Categories
বিবিধ

গেরুয়া পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন বিজেপি সমর্থকদের।

রায়দিঘি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- Raydighi বিধানসভায় গেরুয়া ধ্বজ উড়িয়ে শান্তির বার্তা দিলেন বিজেপি নেতৃত্বরা। সোমবার বিকেলে বিশাল শোভাযাত্রা সহকারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা কোম্পানিরঠেক বাজার এলাকায় গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলন করেন।

এদিনের কর্মসূচিকে রায়দিঘি বিধানসভার জন্য “ঐতিহাসিক দিন” বলেই বর্ণনা করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। শোভাযাত্রায় অংশ নেন বহু কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। দলীয় পতাকা, স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলনকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, শান্তি, উন্নয়ন ও মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

দলীয় স্লোগান আর ওয়াকি-টকির নির্দেশে মুখরিত বিজেপির বিজয় মিছিল।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নির্বাচনে জয়ের আনন্দে সোমবার Falakata ব্লকের গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব মালসাগাঁও এলাকার ১৩/১৬৪ নম্বর বুথে বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় মিছিলে অংশ নেন অসংখ্য কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। দলীয় পতাকা, স্লোগান এবং উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মিছিলটি পূর্ব মালসাগাঁওয়ের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে।

এদিনের ওই অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ওয়াকি-টকির অভিনব ব্যবহার। গোটা মিছিল ও অনুষ্ঠানকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কর্মীর হাতে দেখা যায় ওয়াকি-টকি। কোথায় মিছিল পৌঁছেছে, কোথায় ভিড় বেশি হচ্ছে কিংবা কোথায় যেতে হবে— সমস্ত নির্দেশ মুহূর্তের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল ওই যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে। আধুনিক প্রযুক্তির এই ব্যবহারকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেন।

বিজয় উৎসবকে আরও আনন্দঘন করে তুলতে উপস্থিত মানুষদের জন্য ঝালমুড়ির পাশাপাশি মাছ ও মাংস-ভাতের বিশেষ আয়োজন করা হয়। এলাকার বহু মানুষ একসঙ্গে এই আনন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিজয়ের উচ্ছ্বাস ভাগ করে নেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মানুষের আশীর্বাদ ও সমর্থনেই এই জয় এসেছে এবং আগামী দিনেও এলাকার উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

গোপন সূত্রের খবরেই সাফল্য, হোটেল থেকে উদ্ধার বিভিন্ন কোম্পানির বিয়ার।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ভুটান সীমান্ত লাগোয়া জয়গাঁ-পাশাখা রোডের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিয়ার উদ্ধার করল পুলিশ। জয়গাঁ থানার পুলিশের দাবি, অভিযানে বিভিন্ন কোম্পানির মোট ২৭০ লিটার বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই হোটেলে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিয়ার। ঘটনায় হোটেল মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া বিয়ার কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও বেআইনি কারবার জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জয়গাঁ থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়লেও উচ্ছেদের আশঙ্কায় চিন্তায় বহু পরিবার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— শপথ গ্রহণের পরেই রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন Suvendu Adhikari। তার মধ্যে অন্যতম ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খোলা অংশে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের লক্ষ্যে বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত। রাজ্য সরকারের এই ঘোষণাকে ঘিরে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। Malda জেলার একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনও বিস্তীর্ণ অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই। বিশেষ করে Habibpur ব্লকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্তের মধ্যে প্রায় ৩২ কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই। এছাড়াও প্রায় ৯ কিলোমিটার নদীপথ সীমান্ত হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। নতুন সরকারের এই ঘোষণায় খুশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাঁটাতার না থাকার সুযোগে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশি পাচারকারী ও বিভিন্ন চোরাকারবারিদের আনাগোনা চলত। গবাদি পশু পাচার থেকে শুরু করে নানা বেআইনি কারবারে এই খোলা সীমান্ত ব্যবহার হত বলেও দাবি এলাকাবাসীর। তাদের আশা, দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হলে সীমান্তে বেআইনি কার্যকলাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে এরই পাশাপাশি নতুন করে উদ্বেগও তৈরি হয়েছে সীমান্ত সংলগ্ন বহু পরিবারের মধ্যে। অনেকের বাড়ি ও জমি সীমান্তের খুব কাছাকাছি হওয়ায় কাঁটাতার নির্মাণের পর তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যার বিষয়টিও সরকারকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবেচনা করতে হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

ডোমজুড়ের সাপুঁইপাড়ায় জমা নোংরা জলে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা, পথ অবরোধে ক্ষোভ প্রকাশ।

ডোমজুড়, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ডোমজুড় বিধানসভার সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৮২ নম্বর বুথে দীর্ঘদিন ধরে নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত জমা জলের সমস্যায় চরম ভোগান্তির শিকার স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার এই গলিটি সকলের কাছে ‘উড়িয়া কচুরির দোকান গলি’ নামেই পরিচিত। প্রতিদিন ছোট থেকে বড় সকলকেই এই নোংরা জল পেরিয়ে স্কুল, অফিস এবং অন্যান্য জরুরি কাজে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির কারণে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বারবার পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। শুধু আশ্বাস দেওয়া হয়েছে—“করে দেবো”, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, এই গলিতে কীভাবে একের পর এক ফ্ল্যাট তৈরির অনুমতি দেওয়া হলো, যেখানে জল নিকাশের কোনো সঠিক ব্যবস্থা নেই। ফ্ল্যাটের বর্জ্য জল জমে পুরো এলাকা আরও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। অবশেষে বাধ্য হয়ে আজ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে কিছু সময়ের জন্য পথ অবরোধ করেন এবং প্রতিবাদে সরব হন। তাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তার সমস্যা সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং পঞ্চায়েত ঘেরাও করা হবে। যদিও শোনা যাচ্ছে, বর্তমানে এই বুথের পঞ্চায়েত সদস্য এলাকায় উপস্থিত নেই।

Share This
Categories
বিবিধ

“পরিষেবা স্বাভাবিক করতে মাঠে বিজেপি বিধায়ক, স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ”।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে পঞ্চায়েত পরিষেবা ঘিরে নতুন বার্তা দিল বিজেপি। ভোটের ফল প্রকাশের পর একাধিক পঞ্চায়েতে তালা ঝোলানো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে সোমবার পূর্বস্থলী দক্ষিণের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার নিজে উপস্থিত থেকে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের নাদনঘাট, সমুদ্রগড় ও নশরতপুর পঞ্চায়েতের তালা খুলে দেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে কয়েকটি পঞ্চায়েতে স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজকর্মে সমস্যার মুখে পড়ছিলেন। এদিন পঞ্চায়েতগুলিতে গিয়ে প্রাণকৃষ্ণ তপাদার প্রশাসনিক পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার বার্তা দেন। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত মানুষের জন্য। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সাধারণ মানুষের পরিষেবা বন্ধ রাখা কোনওভাবেই কাম্য নয়। মানুষের স্বার্থে পঞ্চায়েতের দরজা খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু রাখতে যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে।” এদিন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত চত্বরে কিছু সময়ের জন্য উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের আশা, এর ফলে এলাকার নাগরিক পরিষেবা ফের আগের ছন্দে ফিরবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নবনির্বাচিত বিধায়কের এই পদক্ষেপ পূর্বস্থলী দক্ষিণের রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে। নশরতপুর পঞ্চায়েতের প্রধান কানন বর্মন বলেন, “বিধায়ক আমাকে ফোন করে পঞ্চায়েতে এসে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলেছেন। মানুষের স্বার্থে পরিষেবা চালু রাখার এই উদ্যোগ ভালো লেগেছে।”

Share This
Categories
বিবিধ

“পতাকা নয়, আগে পরিষেবা — কল্যাণপুরে বার্তা বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালের”।

বারুইপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক পঞ্চায়েতে তালাবন্দি পরিস্থিতির অভিযোগ সামনে আসে। সেই আবহেই সোমবার বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী ছবি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা পঞ্চায়েতের তালা খুলে সাধারণ মানুষের জন্য পরিষেবা চালু করার উদ্যোগ নিলেন বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত ভবনের সামনে লাগানো বিজেপির দলীয় পতাকাও সরিয়ে ফেলা হয় তাঁর উপস্থিতিতেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের সময় সরকারি কর্মচারীদের নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করার কারণে বহু পঞ্চায়েতে স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। সেই সময় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রয়োজনের কারণে পঞ্চায়েত ভবনগুলিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরও বেশ কিছু জায়গায় সেই তালা আর খোলা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র, আবাস যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, রেশন, পানীয় জল সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। সোমবার সকালে কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বহু সাধারণ মানুষ। প্রথমে পঞ্চায়েত ভবনের সামনে লাগানো বিজেপির পতাকা খুলে ফেলা হয়। এরপর পঞ্চায়েতের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করা হয় এবং স্বাভাবিক পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, কোনও রাজনৈতিক দখলদারিত্ব নয়, বরং সাধারণ মানুষের স্বার্থে এবং প্রশাসনিক পরিষেবা পুনরায় চালু করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়, এটি সাধারণ মানুষের পরিষেবা দেওয়ার কেন্দ্র। তাই সেখানে রাজনৈতিক রং নয়, মানুষের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “নির্বাচনের সময় প্রশাসনিক প্রয়োজনে পরিষেবা বন্ধ ছিল। কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ যাতে আবার স্বাভাবিক পরিষেবা পান, সেই কারণেই আজ পঞ্চায়েত খোলা হয়েছে। আমরা চাই মানুষ নির্বিঘ্নে সরকারি সুবিধা পাক।” তিনি আরও বলেন, “পঞ্চায়েত মানুষের। এখানে কোনও রাজনৈতিক দখলদারিত্বের প্রশ্ন নেই। তাই পঞ্চায়েতের সামনে লাগানো দলীয় পতাকাও খুলে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তনের পরে মানুষ নতুন আশার আলো দেখছেন। সেই আনন্দ ভাগ করে নিতেই আজ কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষকে মিষ্টিমুখ করানো হয়েছে।” এদিন পঞ্চায়েত চত্বরে উৎসবের আবহও চোখে পড়ে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মিষ্টি বিতরণ করা হয়। দীর্ঘদিন পর পঞ্চায়েত খুলে যাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষও। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, বহু জরুরি কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। পঞ্চায়েত খুলে যাওয়ায় এখন সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। বিরোধীদের একাংশের দাবি, গোটা ঘটনাটির মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য জনপরিষেবা স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় পঞ্চায়েত ঘিরে উত্তেজনা, দলবদল ও দখল রাজনীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। তারই মধ্যে কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির পতাকা সরিয়ে পরিষেবা চালুর এই ঘটনাকে অনেকেই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। এলাকায় যাতে শান্তি বজায় থাকে এবং মানুষ স্বাভাবিক পরিষেবা পান, এখন সেটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদার সাদুল্লাপুর নদীঘাটে স্নান করতে গিয়ে জলে তলিয়ে যাওয়া কিশোরের দেহ উদ্ধারকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এল এলাকায়।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মৃত কিশোরের নাম Arup Das (১৫)। তার বাড়ি মালদা শহরের বুড়াবুড়িতলা উপর বাগান এলাকায়। জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে মালদা টাউন হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অরূপ কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সাইকেলে করে সাদুল্লাপুর নদীঘাটে স্নান করতে যায়। অভিযোগ, ভাগীরথী নদীতে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই সে জলের তলায় তলিয়ে যায়। ঘটনাটি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা নদীতে নেমে তল্লাশি শুরু করেন। পরে পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ না মেলায় সোমবার সকাল থেকে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সিভিল ডিফেন্সের স্পিড বোট ও ডুবুরিদের সাহায্যে দীর্ঘ তল্লাশির পর সকাল ১০টা নাগাদ সাদুল্লাপুর নদীঘাট থেকেই অরূপের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহ উদ্ধার হতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদার গাজোলে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। আহত হয়েছেন আরও চারজন। তাঁদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রবিবার রাতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের জামতলা দোহিল মোহিল এলাকায় একটি দ্রুতগামী বেসরকারি বাসের সঙ্গে একটি স্কোরপিও গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতাগামী বেসরকারি বাসটি বালুরঘাট দিক থেকে আসছিল। অন্যদিকে স্কোরপিও গাড়িটি গাজোল থেকে গঙ্গারামপুরের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, স্কোরপিও গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের সামনে সজোরে ধাক্কা মারে। জানা গিয়েছে, স্কোরপিও গাড়িটি রাজমহল থেকে গঙ্গারামপুরে কন্যাযাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। বাসে প্রায় ৪০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। তবে বাসযাত্রীরা বড়সড় আঘাত না পেলেও স্কোরপিওতে থাকা চালক-সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা Dipankar Barman-কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর বাড়ি রাজমহল এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। বাকি আহতদের মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময় জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় Gazole Police Station-এর পুলিশ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

সরকার পরিবর্তনের পর নতুন রূপে সেজে উঠল রাজ্য সচিবালয় Nabanna। রবিবার সন্ধ্যায় গেরুয়া আলোয় আলোকিত নবান্ন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও সাধারণ মহলে।

হাওড়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- এতদিন সাদা-নীল আলোর সাজে পরিচিত নবান্ন ভবন এবার গেরুয়া আলোকসজ্জায় ধরা দিল। গঙ্গার ধারে অবস্থিত রাজ্য সচিবালয়ের এই নতুন রূপ দূর থেকেও স্পষ্টভাবে নজরে পড়ে। সন্ধ্যা নামতেই পুরো সচিবালয় চত্বর গেরুয়া আলোয় ঝলমল করে ওঠে। Vidyasagar Setu ও আশপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ সেই দৃশ্য উপভোগ করেন। অনেকে আবার মোবাইল ফোনে মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। রাজ্যে Bharatiya Janata Party সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেও এই আলোকসজ্জাকে দেখছেন একাংশের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে নীল-সাদা পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত নবান্নের এই নতুন গেরুয়া রূপ রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা তৈরি করেছে।

Share This