Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।।

তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো সিটং বা সিতং।
সিটং বা সিতং গ্রামটি দার্জিলিং জেলার কার্শিয়ং মহাকুমা এ অবস্থিত একটি লেপচা গ্রাম , এই সিটং এর উচ্চতা হল ৪০০০ ফিট।
কিন্তু এই গ্রামটি বাঙালিদের কাছে কমলেবুর গ্রাম নামে অন্য নামে পরিচিত। সিটংকে দার্জিলিংয়ের কমলার হৃদয়ও বলা হয়, দার্জিলিংয়ের বেশিরভাগ কমলা সিটং গ্রামেই উৎপাদিত হয়।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কমলা গাছের জন্য এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে একটি নতুন ভ্রমণ স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে আপনি এখান থেকে সহজেই কাঞ্চনজঙ্ঘার পরিষ্কার দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।
শান্তিতে প্রকৃতি উপভোগ করতে এবং দুশ্চিন্তামুক্ত সময় কাটানোর জন্য সিটং একটি উপযুক্ত জায়গা।
সিটং পৌছাব কিভাবে —-
এবার দেখা যাক সিটং পৌছাব কিভাবে , সিটং পৌঁছানর জন্য দুটি রাস্তা আছে –
সিটং পৌছতে গেলে আপনারা শিলিগুড়ি থেকে বা NJP Station থেকে গাড়ি ভাড়া করে করে নিতে পারেন সিটং এর উদ্দেশে , এক্ষেত্রে আপনি সিটং পৌঁছানর জন্য কোন শেয়ার গাড়ির অপশন পাবেননা।
সিটং এ কী কী দেখবেন —
সিটং মুলত একটি ছোট পাহাড়ি গ্রাম যার প্রাকিতিক সুন্দরজ অপরুপ, এখানকার সুন্দরজ আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে তুলবে
সিটং এ থাকার সময় আপানারা এর পাশাপাশি কিছু স্থান সহজেয় দেখে নিতে পারেন-
Jogighat – সিটং থেকে প্রায় 20 কিলোমিটার দূরে রিয়াং নদীর তীরে অবস্থিত, এখানে আপনি পুরানো কাঠের সেতু দেখতে পাবেন যা রিয়াং নদীর উপর দুটি গ্রামকে সংযুক্ত করে। পাহাড়ে ঘেরা আর মাঝে বয়ে চলা নদীর দৃশ্য এই জায়গাটিকে দিয়েছে অন্যরকম সৌন্দর্য।
সিটং অরেঞ্জ ভ্যালি- কমলা খেতে কার না ভালো লাগে, কিন্তু আপনি যদি সরাসরি গাছ থেকে কমলা খেতে পারেন, তাহলে আপনার আনন্দই আলাদা। সিটং-এর প্রধান আকর্ষণ এখানকার কমলার বাগান, আপনি নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে এখানকার গাছে কমলা ফল দেখতে পারেন।
Mongpu Tagore’s House– বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকুরের বাড়িটি সিটং থেকে খুব দূরে অবস্থিত, আপনি চাইলে এই জায়গাটিতে যেতে পারেন। সিঙ্কোনা গাছের চারা রোপণ এবং তা থেকে কুইনাইন তৈরির কারখানাও রয়েছে।
আহলদরা ও লাটপাঞ্চার – সিটং থেকে আহালদরা প্রায় 30 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, এই ভিউ পয়েন্ট থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত সহ কাঞ্চনজঙ্ঘার পরিষ্কার দৃশ্য আপনার মনকে ভরিয়ে দেবে। এছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন লটপাঁচার যা বিভিন্ন পাখির রাজ্য। এটি পাখি প্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ যেখানে আপনি অনেক বিরল প্রজাতির পাখি দেখতে পাবেন।
-Namthing Pokhri সেলপু পাহাড়ে অবস্থিত একটি প্রাচীন জলাধার, এটি বর্ষা ছাড়া বছরের 6 মাস শুকনো থাকে। এই নামথিং পুকুরে একটি বিরল প্রজাতির হিমালয়ান সালামান্ডার দেখা যায়। এছাড়াও এখানে আপনি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং প্রজাপতি দেখতে পারেন। এই জায়গাটি আহলদরা থেকে খুব বেশি দূরে নয় এবং পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়।
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮১৩ – স্কটিশ চিকিৎসক খ্রীষ্ট ধর্মপ্রচারক ও মহান মানবতাবাদী অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন।

১৮২১ – ব্রিটিশ সৈনিক, ভূগোলবিদ ও কূটনীতিক রিচার্ড ফ্রান্সিস বার্টন।

১৯০২ – ভূপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৯১৯ – বাঙালি কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর।

১৯৪৩ – মারিও মোলিনা, ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে রসায়নে যৌথভাবে নোবেলজয়ী মেক্সিকান রসায়নবিদ।

১৯৫২ – হার্ভি ওয়াইনস্টিন, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৫৫ – ব্রুস উইলিস, জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা, প্রজোযক ও সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৭৩ – অ্যাশলি জাইলস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭৬ – ইতালিয়ান ফুটবলার আলেসান্দ্রো নেস্টা।
১৯৮৪ – ভারতীয় মডেল ও অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত ।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৯৪৪ – উত্তর-পূর্ব ভারতে আজাদ হিন্দ ফৌজ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।
১৯৪৮ – পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
১৯৭১ – পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জয়দেবপুর তথা গাজীপুরের বীর জনতা৷
১৯৭২ – বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২৫ বছরের শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯১ – বেগম খালেদা জিয়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
২০১৭ – বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের শততম টেস্ট খেলে জয় দিয়ে শততম টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখে।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০৯ – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী চারুচন্দ্র বসু।

১৯৪৭ – আজিজুল হক, বাঙালি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক ছিলেন।
১৯৫০ – এডগার রাইস বারোজ, মার্কিন সাহিত্যিক, টারজান সিরিজের জনক।
১৯৭৩ – হেমেন গাঙ্গুলী ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক।
১৯৮৭ – লুই দ্য ব্রয়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৯৭ – পূর্ণেন্দু পত্রী বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।

২০০১ – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ. বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।
২০০৮ – ব্রিটিশ অভিনেতা পল স্কোফিল্ড।

২০০৮ – ব্রিটিশ সায়েন্সফিকশন লেখক আর্থার সি ক্লার্ক ।
২০১৬ – বাংলাদেশের প্রথম নিউরো সার্জন ডা. রশিদ উদ্দিন ।

২০১৯ – রমেন রায় চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা।
২০২২ – বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ।

২০২২ – বাংলা একাডেমির ফেলো, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক দিলারা হাশেম।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) অর্ডন্যান্স কারখানা দিবস (ভারত)।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৮২৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম র্যান্ডাল ক্রেমার জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৩৭ – গ্রোভার ক্লিভ্‌ল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২তম এবং ২৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৫৮ – ডিজেল ইঞ্জিনের উদ্ভাবক একজন জার্মান উদ্ভাবক রুডলফ ডিজেল জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬৯ – ইংরেজ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইন জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৪ – রাশিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ নিকোলাই বেরডয়াভ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৭ – অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও প্রকৌশলী ক্লিমেন্ট ক্লেম হিল জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০১ – শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ।
১৯০৩ – ইতালীয় সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী গালেয়াযো কিয়ান জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১০ – শিশু সাহিত্যিক বিমল ঘোষ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১২ – বিমল মিত্র, লেখক, ঔপন্যাসিক।
১৯২৬ – হিমানীশ গোস্বামী বিশিষ্ট রস সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও ব্যঙ্গচিত্রী ৷
১৯২৮ – রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রেসিডেন্ট ফিদেল ভালদেজ রামোস জন্মগ্রহণ করেন। ।
১৯৩৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ফ্রেদেরিক উইলেম ডি ক্লার্ক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৮ – ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক শশী কাপুর জন্মগ্রহণ করেন। ।
১৯৩৯ – রন অ্যাটকিনসন,সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়
১৯৪৭ – ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ডেভিড লয়েড জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৯ – ফরাসি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার লুক বেসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ – আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাপার কুইন লাতিফা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮১ – জার্মান ফুটবলার টম স্টারকে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – আর্জেন্টিনার ফুটবলার জন্মগ্রহণ মাউরো যারাটে করেন।
১৯৯৬ – ম্যাডেলিন ক্যারল, একজন বিখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৮৬ – কলকাতায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জেনারেল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্থাপিত হয়।
১৮০০ – শ্রীরামপুর মিশনে বাংলা ভাষায় প্রথম বই ‘সমাচার’ প্রকাশিত হয়।
১৮৭১ – ফ্রান্সে শ্রমজীবী মানুষের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্যারি কমিউন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৪ – চলো দিল্লি ধ্বনি মুখে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারত-বর্মা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মাটিতে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে।
১৯৬৫ – সোভিয়েত নভোচারী আলেক্সি লিওনভ মহাশূন্যে মানুষের পদচারণার প্রথম ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
১৯৯৪ – বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ওয়াশিংটনে বসনিয়া-মুসলিম-ক্রোট ফেডারেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২০২০ – করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রথম রোগীর মৃত্যু ঘটে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৪৫ – রবার্ট ওয়ালপলে, ইংরেজ পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৮৭১ – অগাস্টাস ডি মর্গান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ গণিতবিদ।
১৯০৭ – মারকেলিন বেরথেলট, ফরাসি রসায়নবিদ, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী।

১৯৭৪ – বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি।

১৯৭৯ – আবুল মনসুর আহমেদ, বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।
১৯৮০ – এরিক ফরম্, জার্মান মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।
১৯৯৬ – অডসেয়াস এলয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

২০০৭ – বব উলমার, ভারতীয় সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

২০০৮ – অ্যান্টনি মিনজেলা, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।
২০০৯ – নাতাশা রিচার্ডসন, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০২২ – সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্র গবেষক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৭ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৭ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় শিশু দিবস (বাংলাদেশ)।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১০৭৮ – আব্দুল কাদের জিলানী, ইসলাম ধর্মে অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ত্ব ও ধর্মপ্রচারক।

১৪৭৩ – চতুর্থ জেমস, তিনি ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা।
১৮৩৪ – গোটলিব ডেইমলার, জার্মান মোটর গাড়ির পুরোধা।
১৮৫৬ – মিখাইল ভ্রুবেল, রাশিয়ান চিত্রশিল্পী।
১৮৭৩ – মার্গারেট বন্ডফিল্ড, ইংল্যান্ডের প্রথম মহিলা কেবিনেট মন্ত্রী।
১৮৮১ – ওয়াল্টার রুডলফ হেস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস শারীরবিজ্ঞানী।
১৯১২ – মনোহর আইচ, ভারতীয় বাঙালি বডি বিল্ডার।
১৯২০ – শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রথম রাষ্ট্রপতি।
১৯৩৮ – রুডলফ নুরেয়েভ, তিনি রাশিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার।
১৯৪২ – সঙ্গীতশিল্পী পূরবী দত্ত,ভারতীয় বাঙালি নজরুলগীতি বিশেষজ্ঞা।
১৯৪৫ – এলিস রেজিনা, তিনি ব্রাজিলিয়ান গায়িকা।
১৯৫৫ – গ্যারি অ্যালান সিনিস, তিনি আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক ও খাদ প্লেয়ার।
১৯৬২ – কল্পনা চাওলা, তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।
১৯৭৫ – পুনীত রাজকুমার, ভারতীয় অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক
১৯৭৬ – আলভারো রেকোবা, তিনি সাবেক উরুগুয়ের ফুটবল।
১৯৮২ – স্টিভেন পিএনার, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলার।
১৯৮৩ – রাউল মেইরেলেস, তিনি পর্তুগিজ ফুটবলার।
১৯৮৬ – এডিন জেকো, তিনি বসনীয় ফুটবলার।
১৯৮৯ – শিনজি কাগওয়া, তিনি জাপানি ফুটবলার।
১৯৯০ – সাইনা নেহওয়াল, ভারতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০৯৭ – খৃষ্টানরা বায়তুল মোকাদ্দাস দখলের জন্য ক্রুসেডের যুদ্ধ শুরু করে।
১৭৬৯ – বাংলার তাঁত ও মসলিন শিল্প ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ রাজের নির্দেশে বাংলার তাঁতিদের হাতের বুড়ো আঙ্গুল কাটা শুরু হয় ।
১৯৪৪ – মার্কিন বিমান বাহিনী ভিয়েনায় বোমাবর্ষণ করে।
১৯৪৮ – বৃটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, হল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গের প্রতিনিধিরা বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রুাসেলসে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
১৯৫৫ – ভারতে ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ইন্সটিটিউশন আইএসআই(ISI)মার্ক চালু করে।
১১৯০ – ইংল্যান্ডের ইয়র্কে ৫ শতাধিক ইহুদীকে গণহত্যা করা হয়।
১৯৯২ – দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ অবসানের জন্য শ্বেতাঙ্গ ভোটাররা সংস্কারের পক্ষে গণভোট দেয়।
১৯৯৪ – এল সালভাদরে গৃহযুদ্ধের খবর সংগ্রহ কালে ৪ জন ডাচ সংবাদিক নিহত হয়।
১৯৯৪ – মিশরে ৯ জন ইসলমাপন্থীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
১৯৯৬ – পাকিস্তানের লাহোরে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালে শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে।
২০০০ – উগান্ডায় গীর্জায় অগ্নিকান্ডে ৫৩০ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হয় এবং পরবতীতে আরো ৩৯৪টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
২০০১ – চীনে বোমা বিস্ফোরণে ৪টি হোটেল বিধ্বস্ত হয়; এতে ১০৮ জন নিহত হয়।
২০০৪ – কসোভোতে সার্ব ও আলবেনীয়দের জাতীগত দাঙ্গায় ২২ জন নিহত এবং ৫০০ জন আহত হয়।
২০০৭ – ত্রিনিদাদ এবং টোবাগোর কুইন্স পার্ক ওভালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের গ্রুপ পর্বের খেলায় বাংলাদেশ ভারতকে পরাজিত করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১০৪০ – হ্যারল্ড হারেফোট, তিনি ছিলেন ইংরেজি রাজা।
১৭৮২ – দানিয়েল বার্নুয়ি, তিনি ছিলেন ডাচ সুইস গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৪৬ – ফ্রিডরিশ ভিলহেল্ম বেসেল, জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ।

১৯৩৭ – অস্টিন চেম্বারলেইন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রাজনীতিবিদ।
১৯৫৬ – আইরিন জোলিও-কুরি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ।
১৯৫৭ – রামোন ম্যাগসেসে, তিনি ছিলেন ফিলিপিনো জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।
১৯৮৩ – হ্যাল্ডান কেফার হার্টলাইন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান শারীরবিজ্ঞানী।
১৯৯৩ – হেলেন হায়েজ, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৯৬ – (ক)  অনিল চট্টোপাধ্যায়,প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

(খ)রেনে ক্লিমেন্ট , তিনি ছিলেন ফরাসি পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৭ – জন বাকাস, তিনি ছিলেন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী। তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন সর্বপ্রথম উচ্চ-পর্যায় প্রোগ্রামিং ভাষা ফোরট্রান, বাকাস-নর আকার ও ফাংশান-পর্যায় প্রোগ্রামিং ধারণা উদ্ভাবণ করবার জন্য।

২০১৫ – বব এপলইয়ার্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার।

২০১৯ – কৌতুক চলচ্চিত্র অভিনেতা চিন্ময় রায়।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন মন্দিরের শহর বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর।।।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।।
তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে।

এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো  পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর।
কলকাতার আশেপাশে দেখার মতো অনেক জায়গা আছে যার মধ্যে একটি হল বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর।  ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির মন্দিরের জন্য বিষ্ণুপুরকে বাঁকুড়া জেলার মন্দির শহরও বলা হয়।
সপ্তদশ শতাব্দীর দিকে মল্ল রাজারা এখানে তাদের রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বাংলায় পাথরের স্বল্প সরবরাহের কারণে, পোড়া মাটির ইট বিকল্প হিসাবে এসেছিল এবং বাঙালি স্থপতিরা ‘পোড়ামাটি’ নামে পরিচিত একটি সুন্দর কারুকাজ তৈরি করার একটি নতুন উপায় খুঁজে পান, রাজা জগৎ মল্ল।  এবং তার বংশধরেরা পোড়ামাটির এবং পাথর শিল্পের পথপ্রদর্শক।  গড়েছেন অসংখ্য মন্দির।
অবিশ্বাস্য কারুকার্য দ্বারা নির্মিত এই সমস্ত প্রাচীন মন্দিরগুলি হিন্দু সংস্কৃতির বিভিন্ন ইতিহাস দেখায়, এছাড়াও এই বিষ্ণুপুর এখন বিশ্বমানের পোড়ামাটির শিল্পের জন্য পরিচিত, পোড়ামাটির তৈরি বিভিন্ন আসবাবপত্র (পোড়া মাটি), গয়না, বিভিন্ন মূর্তি এখানে পাওয়া যায়।  বালুচরী শাড়ি।
কলকাতা থেকে এই বিষ্ণুপুরের দূরত্ব প্রায় 140 কিলোমিটার, তাই এখানে আসা এবং বিষ্ণুপুরের প্রাচীন পোড়ামাটির মন্দিরের ভাস্কর্য এবং বিভিন্ন পোড়ামাটির কারুশিল্প উপভোগ করতে এখানে সপ্তাহান্তে কাটানো খুব সহজ।
এই জায়গাটি তাদের জন্যও উপযুক্ত যাদের সময় কম এবং যারা একদিনে কলকাতার আশেপাশে ঘুরতে চান (কলকাতার কাছে ডে ট্রিপ)।
কী কী দেখবেন ….
মৃন্ময়ী মন্দির : রাজা জগৎ মল্ল এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, দেবী দুর্গা এখানে মা মৃন্ময়ী রূপে পূজিত হন । “মহাষ্টমী-সন্ধিপূজা” পবিত্র মুহূর্তে, এখানে একটি কামান দাগানো হয় এবং তারপরে শাকসবজি বলি দেওয়া হয়।
জোড়বাংলা : মন্দিরটি পশ্চিমবঙ্গের পোড়ামাটির শিল্পের একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ এবং একটি অনন্য স্থাপত্য কাঠামোর মালিক। বিশেষ ‘দো চালা’ আকৃতির কারণে মন্দিরটির নামকরণ করা হয়েছে ‘জোড়বাংলা । পোড়ামাটির কাহিনী দিয়ে সজ্জিত প্যানেলগুলি ‘ভীষ্মের সরসজ্জা’, ‘রাম-সীতার বিবাহ’, ‘দুই পুত্রের সাথে মা পার্বতী’, ‘বালগোপালের ক্রিয়াকলাপ’, ‘লক্ষ্মণ ও শূর্পনখার গল্প’ এবং আরও অনেক কিছুর মতো মহাকাব্যিক দৃশ্যগুলি সুন্দরভাবে চিত্রিত করে ।
রসমঞ্চা :  ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাজা হাম্বির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত, ল্যাটেরাইট বেদিতে নির্মিত মন্দিরটি মিশরের পিরামিডের মতো আকৃতির।  এই মন্দিরটি পোড়া মাটির খিলান দিয়ে নির্মিত অনেকগুলো কক্ষ দিয়ে নির্মিত।
মদনমোহন মন্দির: মল্ল রাজা দুর্জন ​​সিংহ দেব ১৬৯৪ সালে ভগবান মদনমোহনের নামে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি এখনও পর্যন্ত একটি সক্রিয় মন্দির।
গড় দরজা: বিষ্ণুপুর দুর্গের দুটি গর্বিত প্রবেশদ্বার রয়েছে।  স্থানীয় লোকজন তাদের ‘গড় দরজা’ বলে ডাকে।  ‘মুর্চা পাহাড়’ এর পাশে পাথরের তৈরি একটি ছোট ঢিবি দেখা যায়।  ছোট গেট পেরিয়ে একটি বিশাল ফটক এসেছে যা ছিল বিষ্ণুপুর রাজ্যের প্রবেশদ্বার।
লালবন্ধ- জলের ইতিহাস: হ্রদটি পানীয় জলের জন্য এবং শহরকে শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছিল।  মল্ল রাজ রঘুনাথ সিং লালবাই নামে একজন পারস্য নৃত্যশিল্পীর প্রতি মোহগ্রস্ত ছিলেন বলে জানা যায়।  তিনি তাকে তার সুরক্ষায় নিয়ে যান এবং পরে লালবাঁধ নামে এই বড় পুকুরটি খনন করেন।
আপনি এখানে এই সমস্ত জায়গায় যেতে পারেন, আপনি এখন পোড়া মাটির বাজার থেকে বিভিন্ন পোড়ামাটির জিনিসপত্র, বাঁকুড়ার বিখ্যাত গামছা, বালুচরী শাড়ি কিনতে পারেন।  এই সব জায়গা দেখার পর আপনি চাইলে বিকেলের ট্রেনে কলকাতায় ফিরে যেতে পারেন বা যেতে পারেন।
শ্যাম রায় : পাঁচটি চূড়া রয়েছে বলে এটি ‘পাঁচ চূড়া’ মন্দির নামে পরিচিত।  অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় প্যানেলে শ্বাসরুদ্ধকর পোড়ামাটির শিল্পের কারণে এটি বিষ্ণুপুরের তারকা আকর্ষণগুলির মধ্যে একটি।  এই মন্দিরের আরেকটি আকর্ষণ হল একটি বিশাল রাসচক্র যা ‘গোপিনীদের মধ্যে রাধা-কৃষ্ণ লীলা’র বিভিন্ন রূপ চিত্রিত করে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

 

১৮৩৯ – সুলি প্রুদোম, ফরাসি সাহিত্যিক।

১৮৮০ – রাজশেখর বসু, বাঙালি সাহিত্যিক, অনুবাদক, রসায়নবিদ ও অভিধান প্রণেতা।

১৮৯২ – সেসার ভাইয়েহো, পেরুর কবি, লেখক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।

১৯৪০ – বেরনার্দো বেরতোলুচ্চি, ইতালীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৫০ – কবীর সুমন, বাঙালি গায়ক।

১৯৫৩ – রিচার্ড স্টলম্যান, মার্কিন প্রোগ্রামার,মুক্ত সোর্সের প্রবক্তা ও গ্নু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫৩ – ইজাবেল উপের, ফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৫৮ – ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বিপিন রাওয়াত।

১৯৭৪ – হিথ স্ট্রিক, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
খ্রিস্টপূর্ব ৫৯৭ – ব্যাবিলনিয়ানরা জেরুসালেম লুণ্ঠন করে এবং রাজা হিসাবে জ্যাকোনায়া কে বাদ দিয়ে জ্যাডেকিয়া কে সিংহাসন দেয়া হয়।
১১৯০ – ইয়র্ক এর ক্লিফোর্ডস টাওয়ারে ইহুদীদের
১৯৩৫ – বেলুড় মঠে রামকৃষ্ণ মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৯৮৯ – মিশরের গিজার মহা পিরামিড এর পাশে ৪,৪০০ বছর পুরানো একটি মমি পাওয়া যায়।
২০০৫ – ইসরাইল আনুষ্ঠানিকভাবে জেরিকো নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনিদের উপর ছেড়ে দেয়।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৩৭ – রেভারেণ্ড বিমলানন্দ নাগ ,প্রখ্যাত বাগ্মী, দেশসেবক।

১৯৭১ – অমলকৃষ্ণ সোম, বাঙালি মঞ্চাভিনেতা।

২০০৭ – মানজারুল ইসলাম রানা, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।
২০১১ – খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

২০১৩ – জামাল নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশি পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ।

২০২১ – মওদুদ আহমেদ, বাংলাদেশের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি, অষ্টম প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

কলকাতা শহরের ৩ টি জনপ্রিয় পার্ক।।।।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।।
তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে।

এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো  পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা।
মনোরম স্পট, গঙ্গার তীরের দৃশ্য, শপিং মল ছাড়াও, কলকাতায় বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি পার্ক রয়েছে যা বন্ধু এবং পরিবারের সাথে একটি মজার এবং উত্তেজনাপূর্ণ দিন কাটানোর জন্য আদর্শ।  কলকাতার এই পার্কগুলির মধ্যে কিছু মজার ক্রিয়াকলাপ যেমন বোটিং, রাইড, দোলনা, বিস্তৃত সবুজ এলাকা সব বয়সের মানুষের জন্য উপযুক্ত।

এলিয়ট পার্ক——-
এলিয়ট পার্ক টাটা স্টিল অফিসের বিপরীতে চৌরঙ্গীর পার্ক স্ট্রিট ক্রসিংয়ের কাছে অবস্থিত।  পার্কটিতে দুটি কৃত্রিম হ্রদ রয়েছে এবং পুরো পার্কটি বিশালাকার গাছ, বাঁশঝাড়ের সারি এবং বসার জায়গা দিয়ে ঘেরা।  পুকুরে মাছও দেখতে পাবেন।  পার্কের মাঠের মধ্যে সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ এবং সু-রক্ষণাবেক্ষণ করা বাগান ছাড়াও বাগানের মধ্যে একটি ছোট প্যাগোডা রয়েছে।  বাইরের খাবারের অনুমতি নেই, আকানে খাবার বিক্রেতারা অতিথিদের জন্য স্ন্যাকস এবং রিফ্রেশমেন্ট প্রস্তুত করেছে। পার্কের পরিবেশ খুবই শান্তিপূর্ণ এবং যে কেউ এখানে নির্জনে কিছু সময় কাটাতে পারে।

মিলেনিয়াম পার্ক—–
মিলেনিয়াম পার্ক হল একটি মনোরম পার্ক যা হুগলি নদীর তীরে বিবিডি বাগের স্ট্র্যান্ড রোডে অবস্থিত।  পার্কটি 2.5 কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থান।  পার্কটিকে মিলেনিয়াম পার্ক বলা হয় কারণ এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি একটি সহস্রাব্দ উদযাপনের জন্য কলকাতার মানুষকে দিয়েছিল।
পার্কটি বিভিন্ন ধরণের সু-রক্ষণাবেক্ষণ করা গাছ, বেঞ্চ, বাগান এবং মনোরম নিয়ন আলো দিয়ে সজ্জিত।
মিলেনিয়াম পার্কের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল হুগলি রিভারফ্রন্ট এবং হাওড়া ব্রিজের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য, বিশেষ করে সন্ধ্যায়।  পার্কে কিডস জোন এবং বোটিং সুবিধা রয়েছে।

ইকো পার্ক—
নিউ টাউনের ইকো-পার্ক শহরের সবচেয়ে বড় খোলা জায়গাগুলির মধ্যে একটি।  বিশাল পার্কটি 42-হেক্টর জলাধার সহ 194 হেক্টর জুড়ে রয়েছে।  একটি স্বাস্থ্যকর ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধার করতে ইকো-পার্ক তৈরি করা হয়েছিল।  পার্কটি সবুজ লন, বন্যপ্রাণী, সপ্তম আশ্চর্যের প্রতিরূপ, থিমযুক্ত আকর্ষণ, বিনোদনমূলক এলাকা এবং সুন্দর হ্রদ দ্বারা বেষ্টিত।  আপনি খেলনা ট্রেন, সান্তা মনিকা রাইড, সাইক্লিং, হাই স্পিড বোটিং, ওয়াটার জার্বিং, রাইফেল শ্যুটিং এবং অন্যান্য অনেক বহিরঙ্গন কার্যকলাপ উপভোগ করতে পারেন।  রবি অরণ্য, ট্রপিক্যাল ট্রি গার্ডেন, হরিণালয়, জাপানিজ গার্ডেন এবং বেঙ্গল ভিলেজ দেখতে আপনি পার্ক বরাবর হেঁটে যেতে পারেন।  সব বয়সের মানুষ এখানে ভালো সময় কাটাতে পারে।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩৩ – যোশেফ প্রিস্টলি, ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৮৪৪ – মনমোহন ঘোষ,কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি ব্যরিস্টার।

১৮৬১ – জলধর সেন, সাহিত্যিক ও সম্পাদক।

১৮৯২ – গোবর গোহ (যতীন্দ্রচরণ গুহ), ভারতীয় কুস্তিগীর ও পালোয়ান।
১৯০০ – গেওর্গে সেফেরিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

১৯১৪ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

১৯১৫ – ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক প্রতিভা বসু।
১৯১৬ – প্রবাসজীবন চৌধুরী, ভারতীয় সৌন্দর্যতত্ত্ব বিশারদ।
১৯৩০ –  বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিনের জন্ম।

১৯৩১ – চণ্ডী লাহিড়ী, ভারতীয় বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রী ও লেখক।
১৯৩৬ – আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক।

১৯৬৬ – ইসরাফিল আলম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৪৫ – এই দিন থেকে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সূচনা।
৬২৪- বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৭৫৮ – হেলির ধূমকেতু গ্রহকক্ষস্থ সূর্যের নিকটতম বিন্দুতে অবস্থান নেয়।
১৭৮১ – স্যার উইলিয়াম হার্শেল ইউরেনাস গ্রহ অবিষ্কার করেন।
১৭৯৯ – মেদিনীপুরে চুয়াড় বিদ্রোহ শুরু গোবর্ধন দিকপতির নেতৃত্বে।
১৮৭৮ – বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রের জন্য ব্রিটিশ রাজ কর্তৃক সংবাদপত্র আইন প্রণীত হয়।
১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার আততায়ীর হাতে নিহত হন।
১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয়।
১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনির মৃত্যু।
১৯২২ – কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯৩০ – সৌরমন্ডলের নবম গ্রহ প্লুটো আবিষ্কৃত হয়।
১৯৫৪ – ইন্দোচীনে দিয়েন বিয়েন ফু’র যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৭১ – শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজের প্রথম মিছিল।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সুইজারল্যান্ড।
১৯৮৭ – ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠা।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৩৯ – সুবাদার সুজাউদ্দিন খান।
১৭৪৮ – সুইজারল্যান্ডের খ্যাতনামা গণিতবিদ ইয়োহান বার্নুয়ি।

১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার।
১৮৯৪ – জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হার্টজ।
১৯০১ – বেঞ্জামিন হ্যারিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।
১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনি।

১৯৩৬ – স্যার কেদারনাথ দাস কলকাতার খ্যাতনামা স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষক ।
১৯৬৭ – ফ্রাঙ্ক ওরেল, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ও জামাইকান সিনেটর।
১৯৬৮ – ইবরাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়, পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৬ – জসীম উদ্‌দীন,  একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক।

১৯৮৫ – বাঙালি কবি দীনেশ দাশ।
১৯৯৬ – ক্রিস্তফ কিয়েশ্‌লফ্‌স্কি, পোল্যান্ডের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা।

২০০৪ – বিলায়েত খাঁ ভারতের বিখ্যাত বাঙালি সেতার বাদক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া বাস্তবতা নিয়ে কিছু বিখ্যাত উক্তি।।।

০১। বাস্তবতা নিছক একটি মায়া, যদিও এটি খুব স্থায়ী ।

-আলবার্ট আইনস্টাইন।
০২। এক জনের কাছে পাগলামি আর অন্য জনের কাছে বাস্তবতা।
-টিম বার্টন।
০৩। পৃথিবীতে কঠিন বাস্তবের মধ্যে একটি বাস্তব হলো- মানুষ যখন সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছায় আর তখনই তার প্রিয় মানুষটি হারিয়ে যায়।
-রেদোয়ান মাসুদ
০৪। মনের অনেক দরজা আছে, সেখান দিয়ে অসংখ্যজন প্রবেশ করে এবং বের হয়ে যায় তাই সবাইকে মনে রাখা সম্ভব হয় না।
-টমাস কেস্পিস।
০৫। পৃথিবীতে কেউ কারো নয়, শুধু সুখে থাকার আশায় কাছে টানার ব্যর্থ প্রত্যয় আর দূরে চলে যাওয়ার এক বাস্তব অভিনয়।
-রেদোয়ান মাসুদ
০৬। জীবনকে যেমন মৃত্যুকেও তেমনি স্বাভবিক বলে মেনে নিতে হবে
-শহীদুল্লাহ্ কায়সার।
০৭। বেঁচে থাকি আশা করি কষ্ট পাই কাঁদি, লড়ি আর সবশেষে ভুলে যাওয়া.. যেন কোনদিন ছিলামই না
-মেরি বাশকিরভ সেভ।
০৮। বাস্তবতা কল্পনার অনেক কিছুই ফেলে দেয়।
-জন লেনন।
০৯।  বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের মধ্যে গড়ে ওঠা পয়েন্ট টু-পয়েন্ট ভালোবাসাও অসহায় হয়ে যায়।
-হুমায়ূন আহমেদ।
১০। তোমাকে ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য আমার নেই, কারণ তোমাকে আমি আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তোমাকে ধরে রাখার কোনো উপায় আমার কাছে জানা নেই, কারণ বাস্তবতার কাছে আমি বড় অসহায়।
-রেদোয়ান মাসুদ।
১১। যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়।
-জন সার্কল।
১২। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়
-হুমায়ূন আহমেদ।
১৩। সুন্দরী মেয়েরা পারিবারিক জীবনে সবচেয়ে বেশি অসুখী হয়, কারণ তাদের ওপর বহু পুরুষের অভিশাপ লেগে থাকে।
– রেদোয়ান মাসুদ
১৪। কিছু লোক আছে যারা স্বপ্নের জগতে বাস করে, কিছু লোক আছে যারা বাস্তবতার মুখোমুখি হয়; তারপরে এমন ব্যক্তিরা আছেন যাঁরা একটিকে অপরটিতে পরিণত করে।
-ডগলাস এভারেট।
১৫। মানুষকে ঠকাতে যাদের বুক কাঁপে, বিবেকে বাঁধে তাদের জীবনে কখনো সুখ হয় না, দুঃখই সারা জীবন তাদের আড়াল করে রাখে।
-রেদোয়ান মাসুদ।
১৬। যেহেতু আমরা বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারি না, আসুন আমরা চোখ পরিবর্তন করি যা বাস্তবতা দেখায়।
-নিকোস কাজান্টজাকিস।
১৭। আমাদের উদ্দেশ্য আমাদের বাস্তবতা তৈরি করে।
-ওয়েইন ডায়ার।
১৮। অনেক কিছু ফিরে আসে, ফিরিয়ে আনা যায়, কিন্তু সময়কে ফিরিয়ে আনা যায় না
-আবুল ফজল।
১৯। বাস্তবতা এমন লোকদের জন্য যারা ড্রাগের মুখামুখি হতে পারে না।
-লরেন্স জে পিটার।
২০। বাস্তবতা অনেক কল্পনা ছুঁড়ে দেয়।
– জন লেনন।
২১। বাস্তবতা হ’ল আমরা সবাই যে কল্পনার সাথে একমত হই।
-অজানা।
২২। জীবন যতক্ষণ আছে বিপদ ততক্ষণ থাকবেই
-ইমারসন।
২৩। সুখে থাকতে সবাই চায় কিন্তু কিছু মানুষের জীবনে সুখে থাকতে চাওয়াটাই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
-রেদোয়ান মাসুদ
২৪। জীবন তৃপ্তি দেয় যতটুকু, অতৃপ্তি দেয় তার চেয়ে বেশি
-ক্রিস্টিনা রসের্ট।
২৫। মৃত্যুর চেয়ে কঠিন হচ্ছে জীবন। কেননা দুঃখ-কষ্ট বিপদ আপদ কেবল জীবনেই ভোগ করতে হয় মৃত্যু তা থেকে মুক্তি দেয়।
-সক্রেটিস।
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।

প্রতি বছর ১২ মার্চ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস পালন করা হয়।  দিনটি গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিবেদিত, চোখের রোগের একটি গ্রুপ যা অপটিক নার্ভকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।  এটি বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ, যা আনুমানিক চার মিলিয়নের মধ্যে তিনজনকে প্রভাবিত করে।
গ্লুকোমা সপ্তাহ প্রতি বছর উদযাপিত হয়, গ্লুকোমা দিবসের মাধ্যমে সপ্তাহের শেষ হয়।  আসুন জেনে নেই বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ উদযাপনের ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং উপায় সম্পর্কে।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫: থিম—-

২০২৫ সালের বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের থিম হল, ‘Uniting for a Glaucoma-Free World’। এই থিমের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধের জন্য প্রাথমিক সনাক্তকরণ, নিয়মিত চোখের যত্ন, এবং সম্প্রদায় শিক্ষার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হবে।

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের উদ্দেশ্য:

(খ) চোখের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

(খ) দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করার জন্য প্রকার, লক্ষণ, এবং উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে জানা।

(গ) গ্লুকোমার প্রতিরোধের জন্য প্রাথমিক সনাক্তকরণ করা।

(ঘ) দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধের জন্য নিয়মিত চোখের যত্ন করা।

(ঙ) সম্প্রদায়ে গ্লুকোমার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫: ইতিহাস—-

গ্লুকোমা হল এমন একটি অবস্থা যা চোখের সামনের স্বচ্ছ স্তর কর্নিয়া এবং কনজাংটিভাকে প্রভাবিত করে।  এটি ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, লাল চোখ এবং ফোলা চোখ সহ বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।  কিছু ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা সম্পূর্ণ অন্ধত্বও হতে পারে।
গ্লুকোমার কোনো একক কারণ না থাকলেও সবচেয়ে সাধারণ হল তরল জমা হওয়া যা অপটিক স্নায়ুর ওপর চাপ বাড়াতে পারে।  এর ফলে অপটিক নার্ভের ফাইবারগুলি মারা যেতে শুরু করতে পারে, যা সম্পূর্ণ, অপরিবর্তনীয় অন্ধত্বের দিকে পরিচালিত করে।  গ্লুকোমার অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বয়স, লিঙ্গ এবং জাতিগততা।
গ্লুকোমার প্রাথমিক সনাক্তকরণ দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করার মূল চাবিকাঠি।  এটি একজন চোখের ডাক্তার দ্বারা নিয়মিত চোখের পরীক্ষার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।  যত আগে গ্লুকোমা শনাক্ত হয়, তত সহজে চিকিৎসা করা যায় এবং স্থায়ী অন্ধত্ব হওয়ার সম্ভাবনা তত কম।
আপনার যদি গ্লুকোমার উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি থাকে, তাহলে আরও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করতে চোখের ডাক্তারের সাথে দেখা করা গুরুত্বপূর্ণ।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা আপনার দৃষ্টি সংরক্ষণ করতে এবং অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ : তাৎপর্য—-

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস এই অবস্থা এবং এর ঝুঁকির কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পালন করা হয়।  গ্লুকোমা শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করাও এর লক্ষ্য।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কয়েকটি কারণ এখানে রয়েছে:
গ্লুকোমা বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ।
এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা অপরিবর্তনীয় দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।
প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
প্রথম দিকে গ্লুকোমা সনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
গ্লুকোমার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের, যেমন 40 বছরের বেশি বয়সী, তাদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা উচিত।

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৫ : উদযাপনের উপায়—-

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস উদযাপন এবং অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার অনেক উপায় রয়েছে।  এখানে কয়েকটি ধারনা:
বিশ্ব গ্লুকোমা দিবসের জন্য আপনার সমর্থন দেখাতে নীল পরিধান করুন।
আপনার সম্প্রদায়ের একটি গ্লুকোমা সচেতনতা ইভেন্টে যোগ দিন।
একটি গ্লুকোমা গবেষণা সংস্থাকে দান করুন।
গ্লুকোমা এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ করা যায় সে সম্পর্কে আরও জানুন।
আপনার গ্লুকোমার ঝুঁকি সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন এবং নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করুন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This