Categories
রিভিউ

আজ ১০ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) মানবাধিকার দিবস – জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর পালিত হয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৯ – শিশু ও কিশোর সাহিত্যের সুপরিচিত লেখক মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়।

 

১৯২৫ –  সংগীত পরিচালক সমর দাস।

১৯২৯ – সমর দাস, বিখ্যাত বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৩৪ –  হাওয়ার্ড মার্টিন টেমিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও অধ্যাপক।

১৯৪১ –  কয়ু সাকামটো, জাপানি শিল্পী, গীতিকার ও অভিনেতা।

 

১৯৪৮ –  পিএলএফ-এর (ফিলিস্তিন লিবারেশন ফ্রন্ট) প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্দ জাইদান (আবু আব্বাস)।

১৯৬০ –  কেনেথ ব্রানাঘ, উত্তর আইরিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ অভিনেতা পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৭৫ –  জসিপ স্ককো, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল।

১৯৮৫ –  চার্লি অ্যাডাম, স্কটিশ ফুটবল।

১৯৮৭ – গঞ্জালো ইগুয়াইন, ফরাসি বংশোদ্ভূত আর্জেন্টাইন ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৮ –  নেভেন সুবটিক, সার্বিয়ার ফুটবল।

১৮০৪ – কার্ল গুস্তাফ ইয়াকপ ইয়াকবি, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।

১৮১৫ – অ্যাডা লাভলেস, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণার একজন প্রবর্তক।

১৮২১ –  নিকোলাই নেক্রাসভ, রাশিয়ান কবি ও সমালোচক।

১৮৩০- বিখ্যাত মার্কিন কবি এমিলি ডিকেনসন।

১৮৪৫ – পুরাতত্ত্ব বিষয়ক রচনার জন্য খ্যাতিমান লেখক রামদাস সেন।

 

১৮৭০ – স্যার যদুনাথ সরকার, স্বনামধন্য বাঙালি ইতিহাসবিদ।

 

১৮৭৮ – চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী, বিশিষ্ট ভারতীয় আইনজীবী, স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম নেতা।

 

১৮৮৮ – প্রফুল্ল চাকী, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।

১৮৯১- নোবেলজয়ী সুইডিশ নারী কবি ও নাট্যকার নেলি সাকস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সুইডেন ও নরওয়ের রাজধানীতে আলাদা আলাদাভাবে ২০০১ সালের নোবেল পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৭ – ক্রিস্টিনা ফর্নান্দেজ আর্জেন্টিনার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হন।

১৯০১- আলফ্রেড নোবেলের অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

১৯০২- তাসমানিয়ায় (অস্ট্রেলিয়া) নারীরা ভোটাধিকার পায়।

১৯০৩ – ব্রিগেডিয়ার থাংনার নেতৃত্বে ইংগো-ভারতীয় যুক্ত বাহিনীর দু হাজারেরও বেশি সৈন্য জারিলা অতিক্রম করে তিববতের বিরুদ্ধে আগ্রাসী দ্বিতীয় যুদ্ধ বাঁধায় ।

১৯০৬- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট প্রথম আমেরিকান হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান।

১৯২১ – নাট্যাচার্য্য শিশিরকুমার ভাদুড়ী প্রথম ম্যাডান কোম্পানির রঙ্গালয়ে ‘আলমগীর’নাটকে নামভূমিকায় আবির্ভূত হন ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

১৯৪৮- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণা দেয় এবং মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক অধিকারের বিষয়টি অনুমোদন করে। এই দিন থেকেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা শুরু হয়।

১৯৬৩ –  জাঞ্জিবার স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭১ – সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন নিখোঁজ হন।

১৯৮৩ – রাউল আনফোন্সিনের ক্ষমতাগ্রহণের মাধ্যমে আর্জেন্টিনায় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

১৯৮৮ – আর্মেনিয়ায় এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়, ৫ লাখ লোক গৃহহীন হয়।

১৯৮৯ – চেকোশ্লাকিভিয়ায় ৪১ বছর পর অকমিউনিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসে।

১৮১৭- মিসিসিপি ২০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়।

১৮৬৮- বিশ্বের প্রথম ট্রাফিক বাতি বসানো হয় লন্ডনের প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টারের সামনে। লাল ও সবুজ গ্যাস বাতি ছিল সেগুলো।

১৮৮৪- মার্ক টোয়েনের বর্ণবাদবিরোধী উপন্যাস ‘অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৯৮- স্পেন থেকে কিউবা স্বাধীনতা লাভ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ -অশোক কুমার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

২০০৪ – গ্যারি ওয়েব্ব, তিনি ছিলেন আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।

 

২০১০ – জন বেনেট ফেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

২০১২ – ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, বাংলাদেশের ১৩ তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯২৬ – নিকোলা পাসিক, সার্বীয় রাজনীতিবিদ ও ৪৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৬ – লুইগি পিরান্ডেলো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান লেখক ও নাট্যকার।

 

১৯৫৩ – আবদুল্লাহ ইউসুফ আলী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ পণ্ডিত ও অনুবাদক। আল কুরআনের ইংরেজী অনুবাদক হিসেবে সমগ্র বিশ্বে খ্যাতি লাভকারী একজন মুসলিম ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।

 

১৯৬৮ – চীনের বিখ্যাত নাট্যকার থিয়ান হান।

 

১৯৭১ – বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

১৯৮২ – ইরানের বিশিষ্ট লেখক ও অনুবাদক আলি আসগর সুরূশ।

১৯৮৮ – রিচার্ড এস. কাস্তেলানো, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৯৫ –  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রথম কণ্ঠদাতা আবুল কাসেম সন্দ্বীপের মৃত্যু।

 

১৯৯৮ – (ক) কিরণময় সেন বাঙালি ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী।

(খ) চীনের বিখ্যাত পারমাণবিক পদার্থবিদ ওয়াং কানছাং।

 

১৮৯৬- সুইডিশ বিজ্ঞানী ও নোবেল পুরস্কার প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৯ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস৷

(খ) আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস৷

(গ) জাতীয় রোকেয়া দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – (ক) কানু রায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

(খ) কমল মিত্র, বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা।

 

১৯১৬ – হলিউড কিংবদন্তি ডগলাসের।

১৯২০ – কার্লো আজেলিও চিয়াম্পি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯২৭ – ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু ব্রজেন দাস।

১৯৩৮ – বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলী।

 

১৯৪১ – খ্যাতনামা ইংরেজ ফুটবলার জিওফ্রে চার্লস হার্স্ট।

 

১৯৪৬ – সোনিয়া গান্ধী, ইতালীয় বংশোদ্ভূত ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৭৮ – গাস্তন গাউদিও, আর্জেন্টিনার একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৯৮১ – দিয়া মির্জা, ভারতীয় একজন মডেল এবং অভিনেত্রী।

১৮৬৫ – ফরাসি গণিতবিদ জাক হাদামার্দ।

১৮৬৮ – জার্মান রসায়নবিদ ফ্রিৎস হেবার।

১৮৭৯ – বাঙালি বহুভাষাবিদ পণ্ডিত এবং প্রাবন্ধিক অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ।

 

১৮৮০ – বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, খ্যাতিমান বাঙালী সাহিত্যিক এবং সমাজ সংষ্কারক।

১৭৪২ – সুইডেনের বিখ্যাত রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শিল।

১৭৪৮ – ফরাসী রসায়নবিদ ক্লাউড লুই বার্থোলে।

 

১৬০৮ – জন মিলটন, ইংরেজ কবি।

১৪৮৪ – সুরদাস ছিলেন মধ্যযুগীয় ভক্তিবাদী সন্তকবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৫ – ফ্রান্সে রাষ্ট্র থেকে গীর্জা পৃথকীকরণ আইন পাশ হয়।

১৯১৭ – ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৭ – প্রথম মহাযুদ্ধে তুরস্কের ওসমানীয় সরকারের সেনারা ফিলিস্তিনে ইংরেজ সেনাদের কাছে পরাজিত হয়।

১৯১৭ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফিল্ড মার্শাল এডমুন্ড অ্যালেনবি জেরুজালেম দখল করেন।

১৯২৪ – কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৯৩১ – দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র স্থাপিত।

১৯৪০ – লিবিয়ার বেনগাজীতে ব্রিটিশ আক্রমণ।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চীন প্রজাতন্ত্র, ফিলিপাইন কমনওয়েলথ, কিউবা, গুয়াতেমালা, ও কোরিয়া প্রজাতন্ত্র জার্মানি ও ইতালীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ষোষণা করে।

১৯৬১ – ব্রিটিশ শাসিত তাঙ্গানিয়াকা এলাকার স্বাধীনতা লাভ।

 

১৯৬১ – যুদ্ধপরাধে মোসাদ কর্তৃক আর্জেন্টিনায় ধৃত কর্ণেল অ্যাডলফ আইখম্যানের বিচার সম্পন্ন।

১৯৬৪ – ট্যাঙ্গানিকার সাথে যোগ দেয় জান্জিবার দ্বীপ, তখন এটি নাম নেয় ইউনাইটেড রিপাবলিক অব ট্যাঙ্গানিকা ও জান্জিবার। একই বছর নাম পাল্টে রাখে ইউনাইটেড রিপাবলিক অব তান্জানিয়া।

১৯৭১ – সংযুক্ত আরব আমিরাত জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৮৭ – অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনী জনগণের ইন্তিফাদা গণ-জাগরণ শুরু হয়।

১৯৯১ – ইউরোপীয় কমিউনিটি ১৯৯৯ সালের মধ্যে অভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অভিন্ন মুদ্রা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৯৬ – ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাপী বিশ্ব সংস্থার প্রথম মন্ত্রী সম্মেলন সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭ – ১১ তারিখ পর্যন্ত ইসলামী সম্মেলন সংস্থার অষ্টম শীর্ষ সম্মেলন ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭ – চীনের গণ মুক্তি ফৌজের উপ-প্রধান ( ডেপুটি চিফ অব দি জেনারেল স্টাফ) লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল সিয়োং কুয়াং খাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে চীন-মার্কিন দুদেশের প্রতিরক্ষা দফতরের পরামর্শ করেন।

১৮৮৩ – ভবতারিণী (মৃণালিনী) দেবীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ে হয়।

১৭৫৮ – ভারতের মাদ্রাজকে নিয়ে উপনিবেশবাদী বৃটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে ১৮ মাসের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৭৯৩ – নিউ ইয়র্ক শহড়ের প্রথম সংবাদপত্র ‘আমেরিকান মিনার্ভা’ নোয়াহ ওয়েবস্টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৪২ – দ্বারকানাথ কোটনিস, ভারতের পাঁচজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন যাঁরা দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধের সময় চীনে চিকিৎসা সহায়তায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।

 

১৯৫৫ – জার্মান গণিতবিদ হেরমান ভাইল।

 

১৯৭০ – ফিরোজ খান নুন, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ, পাকিস্তানের ৭ম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৬ – জাপানি ঔপন্যাসিক সোসেকি নাৎসুম।

১৯৩২ – বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৪১ – রাশিয়ান লেখক ও দার্শনিক দিমিত্রি মেরজোকোভস্কি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস, জানুন দিনটি কি এবং কেন পালিত হয়।

প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস।  এটি জাতিসংঘ কর্তৃক মনোনীত একটি দিবস।  এই দিনটি দুর্নীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এটি মোকাবেলা এবং প্রতিরোধ করার জন্য বিশ্বব্যাপী উদ্যোগের জন্য নিবেদিত।  এটি সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সততা বজায় রাখার তাৎপর্যের উপর জোর দেয়।  আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং নৈতিক অনুশীলনের প্রচারে চলমান বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির একটি মর্মস্পর্শী অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

 

দুর্নীতি একটি জটিল সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ঘটনা যা সমস্ত দেশকে প্রভাবিত করে।  দুর্নীতি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে, অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধীর করে দেয় এবং সরকারী অস্থিতিশীলতায় অবদান রাখে।
দুর্নীতি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে, আইনের শাসনকে বিকৃত করে এবং আমলাতান্ত্রিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিকে আক্রমণ করে, যার বিদ্যমান একমাত্র কারণ ঘুষ চাওয়া।  অর্থনৈতিক উন্নয়ন স্তব্ধ, কারণ বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করা হয় এবং দেশের অভ্যন্তরে ছোট ব্যবসাগুলি প্রায়ই দুর্নীতির কারণে প্রয়োজনীয় “স্টার্ট-আপ খরচ” অতিক্রম করা অসম্ভব বলে মনে করে।
৩১ অক্টোবর ২০০৩-এ, সাধারণ পরিষদ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশন গৃহীত হয় এবং সেক্রেটারি-জেনারেল রাষ্ট্রপক্ষের কনভেনশনের কনফারেন্স অফ স্টেটস পার্টিস (রেজোলিউশন 58/4) এর জন্য সচিবালয় হিসাবে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত অফিস (UNODC) মনোনীত করার অনুরোধ জানায়।  .  তারপর থেকে, 190টি দল কনভেনশনের দুর্নীতিবিরোধী দায়িত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির গুরুত্বের কাছাকাছি-সর্বজনীন স্বীকৃতি দেখাচ্ছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই ও প্রতিরোধে কনভেনশনের ভূমিকার জন্য বিধানসভা ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবেও মনোনীত করেছে।  কনভেনশনটি ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়।
এর বিংশতম বার্ষিকীতে এবং তার পরে, এই কনভেনশন এবং এটি যে মূল্যবোধগুলি প্রচার করে তা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যার জন্য প্রত্যেককে এই অপরাধ মোকাবেলা করার প্রচেষ্টায় যোগদান করতে হবে। সারা বিশ্বকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই ইউনাইটেড ন্যাশনস কনভেনশন অ্যাগেইনেস্ট করাপশনের (আনকাক) মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংস্থাটি।দিবসটিকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও নানা কর্মসূচিতে পালন করা হয়। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও সরকারি-বেসরকারিভাবে জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণের ঘুষ আদান-প্রদান হয়ে থাকে। অন্যদিকে দুর্নীতির মাধ্যমে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার চুরি করা হয় সারা বিশ্বে। এই দুইয়ের যোগফল বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশেরও বেশি।জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির হিসেবে দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত তহবিলের পরিমাণ সরকারি উন্নয়ন সহায়তার ১০ গুণ। দুর্নীতির কালো হাত থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয় এ দিবস।

 

 

।।ছবি ও তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস কি, কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

গণহত্যার অপরাধ এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবস প্রতি বছরের ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।  আমরা এই বছরের অনুষ্ঠানটি সংযম ও সচেতনতার সাথে পালন করতে পেরে আনন্দিত।  মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য গণহত্যা একটি অপরাধ।  এই অপশক্তির অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টা রয়েছে।

 

মানবতার ইতিহাসে, গণহত্যা মানুষের বিরুদ্ধে মানুষের দ্বারা সংঘটিত সবচেয়ে বড় অপরাধ এবং মন্দ হিসাবে দাঁড়িয়েছে।  এটি একটি জাতি, গোষ্ঠী, জাতিগত একক, উপজাতি, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ইউনিটকে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা এবং পঙ্গুত্ব গঠন করে, যার মধ্যে এই জাতীয় অনুষঙ্গের নারী ও শিশু রয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে, গণহত্যা এবং গণহত্যার গল্পগুলি মানুষের দল, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ইউনিটের বেশ কয়েকটি ইতিহাসের বই এবং বাইবেলের মতো ধর্মীয় গ্রন্থে বিদ্যমান, যা ইসরায়েল দ্বারা মিদিয়ানদের ধ্বংসকে লিপিবদ্ধ করে।  কিন্তু গণহত্যার প্রথম সরকারী রেকর্ড খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে পুনিক যুদ্ধে পাওয়া যায়।  কার্থেজ এবং রোমের মধ্যে যার ফলশ্রুতিতে কার্থেজ শহরগুলি ধ্বংস হয়েছিল, লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছিল এবং অল্প বেঁচে থাকাদের দাসত্বে নিন্দা হয়েছিল।

 

পিউনিক জনগণের হত্যাকাণ্ডের পর, সারা বিশ্বে গণহত্যার বেশ কয়েকটি ঘটনা অব্যাহত থাকে।  চীনে ২০০০০০ টিরও বেশি উ হু এবং জি জনগণকে গণহত্যা করেছে, বেলজিয়ামের দ্বিতীয় লিওপোল্ডের অধীনে কঙ্গো তার নিপীড়নের অধীনে দুই থেকে ১৫ মিলিয়ন কঙ্গোলিকে মারা যেতে দেখেছিল, ইথিওপিয়া, রাশিয়া এবং জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উচ্চ শিখরে পৌঁছেছিল, বিশেষ ভয়াবহতার সাথে  হলোকাস্ট যা নাৎসি-জার্মান শাসনের অধীনে প্রায় ৬ মিলিয়ন ইহুদিদের সংগঠিত মৃত্যু দেখেছিল।
ঘৃণা এবং অপছন্দ থেকে জন্ম নেওয়া, গণহত্যার কুফল এবং প্রচার অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রজন্ম পর্যন্ত চলতে থাকে।  গণহত্যার অপরাধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবস এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের দিনটি আমাদের সমস্ত মানবতাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার, গণহত্যার কারণে যারা মারা গেছে তাদের স্মরণ করার এবং প্রত্যেকে আমাদের ধার দেয়।  যেখানে এটি এখনও ঘটছে সেখানে মন্দ কাজের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর এবং ভবিষ্যতের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে।

 

 

 

তাই প্রতি ৯ ডিসেম্বর, গণহত্যা প্রতিরোধের বিশেষ উপদেষ্টার কার্যালয় গণহত্যার অপরাধের প্রতিরোধ এবং শাস্তি সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণকে চিহ্নিত করে – একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব প্রতিশ্রুতি যা জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সময় করা হয়েছিল, এর ঠিক আগে।  মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা.  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫-এর সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন A/RES/69/323 দ্বারা, সেই দিনটি গণহত্যা এবং এই অপরাধের প্রতিরোধের অপরাধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবসও হয়ে ওঠে।
এই বছর এর ৭৫তম বার্ষিকীতে, গণহত্যা কনভেনশন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে।  ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক আইনে গণহত্যার অপরাধকে কোডিফাই করে।  এর প্রস্তাবনা স্বীকার করে যে “ইতিহাসের সব সময়ে গণহত্যা মানবতার জন্য ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে” এবং “মানবজাতিকে এমন একটি ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করতে” আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।  আজ অবধি, ১৫৩টি রাজ্য কনভেনশনটি অনুমোদন করেছে।  কনভেনশনের সার্বজনীন অনুসমর্থন অর্জনের পাশাপাশি এর পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, গণহত্যা প্রতিরোধকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অপরিহার্য।  জেনোসাইড কনভেনশনে শুধুমাত্র গণহত্যার অপরাধের শাস্তি দেওয়ার বাধ্যবাধকতাই অন্তর্ভুক্ত নয়, গুরুত্বপূর্ণভাবে, এটি প্রতিরোধ করা।  গৃহীত হওয়ার ৭৫ বছরে, জেনোসাইড কনভেনশন আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের বিকাশে, এই অপরাধের অপরাধীদেরকে জবাবদিহি করতে, প্রতিরোধের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে এবং গণহত্যার শিকারদের কাছে কণ্ঠস্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

 

কেন আন্তর্জাতিক গণহত্যা এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ ও মর্যাদা দিবস গুরুত্বপূর্ণ—

 

 

এই দিনটি আমাদের সকল নিরপরাধদের স্মরণ করিয়ে দেয় যারা গণহত্যার মন্দ কাজের ফলে মারা গেছে।  এটি তাদের স্মরণ করার এবং বেঁচে থাকা এবং তাদের পরিবারকে সহায়তার হাত ধার দেওয়ার সময়। গণহত্যার ভবিষ্যৎ সংঘটন প্রতিরোধ এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে।  এটি সারা বিশ্বের সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় হত্যা প্রতিরোধের প্রতি অঙ্গীকার।

এটি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে

এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কেন শান্তি গুরুত্বপূর্ণ এবং লালন করা উচিত।  এটি প্রতিবেশীর প্রতি ভালবাসা, ঐক্য এবং সহযোগিতাকে অন্য কিছুর উপরে প্রচার করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৮ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্রতি বছর ৮ ডিসেম্বর, বোধি দিবস সারা বিশ্বে পালিত হয়, সাধারণত বিভিন্ন নামে। গৌতম বুদ্ধ এবং তাঁর প্রচারকে সম্মান করার জন্য, এটি সাধারণত চন্দ্রাভিযান ক্যালেন্ডারের 12 তম মাসের অষ্টম দিনে ঘটে

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – ভারতের খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী, নৃত্যপরিকল্পক ও অভিনেতা উদয়শঙ্কর।

 

১৯১৩ – কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী ও ইতিহাসবিদ চিন্মোহন সেহানবীশ।

 

১৯৪১ – জিওফ্রে চার্লস হার্স্ট, ইংরেজ ফুটবলার।

 

১৯৪২ – হেমন্ত কানিদকর, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৪৩ – জিম মরিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আমেরিকান সংগীতশিল্পী, গীতিকার, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং কবি।

১৮৩২ – নোবেলজয়ী নরওয়েজীয় কবি ও নাট্যকার বিওর্নস্টার্নে বিওর্নসন।

 

১৮৬৫ – জাক হাদামার্দ, ফরাসি গণিতবিদ।

১৬২৬ – সুইডেনের রানি ক্রিশ্চিয়ানা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – আর্জেন্টিনার উপকণ্ঠে একটি দ্বীপপুঞ্জের কাছে ফাল্কল্যাণ্ড সাগরে ব্রিটিশ ও জার্মানির মধ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

১৯১৭ – ব্রিটেনের কাছে জেরুজালেমের আত্মসমর্পণ।

১৯১৮ – ব্রিটেন জেরুজালেম দখল করে।

১৯২৩ – যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে বন্ধুত্ব চুক্তি হয়।

১৯৩০ – কলকাতা শহরের মহাকরণে অলিন্দ যুদ্ধে বিনয় বসু,বাদল গুপ্ত, দীনেশ গুপ্ত অত্যাচারী ইংরেজ অফিসার এন জি সিম্পসন হত্যা করেন।

১৯৪১ – গ্রেট ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৬ – সংবিধান রচনার জন্য দিল্লিতে ভারতের গণপরিষদের প্রথম সভা হয়।

১৯৪৯ – চীনের জাতীয়তাবাদী নেতা চিয়াং কাইশেক মাওসেতুং এর নেতৃত্বে কমিউনিস্ট দলের সমর্থকদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর কিছু সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তাইওয়ানে পালিয়ে যান।

১৯৫৮ – নিখিল আফ্রিকা গণ সম্মেলন ঘানার রাজধানী আক্রায় অনুষ্ঠিত হয় ।

১৯৭১ – ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে ভারতীয় নৌবাহিনী পাকিস্তানের করাচী বন্দরে হামলা করে।

১৯৭১ – শেরপুরের নকলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ঘানা।

১৯৭৪ – গ্রীসে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়।

১৯৮৫ – দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা তথা সার্ক ঢাকায় গঠিত হয়।

১৯৮৭ – ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতকারী ইজরায়েলের সৈন্যরা গাজা সীমান্তে এক সড়ক ‘দূর্ঘটনায়’ ৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ও ৭ জনকে আহত করে। এর ফলে ইন্তিফাদা আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৯১ – রাশিয়া, বেলারুশ ও ইউক্রেইনের নেতারা একটি চুক্তির মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত করেন এবং কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস গঠন করেন।

১৯৯৬ – জাকার্তায় ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯৭ – ৪৫ বছর বয়স্ক জেনী হিপলি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন এবং নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন।

১৮৬৮ – জাপানে শুউগুনদের একনায়ক শাসনের অবসান ঘটে এবং এরপর থেকে সেদেশে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১৮৮১ – ভিয়েনার রিং থিয়েটার পুড়ে যায়।

২০০৯ – বাগদাদে এক বোমা বিষ্ফোরণে ১২৭ জন নিহত ও ৪৪৮ জন আহত হয়।

১৭৯৪ – হেরাল্ড অব রুটল্যান্ডের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৬০৯ – ইউরোপের দ্বিতীয় পাবলিক লাইব্রেরি চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২১ – (ক) ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বিপিন রাওয়াত।

(খ) টপ্পা ও পুরাতনী বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী চণ্ডীদাস মাল।

 

১৯০৩ – খ্যাতনামা ব্রিটিশ চিন্তাবিদ ও দার্শনিক হার্বার্ট স্পেন্সার।

১৯২০ – শাইখুলহিন্দ হযরত মাওলানা মাহমুদ হোসাইন।

 

১৯৫৫ – হেরমান ভাইল, জার্মান গণিতবিদ।

 

১৯৮০ – বিটলসের কিংবন্তী গায়ক, গীতিকার ও শান্তিকর্মী জন লেনন নিউ ইয়র্কে মার্ক ডেভিড চাপম্যান নামক মানসিক ভারসাম্যবিহীন এক ব্যক্তির গুলিতে নিহত হন।

 

১৯৮৬ – আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৯১ – মেলবোর্ন অলিম্পিক [১৯৫৬] তিন হাজার মিটার, পাঁচ হাজার মিটার ও ৬ মাইল দৌড় প্রতিযোগিতায় রেকর্ড সৃষ্টিকারী অ্যাথলিট গর্ডন পিরি।

 

১৫৬০ – সুইডেনের রাজা ফ্রেডরিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৭ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  সশস্ত্র বাহিনীর পতাকা দিবস (ভারত)

 

(খ) আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান পরিবহণ দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৭৯ – বাঘা যতীন, বাঙালি বিপ্লবী।

 

১৮৯৩ – ফে বেইন্টার, মার্কিন চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেত্রী।

 

১৯১৫ – প্রফুল্লকুমার সেন, ভারতীয় বাঙালি, ভারতে প্রথম মানব হৃদয় ট্রান্সপ্লান্টের শল্যচিকিৎসক।

 

১৯২৮ – নোম চম্‌স্কি, মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

 

১৯৩৩ – মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়,শঙ্কর নামে বহু পরিচিত বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯৫৭ – জিওফ লসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ।

 

১৯৬০ – আবদুল্লাতিফ কাশিশ, তিউনিশীয়-ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৭০ – কোর্টনি ব্রাউন, বার্বাডীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৮৮ – এমিলি ব্রাউনিং, অস্ট্রেলীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, গায়িকা ও মডেল।

 

১৯৮৯ – নিকোলাস হল্ট, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৯১ – অ্যানিয়া শ্রাবসোল, ইংরেজ প্রমীলা ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৮২ – টিপু সুলতান ভারতের মহীশূরের রাজা হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৮৫৬ – রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

 

১৮৭২ – বাংলায় প্রথম নাট্যশালা ন্যাশনাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত এবং দীনবন্ধু মিত্রের নাটক নীল দর্পণ অভিনীত।

১৮৮৯ – পৃথিবীর প্রথম অটোমোবাইল তৈরি হয়।

১৯১৭ – মার্কিন সরকার অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

 

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ।

 

১৯৭০ – সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।

 

১৯৭১ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভুটান।

 

১৯৭২ – চাঁদে অ্যাপোলোর শেষ অভিযান অ্যাপোলো-১৭ এর যাত্রা শুরু।

 

১৯৮৪ – কলকাতা হতে বরুণ সেনগুপ্তর সম্পাদনায় দৈনিক বর্তমান পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।

১৯৮৫ – ঢাকায় প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৮২ – মহীশুরের বীর যোদ্ধা হায়দার আলী।

 

১৯৭০ – রুব গোল্ডবার্গ, মার্কিন কার্টুনিস্ট, স্থপতি, লেখক, প্রকৌশলী ও আবিষ্কারক।

 

১৯৯১ – আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং লেখক।

 

২০১৪ – খলিল উল্লাহ খান, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

 

২০২০ – জারওয়ালি খান, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান পরিবহণ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসটি বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিমান চলাচল এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনের ভূমিকা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে পালিত হয়।  দিবসটি আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের দক্ষতা, নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) এর বিশেষ অবদানকেও স্বীকৃতি দেয়।  বৈশ্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিমান চলাচলের মূল্য এবং এর ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর এটি পালন করা হয়।  এই দিনে, আন্তর্জাতিক বিমান চালনা এবং এটি কীভাবে বিশ্বকে সংযুক্ত করে সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়।  এটি অসংখ্য ঘটনা, কার্যক্রম, প্রেস রিলিজ, সেমিনার এবং বিমান চালনার উপর বক্তৃতা দিয়ে উদযাপিত হয়।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস ২০২৩: তারিখ এবং থিম—

বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস পালিত হবে। এ বছর উদযাপনের মূল প্রতিপাদ্য “অ্যাডভান্সিং ইনোভেশন ফর গ্লোবাল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট” “Advancing Innovation for Global Aviation Development.”।  এই থিমটি কীভাবে উদ্ভাবন ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী বেসামরিক বিমান চলাচলকে রূপ দেবে এবং উন্নত করবে তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  এটি এভিয়েশন সেক্টরকে অগ্রসর ও উন্নত করার জন্য উদ্ভাবনী ধারণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অন্বেষণ এবং বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি বোঝায়।  উদ্ভাবনের উপর ফোকাস বিমান চলাচলের নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং স্থায়িত্ব উন্নত করার চলমান প্রচেষ্টার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের ইতিহাস—

৭ ডিসেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) 7 ডিসেম্বর ১৯৯৪ সালে বেসামরিক বিমান চলাচলের বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতা এবং অভিন্নতা উন্নীত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  একই বছরে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিষেবা ট্রানজিট চুক্তি উভয়ই স্বাক্ষরিত হয়।  ৫০ তম বার্ষিকীর সম্মানে, ICAO ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস প্রতিষ্ঠা করে।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের তাৎপর্য—

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের তাৎপর্য হল বেসামরিক বিমান চলাচলের মূল্য এবং বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির উপর এর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।  এটি কার্যকর, নিরাপদ এবং দক্ষ বিমান পরিবহনের জন্য বৈশ্বিক মান প্রতিষ্ঠা ও বজায় রাখার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলির ভূমিকা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)-এর ভূমিকা তুলে ধরার একটি সুযোগ৷  এই দিনটি কীভাবে বিমান পরিবহন বিশ্বকে সংযুক্ত করে এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং বিমান চলাচলে নিরাপত্তার মতো সাধারণ সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য একত্রে কাজ করার জন্য দেশগুলির গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  এটি বাণিজ্য, পর্যটন, বৈশ্বিক সংযোগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিমান চলাচলের সুবিধা স্বীকার করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৬ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৬ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় স্বৈরাচার পতন দিবস।

(খ) শৌর্য দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অগ্রণী সংগঠক আবদুল হালিম।

 

১৯১১ – বিপ্লবী দীনেশচন্দ্র গুপ্ত।

 

১৯১৭ – ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯২০ – জর্জ পোর্টার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯২৮ – ভারততত্ত্বের গবেষক অধ্যাপক তারাপদ মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৪২ – পিটার হ্যান্ডকে, অস্ট্রিয়ান লেখক ও নাট্যকার।

 

১৯৫৬ – তারেক মাসুদ, বাংলাদেশের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গীতিকার।

 

১৯৬৭ – জুড আপাটও, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৭৬ – কলিন হাস্কেল, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৭৭ – অ্যান্ড্রু ফ্রেদি ফ্লিনটফ, সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

 

১৯৮৮ – নিলস পিটারসেন, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৯০ – টামিরা পাসযেক, অস্ট্রিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৮২৩ – ম্যাক্স মুলার, বিখ্যাত ভারত বিদ্যাবিশারদ, সংস্কৃত ভাষার সুপ্রসিদ্ধ পণ্ডিত ও অনুবাদক।

 

১৮৫৩ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।

১৮৯৮ – গুনার মিরদাল, ১৯৭৪ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ।

১৭৩২ – ওয়ারেন হেস্টিংস, ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল।

১৪৭৮ – বাল্ডাসারে কাস্তিগ্লিওনে, ইতালিয়ান কূটনীতিক ও লেখক।

০৮৪৬ – হাসান আল-আসকারি, সৌদি আরবের ইমাম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – সৌদী আরবের জেদ্দায় মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে সন্ত্রাসী হামলায় ১২ জন নিহত হয়।

২০২০ – প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকার ভুটানের সাথে অগ্ৰাধিকার মূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সাক্ষর করে।

১৯১৬ – সেন্ট্রাল পাওয়ার বুখারেস্ট দখল করে।

১৯১৭ – ফিনল্যান্ড রাশিয়ার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ।

১৯১৭ – কানাডার এক যুদ্ধোপকরণ ঘাটিতে হ্যালিফ্যাক্স বিষ্ফোরনের ফলে ১৯০০’র বেশি মানুষ নিহত।

১৯২১- ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মাঝে আংলো-আইরিশ চুক্তি হয়।

১৯২২ – স্বাধীন আইরিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত।

১৯৪১ – ব্রিটেন ফিল্যান্ড, রোমানিয়া আর হাংগেরি বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঘোষণা করে।

১৯৪২ – কলম্বাস কর্তৃক হাইতি আবিষ্কার।

১৯৫৭ – পৃথিবীর প্রথম উপগ্রহ স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

১৯৫৮ – বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

১৯৬৫ – পাকিস্থানের ইসলামী দার্শনিকরা প্রাইমারী থেকে স্নাতক পর্যন্ত ইসলামীক স্টাডিস বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে বলে।

১৯৬৬ – প্রথম এশিয়ার নবোদিত শক্তি গেমস কাম্পুচিয়ার রাজধানী নমপেনে সমাপ্ত হয়।

১৯৭১ – দেশের প্রথম স্বাধীন জেলা হিসেবে যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল।

১৯৭১ – মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, যশোরের চৌগাছা, দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ, রংপুরের পীরগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, ও নেত্রকোনার দুর্গাপুর পাকিস্থানী হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ – ভারত এবং ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়।

১৯৮৪ – চীনের সংবাদ সমিতির যুক্ত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্রের অবসানের পর প্রথম অকমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা। মানফ্রেড গেরল্যাচ রাষ্ট্রপ্রধান নিযুক্ত।

১৯৯০ – বাংলাদেশে স্বৈরশাসক, জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর পতন ঘটে।

১৯৯২ – কয়েক হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘স্বেচ্ছাসেবক’ দ্রুত বেগে ভারতের উত্তর প্রদেশের বাবরি মসজিদের দিকে ছুটে যায় এবং তা ভেঙ্গে দেয়। এই নিয়ে যে দাঙ্গা বাধে তাতে প্রায় ১৫০০ মানুষের মৃত্যু হয় ।

১৯৯৪ – ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আর উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের মধ্যে দু’দেশের রাজধানীতে যার যার লিয়াজোঁ কার্যালয়ের স্থাপন নিয়ে বৈঠক হয়।

১৯৯৮ – সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ এশীয় গেমস থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়।

১৮৪৯ – আমেরিকার মৃত্যুদন্ড প্রথা বিলোপপন্থি হ্যারিয়েট টোবম্যান দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন।

১৮৫৭ – কানপুরের যুদ্ধে স্যার কলিন ক্যাম্পবেল বাহিনীর কাছে সিপাহি বিদ্রোহীদের পরাজয়।

১৮৬৫ – যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী দাসত্ব প্রথা নিষিদ্ধ হয়।

১৮৭৭ – পৃথিবী বিখ্যাত পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম প্রকাশ হয়।

১৮৭৭ – বিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন তার ফনোগ্রাফ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথম শব্দ রের্কড করতে সক্ষম হন।

১৮৮৪ – ওয়াশিংটন মনুমেন্টের কাজ শেষ হয়।

১৮৯৭ – লন্ডন বিশ্বের প্রথম শহর হিসাবে টেক্সিক্যাবের অনুমোদন দেয়।

১৭৬৮ – বিশ্বকোষ এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটেনিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৭৯০ – আমেরিকার কংগ্রেস স্থান পরিবর্তন করে নিউ ইর্য়ক থেকে ফিলাডেলফিয়াতে চলে আসে।

১৫৩৪ – ইকুয়েডরের কুইটো শহর স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সেবাস্টিয়ান ডি বালকাজার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৪৯২ – প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ক্রিস্টোফার কলম্বাস নতুন পৃথিবীর হিসপানিওলা (ডমিনিকান রিপাবলিক ও হাইতি) দ্বীপ আবিষ্কার করেন।

১২৪০ – মোঙ্গল আক্রমনে রুশ সাম্রাজ্য থেকে কিয়েভ বিচ্ছিন্ন হয়। কিয়েভ মঙ্গল নেতা বাটু খানের আওতায় আসে।

৭৩১ – সমরখন্দের তৃতীয় যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আজিজ মিয়া, পাকিস্তানি কাউয়ালি গায়ক ও কবি।

২০০৫ – ডেভান নাইর, মালয়েশিয়ার বংশোদ্ভূত সিঙ্গাপুরের রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট।

 

২০১০ – সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়,প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০১৬ – জয়ললিতা, সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়্গম পার্টির নেত্রী, তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০২০ – মনু মুখোপাধ্যায়, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বিখ্যাত অভিনেতা।

 

১৯২২ – মরমী সাধক হাসন রাজা।

 

১৯৫৬ – ভীমরাও রামজি আম্বেডকর, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী, আইনজ্ঞ এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।

 

১৯৯১ – রিচার্ড স্টোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – ডন আমেচা, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

১৮৩৭ – জোশুয়া মার্শম্যান বৃটিশ ভারতের বঙ্গে খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারক ।

 

১৮৮৯ – জেফারসন ডেভিস, আমেরিকান সাধারণ এবং রাজনীতিবিদ, আমেরিকা কনফেডারেট যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।

হাসন রাজার জন্ম ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর  সেকালের সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ শহরের নিকটবর্তী সুরমা নদীর তীরে লক্ষণছিরি (লক্ষণশ্রী) পরগণার তেঘরিয়া গ্রামে। হাসন রাজা জমিদার পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। হাসন রাজা তাঁর তৃতীয় পুত্র।

পনেরো বছর বয়সে পিতৃবিয়োগ হলে সংসার ও জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হয়। হাসন বেশ সুপুরুষ দর্শন ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় সহস্রাধিক গান এবং পঙক্তি রচনা করেছেন। এছাড়াও আরবি ও ফার্সি ভাষায় ছিল বিশেষ দক্ষতা।
যৌবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৌখিন ও ভোগবিলাসী, কিন্তু পরিণত বয়সে সব বিষয়-সম্পত্তি বিলি-বণ্টন করে দরবেশ জীবন যাপন করেন। তারই উদ্যোগে সুনামগঞ্জ হাসন এম ই স্কুল, অনেক ধর্ম-প্রতিষ্ঠান ও আখড়া স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী ছাত্রের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও তিনি করতেন। কিন্তু হাসন রাজার কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও হাসন রাজা ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার আধ্যাত্মিক গান রচনা করেন।

 

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার গানে সহজ সরল স্বাভাবিক ভাষায় মানবতার চিরন্তন বাণী যেমন উচ্চারিত হয়েছিল। সকল ধর্মের বিভেদ অতিক্রম করে তিনি গেয়েছেন মাটি ও মানুষের গান। তাই তিনি এখনো বেঁচে আছেন সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের মাঝে।
‘মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে কান্দে হাসন রাজার মনমুনিয়া রে’, ‘আমি না লইলাম আল্লাজির নাম না কইলাম তার কাম- বৃথা কাজে হাসন রাজায় দিন গুজাইলাম’ আবার ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো সোনা বন্ধে আমারে পাগল করিল- আরে না জানি কি মন্ত্র করি জাদু করিল’ – হাসন রাজার এমন অনেক গান আজো মানুষে মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। বলা যায় চিরন্তন সংগীতে রূপ পেয়েছে হাসন রাজার এসব গান।
লোভ লালসার বাইরে থেকে সহজ সরল জীবন যাপনে রচনা করে গেছেন অসংখ্য লোকগান। মরমী এই সাধকের জন্ম-মৃত্যুতে বরাবরই খুব একটা আয়োজন থাকে না সুনামগঞ্জে। তবে এবছর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী একসঙ্গে পালন করবে জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও হাসন রাজা ট্রাস্ট।
মরমী সাধক হাসন রাজা জীবদ্দশায় প্রায় ২০০ গান রচনা করেছেন।  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও ১৯২৫ সালে কলকাতায় এবং ১৯৩৩ সালে লন্ডনে হিবার্ট বক্তৃতায় হাসন রাজার দুটি গানের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু প্রখ্যাত এই মরমী সাধকের জীবন-দর্শন ও গানের চর্চা এখন আর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয় না বললেই চলে।

 

তিনি গানের ভণিতায় নিজেকে ‘পাগলা হাসন রাজা’, ‘উদাসী’, ‘দেওয়ানা’,  ‘বাউলা’ ইত্যাদি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি কৈশোর ও যৌবনে শ্রীকৃষ্ণের নানাবিধ লীলায় অভিনয়ও করেছেন। হাছন উদাস (১৯০৭), শৌখিন বাহার, হাছন বাহার ইত্যাদি গ্রন্থে তাঁর গানগুলি সংকলিত হয়েছে।
দর্শনচেতনার সাথে মরমী সাধনা ও সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে লালন শাহ এর প্রধান পথিকৃৎ। এর পাশাপাশি নাম করতে হয় ইবরাহীম তশ্না দুদ্দু শাহ্, পাঞ্জু শাহ্, পাগলা কানাই, রাধারমণ দত্ত, আরকুম শাহ্, শিতালং শাহ, জালাল খাঁ এবং আরও অনেকে।

১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখা হাসন রাজা মিউজিয়ামে অনেকেই আসেন দূর-দূরান্ত থেকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৫ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস।

(খ) জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দিবস (বাংলাদেশ)।

 

(গ) বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ওয়াল্ট ডিজনি, একজন মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কন্ঠ শিল্পী ও অ্যানিমেটর ছিলেন।

১৯০১ – (ক) প্রমথ ভৌমিক, একজন সাম্যবাদী বিপ্লবী, সাংবাদিক ও কৃষক নেতা।

 

(খ) ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ, নোবেল বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯০৫ – কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

 

১৯১১ – প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায় (গীতিকার)।

 

১৯১৩ – গোপাল ঘোষ, খ্যাতনামা বাঙালি চিত্রশিল্পী।

 

১৯২৫ – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সঙ্গীতের বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার।

১৯৩২ – শেল্ডন গ্ল্যাশো,মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৩৯ – বাসবী নন্দী, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৮৩০- ইংরেজ মহিলা কবি ক্রিশ্চিনা রসেটি।

১৮৯০ – ফ্রিৎস ল্যাং, একজন অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার।

১৪৪৩ – পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াস।

১৩৭৭ – চীনের সম্রাট জিয়ান ওয়েন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৩ – দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন রলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা মৃত্যুবরণ করেন ।

১৯১৭- ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৭ – রাশিয়ার বিপ্লবী সরকার ও জার্মানির মধ্যে সন্ধি চুক্তি হয়।

১৯২৯ – আইরিনা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৩২- জার্মান বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন আমেরিকার ভিসা পান।

১৯৩৩ – উটাহ ৩৬তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার সাথে যুক্ত হয়।

১৯৩৫ – কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৩৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নতুন সংবিধান অনুমোদিত হয়। এর মাধ্যমে ১৯২৪ সালে প্রণীত ফেডারেল সংবিধান বাতিল হয়ে যায়।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী ও রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৩- জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে।

১৯৫০- কোরিয় যুদ্ধ চলাকালে চীনের সৈন্যরা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং-এ প্রবেশ করে।

১৯৫৫ – এডগার নিক্সন ও রোসা পার্কস আমেরিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মন্টেগোমারীতে বাস বয়কট আন্দোলন শুরু করেন। সে সময় নিক্সনকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৬৯ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘ বাংলাদেশ ”।

১৯৭১- ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কমান্ড গঠন করে মিত্রবাহিনী নাম গ্রহণ করে।

১৯৭১ – পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মৌলভীবাজারের জুড়ী এলাকাকে (বর্তমান জুড়ী উপজেলা) শত্রুমুক্ত করে।

১৯৭৭ – মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত সিরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও দক্ষিণ ইয়েমেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৮৩ – আর্জেন্টিনায় সামরিক জান্তা সরকারের পতন।

১৯৮৫ – যুক্তরাজ্য ইউনেস্কোর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে।

১৯৮৭- পানামার জাতীয় পতাকা ধারী একটি মালবাহী জাহাজ স্পেনের উত্তর উপকূলীয় ফিনিস্টেলে জলসীমা থেকে প্রায় ১৫ নটিকল-মাইল দূরে যায়। জাহাজের ২৩ জন চীনা নাবিক প্রাণ হারান।

১৯৯২ – আলবেনিয়াকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৯ – যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু।

১৯৯৫- হংকং-র সবোর্চ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো চীনা ভাষায় মামলা পরিচালিত হয়।

১৯৯৬- ম্যাডেলিন অলব্রাইট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

১৮০৪ – টমাস জেফারসন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮১২ – রাশিয়ায় লজ্জাজনক পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে ফিরে যান।

১৮৪৬ – দুদু মিয়া কর্তৃক নীলকুঠি আক্রমণ।

১৮৫৪ – অ্যারোন অ্যালেন রিভলবিং থিয়েটার চেয়ার প্যাটেন্ট করেন।

১৮৭৯ – প্রথম স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্যাটেন্ট করা হয়।

১৮৯৩- চীন আর ব্রিটেনের মধ্যে ‘চীন-ব্রিটেন সম্মেলন তিব্বত-ভারত চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৫৭ – প্রুশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে অস্ট্রিয়া পরাজিত হয়।

১৭৬৬ – লন্ডনে প্রথম নিলাম ডাক শুরু হয়।

১৭৯১ – অস্ট্রীয় মিউজিক কম্পোজার ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট ভিয়েনায় ৩৫ বছর বয়সে মারা যান।

১৭৯২ – জর্জ ওয়াশিংটন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৪৫৬ – নেপলসে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

১৩৬০ – ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৬ – ক্লোদ মনে, ফ্রান্সের এক বিখ্যাত ধারণাবাদী (ইম্প্রেশনিস্ট) চিত্রশিল্পী।

 

১৯৫০ – অরবিন্দ ঘোষ, বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মসাধক এবং দার্শনিক।

 

১৯৫১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৯৫৭ – উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ হযরত মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)।

 

১৯৬১ -ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৬৩ – হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, বিখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৯৮১- সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন।

 

১৯৮৬ – ভারতের ভৌত রসায়ন বিজ্ঞানের পথিকৃৎ ড. নীলরতন ধর।

 

১৯৯৩ – সত্য চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

১৮৭০ – আলেক্সাঁদ্র্ দ্যুমা, বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক।

 

১৮৯০ – অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার ফ্রিৎস ল্যাং।

 

১৭৯১ – ভোল্‌ফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট, অস্ট্রীয় সুরকার।

১৫৬০ – ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফ্রাঙ্কোইস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This