদ্যটি রক্তক্ষরণজনিত ব্যাধিতে আক্রান্ত মেয়ে ও মহিলাদের জন্য উন্নত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, যারা প্রায়শই রোগ নির্ণয়ের অভাবে পড়ে এবং পরিষেবা থেকে বঞ্চিত থাকে। এই জনসংখ্যার জন্য চিকিৎসার ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য।

 

বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবসের গুরুত্ব–

২০০০ সালে, এটি অনুমান করা হয়েছিল যে বিশ্বব্যাপী ৪ লক্ষ ব্যক্তি, বা ১০০০০ জীবিত জন্মের মধ্যে ১ জন, এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিল এবং আক্রান্তদের মধ্যে মাত্র ২৫% পর্যাপ্ত চিকিত্সার অ্যাক্সেস পেয়েছিল। ২০১৯ সালে, তবে, একটি মেটা-বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে উত্তরাধিকারসূত্রে রক্তপাতের অবস্থার সাথে পুরুষদের সংখ্যা অনেক বেশি, ১১.২৫ লাখ।
এমনকি উচ্চ আয়ের দেশগুলিতে, বিশ্ব জনসংখ্যার মাত্র ১৫%, হিমোফিলিয়ার জন্য কার্যকর চিকিত্সার অ্যাক্সেস রয়েছে। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য সম্পদের অভাব নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে উচ্চ মৃত্যুহার এবং অসুস্থতার হারের দিকে পরিচালিত করে।
এই বছর, বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস তার ৩১ তম বার্ষিকী উদযাপন করে যা রক্তক্ষরণজনিত ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তপাতের উন্নত চিকিত্সা, প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার এবং নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করার জন্য জনসাধারণকে উত্সাহিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবসের ইতিহাস-

ওয়ার্ল্ড হিমোফিলিয়া দিবস প্রথম পালিত হয় ১৭ এপ্রিল ১৯৮৯, ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ হিমোফিলিয়া (WFH) দ্বারা WFH এর প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাঙ্ক স্নাবেলের জন্মদিনকে সম্মান জানাতে। হিমোফিলিয়া ১০ শতক পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি, যখন লোকেরা আপাতদৃষ্টিতে ছোট দুর্ঘটনার কারণে পুরুষের মৃত্যুর অসম সংখ্যার দিকে মনোযোগ দিতে শুরু করেছিল। এই অবস্থাটিকে সেই সময়ে আবুলকেসিস হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এটি চিকিত্সা করা যায়নি। একটি অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট সাধারণত একটি রোগের চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হত যা সেই সময়ে রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক ছিল; যাইহোক, অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট রক্তকে পাতলা করে এবং অবস্থাকে আরও খারাপ করে।
১৮০৩ সালে, ফিলাডেলফিয়ার ডাঃ জন কনরাড অটো “ব্লিডার্স” নিয়ে গবেষণা শুরু করেন, যিনি শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে এই রোগটি মা থেকে ছেলেদের মধ্যে চলে গেছে। ১৯৩৭ সালে, হিমোফিলিয়াকে টাইপ A বা B জেনেটিক ডিসঅর্ডার হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল। যাইহোক, এখনও পর্যন্ত কার্যকর চিকিত্সার বিকাশ ঘটেনি।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব কণ্ঠ দিবস, জানুন কিভাবে বিশ্ব কণ্ঠ দিবস মানুষকে তাদের কণ্ঠস্বাস্থ্য উন্নত করতে উৎসাহিত করে।।।

প্রতি বছর ১৬ এপ্রিল বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালন করা হয়। আমেরিকান একাডেমি অফ অটোলারিঙ্গোলজি-হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি সেদিনের অন্যতম প্রধান স্পনসর ছিল যখন এটি ২০০২ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিশ্ব ভয়েস দিবসের উদ্দেশ্য হল মানুষের কণ্ঠস্বরের গুরুত্ব এবং প্রতিরোধমূলক যত্নের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ।

এটি লোকেদের তাদের কণ্ঠস্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করতে এবং ভাল কণ্ঠস্বরের অভ্যাস উন্নত বা বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে উত্সাহিত করাও।
আমেরিকান একাডেমি অফ অটোলারিঙ্গোলজি-হেড অ্যান্ড নেক সার্জারির মতে, “স্কুলে, চাকরিতে এবং সামাজিক যোগাযোগের জন্য ভয়েসটি আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” যাইহোক, অনেকে ধূমপান, চিৎকার, মদ্যপান বা দুর্বল কৌশলে কথা বলে তাদের কণ্ঠস্বরের অপব্যবহার করে। এটি দীর্ঘমেয়াদে আরও উল্লেখযোগ্য সমস্যা হতে পারে।

ওয়ার্ল্ড ভয়েস ডে ২০২৫ তারিখ–

এই বছর, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ বুধবার বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালিত হবে।

বিশ্ব কণ্ঠ দিবস ২০২৫ এরর থিম-

বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫ এর থিম হল, “মানসিকতার পরিবর্তন: কান ও শ্রবণ যত্নকে সকলের জন্য বাস্তবে পরিণত করতে নিজেকে শক্তিশালী করুন!”

বিশ্ব কণ্ঠ দিবসের ইতিহাস–

কণ্ঠস্বর ও বক্তৃতার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য প্রতি বছর ১৬ এপ্রিল বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালন করা হয়। এটি একটি কণ্ঠস্বর সংরক্ষণ এবং উন্নত করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার একটি দিন। ১৯৯৯ সালে ব্রাজিলে এই দিনটিকে ব্রাজিলের জাতীয় কণ্ঠস্বর দিবস হিসেবে প্রথম প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এটি ছিল ডাক্তার, স্পিচ-ল্যাংগুয়েজ প্যাথলজিস্ট এবং প্রাক্তন অ্যাসোসিয়েশন ‘Sociuldade Brasileira de Laringologia e Voz – SBLV’ (ব্রাজিলিয়ান সোসাইটি অফ ল্যারিনগোলজি অ্যান্ড ভয়েস) এর গায়ক শিক্ষকদের মধ্যে একটি সহযোগিতা, ডক্টর নেডিও স্টেফেনের নেতৃত্বে। এরপর আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগাল সহ অন্যান্য দেশগুলি অনুসরণ করে এবং ব্রাজিলের জাতীয় কণ্ঠ দিবস আন্তর্জাতিক ভয়েস দিবসে পরিণত হয়। ২০০২ সালে, আমেরিকান একাডেমি অফ অটোলারিঙ্গোলজি – হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি আধিকারিকভাবে এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেয় এবং সেই বছর, এটিকে ‘বিশ্ব ভয়েস দিবস’ নামকরণ করা হয়। ‘
বিশ্ব কণ্ঠ দিবসের তাৎপর্য-
ভয়েস ডিজঅর্ডারের জন্য চিকিত্সা প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়, যা আরও জটিলতা হতে পারে। বিশ্ব ভয়েস দিবস হল মানুষের কণ্ঠস্বরের গুরুত্ব এবং প্রতিরোধমূলক যত্নের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করার একটি দিন। এটি একটি অনুস্মারকও যে আমাদের সকলের উচিত একটি স্বাস্থ্যকর কণ্ঠস্বর বজায় রাখার জন্য একটি উন্নত মানের জীবনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৬ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৬ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  আজ বিশ্ব কণ্ঠ দিবস।
(খ) হাজব্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬৪৬ – জুলিস হার্ডোইন ম্যানসার্ট, ফ্রান্সের বিশিষ্ট স্হপতি।
১৭২৮ – জোসেফ ব্ল্যাক, ফরাসি বংশোদ্ভূত স্কটস চিকিৎসক ও রসায়নবিদ।

১৮৪৪ – আনাতোল ফ্রঁস নোবেলজয়ী ফরাসি কবি সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক।
১৮৬৭ – উইলবার রাইট, মার্কিন প্রকৌশলী ও উড়োজাহাজের আবিস্কারক।

১৮৮৫ – বিপ্লবী উল্লাসকর দত্ত, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

১৮৮৯ – চার্লি চ্যাপলিন, ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা ও চলচ্চিত্রকার।
১৮৯৬ – ক্রিস্টান জারা, তিনি ছিলেন রোমানীয় ফরাসি কবি ও সমালোচক।
১৯২১ – পিটার ইউস্টিনফ, ইংরেজ কবি নাট্যকার চলচ্চিত্রকার চিত্রনাট্যকার,বেতার সম্প্রচারক ।

১৯২৭ – পোপ বেনেডিক্ট, ষোড়শ।
১৯৪৭ – গেরি রাফেরটয়, স্কটিশ গায়ক ও গীতিকার।
১৯৫৪ – এলেন বারকিন, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৬০ – রাফায়েল বেনিতেজ, সাবেক স্প্যানিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
১৯৬০ – পিয়ের লিটবারস্কি, সাবেক জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৫ – মার্টিন লরেন্স, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৭২ – কোনকিতা মার্টিনেজ, সাবেক স্প্যানিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৭৭ – ফ্রেড্রিক লুক্সুমবার্গ, সুইডিশ ফুটবলার।
১৯৭৮ – লারা দত্ত, ভারতীয় মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, মিস ইউনিভার্স-২০০০।
১৯৮৫ – টায়ে টাইও, নাইজেরিয়ান ফুটবলার।
১৯৮৬ – শিনজি অকাযাকি, জাপানি ফুটবলার।
১৯৮৭ – আরন লেননোন, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮৫৩ – ভারতের বোম্বেতে প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
১৯১২ – হ্যারিয়েট কুইয়েম্বি প্রথম নারী হিসাবে বিমানে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
১৯১৬ – রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
১৯১৭ – ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন সুইজারল্যান্ড থেকে পেত্রোগ্রাদে ফিরে আসেন।
১৯১৭ – লেনিন বিখ্যাত ‘এপ্রিল থিসিস’ ঘোষণা করেন।
১৯১৭ – জার্মানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৪৮ – সশস্ত্র ইহুদীবাদী ইসরাইলীরা ফিলিস্তিনের একটি ইংরেজ সেনা ঘাটিতে হামলা চালালে ৯০ জন ফিলিস্তিনী শহীদ হন।
১৯৬১ – কিউবান নেতা ফিদেল কাস্ত্রো জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যমে ঘোষণা দেন যে, তিনি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী এবং কিউবায় কমিউনিজম ব্যবস্থা প্রচলন হতে যাচ্ছে।
১৯৯৭ – মক্কা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মীনায় হাজী ক্যাম্পে একটি গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে ৩৪৩ জন হাজী অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায় এবং ১২৯০ জন আহত হয়।
২০০১ – ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাঁচ দিনের সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়, যা কোনরূপ সমাধান ছাড়াই সমাপ্ত হয়।
২০০৭ – আইভরি কোস্ট-এর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লরেন্ট বাগবো প্রথম গৃহযুদ্ধের অবসানের ঘোষণা দেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৪৫ – টোবিয়াস হিউম, স্কটিশ সৈনিক, ভায়োল বাদক এবং সুরকার।
১৭৮৮ – জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ, ফরাসি গণিতবিদ, ফরাসি প্রকৃতিবিদ, গণিতজ্ঞ, জীববিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ ও লেখক।
১৮৫০ – ম্যারি তুসো, মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৫৯ – অ্যালেক্সিস ডি টকুয়েভিলে,ফরাসি ইতিহাসবিদ, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী।
১৮৯৬ – হরিনাথ মজুমদার কাঙাল হরিনাথ নামে পরিচিত সাংবাদিক সাহিত্যিক ও বাউল গান রচয়িতা।
১৯১৬ – টম হোরান, আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯২৮ – পাভেল আক্সেলরদ, একজন রুশ মেনশেভিক ও সমাজ-গণতন্ত্রী।
১৯৫১ – অদ্বৈত মল্লবর্মণ, বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৯৫৮ – রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন, ইংরেজ ভৌত রসায়নবিদ এবং ক্রিস্টালবিদ।
১৯৬২ – খান বাহাদুর হাশেম আলি খান, বাঙ্গালি রাজনীতিবিদ।
১৯৬৬ – নন্দলাল বসু প্রখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী ।
১৯৭২ – ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি লেখক।
১৯৭৪ – ভারতপ্রেমিক, রবীন্দ্রস্নেহধন্য ও শ্রীনিকেতনের রূপকার লিওনার্ড নাইট এলমহার্স্ট।
১৯৮৭ – প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেতা বিকাশ রায়।
১৯৮৮ – খলিল আল-ওয়াজির, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা।
২০১৫ – স্টানিস্লাভ গ্রস, চেক আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও চেক প্রজাতন্ত্রের ৫তম প্রধানমন্ত্রী।
২০২১ – কিংবদন্তি অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরী।
২০২১ – পিডিএফ ও ফটোশপের উদ্ভাবক ও সফটওয়্যার কোম্পানি এডোবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা চার্লস গ্যাসকি।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৫ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  আন্তর্জাতিক সর্বজনীন সংস্কৃতি দিবস।
(খ) ভারতে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ, পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়।
(গ) সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস ১৫ এপ্রিল তারিখে পালিত হয়।
(ঘ) বিশ্ব শিল্পকলা দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৫২ – লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী।

১৬৪২ – অটোমানের সুলতান দ্বিতীয় সুলাইমান।
১৭০৭ – লিওনার্ট অয়লার, গণিতজ্ঞ।
১৭৭২ – ফরাসি জীববিজ্ঞানী ও প্রাণিবিজ্ঞানী এতিয়েন জফ্রোয়া সাঁ-হিলের।
১৮০৬ – আলেকজান্ডার ডাফ খ্রিষ্টধর্মযাজক ও বৃটিশ ভারতে শিক্ষাবিস্তারে পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
১৮৩২ – জার্মান কবি, চিত্রশিল্পী ও অঙ্কনশিল্পী উইলহেলম বুসচ।
১৮৫৮ – ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক ডেভিড এমিল ডুর্খাইম।
১৮৭৪ – ইয়োহানেস ষ্টার্ক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৮৭৭ – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ভারতের বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।
১৮৯০ – নিকোলাই ত্রুবেৎস্‌কোয়, একজন রুশ ভাষাবিজ্ঞানী।
১৮৯৪ – রাশিয়ান জেনারেল ও রাজনীতিবিদ নিকিতা খ্রুশ্চেভ।
১৮৯৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ নিকোলাই সেময়োনোভ।
১৮৯৮ – ইবরাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়, পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।
১৯০৫ – তারকেশ্বর সেনগুপ্ত, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী,সূর্য সেনের বিপ্লবী দলের সদস্য ও চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের অন্যতম কর্মী।
১৯০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ জীববিজ্ঞানি নিকোলাস টিনবারগেন।
১৯১২ – উত্তর কোরিয়ার জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ১ম সুপ্রিম লিডার কিম ইল-সাং।
১৯১৪ – অজিতকুমার গুহ, বাঙালি শিক্ষাবিদ এবং লেখক।
১৯২০ – জার্মান সৈনিক ও রাজনীতিক, জার্মানি ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ভন ওয়েইযসাকের।
১৯২৮ – আনোয়ার পাশা, বাংলাদেশী লেখক।
১৯৩১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ মনোবৈজ্ঞানিক, কবি ও অনুবাদক টমাস ট্রান্সট্রোমারন।
১৯৩৩ – অনিলকুমার দত্ত ভারতীয় শিল্পী ও শিক্ষাব্রতী।
১৯৩৯ – এল. কে. সিদ্দিকী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।
১৯৪৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ রবার্ট জোসেফ লেফকোইতজ।
১৯৫৮ – ইংরেজ অভিনেতা, লেখক, কবি ও নাট্যকার বেঞ্জামিন সফনিয়।
১৯৬৩ – সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার মনজুর এলাহী।
১৯৭০ – আমেরিকান অভিনেতা ফ্লেক্স আলেকজান্ডার।
১৯৮৬ – ইংরেজ ফুটবলার টন হেয়াটন।
১৯৯০ – এমা ওয়াটসন, বিখ্যাত ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও মডেল।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮৬৫ – মার্কিন রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিঙ্কন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
১৯৭৬ – আমেরিকা লিবিয়ার ত্রিপলি এবং ইয়ানগাজীতে হামলা চালায়।
১৯১২ – উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের নিউফাউন্ডল্যান্ডে বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ২২২৪ জন ত্রু যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়।
১৯৭২ – উত্তর ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক বোমা হামলা চালায়।
১৯৯৭ – মিনায় হাজি ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডে ৩৪৩ জন হাজির মৃত্যু হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৬৫ – আব্রাহাম লিংকন, মার্কিন রাষ্ট্রপতি (আততায়ীর গুলিতে নিহত)।
১৯৩৮ – সেসার ভাইয়েহো, পেরুর কবি, লেখক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।
১৯৫৭ – জগদীশ গুপ্ত, ভারত উপমহাদেশের অন্যতম কবি, ঔপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।
১৯৬৬ – হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বাঙালি রাজনীতিবিদ, লেখক।
১৯৮০ – জঁ-পল সার্ত্র্‌, ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক, নাট্যকার, সাহিত্যিক এবং সমালোচক।
১৯৮৬ – জ্যঁ জ্যেঁনে, ফরাসি সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনকর্মী।
১৯৮৯ – হু ইয়াওবাং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব।
১৯৯০ – গ্রেটা গার্বো, সুয়েডীয়-মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৯৮ – উইলিয়াম কংডন, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।
২০০৩ – রেজ বানডি, ইংরেজ অভিনেতা ও ড্যান্সার।
২০১১ – ইতালিয়ান সাংবাদিক, লেখক ও সমাজকর্মী ভিটরিও আরিগনি।
২০১৫ – সূর্য বাহাদুর থাপা, নেপালের রাজনীতিবিদ ও ২৪ তম প্রধানমন্ত্রী।
২০২২ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি চিকিৎসক বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

শিবনীবাসের চড়ক মেলা – বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ও পরম্পরার মেলবন্ধন।।।।

শিবনীবাসের চড়ক মেলা। চরক পূজা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকোৎসব। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিতে বা চৈত্রের শেষ দিনে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈশাখের প্রথম দু-তিন দিনব্যাপী চড়ক পূজার উৎসব চলে। এটি চৈত্র মাসে পালিত হিন্দু দেবতা শিবের গাজন উৎসবের একটি অঙ্গ।

কথিত আছে, এই দিনে শিব-উপাসক বাণরাজা দ্বারকাধীশ কৃষ্ণের সংগে যুদ্ধে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে মহাদেবের প্রীতি উৎপাদন করে আকাঙ্ক্ষায় ভক্তিসূচক নৃত্যগীতাদি ও নিজ গাত্ররক্ত দ্বারা শিবকে তুষ্ট করে অভীষ্ট সিদ্ধ করেন। সেই স্মৃতিতে শৈব সম্প্রদায় এই দিনে শিবপ্রীতির জন্য উৎসব করে থাকেন।।
অনুরূপভাবে, নদীয়ার ১৮ আগস্ট পরিচালক সমিতির উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও নববর্ষের আগমন সন্ধিক্ষণে এবং পুরাতন বৎসরের অবসান লগ্নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের মন্দির প্রাঙ্গণে চরক পূজা। এই শিব নিবাসের চড়ক পূজার মূল ঐতিহ্য এবং বৈচিত্রবাহী আকর্ষণ হল প্রতি বছর চড়ক পূজার চরক গাছ শিবনিবাস এর শিবলিঙ্গের পার্শ্ববর্তী চূর্ণী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। সারা বছর এই সড়ক গাছ চূর্ণী নদীতে দৃষ্টিগোচর না হলেও প্রতিবছর গাজন বা চরক পূজার আগের দিন অর্থাৎ নীল পূজার দিন প্রত্যুষ কালে দৃষ্টিগোচর হয় সেই গাছ অর্থাৎ ডাঙায় ফিরে আসে সেই চরক গাছ।
এই ঘটনা গভীরভাবে ছাপ ফেলে শিবনিবাস বাসী তথা নদিয়া বাসীর কাছে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত শিব মন্দিরের চরক উৎসবে মূল বৈশিষ্ট্য হল চরক গাছের গোড়ায় শিব দুর্গার পূজা দেওয়া হয়। এবং বিভিন্ন খ্যাতনামা সন্ন্যাসীরা এসে উপস্থিত হন এবং পিঠে বরছি ফুটিয়ে চরক আবর্তন করেন। পাশাপাশি পিঠে বর্ষি বেঁধে রথ টানা প্রচলন আছে ।শিব ঠাকুর অত্যন্ত জাগ্রত হওয়ায় কোন ত্রুটি বা কোন ভুল ভ্রান্তি হলে সয়াল ওঠার ঘটনা কোন আশ্চর্য ঘটনা নয়। প্রত্যেক বছর 18ই আগস্ট কমিটির উদ্যোগে এই বৃহৎ চড়ক মেলা তথা গাজন উৎসবের আয়োজন করা হয় যা ভক্তি ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা। কেন্দ্র করে হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হয়।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ভগবতী যাত্রা – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।।।।

ভগবতী যাত্রা । নদীয়ার সীমান্ত লাগোয়া কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে ১লা বৈশাখ মানে আলাদা উন্মাদনা। আলাদা আবেগ । ১লা বৈশাখ মানেই ভগবতী যাত্রা । আর ভগবতী যাত্রা মানেই গোয়ালে গরু পুজো করা হয়। আগের মতো এখনও গ্রেস্ত বাড়িতে লক্ষ্মী , গণেশ, নারায়ণ পুজোও করা হয়। গ্রামবাসীদের দৃঢ বিশ্বাস ১ লা বৈশাখের সাত সকালে গোরুর পুজো করা হলে সংসারে সমৃদ্ধি হয়।

তাই পুজোর মতো সমস্ত উপকরণ সাজিয়ে গোরু পুজো করা হয় প্রথা মেনে। স্থানীয় ভাবে এই পুজোকে ভগবতী যাত্রাও বলা হয়। গোয়ালঘরে পুজোতে ফল কাটা, মিষ্টি, গঙ্গাজল, ফুল, ঘি, থরে থরে সাজানো থাকে। উড়ে যায় ধূপ ধুনোর গন্ধ।
পুরোহিত ঘন্টা বাজিয়ে মন্ত্রোচ্চারণ করে গোরু পুজো করে। গোটা কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিব নিবাস, পাবাখালি ,মাজদিয়া, আদিত্যপুর সহ আশপাশ এলাকায় ১লা বৈশাখে এই গোরু পুজো করা হয়। পুজোর সময় শঙখ, উলুধ্বনি, এমনকি কীর্তনও হয়। নববর্ষের দিন মাইকের ঝনঝনানিও কম থাকে। বাড়ি বাড়ি লক্ষ্মী, গণেশ ,নারায়ণ পুজো করা হয়। এ প্রসঙ্গে কৃষ্ণগঞ্জের বয়স্ক ব্যক্তিরা বলেন,’ কৃষ্ণগঞ্জে ব্যবসায়িক কেন্দ্র হওয়ায় ১লা বৈশাখ দিনটি আলাদা গুরুত্ব পাই । পাশাপাশি প্রতিটি কৃষক পরিবারকে পুজা পাঠের সঙ্গে গোয়ালের রাখাল বালকদের গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হয়। দুপুরে তাদের খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি নতুন জামা কাপড় দেওয়ার রীতি । কিন্ত কোন রকম ভাবে মাইকের আওয়াজ, অসভ্যতা দেখা যায় না। বরং এই দিনটা অন্য রকম থাকে। বাড়ি বাড়ি পুজো থাকে, শাঁখ বাজে। উলুধ্বনি আসে। ধূনোর গন্ধ আসে। ‘.সারা বছর গোয়াল ভরা ধান, গোয়ালঘরে গোরুর বাটে যেন দুধ ভরে যায়। সর্বোপরি সংসারে সুখ স্বাচ্ছন্দ্যে ভরে ওঠে এই কামনা, আশায় গোরু পুজো করা হয়।১লা বৈশাখের সকালে গোরুকে স্নান করানো হয়। গোরুর শিংয়ে হলুদ তেল মাখানো হয়। কপালে সিঁদুরের লাল টিপ পড়ানো হয়। পুজোর আগের দিন মাটির সরা কিনে নিয়ে আনা হয়। সেই সরাতে সকালে দুয়ানো দুধ ঢেলে দেওয়া হয়। গোয়াল ঘরের মধ্যে ইটের উনুন তৈরি করা হয়। সেই উনুনে পাটকাঠির আগুন জ্বালানো হয়।
আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠতেই দুধ রাখা সরা উনুনে বসিয়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে দুধ ফুটতে থাকে। একসময় দুধ উথলে পড়ে। পোড়া দুধের গন্ধ গোটা এলাকায় ভরে যায়।গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করেন, দুধ না উথলে পড়লে সংসারে অলক্ষণ দেখা দেয় । তাই গোয়ালঘরে দুধ ফোটানোর সময় বাড়ির লোকজন উদ্বেগের মুখ নিয়ে থাকে। কতক্ষণে দুধ ফুটে উথলে পড়বে। দুধ কিরকম ফুটছে এ চর্চায় গ্রামে গ্রামে হয়। বলা যেতেই পারে প্রতিটি গ্রেস্ত বাড়িতে ভগবতীর যাত্রা উপলক্ষে পরিবারের আনন্দ উল্লাস অন্য মাত্র এনে দেয় ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শিল্পকলা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।

প্রতি বছর, ১৫ এপ্রিল, বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিরা বিশ্ব শিল্প দিবস উদযাপন করে। শিল্প, একটি ধারণা যা বিভিন্ন সংস্কৃতির দ্বারা স্বতন্ত্রভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, এই উদযাপনের সময় একটি কেন্দ্রীয় ফোকাস হিসাবে কাজ করে, এর বৃদ্ধি এবং উপলব্ধি প্রচার করে। এই উপলক্ষটি মানুষের জন্য একটি মৃদু ধাক্কা হিসাবে কাজ করে তাদের ব্যস্ত জীবনের মাঝে বিরতি দিন এবং তাদের চারপাশের সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন, ব্যস্ত সময়সূচীর কারণে প্রায়ই উপেক্ষিত হয়, অনেকের কাছে এটি নিয়মিতভাবে আর্ট গ্যালারী করা চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে, তাই এই বার্ষিক পালন একটি সময়োপযোগী অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে বিশ্বের সৌন্দর্য অনুভব করার সহজ আনন্দের মধ্যে, বিশ্ব শিল্প দিবস জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার জন্য, কৌতূহল জাগানো এবং ব্যক্তিদের মধ্যে আকর্ষক কথোপকথনকে উত্সাহিত করার জন্য একটি অনুঘটক হিসাবে কাজ করে।

2019 সালে UNESCO-এর ৪০ তম সাধারণ সম্মেলনের সময় প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব শিল্প দিবস, বিশ্বব্যাপী শিল্পের বৃদ্ধি, প্রসার এবং প্রশংসাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি স্মারক। শিল্প সৃজনশীলতা লালন, উদ্ভাবন লালন এবং বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রচারের জন্য একটি অনুঘটক হিসাবে কাজ করে। এটি জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে, কৌতূহল উদ্দীপিত করতে এবং অর্থপূর্ণ কথোপকথনের সুবিধার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিল্পের এই স্থায়ী গুণগুলি এর তাত্পর্যকে অন্ডারস্কোর করে, পরিবেশ তৈরি এবং সুরক্ষিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে যা শিল্পী এবং শৈল্পিক স্বাধীনতাকে চ্যাম্পিয়ন করে। শিল্পের বিকাশে অগ্রসর হওয়ার মাধ্যমে, আমরা কেবল আমাদের সাংস্কৃতিক ল্যান্ডস্কেপকে সমৃদ্ধ করি না বরং স্বাধীনতা ও শান্তির বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি বিশ্বের সন্ধানে অবদান রাখি।”

“বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ থিম–

বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ এর থিম

২০২৫ সালের বিশ্ব শিল্প দিবসের প্রতিপাদ্য “ঐক্য ও রূপান্তরের জন্য শিল্প”।

” থিমটি শিল্পের সারমর্মকে একটি প্রাণবন্ত এবং লালনকারী শক্তি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে যা বিশ্বব্যাপী সম্প্রদায়ের মধ্যে সংযোগ, সৃজনশীলতা এবং সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে। ঠিক একটি বাগানের মতো, যেখানে বিভিন্ন গাছপালা একসাথে থাকে এবং সমৃদ্ধ হয়, শিল্প বিভিন্ন অভিব্যক্তি, ধারণা এবং দৃষ্টিভঙ্গির চাষের জন্য একটি উর্বর ভূমি হিসাবে কাজ করে। এটি একটি সম্মিলিত স্থানের প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যক্তিরা তাদের অনন্য কণ্ঠস্বর এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে একত্রিত হয়, যা মানব সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ট্যাপেস্ট্রিতে অবদান রাখে।

অভিব্যক্তির এই রূপক বাগানে, প্রতিটি শিল্পকর্ম একটি প্রস্ফুটিত ফুলের মতো, যা তার স্রষ্টার ব্যক্তিত্ব এবং সৃজনশীলতাকে প্রতিফলিত করে। একটি বাগানের বিকাশের জন্য যেমন যত্ন এবং মনোযোগের প্রয়োজন, তেমনি শৈল্পিক সম্প্রদায়েরও বৃদ্ধি এবং উন্নতির জন্য সমর্থন এবং উত্সাহ প্রয়োজন। তদুপরি, থিমটি মানুষের মধ্যে বিভাজন এবং সংযোগ স্থাপনের জন্য শিল্পের রূপান্তরকারী শক্তিকে আন্ডারস্কোর করে। শৈল্পিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে, সম্প্রদায়গুলি সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করতে, ভাগ করা মূল্যবোধ উদযাপন করতে এবং বোঝাপড়া এবং সহানুভূতি প্রচার করতে একত্রিত হতে পারে।”

“বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ ইতিহাস–

আন্তর্জাতিক শিল্প সমিতির সাধারণ পরিষদের সময় ১৫ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব শিল্প দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১২ সালে এর সূচনা সম্মানিত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির জন্মদিনের সাথে মিলে যায়, সহনশীলতা, বিশ্ব শান্তি, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং বহুসংস্কৃতির মত মূল্যবোধের প্রতীক যা তিনি তুলে ধরেছিলেন। উদ্বোধনী উদযাপনটি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ আর্ট (I.A.A.) এর সমস্ত জাতীয় কমিটির কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ১৫০ জন শিল্পী অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করেছে।
ইভেন্টে কনফারেন্স, বর্ধিত জাদুঘরের সময়, এবং বহিরঙ্গন শিল্প প্রদর্শনীগুলি পেইন্টিং, প্রিন্ট, ভাস্কর্য, ভিডিও এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন শিল্পকর্ম প্রদর্শন করে। শিল্প, স্থাপত্য, সঙ্গীত, চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্য, সাহিত্য এবং সিনেমার মতো অগণিত আকারে, ব্যক্তিদের তাদের সৃজনশীলতা এবং আবেগ প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে। প্রকৃত শিল্পকে বিশ্ব সম্পর্কে শিল্পীর উপলব্ধি এবং এর প্রতি তাদের আবেগের একটি খাঁটি অভিব্যক্তি হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যা মানুষের মধ্যে মিল এবং পার্থক্য উভয়ই প্রতিফলিত করে।
বিশ্ব শিল্প দিবস ব্যক্তিদের জন্য তাদের চারপাশের সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে এবং বাধা ছাড়াই আত্ম-প্রকাশকে আলিঙ্গন করার জন্য একটি মর্মান্তিক অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে। এটি শিল্পের উত্সাহ এবং টেকসই বিকাশের পক্ষে সমর্থন করে, সৌন্দর্য চিত্রিত করতে এবং আবেগের প্রকাশকে উত্সাহিত করতে এর ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়। অব্যাহত সমর্থনের মাধ্যমে, শিল্পীরা তাদের সৃজনশীল প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারে।”
“বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ তাৎপর্য–
আমরা বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ পালন করার সময়, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি প্রচার, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং শৈল্পিক স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন করার ক্ষেত্রে এর তাৎপর্য স্বীকার করা অপরিহার্য। এখানে পাঁচটি মূল বিষয় রয়েছে যা ২০২৫ সালের বিশ্ব শিল্প দিবসের তাৎপর্যকে আন্ডারস্কোর করে:
সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপন: বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৪ বিশ্বজুড়ে সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য এবং শৈল্পিক অভিব্যক্তি উদযাপন করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আলিঙ্গন ও সংরক্ষণের গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।
সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনের প্রচার: এই পালন ব্যক্তিদের তাদের সৃজনশীল সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে এবং শৈল্পিক অভিব্যক্তির সীমানাকে এগিয়ে নিতে উত্সাহিত করে। বিশ্ব শিল্প দিবস উদযাপনের মাধ্যমে, সমাজ বিভিন্ন শিল্প ফর্ম জুড়ে সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
কথোপকথন এবং বোঝাপড়াকে উত্সাহিত করা: শিল্পের অর্থপূর্ণ কথোপকথন শুরু করার এবং ব্যক্তি এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে বোঝাপড়াকে উন্নীত করার ক্ষমতা রয়েছে। বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৪ গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যুতে কথোপকথনের সুবিধা দেয়, সহানুভূতিকে উত্সাহিত করে এবং শিল্পের সার্বজনীন ভাষার মাধ্যমে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করে।
শৈল্পিক স্বাধীনতার পক্ষে ওকালতি: বিশ্ব শিল্প দিবসটি শৈল্পিক স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের সুরক্ষার পক্ষে সমর্থন করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। শিল্পীরা স্বাধীনভাবে নিজেদের প্রকাশ করতে পারে এমন পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব স্বীকার করে, সমাজ মৌলিক মানবাধিকার সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
অনুপ্রেরণামূলক সামাজিক পরিবর্তন: শিল্পের ইতিবাচক পরিবর্তনকে অনুপ্রাণিত করার এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব শিল্প দিবস ২০২৫ব্যক্তিদের তাদের শৈল্পিক প্রতিভা ব্যবহার করে সামাজিক সমস্যাগুলি সমাধান করতে, বৈচিত্র্যকে উন্নীত করতে এবং সবার জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে।”

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৪ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) পহেলা বৈশাখ (বাংলাদেশ)।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৯ – ঐতিহাসিক আর্নল্ড জোসেফ টয়েনবি।

১৮৯১ – ভীমরাও রামজি আম্বেডকর হলেন একজন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী, আইনজ্ঞ এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।
১৯০৪ – জন গিলগুড, ইংরেজ অভিনেতা ও মঞ্চ পরিচালক।
১৯০৭ – প্রভাস রায় স্বদেশী ও খিলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
১৯০৭ – পূরণচাঁদ জোশী ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের একজন এবং প্রথম সচিব।
১৯২২ – আলি আকবর খান মাইহার ঘরানার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৪৭ – সাযযাদ কাদির, প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
১৯৬৪ – মান্না, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮২৮ – ওয়েবস্টার তার অভিধানের প্রথম সংস্করণ কপিরাইটভুক্ত করেন।
১৮৯০ – প্যান আমেরিকা জোট প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৪ – বম্বের (বর্তমানে মুম্বাই) ভিক্টোরিয়া ডাকে গোলাবারুদ র্ভতি জাহাজে বিস্ফোরণ, ১২ শতাধিক লোকের মৃত্যু।
১৯৫৮ – অরুণা আসফ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত।
১৯৬১ – কিউবা সরকারের বিরুদ্ধে সেদেশের বিপ্লবীদের অভিযান শুরু হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মাদাগাস্কার।
১৯৭৫ – বাংলাদেশে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৬ দলীয় জোট গঠন।
১৯৮৬ – বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৮ – আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে সোভিয়েত সরকার জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষর করে।
২০০২ – ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি দেশে ফিরে তার দায়িত্বভার নেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮০ – মারাঠা নেতা ছত্রপতি শিবাজী।
১৮৬৫ – যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন আততায়ীর গুলিতে আহত হন।
১৯২৫ – জন সিঙ্গার সার্জেন্ট, আমেরিকান চিত্রশিল্পী ।
১৯৩০ – ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি, রুশ এবং সোভিয়েত কবি, নাট্যকার, শিল্পী ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬৩ – রাহুল সাংকৃত্যায়ন ভারতীয় সুপণ্ডিত ও স্বনামধন্য পর্যটক।
১৯৮৪ – অণিমা হোড় – একজন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, শ্রমিকনেত্রী এবং সমাজকর্মী।
১৯৮৬ – নীতীন বসু ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯৮৬ – ফরাসী ঔপন্যাসিক ও নারীবাদী সিমন দ্য বোভোয়ার।
২০২১ – আব্দুল মতিন খসরু, বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৩ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) চৈত্র সংক্রান্তি
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫১৯ – ক্যাথরিন ডি’ মেডিকি, ফ্রান্সের দ্বিতীয় হেনরি এর ইতালীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি স্ত্রী।

১৫৭০ – গায় ফাওকেস, ইংরেজ সৈনিক ও বারূদ চক্রান্ত পরিকল্পনাকারী।
১৭৪৩ – টমাস জেফারসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৯০৬ – স্যামুয়েল বেকেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ ফরাসি লেখক, নাট্যকার ও পরিচালক।
১৯০৯ – প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।
১৯২২ – জুলিয়াস নয়েরে, তাঞ্জানিয়া শিক্ষাব্রতী ও রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।
১৯৩৯ – শেমাস্‌ হীনি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ কবি ও নাট্যকার।
১৯৪০ – জঁ-মারি গুস্তাভ ল্য ক্লেজিও, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি লেখক ও শিক্ষক।
১৯৪১ – মাইকেল স্টুয়ার্ট ব্রাউন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট।
১৯৪৯ – ক্রিস্টোফার হিচেনস, ইংরেজ বংশোদ্ভূত আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৫০ – রন পেরলমান, আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৬০ – রুডি ফোলার, সাবেক জার্মান ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।
১৯৬৩ – গ্যারি কাসপারভ, গ্র্যান্ড মাস্টার, দাবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।
১৯৭৮ – কার্লেস পুয়ল, তিনি স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৮৩ – ক্লাউদিও আন্দ্রেস ব্রাভো মুনোজ, চিলির ফুটবলার।
১৯৮৪ – এন্দারস রোজেনক্রান্তজ লিন্ডেগার্দ, ডেনিশ ফুটবলার।
১৯৮৮ – অ্যান্ডারসন লুইজ দে অ্যাব্রু অলিভিয়েরা, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৪১ – যুক্তরাজ্যের রয়েল মিলিটারি একাডেমি স্থাপিত হয়।
১৭৭২ – ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।
১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩ – গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৯ – রাওলাট আইনের প্রতিবাদে অমৃতসরে এক বিক্ষোভ সমাবেশে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে ব্রিটিশ পুলিশ গুলি চালালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৪৮ – ভুবনেশ্বর ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়।
১৯৬৪ – ইয়ান স্মিথ দক্ষিণ রোডেশিয়ার নতুন সরকার গঠন করেন।
১৯৬৬ – বিমান দূর্ঘটনায় ইরাকি কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও ইরাক ২য় রাষ্ট্রপতি আবদুস সালাম আরিফ মারা যান।
১৯৭৫ – লেবাননের গৃহ যুদ্ধের সময় খৃষ্টান উগ্রবাদী ফ্যালানজিষ্ট দলের আধাসামরিক বাহিনী একটি বাসে হামলা চালালে ৩০ জন ফিলিস্তিনী নিহত হয়।
১৯৭৫ – বৈরুতে মুসলামান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়।
১৯৯৭ – আইসিসি ক্রিকেটে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়।
২০০৪ – সুপারসনিক বিমান কনকর্ড শেষবারের মতো আকাশে ওড়ে।
২০২৩ – পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮২ – ব্রুনো বাউয়ের, জার্মান ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
১৯৪৪ – বাংলার খ্যাতনামা সাংবাদিক আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রফুল্লকুমার সরকার।
১৯৪৫ – আর্নেস্ট কাসিরের, পোলিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৫৬ – এমিল নল্ডে, ডেনিশ বংশোদ্ভূত জার্মান চিত্রকর ও শিক্ষাবিদ।
১৯৬৬ – জর্জ দুহামেল, ফরাসি লেখক।
১৯৭৩ – বলরাজ সাহনি, খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা।
১৯৭৫ – ফ্রাঙ্কইস টম্বাল্বায়ে, চাঁদের সৈনিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও প্রথম রাষ্ট্রপতি।
১৯৯৩ – ওয়ালেস স্টেগ্নার, আমেরিকান ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
২০১৫ – এডুয়ার্ডো গালেয়ানো, উরুগুয়ের সাংবাদিক ও লেখক।
২০১৫ – গুন্টার গ্রাস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক, চিত্রকর, ভাস্কর এবং নাট্যকার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This