Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া মনীষীদের সেরা কিছু বাণী।।।

১) “মানুষের অন্তর্নিহিত পরিপূর্ণ বিকাশই হল শিক্ষা।”  – স্বামী বিবেকানন্দ।
২)  “জীবন ও সময় হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
জীবন শেখায় সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মুল্য দিতে।” – এ.পি.জে আব্দুল কালাম
৩) “আমরা যে মানবজীবন পেয়েছি তা হল আদর্শ মানবজীবন গড়ে তোলার উপকরণ।” – সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন
৪)  “মানুষের কথা-বার্তায় ক্রোধ বা রাগের পরিমান খাবারের লবনের মত। যা পরিমিত হলে রুচিকর, অপরিমিত হলে ক্ষতিকর।” – প্লেটো
৫)  “অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।” – শেক্সপিয়র
৬)  “মূর্খের উপাসনা অপেক্ষা জ্ঞানীর নিদ্রা শ্রেয়।” – আল হাদিস
৭)  “মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৮) ”সুখে থাকাই জীবনের চরম সার্থকতা নয় বরং কাউকে সুখে রাখতে পারাটাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।” – রেদোয়ান মাসুদ।
৯)  “দেশপ্রেমিকের রক্তই স্বাধীনতা বৃক্ষের বীজ স্বরূপ।” – টমাস ক্যাম্পবেল।
১০)  “নদীতে স্রোত আছে তাই নদী বেগবান, জীবনে দ্বন্দ্ব আছে তাই জীবন বৈচিত্র্যময়।” – টমাস মুর।
১১) “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।” – শেখ মুজিবুর রহমান
১২)  “প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৩) “জ্ঞানীকে চেনা যায় নীরবতা থেকে, আর মূর্খকে তার বক্তব্য থেকে।” – পিথাগোরাস।
১৪)  “আমাদের সমস্ত স্বপ্ন সত্যি হতে পারে যদি আমরা তাদের অনুসরণ করার সাহস পাই।” – ওয়াল্ট ডিজনি
১৫) “বিদ্বান সকল গুণের আধার, অজ্ঞ সকল দোষের আকার। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক বেশি কাম্যস” – চাণক্য
১৬) “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না।” – কনরাড হিলটন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

কুম্ভ মেলা সম্পর্কে কিছু তথ্য।

ভূমিকা:-  হিন্দুদের একটি গণ তীর্থযাত্রা, কুম্ভ মেলা বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ। এটি বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার এক দর্শনীয় প্রদর্শন যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তকে আকর্ষণ করে। এই মেলা প্রতি ১২ বছর অন্তর ভারতের চারটি ভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়: এলাহাবাদ (প্রয়াগরাজ), হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জয়িনী।

ইতিহাস এবং তাৎপর্য:- কুম্ভ মেলার উৎপত্তি প্রাচীন হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী (সমুদ্র মন্থন) থেকে। কিংবদন্তি অনুসারে, দেবতা এবং অসুররা সমুদ্র মন্থনে সহযোগিতা করে অমরত্বের অমৃত, অমৃত উৎপন্ন করে। মন্থন প্রক্রিয়া চলাকালীন, চারটি স্থানে যেখানে কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে অমৃতের চারটি ফোঁটা পৃথিবীতে পড়ে।

মেলা হল মন্দের উপর শুভের বিজয় এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের উদযাপন। এটি ভক্তদের জন্য তাদের আত্মাকে পবিত্র করার, আধ্যাত্মিক বিকাশের সন্ধান করার এবং জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভের একটি সুযোগ।

প্রস্তুতি এবং আচার-অনুষ্ঠান:-  কুম্ভমেলার প্রস্তুতি কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। স্থানগুলি বিশাল তাঁবুর শহরে রূপান্তরিত হয়, যেখানে হাজার হাজার অস্থায়ী আশ্রয়স্থল, খাবারের দোকান এবং চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মেলার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য একসাথে কাজ করে।

কুম্ভমেলা একটি 48 দিনের উৎসব, যার প্রথম দিন মকর সংক্রান্তি (শীতকালীন অয়নকাল)। মেলাটি তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: শাহী স্নান (রাজকীয় স্নান), পৌষ পূর্ণিমা স্নান এবং মহা শিবরাত্রি স্নান।

শাহী স্নান হল কুম্ভমেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে লক্ষ লক্ষ ভক্ত পবিত্র নদীতে স্নান করেন। নগ্ন তপস্বীদের একটি দল, নাগা সাধুরা প্রথমে পবিত্র স্নান করেন, তারপরে অন্যান্য সাধু, সাধু এবং ভক্তরা আসেন।

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য:-  কুম্ভমেলা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও একটি উদযাপন। মেলা দেশের সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে, যেখানে সাধু, সাধু, সঙ্গীতজ্ঞ, নৃত্যশিল্পী এবং কারিগর সহ সকল স্তরের অংশগ্রহণকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

কুম্ভমেলা ভক্তদের জন্য তাদের আধ্যাত্মিক শিকড়ের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ভারতের প্রাণবন্ত সংস্কৃতি অনুভব করার একটি সুযোগ। এটি আত্ম-প্রতিফলন, আধ্যাত্মিক বিকাশ এবং সাম্প্রদায়িক উদযাপনের সময়।

চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক:-  কুম্ভমেলা তার চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক ছাড়াই নয়। বিশাল সমাবেশ উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, যার মধ্যে রয়েছে ভিড় ব্যবস্থাপনা, মৌলিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মেলা চলাকালীন পদদলিত, দুর্ঘটনা এবং স্বাস্থ্য সংকটের ঘটনা ঘটেছে। পরিবেশগত প্রভাবের জন্যও এই অনুষ্ঠান সমালোচিত হয়েছে, দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসের বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

উপসংহার:-  কুম্ভমেলা একটি অনন্য এবং আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার গভীরতা এবং বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে। চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক সত্ত্বেও, মেলা ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ হিসেবে, কুম্ভ মেলা বিশ্বাস, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক উদযাপনের শক্তির প্রমাণ। এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা এতে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করে, শিক্ষিত করে এবং রূপান্তরিত করে, তাদের জীবন ও আত্মার উপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

Share This
Categories
রিভিউ

বিখ্যাত কিছু উক্তি যা আপনাকে সব সময়ে অনুপ্রেরণা দেবে।।।

১ . “যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা কৌশল হল, লড়াই করা ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করতে পারা”
– সান জু (লেখক, দি আর্ট অব ওয়ার)
০২. “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে”
– লাও ঝু (বিখ্যাত চীনা দার্শনিক)
০৩. “সততা হল জ্ঞানী হওয়ার বইয়ের প্রথম অধ্যায়”
– থমাস জেফারসন
০৪. “আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে। এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো, দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো”
– এডিথ ওয়ারটন (বিখ্যাত লেখিকা)
০৫. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”
– ক্লাইভ জেমস
০৬. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”
– নেলসন ম্যান্ডেলা
০৭. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”
– কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন)
০৮. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”
– নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক)
০৯. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”
– ওয়াল্ট ডিজনি
১০. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”
– আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
১১. “চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে”
– ড. এপিজে আব্দুল কালাম
১২. “একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে তোমার কাছে কিছু বললে তাতে কান দিও না। সবকিছু নিজের হাতে যাচাই করো।”
– হেনরি জেমস (বিখ্যাত লেখক)
১৩. “বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে”
– প্লেটো (দার্শনিক)
১৪. “আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়”
– প্লুতার্ক (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৫. “সুখ কখনও সম্পত্তি বা অর্থের ওপর নির্ভর করে না। সুখের বাস আত্মার গহীনে”
– দেমোক্রিতাস (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৬. “যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৭. “ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৮. “সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা”
– সক্রেটিস (গ্রীক দার্শনিক)
১৯. “সৎ কর্ম যত ছোটই হোক, তা কখনও বৃথা যায় না”
– দার্শনিক ঈশপ এর বিখ্যাত উক্তি
২০. “খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো”
– জর্জ ওয়াশিংটন
২১. “যদি খুব ভালো কিছু করতে না পারো, তবে ছোট ছোট কাজ খুব ভালো করে করো”
– নেপোলিয়ন হিল
২২. “সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে”
– থমাস কার্লাইল (স্কটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ)
২৩. “সুযোগ যদি তোমার দরজায় কড়া না নাড়ে, তবে নতুন একটি দরজা বানাও”
– মিল্টন বার্লে (বিখ্যাত অভিনেতা)
২৪. “জীবনে উন্নতি করার গোপন সূত্র হল কাজ শুরু করা”
– মার্ক টোয়েন (ইতিহাসের সফলতম লেখকদের একজন)
২৫. “একসাথে হওয়া মানে শুরু; একসাথে থাকা মানে উন্নতি; দীর্ঘ সময় একসাথে চলা মানে সাফল্য”
– এডওয়ার্ড এভরিট হ্যালি (বিখ্যাত লেখক)
২৬. “যারা নতুন কিছু খোঁজে না, একদিন তাদেরও কেউ খুঁজবে না”
– জে আর আর টলকিন (লেখক, লর্ড অব দ্য রিংস)
২৭. “বললে আমি ভুলে যাব। শেখালে মনে রাখব। সাথে নিলে আমি শিখব”
– বেন্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন
২৮. “সুখী জীবনের জন্য খুব অল্প কিছুর প্রয়োজন। এটা তোমার মধ্যেই আছে, এটা তোমার ভাবনার ধরন।”
– মার্কাস ইলেরিয়াস (প্রাচীন রোমান শাসক ও দার্শনীক)
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
রিভিউ

বিখ্যাত কিছু উক্তি যা আপনাকে সব সময়ে অনুপ্রেরণা দেবে।।।

১ . “যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা কৌশল হল, লড়াই করা ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করতে পারা”
– সান জু (লেখক, দি আর্ট অব ওয়ার)
০২. “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে”
– লাও ঝু (বিখ্যাত চীনা দার্শনিক)
০৩. “সততা হল জ্ঞানী হওয়ার বইয়ের প্রথম অধ্যায়”
– থমাস জেফারসন
০৪. “আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে। এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো, দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো”
– এডিথ ওয়ারটন (বিখ্যাত লেখিকা)
০৫. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”
– ক্লাইভ জেমস
০৬. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”
– নেলসন ম্যান্ডেলা
০৭. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”
– কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন)
০৮. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”
– নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক)
০৯. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”
– ওয়াল্ট ডিজনি
১০. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”
– আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
১১. “চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে”
– ড. এপিজে আব্দুল কালাম
১২. “একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে তোমার কাছে কিছু বললে তাতে কান দিও না। সবকিছু নিজের হাতে যাচাই করো।”
– হেনরি জেমস (বিখ্যাত লেখক)
১৩. “বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে”
– প্লেটো (দার্শনিক)
১৪. “আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়”
– প্লুতার্ক (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৫. “সুখ কখনও সম্পত্তি বা অর্থের ওপর নির্ভর করে না। সুখের বাস আত্মার গহীনে”
– দেমোক্রিতাস (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৬. “যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৭. “ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৮. “সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা”
– সক্রেটিস (গ্রীক দার্শনিক)
১৯. “সৎ কর্ম যত ছোটই হোক, তা কখনও বৃথা যায় না”
– দার্শনিক ঈশপ এর বিখ্যাত উক্তি
২০. “খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো”
– জর্জ ওয়াশিংটন
২১. “যদি খুব ভালো কিছু করতে না পারো, তবে ছোট ছোট কাজ খুব ভালো করে করো”
– নেপোলিয়ন হিল
২২. “সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে”
– থমাস কার্লাইল (স্কটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ)
২৩. “সুযোগ যদি তোমার দরজায় কড়া না নাড়ে, তবে নতুন একটি দরজা বানাও”
– মিল্টন বার্লে (বিখ্যাত অভিনেতা)
২৪. “জীবনে উন্নতি করার গোপন সূত্র হল কাজ শুরু করা”
– মার্ক টোয়েন (ইতিহাসের সফলতম লেখকদের একজন)
২৫. “একসাথে হওয়া মানে শুরু; একসাথে থাকা মানে উন্নতি; দীর্ঘ সময় একসাথে চলা মানে সাফল্য”
– এডওয়ার্ড এভরিট হ্যালি (বিখ্যাত লেখক)
২৬. “যারা নতুন কিছু খোঁজে না, একদিন তাদেরও কেউ খুঁজবে না”
– জে আর আর টলকিন (লেখক, লর্ড অব দ্য রিংস)
২৭. “বললে আমি ভুলে যাব। শেখালে মনে রাখব। সাথে নিলে আমি শিখব”
– বেন্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন
২৮. “সুখী জীবনের জন্য খুব অল্প কিছুর প্রয়োজন। এটা তোমার মধ্যেই আছে, এটা তোমার ভাবনার ধরন।”
– মার্কাস ইলেরিয়াস (প্রাচীন রোমান শাসক ও দার্শনীক)
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৬ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) জাতীয় পাট দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১২৫২ – ইতালির সাধু রোজ।

১৪৫৯ – জার্মান ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার জ্যাকব।

১৪৭৫ – মাইকেলেঞ্জেলো, রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।

১৫০৮ – সম্রাট হুমায়ুন, দ্বিতীয় মুঘল সম্ৰাট।

১৭৮৭ – ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার, একজন জার্মান আলোকবিজ্ঞানী।

১৮০৬ – ইংরেজ কবি এলিজাবেথ বেরেট ব্রাউনিংয়।

১৮১২ – কবি-সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
১৮৫১ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী।
১৯২৭ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজের।
১৯২৮ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজ।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫২২ – জার্মানীর ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের দ্বিতীয় বারের মত বড় ধরনের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ।
১৭৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে রাস্টাড শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৭৫ – রঘুনাথ রাও ও ব্রিটিশ রাজের মধ্যে সুরাট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৯৯ – নেপোলিয়ন প্যালেস্টাইনের জাফা দখল করেন
১৮৩৬ – ১৩ দিনের অবরোধের পর মেক্সিকোর সেনাবাহিনীর হাতে টেস্কাসের সান এন্টোনিওর পতন। এ অভিযানে মোট নিহত হয় ১৮৬ জন।
১৮৯৯ – ফলিক্স হফম্যান অ্যাসপিরিন প্যাটেন্ট করেন ।
১৯০২ – ব্রিটিশ সেনারা দায়িত্ব পালনকালে বা অন্য সময়ে চশমা ব্যবহারের অধিকার পায়।
১৯১৫ – শান্তিনিকেতনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর প্রথম সাক্ষাৎ।
১৯৩০ – লন্ডনে প্রথম হিমায়িত খাদ্য বিপণন শুরু হয়।
১৯৪৪ – মার্কিন বাহিনী দিবালোকে বার্লিনে বোমাবর্ষণ শুরু করে।
১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে ।
১৯৫৭ – ঘানা স্বাধীনতা লাভ করে ডক্টর কাওয়াম নকরোমোর নেতৃত্বে।
১৯৬১ – ভারতের প্রথম ইংরেজি ভাষার ব্যবসা সম্পর্কিত সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমস প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে ‘রাস্টার্ড শান্তি চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৭৫ – ইরান ও ইরাকের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিরসন সংক্রান্ত আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৯ – যশোরের টাউন হলে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে টাইম বোমা বিষ্ফোরণ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০০ – জার্মান আবিস্কারক জি. ডায়মলার ৬৪ বছর বয়সে মারা যান ।

১৯০০ – ইংরেজ রসায়নবিদ জন ডালটনের মৃত্যু ।

১৯৬২ – অম্বিকা চক্রবর্তী, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

১৯৭১ – মার্কিন ঔপন্যাসিক পার্ল এস বাকের মৃত্যু।
১৯৭৩ – নোবেলজয়ী প্রথম মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক পার্ল এস. বাক।

২০২১ – অডিও ক্যাসেট টেপ উদ্ভাবক খ্যাত ডাচ প্রকৌশলী লু ওটেনস।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া সন্দীপ মহেশ্বরীর বিখ্যাত কিছু উক্তি।।।

(১) যার যত সচেতনতা বেশি, তার সম্ভাবনাও তত বেশিই বৃহত্তর।
(২) যদি কোনো বোরিং জায়গায় আমাদের মনকে আমরা একাগ্র করতে সক্ষম হই, তাহলে ইন্টারেস্টিং জায়গা তো শুধু একটা খেলার সমান হয়ে যাবে।
(৩) কোনো কাজে যদি তুমি নিজের ১০০% দাও, তাহলে তুমি সাফল্য পাবেই।
(৪) তুমি দুনিয়াকে যেমন নজরে দেখবে, তেমনটাই তুমি হয়ে যাবে।
(৪) ব্যর্থতা এটাই প্রমান করে যে, আপনি চেষ্টা করছেন।
(৫) সর্বদা মনে রেখো, যা হয় তা ভালোর জন্যই হয়।
(৬) অর্থ ততটুকুই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা গাড়িতে পেট্রোল | না কম না বেশি।
(৭) যদি আপনি মহান হতে চান, তাহলে বারবার অনুমতি নেওয়া বন্ধ করুন।

(৮) জীবনে যদি কিছু করতে চাও তাহলে সত্যিটা বলো, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কথা বলোনা।
(৯) তুমি এটাই ভাবছো না যে; তোমার বাড়ির লোক কী ভাববে, তোমার আত্মীয়রা কি ভাববে? ভালোই তো ভেবেই যাও তবে।
(১০) শেখার উপর মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়। উপার্জন সর্বদা ভবিষ্যতে হওয়া সম্ভব কিন্তু শেখা শুধু বর্তমান মুহূর্তেই হয় | তাই শেখার উপরেই মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়।
(১১) ময়দান ছেড়ে চলে যেওনা; প্রতীক্ষাও করোনা, শুধু চলতে থাকো।
(১২) মনে রাখবে, প্রত্যেক বড় কিছুর শুরুটা ছোট দিয়েই হয়।
(১৩) কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি তুমি বার বার হতাশ হয়ে যাও তাহলে সেই কাজের প্রতি তুমি অনুপ্রাণিত হবে কি করে? তুমি যত সেই কাজের সম্বন্ধে জানতে শুরু করবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হতে থাকবে | যতই তুমি সেই কাজের পসিটিভ দিকগুলোকে অনুসন্ধান করতে থাকবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হবে।
(১৪) সর্বদা শিখে যেতে হবে | যে শিখে যাচ্ছে সে জীবিত আছে আর যে শেখা বন্ধ করে দিয়েছে, সে একটা জ্যান্ত মৃতদেহ।
(১৫) মধ্যস্থতা একটা খুবই বিপজ্জনক জায়গা, আমরা এরমধ্যেই আটকে থেকে যাই | এরফলে আমরা উপরতলার মানুষদেরকে দেখে ঈর্ষা করে থাকি আর নিচেরতলার মানুষদেরকে দেখে খুশি হই।
(১৬) তোমায় শক্তিশালী হতে হবে, এইজন্য না যে তুমি কারোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারো বরং এইজন্যই যাতে তোমার উপর কেউ চাপ সৃষ্টি করতে না পারে।
(১৭) সবসময় মনে রাখবে তুমি তোমার সমস্যার থেকে অনেক বেশি বড়।
(১৮) যেইসব মানুষরা তাদের নিজেদের চিন্তাভাবনা বদল করেন না, তারা কোনো কিছুই বদলাতে পারবেন না।
(১৯) সফল ব্যক্তিরা অন্যদের থেকে মোটেই আলাদা নয়, শুধু তাদের চিন্তাভাবনা অন্যদের থেকে আলাদা।
(২০) চিন্তা না করে করা কাজ এবং কাজ না করে শুধু চিন্তা করা, আপনাকে ১০০% অসফলতা দেবে।
(২১) আপনি যদি সেই ব্যক্তির সন্ধানে থাকেন যে আপনার জীবন পরিবর্তন করে দেবে, তাহলে একবার আয়নার সামনে তাকিয়ে দেখুন।
———-‐—-‐————-সন্দীপ মহেশ্বরী।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১১৩৩ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরি।

১৩২৪ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিড জন্মগ্রহণ করেন।
১৩২৬ – হাঙ্গেরির রাজা লুই আই জন্মগ্রহণ করেন।

১৫১২ – ফ্লেমিশ গণিতজ্ঞ, মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও দার্শনিক গেরারডুস মেরকাটর জন্মগ্রহণ করেন।
১৬৯৬ – ইতালীয় চিত্রশিল্পী জিওভান্নি বাতিস্তা টিয়েপলো জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭১ – পোলীয় রুশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক রোসা লুক্সেমবুর্গ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৭ – ব্রাজিলীয় সুরকার আতোর ভিলা-লোবোস।
১৮৯৮ – চীনা রাষ্ট্রনেতা চৌ এন-লাই।
১৯০২ – আজাদ আজাদ হিন্দ ফৌজের রানী ঝাঁসি রেজিমেন্টের সৈনিক নীরা আর্য।
১৯০৪ – কথাসাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৫ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৯০৮ – ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক রেক্স হ্যারিসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১১ – এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।
১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস টোবিন জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ – ইতালীয় অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার জেটি পাওলো পাসোলিনির জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৮ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৩৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল কানেমান জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৭ – নাইজেরিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট ওলুস্যাগুন অবাসাঞ্জ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৯ – দিব্যেন্দু পালিত ভারতীয় বাঙালি লেখক।
১৯৪২ – স্পেনীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফেলিপে গনসালেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ – ইতালীয় শিল্পী, তিনি গীতিকার ও গিটার লুচো বাত্তিস্তি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৮ – হাঙ্গেরীয় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রধানমন্ত্রী গর্ডন বাজনাই জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৪ – মার্কিন অভিনেত্রী এভা মেন্ডেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – রুশ টেনিস খেলোয়াড় আন্না চাকভেতাদজে জন্মগ্রহণ করেন।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৫৫৮ – ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়।
১৬৮৪ – তুরস্কের বিরুদ্ধে রোম পোল্যান্ড ও ভেনিসের লিঞ্জলীগ গঠন।
১৭৭০ – বোস্টনে (যুক্তরাষ্ট্র) জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা গণহত্যা ঘটায়।
১৭৯৩ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়।
১৮২২ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়।
১৮২৪ – ইঙ্গ-বার্মা যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৩৩ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।
১৮৩৬ – মেক্সিকো আলামো আক্রমণ করে।
১৮৯৬ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী ক্রিসপি পদত্যাগ করেন।
১৮৯৭ – মার্কিন নিগ্রো অ্যাকাডেমি গঠিত হয়।
১৯১২ – স্পেনে স্টিমারডুবিতে ৫০০ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।
১৯১৮ – মস্কোকে রাশিয়ার রাজধানী করা হয়।
১৯৩৩ – জার্মানিতে নির্বাচনে এডলফ হিটলার ও তার নাৎসী পার্টির বহু আসনে জয়লাভ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর কিছুদিন পরই এক নায়কতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৬৬ – জাপানের ফুজি পর্বতে ব্রিটিশ এয়ার লাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ যাত্রী নিহত।
১৯৮৪ – ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৮৭ – সিলেটের ওসমানী জাদুঘর উদ্বোধন।
১৯৯৮ – ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ চুক্তিতে উপনীত হয়।
২০০১ – হজ্বের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে ৩৫ হাজীর মৃত্যু।
২০০৭ – ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা সেক্টরে ইলেকট্রনিক টিকেটিং (ই-টিকেটিং) পদ্ধতি চালু।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৩৪ – আন্তোনিও ডা করেগিও, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৬২৫ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস।
১৮১৫ – ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের।
১৮২৭ – ইতালীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা।
১৮২৭ – পিয়ের লাপ্লাস, বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৭৮ – হরিচাঁদ ঠাকুর, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৪ – ম্যাক্স জেকব, ফরাসি কবি ও লেখক।
১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ও হিটলার বধের নায়ক জোসেফ স্টালিন।

১৯৬১ – নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

১৯৬৬ – রুশ মহিলা কবি আন্না আখমা তোভা।
১৯৬৭ – ইরানি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ ও ৬০তম প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৩ – অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত, বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৮২ – জন বেলুশি, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৯৬ – খন্দকার মোশতাক আহমেদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
২০০৮ – জোসেফ ওয়েইযেনবাউম, জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও লেখক।

২০১৩ – হুগো চাভেজ, ভেনেজুয়েলার কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট।
২০১৬ – রে টমলিনসন, মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী।
২০২০ – হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার, পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) টাকা দিবস (বাংলাদেশ)
আজ যাদের জন্মদিন—-
ল
১৮৫৬ – বিদুষী কবি তরু দত্ত।

১৯৩২ – গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা মিরিয়াম মাকেবার।

১৯৬৫ – আনিসুল হক, একজন বাংলাদেশী লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১৫২ – ফ্রেডেরিক বারবারোসা জার্মান রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৮৬ – ভ্লাদিস্লভ দ্বিতীয় পোল্যান্ডের রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৬৬৫ – ইল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৭৮৪ – ফ্রান্সিস গ্লাডুইনের সম্পাদনায় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৭৮৯ – মার্কিন সংবিধান কার্যকর হয়।
১৮২৩ – গ্রীসের সেনারা ত্রিপোলিৎজা শহরে ১২ হাজার মুসলমানকে হত্যা করে।
১৮৩৬ – লর্ড অকল্যান্ড ভারতের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
১৮৪৮ – অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে হাঙ্গেরীর স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।
১৮৫৭ – কলকাতা টাউন হলে ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অব বেঙ্গলের প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়।
১৮৭৯ – নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতায় ‘বেথুন কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ – কমিনটার্ন (কমিউনিস্ট আনত্মর্জাতিক) গঠিত হয়।
১৯২৪ – ভারতের পতাকা সঙ্গীত ‘বিজয়ী বিশ্ব তিরঙ্গা প্যারা,ঝণ্ডা উঁচা রহে হমারা’ – শ্যামলাল গুপ্ত ’পার্ষদ’ রচনা করেন।
১৯৩১ – বন্দি মুক্তি দিবসে গান্ধী-আর উইন চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৩ – ফ্রাঙ্কলিন ডেলানোর রুজাভেল্টের অভিষেক।
১৯৫১ – নয়া দিল্লিতে প্রথম এশিয়ান গেমস শুরু।
১৯৭০ – ভূমধ্যসাগরের বিভিয়েরায় ৫৭ যাত্রীসহ একটি ফরাসি ডুবোজাহাজ নিখোঁজ।
১৯৭১ – রেডিও পাকিস্তান ঢাকার পরিবর্তে ঢাকা বেতার কেন্দ্র নামকরণ করা হয়।
১৯৭২ – স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও একশত টাকার নোট চালু করা হয় ।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে শ্রীলঙ্কা।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কাতার।
১৯৭৭ – রুমানিয়ায় ভূমিকম্পে সহস্রাধিক লোক নিহত। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ।
১৯৮৮ – বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
১৯৯০ – দক্ষিণ আফ্রিকার সিসকেইয়ের সরকার উৎখাত।
১৯৯১ – ইরাকে কুর্দি বিদ্রোহ শুরু।
১৯৯৮ – পাকিস্তান আকস্মিক বন্যায় ৩ শত লোক নিহত। দেড় হাজার নিখোঁজ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৯৩ – সালাউদ্দিন, কুর্দি সুলতান।

১৫৫২ – অঙ্গদে, দ্বিতীয় শিখ গুরু।

১৮৫২ – নিকোলাই গোগোল, রুশ লেখক।

১৯২৫ – জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ ও নাট্যকার।

১৯৩৯ – লালা হর দয়াল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় বিপ্লবী।

১৯৪১ – শের উড অ্যান্ডারসন, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯৬৩ – উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়াম, মার্কিন চিকিৎসক ও কবি।

১৯৬৭ – মোহাম্মাদ মোসাদ্দেক, ইরানীয় রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭৬ – ঔপন্যাসিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় পরলোকগমন করেন।
১৯৭৮ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সম্পাদক।

১৯৮৩ – ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা।
১৯৯০ – আলী শাফায়ী, ইরানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
২০১১ – সাইমন ভ্যান ডের মার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওলন্দাজ চিকিৎসক।

২০১২ – জন টেলর, মার্কিন অভিনেতা ও লেখক।
২০১৬ – নির্মল দাশ, বাঙালি অধ্যাপক ও ভাষাবিদ।
২০২১ – হোসেন তৌফিক ইমাম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

২০২২ – সর্বকালের সেরা বোলার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

স্মরণে কিংবদন্তী ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন।।

ক্রিকেট খেলা কেনা ভালোবাসে। আর যারা ক্রিকেট ভালোবাসেন তাদের কাছে শেন ওয়ার্ন এক অতি পরিচিত নাম। যেমন তার ক্রিকেট জীবন তেমনই বর্ণময় তার ব্যক্তিগত জীবন।

শেন কিথ ওয়ার্ন (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ – ৪ মার্চ ২০২২) ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, যার ক্যারিয়ার ১৯৯২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত চলেছিল।

ওয়ার্ন ভিক্টোরিয়া, হ্যাম্পশায়ার ও হ্যাম্পশায়ারের হয়ে ডানহাতি লেগ স্পিন বোলার এবং ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছিলেন। খেলাধুলার ইতিহাসের অন্যতম সেরা বোলার হিসেবে বিবেচিত, তিনি ১৪৫ টেস্টে উপস্থিত ছিলেন, ৭০৮ উইকেট নিয়েছিলেন এবং টেস্ট ক্রিকেটে যে কোনো বোলারের সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন, এই রেকর্ডটি ২০০৭ সাল পর্যন্ত তার ছিল। ওয়ার্ন ছিলেন ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ান দলের একজন সদস্য।
ওয়ার্ন ছিলেন একজন দরকারী নিম্ন-অর্ডার ব্যাটসম্যান যিনি ৩০০০-এর বেশি টেস্ট রান করেছিলেন, যার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৯৯। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ২০০৬-০৭ অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের শেষে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম চারটি মৌসুমে, ওয়ার্ন রাজস্থান রয়্যালস-এর একজন খেলোয়াড়-প্রশিক্ষক ছিলেন এবং উদ্বোধনী মৌসুমে দলকে জয়ের জন্য অধিনায়কত্ব করেছিলেন। ওয়ার্ন তার কর্মজীবনে মাঠের বাইরে কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন; তার নিন্দার মধ্যে একটি নিষিদ্ধ পদার্থের জন্য ইতিবাচক পরীক্ষার জন্য ক্রিকেট থেকে নিষেধাজ্ঞা এবং যৌন অবজ্ঞার অভিযোগ এবং খেলাটিকে অসম্মানে আনার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ওয়ার্ন তার লেগ স্পিনে দক্ষতার সাথে ক্রিকেট চিন্তায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন, যাকে তখন একটি মৃতপ্রায় শিল্প হিসেবে গণ্য করা হয়। অবসর গ্রহণের পর, তিনি নিয়মিত ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেন এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য এবং বাণিজ্যিক পণ্য অনুমোদন করেন। তার দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (MCG) এর বাইরে ওয়ার্ন বোলিংয়ের একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল, যেখানে তাকে একটি রাষ্ট্রীয় স্মারক পরিষেবা দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল, সেইসাথে তার সম্মানে একটি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড নামকরণ করা হয়েছিল। ওয়ার্নকে ক্রিকেটে তার সেবার জন্য মরণোত্তর অফিসার অফ দ্য অর্ডার অফ অস্ট্রেলিয়া (AO) হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
জীবনের প্রথমার্ধ-
ওয়ার্ন ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ তারিখে মেলবোর্নের একটি শহরতলী ভিক্টোরিয়ার আপার ফার্নট্রি গালিতে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি ব্রিগেট এবং কিথ ওয়ার্নের পুত্র। তার মা ছিলেন জার্মান। মেন্টোন গ্রামারে যোগ দেওয়ার জন্য স্পোর্টস স্কলারশিপের প্রস্তাব পাওয়ার আগে তিনি হ্যাম্পটন হাই স্কুলে ৭-৯ গ্রেড থেকে পড়াশোনা করেছিলেন, যেখানে তিনি তার শেষ তিন বছর স্কুলে কাটিয়েছিলেন।
ঘরোয়া পেশা-
মেলবোর্নের জংশন ওভালে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভিক্টোরিয়ার হয়ে ০/৬১ এবং ১/৪১ নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১-এ ওয়ার্ন তার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক করেন।
ওয়ার্ন ২০০০ মৌসুমে ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলার জন্য $৪০০,০০০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মৌসুমে হ্যাম্পশায়ারে অধিনায়ক হিসেবে ফিরে আসেন। হ্যাম্পশায়ারের হয়ে তিনি তার মাত্র দুটি প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরি করেন এবং ২৫.৫৮ গড়ে ২৭৬ উইকেট নেন।
টেস্ট ক্যারিয়ার–
ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অভিষেক হয় ১৯৯২ সালের ২রা জানুয়ারি। ১৪৫ টি টেস্ট ম্যাচের ২৭৩ টি ইনিংসে তিনি ৭০৮টি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়াও, লোয়ার অর্ডারে ১৯৯ ইনিংসে ব্যাট করে তুলেছেন ১২ টি হাফ সেঞ্চুরি। তার ইনিংস সেরা বোলিং ফিগার ছিলো ৮/৭১। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। ৩ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ‪‎মুরালিধরন‬ তাকে টপকাবার আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।
ওয়ানডে ক্যারিয়ার-
ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৯৩ টি উইকেট নেন তিনি। তার অসাধারণ পারফরমেন্সে অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতে, যেখানে তিনি সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ বিশ্বকাপের রানার্সআপ দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।
টি২০ ক্যারিয়ার–
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পরে ওয়ার্ন আইপিএল ও বিগ ব্যাশে টি ২০ লীগ খেলতে থাকেন, তার নেতৃত্বেই রাজস্থান রয়েলস প্রথম আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়, যেখানে তার অধিনায়কত্ব প্রশংসিত হয়েছিল। বিগ ব্যাশে তিনি মেলবোর্ন স্টার্সের অধিনায়ক ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি বিগ ব্যাশ খেলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।
ব্যক্তিগত জীবন-
ওয়ার্নের সম্পূর্ণ হেটেরোক্রোমিয়া ছিল, যার ফলস্বরূপ তার একটি চোখ নীল এবং অন্যটি সবুজ। ওয়ার্নের প্রাক্তন স্ত্রী সিমোন ক্যালাহানের সাথে তিনটি সন্তান ছিল। দম্পতি ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বিবাহিত ছিলেন। এর পরেও তিনি বহু সম্পর্কে জড়িয়ে বিতর্কে ছিলেন।
বিতর্ক–
২০০৩ সালের বিশ্বকাপের আগে তার ক্রিকেট খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। বিশ্বকাপের আগে তার ডোপ টেস্টে ফলাফল পজিটিভ আসে, ২০০৪ সালে তিনি ক্রিকেটে ফিরেন, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আর ওয়ানডে না খেললেও টেস্ট খেলে যান।
সম্মাননা ও স্বীকৃতি-
২০০০ সালে শতাব্দীর সেরা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ড দলে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০৭ সালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড ওয়ার্ন ও মুত্তিয়া মুরালিধরনের সম্মানে অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা টেস্ট ক্রিকেট সিরিজের নাম ওয়ার্ন-মুরালিধরন ট্রফি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
মৃত্যু-
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০২২-এর ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। একই দিনে মারা যান আরেক অস্ট্রে্লীয় ক্রিকেট তারকা রড মার্শ, যাকে ওয়ার্ন তার নিজের মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে একটি টুইট বার্তায় শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  বিশ্ব জন্ম-ত্রুটি দিবস (২০১৫ সাল থেকে পালিত) ৷
(খ) বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ৷
(গ) বিশ্ব শ্রবণ দিবস
(ঘ) আন্তর্জাতিক কর্ণসেবা দিবস ৷
(ঙ) স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস (বাংলাদশ) ৷
(চ) বিশ্ব বই দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩৯ – ভারতের মহান উদ্যোগপতি ও টাটা গ্রুপের সংস্থাপক জামশেদজী টাটা।

১৮৪৫ – গেয়র্গ কান্টর, জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।

১৮৪৭ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্কটিশ বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।
১৮৯৩ – প্যারীমোহন সেনগুপ্ত বাঙালি কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক ।

১৮৯৯ – বাংলা চলচ্চিত্রের স্বনামধন্য কমিক অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী।

১৯০৮ – শক্তিরঞ্জন বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী ও সমাজসেবী।

১৯৩১ – উস্তাদ গোলাম মুস্তফা খান , ভারতের হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী।

১৯৫০ – শেখ সাদী খান, বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫৭৫ – তুকারয়ের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট আকবরের বাহিনী বাংলার বাহিনীকে পরাজিত করে।
১৭০৭ – মুঘল সম্ৰাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যু হয়। যুবরাজ মুয়াজ্জম আওরঙ্গজেবের উত্তরাধিকারীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও বাহাদুর শাহ (প্রথম) নাম ধারণ করেন।
১৮৬১ – রাশিয়ায় ভূমিদাস প্রথা বিলুপ্তি করা হয়।
১৮৭৮ – যুদ্ধ অবসানের পর রুশ-তুর্কি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯০৬ – অনুশীলন সমিতির মুখপাত্র ‘যুগান্তর’ প্রকাশিত হয়।
১৯২৪ – তুরস্কের জাতীয় পরিষদ কর্তৃক খিলাফত বিলুপ্ত ঘোষণা।
১৯৪৯ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিম্ন কর্মচারীদের ধর্মঘট।
১৯৬৫ – শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বড় ভাই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শিল্পকলা বিশারদ শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু।
১৯৬৯ – ভারতে প্রথম দ্রুতগামী রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেন (হাওড়া ও নতুন দিল্লীর মধ্যে) চালু হয়।
১৯৭১ – “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি” – কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচয়িত এই গানটিকে ঢাকা শহরের পল্টন ময়দানে ঘোষিত ইশতেহারে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৭১ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু।
১৯৭২ – বাংলাদেশ রাইফেলস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় শ্রীলঙ্কা ও সোয়াজিল্যান্ড।
১৯৭৪ – তুর্কি ডিসি -১০ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৪৬ জন নিহত।
১৯৭৬ – বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশী’ জাতীয়তাবাদ প্রবর্তন করেন।
১৯৭৮ – জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা অনুমোদন।
১৯৯১ – এস্তোনিয়া ও লাতভিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।
২০০৫ – রাজধানীতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ যানজট নিরসনের অংশ হিসেবে ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সদরঘাট আশুলিয়া নৌপথ উদ্বোধন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৮১ – চতুর্থ শিখ গুরু রামদাসের মৃত্যু।

১৭০৩ – রবার্ট হুক, প্রকৃতি দার্শনিক ,স্থপতি ও বহুশাস্ত্রবিদ।

১৭০৭ – আওরঙ্গজেব, মুঘল সম্ৰাট।
১৯৮৩ – এর্জে, বেলজীয় কমিক্স লেখক ও চিত্রকর।

১৯৯২ – সুকুমার সেন, শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও গবেষক।

২০০০ – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী বিমল দাশগুপ্ত।

২০১৬ – মার্টিন ক্রো, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও লেখক।
২০২০ – শুদ্ধানন্দ মহাথের, বাংলাদেশী বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় পণ্ডিত।

২০২৩ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়, পাণ্ডব গোয়েন্দা সিরিজের গোয়েন্দাসাহিত্য খ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This