Categories
রিভিউ

আজ ১৩ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জার্মানি: শোক দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩৯৭ – পোপ নিকোলাস পঞ্চম, ক্যাথলিক গির্জার পোপ।

 

১৮৪৭ – মীর মশাররফ হোসেন,প্রথম মুসলিম বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।

 

১৮৫০ – স্কটিশ কথাসাহিত্যিক লুইস স্টিভেনসনের জন্ম।

১৮৭৩ – ইরানের বিখ্যাত আলেম ও শিক্ষক আয়াতুল্লাহ জুন্নুরী উত্তর-পশ্চিম ইরানের তাব্রিজে জন্ম গ্রহণ করেন।

 

১৮৯৯ – ইস্কান্দার মির্জা, পাকিস্তানের শেষ গভর্নর জেনারেল ও প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯২১ – অশোক বড়ুয়া, বাঙালি লেখক।

 

১৯৪৮ – হুমায়ূন আহমেদ, বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

১৯৬৭ – জুহি চাওলা, জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০৫ – ফরাসিরা ভিয়েনা দখল করে।

১৮৩৫ – টেক্সাস মেক্সিকোর কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়।

১৮৪৯ – পিটার বার্নেট ক্যালিফোর্নিয়ার প্রথম গভর্নর নির্বাচিত হন।

১৮৬৪ – গ্রিসের নতুন সংবিধান গৃহীত হয়।

১৮৭২ – সাপ্তাহিক ‘সমাজ দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৮৫ – রাজকীয় সার্বিয়ার সেনাবাহিনী বুলগেরিয়া দখল করে।

১৯০৭ – পল কমু’র উদ্ভাবিত হেলিকপ্টার প্রথমবারের মতো আকাশে ওড়ে।

১৯১৩ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদ শান্তিনিকেতনে পৌঁছায়।

১৯১৫ – ইরানের তৃতীয় জাতীয় সংসদ দেশটির সর্বশেষ কাজার সম্রাট আহমদ শাহের নির্দেশে ভেঙে দেয়া হয়।

১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে সম্মিলিত বাহিনী অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনপল দখল করে।

১৯২১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জাপানের মধ্যে প্যাসিফিক চুক্তি হয়।

১৯৪৫ – সুকর্ন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৪৭ – রাশিয়া অ্যাসল্ট রাইফেল একে-৪৭ চূড়ান্তভাবে তৈরি করে।

১৯৭০ – ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পূর্ব বাংলায় পাঁচ লাখ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭৪ – ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পি এল ও’র নেতা ইয়াসির আরাফাত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন।

১৯৭৭ – ঢাকায় বিজ্ঞান জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়।

১৯৮৫ – কলম্বিয়ায় এক ভূমিকম্পে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।

১৯৮৯ – আকস্মিক ধসে পশ্চিমবঙ্গের রানীগঞ্জের কয়লাখনির অভ্যন্তরে ৭১ শ্রমিক আটকা পড়েন। পরে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ক্যাপসুলের সাহায্যে ৬৫ জনকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করা হলে এই উদ্ধার পদ্ধতি বিশ্বে বিস্ময়ের সৃষ্টি করে।

১৯৯৪ – সুইডেন এক গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় জোটে যোগ দেয়।

২০০২ – ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের সরকার জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক দলকে ইরাকে ফিরে আসার অনুমতি দেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৩১ – স্কটল্যান্ডের রাজা তৃতীয় ম্যালকমের মৃত্যু।

 

১৯০৭ – ইংরেজ কবি ফ্রান্সিস থমসন।

 

১৯৫০ – ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রপতি সি. দাইগাদো কালবাউন্দ নিহত হন।

 

১৯৭৮ – চিত্তপ্রসাদ ভট্টাচার্য, খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি রাজনৈতিক শিল্পী।

 

১৯৮০ – প্রখ্যাত বাঙালি সুরকার রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায় বা রতু মুখাপাধ্যায়।

 

২০০১ – করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেত্রী। (সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘অপরাজিতা’ সর্বজয়া খ্যাতা)

 

২০২১ – আন্তর্জাতিক সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের লেখক উইলবার স্মিথ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং এর গুরুত্ব।

প্রতি বছর ১২ই নভেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস—১২ নভেম্বর— একটি বার্ষিক অনুস্মারক যে নিউমোনিয়া যে কোনো জায়গায় এবং যে কোনো সময় আঘাত করতে পারে এবং এটি একটি গুরুতর, সম্ভাব্য জীবন-হুমকি ফুসফুসের সংক্রমণ। নিউমোনিয়া প্রাথমিকভাবে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয় যা একজন থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয়।

নিউমোনিয়া ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগের নাম।ইহা হল ফুসফুসের প্যারেনকাইমার প্রদাহ বিশেষ। সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক সংক্রমণের কারণে নিউমোনিয়া হয়। নিউমোনিয়া মৃদু বা হালকা থেকে জীবন হানিকরও হতে পারে। নিউমোনিয়া থেকে ফ্লু হবারও সম্ভাবনা থাকে। নিউমোনিয়া সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের, যারা দীর্ঘদিন রোগে ভুগছেন অথবা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা কম তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে তরুণ, অল্প বয়স্ক, স্বাস্থ্যবান লোকদেরও নিউমোনিয়া হতে পারে। ফুসফুসে স্ট্রেপটোকক্কাস জাতীয় ব্যাকটেরিয়া কিংবা শ্বাসযন্ত্রের সিনসিশিয়াল ভাইরাস (আরএসভি) সংক্রমণ ঘটালে ফুসফুস ফুলে ওঠে, ভরে ওঠে পুঁজে বা তরল পদার্থে, যা অক্সিজেন গ্রহণ করে নিঃশ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তখন ফুসফুসে প্রদাহ হয়। ।

প্রতি বছরের মতো এবারও ১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমনিয়া দিবস পালিত হচ্ছে। নিউমোনিয়া সম্পর্কিত জটিলতা এবং সমস্যাগুলি তুলে ধরার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে এই দিনটি প্রথম পালিত হয়েছিল। বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবসে এর ক্ষতিকর প্রভাব, কারণ এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ বা চিকিত্সা করা যায় সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পালিত হয়।
বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবসে এর ক্ষতিকর প্রভাব, কারণ এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ বা চিকিত্সা করা যায় সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পালিত হয়। এটি সক্রিয় এবং টেকসই বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার সাহায্যে মারাত্মক রোগের কারণে মৃত্যু হ্রাস করা লক্ষ্য করে। উদ্দেশ্য হ’ল, গবেষণার জন্য আরও তহবিল সংগ্রহ করার জন্য জীবন-হুমকিপূর্ণ রোগটিকে জনসাধারণের নজরে আনা, প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় পদক্ষেপ নিতে উত্সাহিত করা এবং মৃত্যু হ্রাস করা।

জন হপকিন্স সেন্টার অফ পাবলিক হেলথের মতে, ২০১৬ সালে নিউমোনিয়ার কারণে ১, ৫৮,১৭৬ জন মারা গিয়েছে এবং এর প্রধান কারণ হল ঘরের ভিতরের বায়ু দূষণ, একটানা স্তনদুগ্ধ না খাওয়ানো, বায়ু দূষণ, কম জন্মের ওজন এবং অপুষ্টি।WHO-এর মতে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া বেশি তীব্র হয় এবং এই রোগ প্রতিরোধে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

নিউমোনিয়া হল একটি সংক্রামক ব্যাধি যা ২০১৯ সালে ৬৭২,০০০ শিশু-সহ সারা বিশ্বে ২.৫ মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করেছিল। নিউমোনিয়া দিবস ২০০৯ সালে শিশু নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে গ্লোবাল কোয়ালিশন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। শিশু নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে গ্লোবাল কোয়ালিশন হল সরকারি, বেসরকার্, সম্প্রদায়-ভিত্তিক, শিক্ষামূলক এবং গবেষণা ভিত্তিক সংস্থাগুলির একটি প্রতিষ্ঠান। ওই বছরে নিউমোনিয়া প্রতি বছর ১.২ মিলিয়ন শিশু মৃত্যুর পিছনে ছিল এই মারাত্মক রোগ।

হু ও ইউনিসেফের ২০১৩ সালে নিউমোনিয়া প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা অনুসারে, লক্ষ্য হল নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি হাজার শিশুর মধ্যে মৃত্যুর হার কমিয়ে তিনে নামিয়ে আনা।

উল্লেখ্য, সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষকে শ্বাসতন্ত্রের জটিল এ অসুখ থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে জনগণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে দিবসটির গুরুত্ব অনেক। সারা পৃথিবীতে নিউমোনিয়ায় প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কোটি লোক আক্রান্ত হয়। মারা যায় প্রায় ৪০ লাখ রোগী। উন্নয়নশীল দেশে নিউমোনিয়ার ব্যাপকতা বেশি। পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশু ও বৃদ্ধরাই নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয় এবং শিশুরা বেশি মারা যায়। তুলনামূলকভাবে নারীদের চেয়ে পুরুষরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জটিল একটি রোগ নিউমোনিয়া। ফুসফুসের প্যারেনকাইমা বা বায়ুথলিতে জীবাণু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি সংক্রমণের ফলে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কাশি এসব উপসর্গ দেখা দেয়। যা নিউমোনিয়া নামে পরিচিত। এটি ফুসফুসের অত্যন্ত প্রচলিত ও প্রাচীন একটি রোগ। আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক হিপোক্রেটস আড়াই হাজার বছর আগে এ রোগের বর্ণনা দিয়েছেন। শিশুদের ক্ষেত্রে বয়সভেদে রোগজীবাণুতে কিছু পার্থক্য থাকে। ক্রনিক ঠাণ্ডালাগা, বুকে শ্লেষ্মা জমে থাকার সূত্র ধরেই আক্রান্ত হয় নিউমোনিয়ায়।
ঠাণ্ডা লাগলেই যে সবার নিউমোনিয়া হবে তা কিন্তু নয়, তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, মূলত বয়স্ক ও শিশুরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের মতে, নিউমোনিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ খুব জ্বর। ওষুধে জ্বর নামলেও আবার ওষুধের প্রভাব কাটলেই হু হু করে বেড়ে যায়। ১০৩-১০৪ ডিগ্রি উঠতে পারে জ্বর। এর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ইত্যাদি তো থাকেই। অনেক সময় মাথায় যন্ত্রণা, ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়া, খাওয়া-দাওয়ায় অনীহা এসবও নিউমোনিয়ার লক্ষণ। নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীকে ছুঁলেই নিউমোনিয়ার জীবাণু শরীরে ছড়ায় না। আক্রান্তের কাশি বা হাঁচি থেকে তা ছড়াতে পারে। তবে সর্দিজ্বরের সঙ্গে নিউমোনিয়ার বেশকিছু পার্থক্য থাকে।

একটু লক্ষ্য রাখলেই রোগ নির্ণয় করা সহজ। চিকিৎসকদের মতে, প্রাথমিকভাবে সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশি দিয়ে এই রোগ শুরু হলেও দেখা যায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জ্বর, শ্বাসকষ্ট বাড়ছে, কাশিও বাড়ছে। অনেক সময় জ্বরের ওষুধের কড়া ডোজে জ্বর নামলেও ফিরে ফিরে আসে তা। অবস্থা গুরুতর হলে কাশির সঙ্গে রক্তও উঠতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। একমাত্র চিকিৎসকই বুঝতে পারেন ব্যক্তি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে কি না। তবু নিশ্চিত হতে কিছু পরীক্ষা করাতে হয়।

উপসর্গসমূহ।।

নিউমোনিয়ার উপসর্গ গুলো বিভিন্ন হয়ে থাকে। এটা নির্ভর করে শারীরিক অবস্থা এবং কি ধরনের জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে তার উপর। নিউমোনিয়ার লক্ষণ সমূহ নিম্নরূপ:

জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, কাপুনি, ঘাম হওয়া, বুকে ব্যাথা যা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে উঠা নামা করে, মাথা ব্যথা, মাংসপেশীতে ব্যাথা, ক্লান্তি অনুভব করা। তাই নিয়ম করে ডক্টর দেখিয়ে পরীক্ষা করে নিতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

কি ভাবে প্রতিরোধ করব।।

ভালোভাবে পরিষ্কার করে হাত ধুতে হবে,  নিজের প্রতি যত্ন নিতে হবে, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে, সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে, ধূমপান করা যাবে না, অন্যের সামনে হাঁচি/কাশি দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। হাঁচি/কাশি দেয়ার সময় মুখ হাত দিয়ে ঢাকতে হবে বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে, টিকা দিতে হবে —- যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস,এইডস, পুষ্টিহীনতা ইত্যাদির চিকিৎসা করাতে হবে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় শিক্ষা দিবস, জানব দিনটির থিম, ইতিহাস এবং তাৎপর্য।

ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মবার্ষিকী স্মরণে প্রতি বছর ১১ নভেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস পালন করা হয়।  এই উদযাপন শিক্ষার মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং এর সর্বোত্তম গুরুত্বের উপর জোর দেয়।

 

শিক্ষা প্রতিটি ব্যক্তির জন্য একটি সহজাত অধিকার হিসাবে দাঁড়িয়েছে এবং একটি স্থিতিস্থাপক এবং আলোকিত সমাজের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।  এটি আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, আমাদের জীবন এবং বৃহত্তর সামাজিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  জ্ঞান অর্জনের সুবিধার মাধ্যমে, শিক্ষা আমাদের শেখানো পাঠগুলিকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তর করার ক্ষমতা দিয়ে সজ্জিত করে, যার ফলে আমাদের সাফল্যের দিকে পরিচালিত করে।  একজন শিক্ষিত এবং সুপরিচিত নাগরিক দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের আদর্শকে মূর্ত করে তোলে, সক্রিয়ভাবে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ব্যক্তিগতভাবে এবং বিশ্বব্যাপী অবদান রাখে।

জাতীয় শিক্ষা দিবস ২০২৩ এর থিম–

 

জাতীয় শিক্ষা দিবস ২০২৩-এর থিম হল ‘শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া: ‘Prioritizing Education: Investing in Our People’। প্রতি বছর, মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এই অনুষ্ঠানের জন্য একটি স্বতন্ত্র থিম প্রবর্তন করে যা শিক্ষাবিদদের তাদের শিক্ষার্থীদের কাছে এই মূল্যবান বার্তা দিতে উৎসাহিত করে।

 

জাতীয় শিক্ষা দিবসের ইতিহাস—

 

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, যিনি ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।  ভারতে শিক্ষার উন্নতি এবং অ্যাক্সেসযোগ্যতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার অগ্রগতি, বৈজ্ঞানিক শিক্ষার প্রসার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, এবং গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষাকে উৎসাহিত করার জন্য অসংখ্য উদ্যোগ প্রবর্তন করেন।  তার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ, মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক ২০০৮ সালে তার জন্মদিনটিকে জাতীয় শিক্ষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।

 

জাতীয় শিক্ষা দিবসের তাৎপর্য—

 

দিনটি স্কুল, কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উদযাপনের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।  শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, সাক্ষরতার মূল্য এবং দেশের সকল নাগরিকের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সেমিনার, সম্মেলন এবং কার্যক্রমের মতো বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাতীয় শিক্ষা দিবসের লক্ষ্য হল মৌলানা আবুল কালাম আজাদের জন্মবার্ষিকী এবং প্রথম শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে সম্মান জানানো। দিবসটির উদ্দেশ্য হল শিক্ষার তাৎপর্য এবং জাতির উন্নয়ন ও কল্যাণে এর ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে আলোকিত করা। এটি শেখার চেতনার গুরুত্বকে বোঝায়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১১ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় শিক্ষা দিবস (ভারত)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – সুফী মোতাহার হোসেন, বাঙালি কবি।

 

১৯০৮ – গজেন্দ্রকুমার মিত্র, ভারতীয় কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক।

 

১৯১১ – জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, বিংশ শতকের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি গায়ক ও কবি।

 

১৯১৩ – হেডি লেমার, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯১৪ – হাওয়ার্ড ফাস্ট, মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯২৮ – হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার ও কূটনীতিবিদ।

 

১৯২৮ – কার্লোস ফুয়েন্তেস, মেক্সিকান ঔপন্যাসিক।

 

১৯২৯ – ইমরে কার্তেজ, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান লেখক।

 

১৯৩২ – অনিতা বসু, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব

 

১৯৩৫ – রবীন্দ্র সংগীতে ১৯৯৭ সালে সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত অর্ঘ্য সেন, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

 

১৯৩৬ (ক)  মালা সিনহা, নেপালী-ভারতীয় অভিনেত্রী।

(খ) সুজান কোনার, মার্কিন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৩৯ – আব্দেল মাজিদ লাখাল, তিউনিশিয়ার অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৪৮ – লুইজ ফেলিপে স্কলারি, তিনি সাবেক ব্রাজিলের ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬০ – আনড্রেয়াস ব্রেহমা, তিনি সাবেক জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৪ – অ্যালিসন ডোডয়, আইরিশ মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৬৭ – রিকি আটর, ইংরেজ ফুটবলার।

১৯৭৪ – লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও, মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭৭ – মানিশ, পর্তুগিজ ফুটবলার।

১৯৮৩ – ফিলিপ লাম, জার্মান ফুটবলার।

১৯৮৪ – সেভেন, দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেতা।

১৯৯০ – জরজিনিও ওয়িজনাল্ডুম, ওলন্দাজ ফুটবলার।

১৮১৮ –  রাশিয়ার খ্যাতনামা উপন্যাস লেখক ইভান তুরগেনেভ।

১৮২১ – ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি, বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক।

১৮৩২ – এমিলে গাবরিয়াউ, ফরাসি লেখক ও সাংবাদিক।

১৮৪১ –  ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের রাজা সপ্তম অ্যাডওয়ার্ড।

১৮৬৪ – আলফ্রেড হারমান ফ্রিয়েড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

 

১৮৭২ – ভারতের খ্যাতনামা হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী আবদুল করিম খাঁ।

১৮৭৬ – স্যার আবদুল হালিম গজনভি, বাঙালি রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি।

১৮৭৭ – আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের ফার্সী ভাষী মুসলিম কবি, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ।

 

১৮৮৮ – মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী।

১৮৯৭ – রোনাল্ড জর্জ রেফর্ড নোরিশ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৭৪৩ – কার্ল পিটার থাউনবেরগ, সুইডিশ উদ্ভিদবিদ, পতঙ্গবিশারদ ও মনোবৈজ্ঞানিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৮ –  এলিজাবেথ ন্যারেথ অ্যান্ডারসন বৃটেনের প্রথম মহিলা নির্বাচিত হন।

১৯১৭ –  রাশিয়ায় বিপ্লবের পর লেনিনের নেতৃত্বে গঠিত হয় শ্রমিক-কৃষকের প্রথম সরকার।

১৯১৮ – মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরা ফ্রান্স দখল করে।

১৯৫২ – ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম ভিডিও রেকর্ডারের কার্যক্রম প্রদর্শিতি হয়।

১৯৫৩ – পোলিও রোগের ভাইরাস আবিস্কৃত হয়।

১৯৬৫ – ব্রিটেনে হত্যার দায়ে মৃত্যুদন্ড আইন রহিত ঘোষণা করা হয়।

১৯৬৬ – এডুইন ইউগেন অলড্রিন এবং জেমস এ লোভেল নভোযান জিনিনি-১২ তে চড়ে চারদিনের সফরে মহাশূন্যে যাত্রা করেন।

১৯৬৮ – মালদ্বীপের প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।

১৯৭০ – ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৮২ – দক্ষিণ লেবাননে ঘাঁটি গেড়ে বসা ইহুদীবাদী ইসরাইলের সেনা কমান্ডের সদর দফতরে শহীদ আহমাদ কাসির ভয়াবহ বোমা হামলা চালান।

১৯৮৯ – বার্লিন প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু হয়।

 

১৯৯০ –  নেপালের রাজা বীরেন্দ্র নতুন সংবিধান চালু করে দলহীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

১৯৯০ –  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগর এলাকায় দুই লাল সেনা পাঠায়।

১৯৯১ – কিউবা থেকে সোভিয়েত ফৌজ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৫ – মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কমনওয়েলথ থেকে নাইজেরিয়ার সদস্যবাতিল করা হয়।

১৯৯৬ – বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত বাণিজ্য চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

১৯৯৯ –  জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়।

 

১৮৬৬ – কেশব চন্দ্র সেনের নেতৃত্বে কলকাতায় ভারতবর্ষীয় আদি ব্রহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৯৩ – শিক্ষাব্রতী ধর্মযাজক উইলয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান।

১৭৯৮ –  ব্রিটিশ গভর্নরের আদেশে কলকাতায় রবিবারে ঘোড়দৌড় ও সব রকম জুয়াখেলা নিষিদ্ধ হয়।

১৪৯৮ – পর্তুগালের বিখ্যাত নাবিক ভাস্কো দা গামার সমুদ্র অভিযান শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ –  জিওভান্নি লিওন, তিনি ছিলেন ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

২০০৪ –  আইরিস চ্যাং, তিনি ছিলেন আমেরিকান ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও লেখক।

২০০৪ – ইয়াসির আরাফাত, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিলিস্তিন ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ, ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষের ১ম প্রেসিডেন্ট।

 

২০০৫ – পিটার ড্রুকের, অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, তাত্তিক ও শিক্ষাবিদ।

 

২০০৮ –  ইমাম সামুডরা, তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান সন্ত্রাসীর।

 

১৯২৩ – সমাজসেবক রাজনীতিক লেখক আশ্বিনীকুমার দত্ত।

 

১৯৪৮ – পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

১৯৫৩ –  ইংরেজ কবি ডিলান টমাস।

১৯৫৩ –  সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবন সৌদ।

১৯৭০ –  জেনারেল চার্লস দ্য গল, তিনি ছিলেন ফরাসি সাধারণ ও নীতি ও ১৮ তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৭১ – সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক নিকিতা ক্রুশ্চেভ।

১৯৭৩ – আর্টটুরি ইলমারি ভিরটানেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৮০ –  উপমহাদেশের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা পি সি যোশী।

 

১৯৮৪ – প্রখ্যাত বাঙালি নট ও নাট্যকার মহেন্দ্র গুপ্ত।

১৯৮৫ –  মারি-জর্জ পাস্কাল, তিনি ছিলেন ফরাসি অভিনেত্রী।

 

১৯৮৭ – প্রগতিবাদী রাজনৈতিক নেত্রী মণিকুন্তলা সেন।

১৯৯৯ – মোহাম্মদউল্লাহ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

১৮২৩ – অর্থনীতিবিদ ডেভিট রিকার্ডো।

১৮৪৮ –  রবার্ট বলুম, তিনি ছিলেন জার্মান কবি ও রাজনীতিবিদ।

১৮৫৫ – সারেন কিয়েরকেগর ডেনীয় দার্শনিক এবং তাত্ত্বিক।

১৭৭৮ –  গিওভানি বাটিস্টা পিরানেসি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান ভাস্কর ও চিত্রকর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক) নূর হোসেন দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২৮২ – নবী করিম ( সা ) এর পবিত্র আহলে বাইতের ইমাম হযরত আলী ইবনে মূসা রেযা ( আ ) মদীনা শহর।

 

১৪৮৩ – মার্টিন লুথার, তিনি ছিলেন জার্মান সন্ন্যাসী ও পুরোহিত প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার নেতা।

১৬৯৭ – উইলিয়াম হগারথ, ইংরেজ চিত্রশিল্পী, চিত্রকর ও সমালোচক।

১৭২৮ – অলিভার গোল্ডস্মিথ, তিনি ছিলেন আইরিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ লেখক, কবি ও নাট্যকার।

 

১৮৪৮ – ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রগুরু স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮৬৮ – গিচিন ফুনাকোশি, জাপানি মার্শাল আর্টিস্ট, “জাপান কারাতে এসোসিয়েশন” এর প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৯৩ – অমল হোম, বাঙালি সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক।

 

১৯১৮ – আর্নস্ট অটো ফিশার, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৩৬ – পল পোস্টাল, একজন মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী।

 

১৯৩৯ – আমজাদ খান চৌধুরী, বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, শিল্প উদ্যোক্তা এবং প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা।

 

১৯৪২ – রবার্ট এঙ্গেল, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫৪ – জয় গোস্বামী, একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি এবং সাহিত্যিক ।

১৯৬০ – নিল গাইমান, তিনি ইংরেজ লেখক, চিত্রকর ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৮৫ – আফতাব আহমেদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং ডানহাতি স্লো মিডিয়াম পেস বোলার।

১৯৯২ – ওয়িলফ্রিয়েড যাহা, তিনি ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৩ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস দ্বিতীয় সমুদ্রযাত্রায় অ্যান্টিগুয়া আবিষ্কার করেন।

১৬৫৯ – ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতা, সুতানুটি ও গোবিন্দপুরের কর্তৃত্ব গ্রহণ করে।

১৬৯৮ – কলকাতা, সুতানুটি ও গোবিন্দপুরের মালিকানা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে চলে যায়।

১৭৯৯ – ফ্রান্সে ব্রুমার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।

১৮৫৯ – অষ্ট্রিয়া ও সার্ডিনিয়ার মধ্যে জুরিখ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯০৮ – বিপ্লবী কানাইলাল দত্তের ফাঁসি কার্যকর হয়।

১৯৬৪ – লিওনিদ ব্রেজনেভ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব মনোনীত হন এবং সরকারী ক্ষমতা হাতে তুলে নেন।

১৯৭০ – ফিজি স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮২ – পৃথিবীতে ১৯১০ সালের পর আবার হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেল।

১৯৮৬ – বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ম সংশোধনী গৃহীত হয়। এতে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির বিভাজনের প্রতীক বার্লিন দেয়াল বহু জায়গায় ভেঙে দেওয়া হয়।

১৯৯১ – আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গন থেকে একুশে বছর নির্বাসন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দল আবার প্রথম আন্তর্জাতিক খেলায় অংশ নেয় কলকাতার ইডেনে ভারতের বিরুদ্ধে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭২৮ – ফ্যডর আপ্রাক্সিন, তিনি ছিলেন রাশিয়ান এডমিরাল।

 

১৮২২ – বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান গ্রন্থ রচনার পথিকৃৎ উইলিয়াম কেরির পুত্র ফেলিক্স কেরি।

১৮৯১ – জ্যঁ নিকোলা আর্তু র‍্যাঁবো, তিনি ছিলেন ফরাসি কবি ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯০৮ – কানাইলাল দত্ত, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

 

১৯০৯ – জর্জ এসেক্স ইভান্স, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান কবি ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯১৫ – রাধারমন দত্ত, বাংলাদেশের বিখ্যাত বাউল মরমী সাধক।

 

১৯১৭ – হ্যারি ট্রট, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৩২ – সুনীতি দেবী ,ব্রিটিশ ভারতীয় দেশীয় রাজ্য কোচবিহারের মহারাণী।

 

১৯৩৮ – কামাল আতাতুর্ক, তুরস্কের জাতির পিতা, আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৪ – জিম্মি ডড, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৮৩ – আ. ক. ম. মুজতবা, বাংলাদেশী সংগীতশিল্পী, বেহালা ও বংশীবাদক।

 

১৯৮৭ – নূর হোসেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন তথা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী।

 

১৯৯৩ – বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার হরেন ঘটক।

২০০৮ – মিরিয়াম মাকেবা, তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গায়ক, গীতিকার, অভিনেত্রী ও সমাজ কর্মী।

২০১২ – মারিয়ান লাইনস, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেত্রী, লেখক ও সুরকার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস, জানব দিনটির ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু কথা।

ভারতে, ১৯৮৭ সালে আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ আইন পাস করার জন্য প্রতি বছর ৯ নভেম্বর জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। ১৯৯৫ সালের 9ই নভেম্বর এই আইনের আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন চিহ্নিত করে।  সেই থেকে, আইনী ব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষের বোঝা বাড়াতে ভারতের সমস্ত রাজ্যে আইনি পরিষেবা দিবস পালন করা হয়।  জাতীয় আইনী সেবা দিবস প্রতিষ্ঠার পর জাতীয় আইনী সেবা কর্তৃপক্ষ (NALSA) জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।  এখানে ২০২৩-এর বিষয়, গুরুত্ব এবং ইতিহাসের আইনি পরিষেবা দিবস সম্পর্কে আরও জানুন।
ভারতে প্রথম আইনি সহায়তা ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার স্মরণে প্রতি বছর 9ই নভেম্বর জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস পালন করা হয়।  এই দিনটি তাদের আর্থ-সামাজিক পটভূমি নির্বিশেষে সকল ব্যক্তির জন্য ন্যায়বিচারের সমান অ্যাক্সেসের গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পরিষেবা প্রচারের জন্য সারাদেশে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষগুলি বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  লক্ষ্য হল প্রত্যেকের ন্যায়বিচারের অ্যাক্সেস রয়েছে এবং কার্যকরভাবে তাদের মৌলিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিত করা।

 

আইনি সেবা দিবসের ইতিহাস–

 

আইনি পরিষেবা দিবস ১৯৯৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রতি বছর ৯ই নভেম্বর পালিত হয়।  একটি ছয়-সপ্তাহের প্যান ইন্ডিয়া আইনি সচেতনতা এবং আউটরিচ প্রচারাভিযান ২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিল এবং ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল। এতে ডোর-টু-ডোর উদ্যোগ, আইনি সহায়তা ক্লিনিক সচেতনতা প্রচার, মোবাইল ভ্যান সচেতনতা প্রচারাভিযান এবং আইনি শিক্ষা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল।
উপরন্তু, ৮ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত, “আইনি পরিষেবা সপ্তাহ” অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এই সময়ে ৩৮ কোটিরও বেশি ব্যক্তিকে জরিপ করা হয়েছিল, তাদের সাথে জড়িত বা তাদের অধিকার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল।  লিগ্যাল সার্ভিসেস মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের iOS ভার্সনটি লিগ্যাল এইড অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করেছে যা 9 নভেম্বর, 2021 তারিখে 10টি ভাষায় উপলব্ধ ছিল, যেটি আইনি পরিষেবা দিবস।  এই ইভেন্টটি জাতীয় আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (NALSA) দ্বারা জাতীয়ভাবে আয়োজিত হয়েছিল।

 

জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস ২০২৩–

 

আইনী ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসাধারণের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য, জাতীয় আইনি সেবা দিবস তৈরি করা হয়েছিল।  এই দিনটি ভারতীয় নাগরিকদের তাদের পরিচয় বা উত্স নির্বিশেষে তাদের বিনামূল্যে আইনি প্রতিনিধিত্বের অধিকার সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য নিবেদিত।  প্রতি বছর ৯ ই নভেম্বর, একটি জাতীয় ছুটি আইনী পরিষেবার জন্য উত্সর্গীকৃত হয়।  জাতীয় আইনী সেবা দিবস প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রচারে আইনি সহায়তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।  এটি এমন একটি দিন যা তাদের আইনী সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রগতি উদযাপন করার এবং একটি ন্যায়সঙ্গত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করার জন্য।
এটি প্রায়শই আবিষ্কৃত হয় যে সংখ্যালঘু, মহিলা এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের আইনগত বোঝার খুব কম বা কোন ধারণা নেই।  এই লোকেরা তাদের অধিকার এবং বিনামূল্যের আইনি পরিষেবাগুলির বিষয়ে তথ্য পায় যা তারা জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবসে সুবিধা নিতে পারে।  এই দিনটির একটি দ্রুত সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হল: দিনটি বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান এবং আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এবং সংস্থাগুলির অবদানকেও তুলে ধরে।

 

জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস ২০২৩ থিম–

 

আইনি পরিষেবা দিবসে, ব্যক্তিরা একে অপরকে তাদের আইনি দক্ষতা প্রদান করে।  যদিও এই দিনটি সারা দেশে ব্যাপকভাবে পালিত হয়, তবে বার্ষিক অনুষ্ঠানের জন্য কোন নির্দিষ্ট অফিসিয়াল থিম নেই।  যাদের সামর্থ্য নেই তাদের বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করাই হল দিনের প্রধান গুরুত্ব।  মানুষ এখন বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা, আইনি পরামর্শ এবং আরও অনেক কিছুর অ্যাক্সেস পেয়েছে জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবসের ভিত্তি৷  নিষ্পত্তি এবং মধ্যস্থতা পরিষেবাগুলি ব্যবহার করার লক্ষ্য হল ভারতীয় আদালতে এখনও বিচারাধীন মামলাগুলির ব্যাকলগ কমানো।

 

 

 

আইনি সেবা কর্তৃপক্ষ আইন কি?

 

৯ ই নভেম্বর, ১৯৯৫-এ, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জনসাধারণকে বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা প্রদানের জন্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ আইন পাস করে।  এই আইন ফেডারেল, রাজ্য এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমাজের দুর্বল গোষ্ঠীর সদস্যদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান করে।  এই আইনকে সম্মান জানাতে ৯ নভেম্বর জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস পালন করা হয়, যেদিন এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।  এখানে এটি সম্পর্কে কিছু অতিরিক্ত বিবরণ আছে.

আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ আইনের যোগ্যতা

শুধুমাত্র সমাজের দুর্বল গোষ্ঠীর যারা আর্থিক সীমাবদ্ধতা বা অন্যান্য কারণের কারণে আইনি পরিষেবাগুলিতে সামান্য বা কোন অ্যাক্সেস নেই তারাই বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য।  নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা এই মানদণ্ডের সাথে জড়িত:

প্রান্তিক গোষ্ঠীর মানুষ, নারী,  সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মানুষ।

যাদের মাসিক আয় সরকার বলেছে তার চেয়ে কম।

 

 

 

জাতীয় আইনী সেবা দিবসের উদ্দেশ্য–

 

সাধারণ জনগণের মধ্যে আইনি সমস্যা সম্পর্কে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া।

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান।

অপরাধীদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।

বিচারিক নিষ্পত্তি, সালিস, সমঝোতা, এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) অন্যান্য রূপ প্রদান করা।

লোক আদালত স্থাপন।

 

জাতীয় আইনী সেবা দিবসের তাৎপর্য–

 

ভারতে, যারা দরিদ্র আর্থ-সামাজিক গোষ্ঠীর—যেমন মহিলা, সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের—আইনি পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস নেই।  তাদের ত্রাণ সহায়তা করার জন্য ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ আইন প্রণয়ন করেছিল।  এখানে কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ:

এটি সমাজের দুর্বল দিক থেকে আসা ব্যক্তিদের আইনী সুরক্ষা এবং বিধান দিয়ে আশ্বস্ত করে।

এটি মতবিরোধের সমাধানে সহায়তা করে।

আইনী ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসাধারণের জ্ঞান বাড়াতে আইনটি যেদিন পাস করা হয়েছিল সেই দিনেই আইন সেবা দিবস পালন করা হয়।

 

উপসংহার—

 

সমাজের প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত অংশগুলিকে আইনি সহায়তা এবং পরিষেবা প্রদানের গুরুত্বকে স্মরণ করার জন্য প্রতি বছর ৯ই নভেম্বর ভারতে জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস পালন করা হয়।  এই দিনটি অর্থনৈতিক বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকারের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  এটির লক্ষ্য হল উপলব্ধ বিভিন্ন আইনি পরিষেবা, যেমন বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যা সমস্ত নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচারের সমান অ্যাক্সেস নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে।  ন্যাশনাল লিগ্যাল সার্ভিসেস ডে আইনী পেশাদার, প্যারালিগাল এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আইনী সহায়তা প্রদান এবং ব্যক্তিদের তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জ্ঞানের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ৯ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৯ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় আইনি পরিষেবা দিবস। (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – হেডি লেমার, তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯১৪ – হেডি লেমার, অস্ট্রীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯২৯ – ইমরে কার্তেজ, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান লেখক।

১৯৩৪ – বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান।

১৯৩৬ – মিখাইল তাল, দাবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।

১৯৪৫ – হিন্দুস্থানী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের প্রখ্যাত শিল্পী শিপ্রা বসু।

 

১৯৪৮ – লুইজ ফেলিপে স্কলারি, তিনি সাবেক ব্রাজিলের ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৭ – রিকি আটর, তিনি ইংরেজ ফুটবলার।

১৯৭৪ – আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, তিনি ইতালিয়ান ফুটবলার।

১৯৮৪ – সেভেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেতা।

 

১৮১৮ – রাশিয়ার খ্যাতনামা উপন্যাস লেখক ইভান তুরগেনেভ।

 

১৮৩২ – এমিলে গাবরিয়াউ, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক ও সাংবাদিক।

১৮৪১ – ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের রাজা সপ্তম অ্যাডওয়ার্ড।

১৮৬৮ – মারি ড্রেসলার, কানাডীয়-মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও কৌতুকাভিনেতা।

১৮৭৬ – জাপানি অণুজীববিদ হিদেয়ো নোগুচি।

 

১৮৭৭ – স্যার মুহাম্মদ ইকবাল, বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের মুসলিম কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ।

১৮৮৫ – হেরমান ভাইল, জার্মান গণিতবিদ।

 

১৮৯৭ – রোনাল্ড জর্জ রেফর্ড নোরিশ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ভারতে উত্তর প্রদেশ রাজ্যকে খণ্ডিত করে উত্তরাখণ্ড রাজ্য গঠিত হয়।

২০২০ – নাগার্নো-কারাবাখে সংঘাত বন্ধে আজারবাইজান-আর্মেনিয়া শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯০৮ – এলিজাবেথ ন্যারেথ অ্যান্ডারসন বৃটেনের প্রথম মহিলা নির্বাচিত হন।

১৯১৭ – রাশিয়ায় বিপ্লবের পর লেনিনের নেতৃত্বে গঠিত হয় শ্রমিক-কৃষকের প্রথম সরকার।

১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্র বাহিনীর কাছে জার্মান বাহিনীর একের পর এক পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে সেদেশে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং সর্বশেষ সম্রাট দ্বিতীয় উইল হেলম€Œ পদত্যাগ করেন।

১৯৫৩- ফ্রান্স থেকে কম্বোডিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৫ – ব্রিটেনে হত্যার দায়ে মৃত্যুদন্ড আইন রহিত ঘোষণা করা হয়।

১৯৭২ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ লাখ বছরের পুরনো ফসিল উদ্ধার করা হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানীকে বিভক্তকারী বার্লিন প্রাচীর ২৮ বছর পর ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু হয়।

১৯৯০ – নেপালের রাজা বীরেন্দ্র নতুন সংবিধান চালু করে দলহীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

১৯৯০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগর এলাকায় দুই লক্ষ সেনা পাঠায়।

১৯৯৯ – জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়।

১৭২৯ – স্পেনের সেভিল শহরে ঐতিহাসিক সেভিল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৯৮ – ব্রিটিশ গভর্নরের আদেশে কলকাতায় রবিবারে ঘোড়দৌড় ও সব রকম জুয়াখেলা নিষিদ্ধ হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – জিওভান্নি লিওন, ইতালীয় আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ, ইতালির ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

 

২০০৪ – আইরিস চ্যাং, তিনি ছিলেন আমেরিকান ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও লেখক।

 

২০০৫ – কে আর নারায়ণন, ভারতীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ, ভারতের ১০ম রাষ্ট্রপতি।

 

২০০৮ – ইমাম সামুডরা, তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান সন্ত্রাসীর।

 

২০১১ – হর গোবিন্দ খোরানা, ভারতীয় বংশোদ্ভূত নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী।

২০১২ – সের্গেই নিকলস্কয়, তিনি ছিলেন রাশিয়ান গণিতবিদ ও অধ্যাপক।

২০১৪ – সৌদ বিন মুহাম্মাদ আল থানি, কাতারের যুবরাজ।

১৯১৮ – ফরাসি কবি গিইয়োম আপলিনের।

 

১৯৩৫ – সন্তদাস কাঠিয়াবাবা নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক, দার্শনিক ও ধর্মগুরু।

 

১৯৫৩ – ইংরেজ কবি ডিলান টমাস।

১৯৫৩ – সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবন সৌদ।

১৯৭০ – জেনারেল চার্লস দ্য গল, তিনি ছিলেন ফরাসি সাধারণ ও নীতি ও ১৮ তম প্রেসিডেন্ট।

 

১৯৮০ – উপমহাদেশের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা পূরণচাঁদ যোশী প্রয়াত হন।

১৯৮৫ – মারি-জর্জ পাস্কাল, তিনি ছিলেন ফরাসি অভিনেত্রী।

১৮৪৮ – রবার্ট বলুম, তিনি ছিলেন জার্মান কবি ও রাজনীতিবিদ।

 

১৭৭৮ – গিওভানি বাটিস্টা পিরানেসি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান ভাস্কর ও চিত্রকর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৮ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব আরবানিসম দিন।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – (ক) কাফি খাঁ নামে পরিচিত প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী, প্রখ্যাত বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী।

(খ) খ্যাতিমান মার্কিন মহিলা লেখক মার্গারেট মিচাইল যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায়।

 

১৯০৯ – বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী দিল্লি ঘরানার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯১৯ – পুরুষোত্তম লক্ষ্মণ দেশপাণ্ডে, একজন মারাঠি লেখক এবং কৌতুকবিদ।

 

১৯২১ -সুবিনয় রায়, প্রখ্যাত বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

 

১৯২৩ – জ্যাক কিলবি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান প্রকৌশলী ও পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯২৭ – এল. কে. আদভানি, তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ভারতের ৭তম উপ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৮ – রিচার্ড স্টকের, তিনি ইংরেজ সুরকার, লেখক ও কবি।

১৯৬৮ – পার্কার পসেয়, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৭৮ – আলি করিমি, তিনি ইরানি ফুটবলার ও ম্যানেজার।

 

১৯৮৮ – জেসিকা লওন্ডেস, তিনি কানাডিয়ান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৮৯ – মরগ্যান সছনেইডেরলিন, তিনি ফরাসি ফুটবলার।

১৮৪৭ – জাঁ ক্যাসিমির-পেরিয়ের, তিনি ছিলেন ফরাসি রাজনীতিবিদ ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৮৪৮ – ফ্রিড্‌রিশ লুডভিগ গটলব ফ্রেগে, তিনি ছিলেন জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।

 

১৮৬২ – সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ উস্তাদ আলাউদিন খাঁ।

১৮৮৫ – জর্জ বউযিয়ানিস, তিনি ছিলেন গ্রিক পেইন্টার।

 

১৬৫৬ এডমান্ড হ্যালি বিখ্যাত ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী, ভূপদার্থবিদ, গণিতজ্ঞ, আবহাওয়া-বিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী,ইংল্যান্ড।

১৫৭২ – প্রুশিয়ার ডিউক জোহান সিগিসমুন্ড।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৬ – ভারতের উচ্চ মানের (৫০০ ও ১০০০ টাকা) ব্যাঙ্ক নোট বাতিল করা হয়।

২০২০ – (ক)  সেনাশাসন অবসানের পর মিয়ানমারে দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

(খ) যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক কোটি অতিক্রম করে।

(গ)- জাপানের রাজসিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে আকিশিনো ফুমিহিতোর নাম ঘোষণা করা হয়।

১৯০২ – গহরজানের গান দিয়ে কলকাতায় এশিয়ার প্রথম রেকর্ডিং শুরু হয়।

১৯১০ – ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম নারী ভোট প্রদান করেন।

১৯২৪ – অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ইগনাজ সেইপেল পদত্যাগ করেন।

১৯৩৯ – জার্মানীর শাসক এডলফ হিটলারকে হত্যার একটি ব্যর্থ চক্রান্ত হয়েছিলো।

১৯৩৯ – হিটলারের জার্মান বাহিনী ব্রিটেন আক্রমণ করে।

১৯৪২ – মিত্র শক্তি উত্তর আফ্রিকায় পর্দাপন করে।

১৯৫৪ – হো চি মিনের নেতৃত্বে সংগ্রামরত কমিউনিস্টরা হ্যানয় দখল করেন।

১৯৬৪ – রাজকীয় আইএমএফ ব্রিটেনকে এক বিলিয়ন ডলার ঋণ মঞ্জুর করে।

১৯৭২ – আরব গেরিলারা ইজরাইলি খেলোয়াড়দের অপহরণ ও হত্যা করলে মিউনিখের অলিম্পিক পল্লী রক্তরঞ্জিত হয়।

১৯৮৪ – রিগ্যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পুননির্বাচিত হন।

১৯৮৭ – তিউনিসিয়ায় সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট বরগুইবা ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯১ – স্পীকার আবদুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৯৮ – বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে ফারুক, রশিদ, ডালিমসহ ১৫ জনের প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়ার্ডে মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করা হয়।

১৮৮১ – সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বালক-বালিকাদের পাঠ্য সাপ্তাহিক ‘আর্যকাহিনী’ প্রকাশিত হয়।

১৮৯৫ – জার্মান পর্দাথবিদ ভিলহেল্ম কনরাড র‌ন্টগেন রঞ্জন রশ্মি (ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ যার অপর নাম এক্স-রে) আবিষ্কার করেন।

১৭৩১ – ফিলাডেলফিয়ায় বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৬৫৮ – সুইডেনের নৌবাহিনী পর্তুগীজ বাহিনীকে পরাজিত করে।

১৪৯৪ – ইতালিতে বিদ্রোহ হয় ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – ভিতালি ল্যাজারেভিচ গিঞ্জবার্গ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিদ ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৩৩ – লক্ষ্মীনারায়ণ রায়চৌধুরী, ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী।

১৯৩৩ – আফগানিস্তানের রাজা নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯৫৩ – ইভান বুনিন, নোবেল বিজয়ী রুশ লেখক।

১৯৫৪ – মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

 

১৯৬০ – সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।

১৯৭০ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, বাঙালি ঔপন্যাসিক কবি প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্পকার।

 

১৯৮৩ – জেমস হেডেন, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

 

১৯৮৫ – প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত রবীন্দ্রজীবনীকার ৷

১৯৯৮ – রুমের গুডডেন, তিনি ছিলেন ইংরেজ লেখক ও কবি।

১৮৮৭ – ইউজিন পতিয়ে, ফরাসি সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, কবি এবং পরিবহন কর্মী।

 

১৮৯০ – সিসার ফ্রাঙ্ক, তিনি ছিলেন বেলজিয়ান অর্গানবাদক ও সুরকার।

১৮৯৩ – মার্কিন ঐতিহাসিক ফ্রান্সিস পার্কম্যান।

 

১৬৭৪ – জন মিলটন, একজন ইংরেজ কবি।

১৩০৮ – জন ডান্স স্কোটাস, একজন ধর্মবেত্তা, দার্শনিক ও যুক্তিবিদ।

 

১২৩৪ – বাহাউদ্দিন ইবনে শাদ্দাদ, কুর্দি পণ্ডিত।

১২৩১ – ফ্রান্সের রাজা অষ্টম লুইস।

 

৬৭২ – মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব নগরবাদ দিবস, জানুন দিনটি সম্পর্কে কিছু কথা ।

বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস WTPD,  যা  বিশ্ব নগরবাদ দিবস নামেও পরিচিত।  ছুটির দিনটি প্রতি বছর 8ই নভেম্বর পালন করা হয় এবং এর উদ্দেশ্য হল বাসযোগ্য শহুরে সম্প্রদায় তৈরিতে পরিকল্পনার ভূমিকা প্রচার করা।  বিশ্ব নগরবাদ দিবস শহর এবং অঞ্চলগুলির উন্নয়নের দ্বারা সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে।  WTPD পেশাদার পরিকল্পনাবিদ এবং সাধারণ সম্প্রদায়কে একত্রিত করে তা দেখতে কিভাবে আমরা বিশ্বকে একটি আদর্শ জায়গায় রূপ দিতে পারি যেখানে আমরা থাকতে এবং কাজ করতে চাই।

 

বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবসে, প্রতি বছর  ৮নভেম্বর, সারা বিশ্বের পরিকল্পনাকারীরা এবং সম্প্রদায়গুলি একত্রিত হয়ে উদযাপন করে যে কীভাবে ভাল পরিকল্পনা মানুষের জীবনকে উন্নত করে এবং সমাজকে বৃহত্তরভাবে উপকৃত করে, যেখানে বসবাস, কাজ এবং একসাথে খেলার জায়গা তৈরি করে।
আর্জেন্টিনার অধ্যাপক কার্লোস মারিয়া ডেলা পাওলেরা, প্যারিসের ইনস্টিটিউট ডি আরবানিজমের একজন স্নাতক, 1949 সালে বুয়েনস আইরেসে বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস শুরু করেছিলেন।
বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস প্রতি নভেম্বরে চারটি মহাদেশের ৩০টি দেশে পালিত হয়।  এটি স্বাস্থ্যকর, সমৃদ্ধ সম্প্রদায় তৈরিতে পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং পরিকল্পনার স্বীকৃতি এবং প্রচার করার একটি বিশেষ দিন।
এপিএ সদস্যদের এই দিনে সারা বিশ্বের সহকর্মীদের সাথে তাদের জ্ঞান এবং নেতৃস্থানীয় অনুশীলনগুলি ভাগ করে নেওয়ার জন্য এবং সবার জন্য আবাসনে আন্তর্জাতিক সাফল্যের গল্প থেকে শেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে;  শহরের স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করা;  শহুরে সংকটের প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা;  অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উচ্চাভিলাষী জলবায়ু ব্যবস্থা এবং অন্যান্য ক্ষেত্র যা মার্কিন পরিকল্পনা অনুশীলনকে উন্নত করবে।

 

নগর পরিকল্পনা কি?

 

নগর পরিকল্পনা একটি প্রযুক্তিগত এবং রাজনৈতিক উভয় প্রক্রিয়া যা শহুরে সম্প্রদায়ের জমি এবং নকশার ব্যবহার দেখে।  নগর পরিকল্পনা নিশ্চিত করে যে মানব ও স্যাটেলাইট সম্প্রদায়ের সুশৃঙ্খল বিকাশ রয়েছে।  যেহেতু আধুনিক সমাজ টেকসই উন্নয়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মুখোমুখি হচ্ছে, নগর পরিকল্পনা একটি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।

 

এই বছরের থিম—

 

এই বছরের থিম হল Learn Globally, Apply Locally, এবং এটি বিশ্বব্যাপী পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা সংস্কৃতি থেকে শেখার মূল্যের উপর ফোকাস করবে, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উদ্ভাবনী, টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত সমাধানকে উৎসাহিত করবে।

 

বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবসের ইতিহাস—

 

বিশ্ব নগরবাদ দিবস ১৯৪৯ সালে বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্লোস মারিয়া ডেলা পাওলেরা দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।  তিনি আঞ্চলিক এবং বিদেশে উভয় পরিকল্পনায় জনসাধারণের এবং পেশাগত আগ্রহকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য করেছিলেন।  প্রফেসর কার্লোস বাসযোগ্য পরিস্থিতি তৈরিতে পরিকল্পনাকারীদের দ্বারা পরিচালিত ভূমিকা প্রচারের আশা করেছিলেন।
আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ সার্টিফাইড প্ল্যানার্স এই দিনটিকে সমর্থন করে এবং প্রতি বছর বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে এটিকে প্রচার করে।  ইনস্টিটিউট বাসযোগ্য শহুরে সম্প্রদায় তৈরিতে তাদের ভূমিকার জন্য আমেরিকান পরিকল্পনাবিদদের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেয় এবং প্রশংসা করে।
চারটি মহাদেশের ৩০টি দেশ বিশ্ব নগরবাদ দিবস পালন করে আজ, অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

 

কিভাবে বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস উদযাপন করা যায়

স্থানীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জনসাধারণকে একাধিক বিষয় বুঝতে সাহায্য করার জন্য পরিকল্পনা সমিতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  আপনার এলাকার আশেপাশে যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করুন।  যাইহোক, যদি কোনটি না থাকে, আপনি এখনও অনলাইনে কিছু প্রচারণা দেখতে পারেন।  ওয়ার্ল্ড টাউন প্ল্যানিং ডে অনলাইন কনফারেন্স প্রায়ই ইভেন্ট, প্রচারাভিযান, এবং প্রাসঙ্গিক ক্রিয়াকলাপগুলি সারা বিশ্ব জুড়ে সকলের দেখার জন্য সম্প্রচার করে।
আপনার স্থানীয় আশেপাশে, অফিস, এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও একটি ইভেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিন।  ইভেন্টে কিছু পেশাদার পরিকল্পনাবিদ, পণ্ডিত এবং রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানান।  পেশাদারদের সাথে একত্রে, জনসাধারণকে সঠিক পরিকল্পনা কী তা বুঝতে সাহায্য করুন এবং আমরা এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম যেখানে বাস করতে চাই এমন জায়গা তৈরিতে কীভাবে প্রত্যেকে অবদান রাখতে পারে।  তারপরে আপনি লেখকদের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ধারণা দিয়ে পুরস্কৃত করতে পারেন।
আপনি আপনার সম্প্রদায়গুলিতে পরিকল্পনার তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার এই সুযোগটিও নিতে পারেন।  #WorldUrbanismDay, #WTPD, বা #WorldTownPlanningDay হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার চিন্তা শেয়ার করুন।  আপনি আপনার এলাকার বেশিরভাগ লোকের অজ্ঞতার স্তরে বিস্মিত হবেন।

 

কেন বিশ্ব শহর পরিকল্পনা দিবস উদযাপন করব?

 

বিশ্ব নগরবাদ দিবস পালন করার অনেক কারণ রয়েছে।  এই দিনটি উদযাপনের মাধ্যমে, পরিকল্পনা পেশাদার এবং সাধারণ জনগণ উভয়ের কাছে নগর এবং আঞ্চলিক পরিকল্পনার আদর্শের বিশ্বব্যাপী কভারেজ রয়েছে।  বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস সারা বিশ্বে নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতিও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, WTPD বিশ্বব্যাপী মানব বসতি এবং ব্যবস্থায় যথাযথ পরিকল্পনার অবদানগুলি তুলে ধরে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – কনরাড লরেঞ্জ, অস্ট্রিয়ান প্রাণিবিদ্যাবিত, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্থলজিস্ট ও পক্ষীবিদ।

 

১৯১৩ – আলবেয়ার কামু, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলজেরীয় বংশোদ্ভূদ ফরাসী সাহিত্যিক।

 

১৯২২ – গোলাম আযম, বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা। রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী।

 

১৯২৯ – এরিক ক্যান্ডেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান স্নায়ুবিজ্ঞানী ও সাইকোলজিস্ট।

১৯৩১ – আমিনুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

১৯৪৩ – মাইকেল স্পেন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫৪ – কমল হাসান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৭১- ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

১৯৭৮ – রিও ফার্ডিনান্ড, ব্রিটিশ ফুটবলার।

 

১৯৭৯ – রাইমা সেন, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৮১ – অনুষ্কা শেট্টি,ভারতীয় ছবির নায়িকা, যিনি প্রকৃতরুপে তেলুগু, তামিল ছবিতে কাজ করেন।

 

১৮৫৮ – বিপিন চন্দ্র পাল, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৮৬৭ – মারি ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৭৯ – লিওন ত্রোত্‌স্কি, সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজান্ত্রিক বিপ্লবী।

 

১৮৮৮ – স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী।

১৭২৮ – ক্যাপ্টেন জেমস কুক, ব্রিটিশ নৌ-সেনাপতি ও আবিস্কারক।

৯৯৪ – ইবনে হাজম, প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০২০ – বিশ্বের প্রথম ৬জি উপগ্ৰহ উৎক্ষেপণ করে

১৯১৬ – জ্যানেট র‌্যানকিম মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।

 

১৯১৭ – লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

১৯২৪ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আয়ার্সে উপস্থিত হন।

 

১৯৪১ – পার্ল হারবারে জাপানীদের বোমা আক্রমণ শুরু হয়।

 

১৯৪৪ – ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট সব রেকর্ড ভঙ্গ করে চতুর্থবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

 

১৯৫৬ – জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে সুয়েজ খাল নিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটে।

 

১৯৭৫ – বাংলাদেশের তৎকালীন সেনা প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সিপাহী জনতার মিলিত অভ্যুত্থানে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত হন।

১৯৭৫ – খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সিপাহীদের গুলিতে নিহত হন।

১৯৮৭ – তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রপতি হাবিব বুরগিয়া ক্ষমতাচ্যুত হন এবং আবেদিন বিন আলী নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৮৮ – আর্মেনিয়ায় ভূমিকম্পে লক্ষাধিক লোক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ – কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত পূর্ব জার্মান সরকার ইস্তফা দেন।

১৯৯০ – মেরি রবিনসন আইরিশ প্রজাতন্ত্রের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।

১৯৯৬ – ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে সাইক্লোনে আড়াই হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৮২৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ ঘোষণা করেন।

১৮৯৩ – যুক্তরাষ্ট্রের কলরাডো অঙ্গরাজ্যে নারী ভোটাধিকার দেওয়া হয়।

১৭৮৩ – ইংল্যান্ডে সর্বশেষ প্রকাশ্য ফাঁসি হয়।

১৬৫৯ – ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ঐতিহাসিক পাইরনসিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৬৬৫ – বৃটেনের সরকারী প্রকাশনা দ্যা লন্ডন গেজেট প্রথম প্রকাশিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – হেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা জো ফ্রেজিয়ার।

 

২০১২ – এলেন ডগলাস, আমেরিকান লেখক।

 

২০১৯ – বাঙালি কবি,লেখিকা এবং শিক্ষাবিদ নবনীতা দেবসেন।

 

১৯২৩ – অশ্বিনীকুমার দত্ত, বাঙালি রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

 

১৯৬৮ – গর্ডন কভেন্ট্রি, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৫ – খালেদ মোশাররফ, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।

 

১৯৭৫ – এ.টি.এম. হায়দার, বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

 

১৮৬২ – বাহাদুর শাহ জাফর, মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This