Categories
রিভিউ

আজ ১২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) গ্লুকোমা দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—- .
১৪৭৯ – সম্রাট গিওলিয়ানি, ফ্লোরেন্সের সম্রাট।

১৬৮৫ – জর্জ বার্কলি, আইরিশ বিজ্ঞানী।

১৮৮১ – আধুনিক তুরস্কের স্থপতি কামাল আতাতুর্কের জন্ম।
১৮৮৪ – অতুলচন্দ্র গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী।
১৮৮৯ – মুহাম্মদ ইদ্রিস আল-সেনুসি, লিবিয়ার বাদশাহ।
১৯১১ – আবু জাফর শামসুদ্দীন, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৯২৪ – উৎপলা সেন, প্রখ্যাত বাঙালি গায়িকা ।

১৯২৮ – ফজলে লোহানী, বাংলাদেশের টিভিব্যক্তিত্ব।
১৯৩৫ – রেহমান সোবহান, বাংলাদেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক।

১৯৮৪ – শ্রেয়া ঘোষাল সঙ্গীত শিল্পী।
২০০৩ – নাঈম আহমেদ, বাংলাদেশের শিল্পপতি অর্থনীতিবিদ

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৬৫ – ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ।
১৬০৯ – বারমুডা ইংল্যান্ডের কলোনি হয়।
১৭৮৯ – আমেরিকায় পোস্ট অফিস স্থাপিত হয়।
১৭৯৯ – অস্ট্রিয়া ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮৬৭ – শেষ ফরাসি সৈন্যদল মেক্সিকো ত্যাগ করে ।
১৮৯৪ – যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বোতলজাত কোকাকোলা বিক্রি শুরু হয়।
১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয় ।
১৯০৪ – ইংল্যান্ডে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হয় ।
১৯৩০ – ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে উপনিবেশিক শক্তি বৃটেনের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ বা অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৫৪ – ভারতের রাষ্ট্রভাষাগুলিতে রচিত সাহিত্যের উন্নতি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে ভারত সরকার কর্তৃক সাহিত্য অকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬৮ – দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ মরিশাস ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৯ – সুপারসোনিক যাত্রীবাহী বিমান কনকর্ড প্রথম উড্ডয়ন করে।
১৯৭২ – ঢাকা স্টেডিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী কুচকাওয়াজ।
১৯৮৯ – আজকের দিনে স্যার টিম বার্নার্স লি CERN-এর ল্যাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তথা World Wide Web (www) বৈশ্বিক তথ্য আদানপ্রদানের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমের অবতারণা করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৮৯ – জর্জিয়ার রাজা দ্বিতীয় দিমিত্রি।

১৯২৫ – চীনের নেতা সান ইয়াৎ সেন।

১৯৩৭ – ইংরেজ সাহিত্যিক ক্রিস্টোফার কডওয়েল।

১৯৬০ – পণ্ডিত ও প্রাবন্ধিক ক্ষিতিমোহন সেন।

১৯৭৭ – কেয়া চক্রবর্তী প্রখ্যাত মঞ্চ অভিনেত্রী ।

১৯৮৬ – বিশিষ্ট শিল্পপতি মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী।

১৯৮৮ – কথাশিল্পী সমরেশ বসু (কালকূট)।

২০০৩ – স্পার্টাকাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট।

২০১৩ – ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ও নকশাকার গণেশ পাইন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

১০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৭২ – ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি।

১৭৮৪ – ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেববাহাদুর।

১৮১০ – স্যামুয়েল ফার্গুসন, আইরিশ কবি।
১৮৭৩ – ইয়াকপ ওয়াসায়মান, জার্মান ঔপন্যাসিক।
১৮৮৮ – ব্যারি ফিটজগেরাল্ড, তিনি ছিলেন আইরিশ অভিনেতা।

১৯১১ – ওয়ার্নার অ্যান্ডারসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।
১৯২৩ – ভ্যাল লজ্‌স্‌ডন ফিচ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩২ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী উড়ুপি রামচন্দ্র রাও জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯৩৬ – সেপ ব্লাটার, ফিফার ৮ম প্রেসিডেন্ট (বর্তমান)।

১৯৪২ – সমরেশ মজুমদার ভারতের বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক।
১৯৫০ – মাহফুজ উল্লাহ, বাংলাদেশি লেখক, সাংবাদিক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশবিদ।
১৯৫৬ – রবার্ট লয়েওয়েল্ল্যন, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।
১৯৬৮ – ফেলিচে এরিনা, তিনি অস্ট্রেলিয়ান লেখক।

১৯৭০ – ওমর আব্দুল্লাহ, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৭৮ – নিল আলেকজান্ডার, তিনি স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৪ – অলিভিয়া ওয়াইল্ড, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৮৫ – সম্রাট আকবরের ফরমান জারি : আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী উদ্ভাবিত বাংলা ফসলী সন প্রবর্তিত হয়। এই সনই বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন।
১৬২৪ – ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮০১ – প্রথম ব্রিটিশ লোকগণনা শুরু হয়।
১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তার নব আবিস্কৃত টেলিফোনের মাধ্যমে প্রথম বার্তা প্রেরণ করেন।
১৯০৭ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাপ্তাহিক ‘স্বরাজ’ সম্পাদনা শুরু করেন।
১৯১৯ – মিশর তেকৈ সাঈদ জগলুল পাশাকে বহিষ্কারের ফলে কায়রোতে জাতীয়তাবাদের দাঙ্গা শুরু।
১৯৩৪ – ব্রিটিশ রাজ বাংলার কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪২ – জাপানিরা রেঙ্গুন দখল করে নেয়।
১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্স জাপানে ফায়ার বোমা নিক্ষেপ করে। এতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যার বেশির ভাগই বেসামরিক।
১৯৫৬ – বৈমানিক পিটার টুইস প্রথম মানব যিনি ঘণ্টায় ১০০০ মাইল বেগে বিমান চালনা করেন।
১৯৬৯ – মার্টিন লুথার কিং-এর হত্যাকারী জেমস আর্ল রে-কে যুক্তরাষ্ট্রের মেফিস আদালত ৯৯ বছরের সাজা প্রদান করেন।
১৯৭০ – ভিয়েতনামের মাইলাই গ্রামে বর্বরোচিত গণ-হত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন আরর্নেস্ট মেডিনা এবং অপর চার সৈন্যকে অভিযুক্ত করা হয়।
১৯৭১ – ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারতের কংগ্রেস পার্টি সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় লাভ করে।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে সোয়াজিল্যান্ড।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
১৯৯৩ – মিশরে মৌলবাদ দমন অভিযান। পুলিশের গুলিতে ২০ মুসলমানের প্রাণহানি।
২০০০ – দক্ষিণ আমেরিকার আন্দাজ পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার এক মরুভূমিতে পৃথিবীর বৃহত্তম ডাইনোসোরের কঙ্কাল আবিষ্কার।
২০২০ – জয় বাংলাকে হাইকোর্ট কর্তৃক বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১১ – হেনরী ক্যাভেল ভিলন, বিজ্ঞানী।
১৮৭২ – মাৎসিনি, ইতালীয় জাতীয়তাবাদী নেতা।
১৮৯৭ – ভারতের মহারাষ্ট্রের সমাজ সংস্কারক শিক্ষাব্রতী ও কবি সাবিত্রীবাই ফুলে প্রয়াত হন।
১৯৪০ – মিখাইল বুলগাকভ, রুশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।
১৯৬৬ – ফ্রাঙ্ক ও’কনার, আইরিশ ছোট গল্পকার।
১৯৬৬ – ফ্রিৎস জের্নিকে, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

১৯৭২ – বিদগ্ধ সাহিত্যিক ও ইতিহাসবেত্তা হরিহর শেঠ।

১৯৮০ – সুবোধ ঘোষ, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
১৯৮৩ – আতিকুজ্জামান খান, বাংলাদেশী কূটনীতিক, সাংবাদিক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার।

১৯৮৮ – অ্যান্ডি গিব্ব, তিনি ছিলেন ইংরেজি থেকে অস্ট্রেলিয়ান গায়ক।
১৯৯৮ – লয়েড ব্রিজেস, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

২০০৩ – নীলুফার ইয়াসমীন, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী।

২০১২ – ফ্রাঙ্ক শেরউড রোল্যান্ড, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া মনীষীদের সেরা কিছু বাণী।।।

১) “মানুষের অন্তর্নিহিত পরিপূর্ণ বিকাশই হল শিক্ষা।”  – স্বামী বিবেকানন্দ।
২)  “জীবন ও সময় হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
জীবন শেখায় সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মুল্য দিতে।” – এ.পি.জে আব্দুল কালাম
৩) “আমরা যে মানবজীবন পেয়েছি তা হল আদর্শ মানবজীবন গড়ে তোলার উপকরণ।” – সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন
৪)  “মানুষের কথা-বার্তায় ক্রোধ বা রাগের পরিমান খাবারের লবনের মত। যা পরিমিত হলে রুচিকর, অপরিমিত হলে ক্ষতিকর।” – প্লেটো
৫)  “অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।” – শেক্সপিয়র
৬)  “মূর্খের উপাসনা অপেক্ষা জ্ঞানীর নিদ্রা শ্রেয়।” – আল হাদিস
৭)  “মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৮) ”সুখে থাকাই জীবনের চরম সার্থকতা নয় বরং কাউকে সুখে রাখতে পারাটাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।” – রেদোয়ান মাসুদ।
৯)  “দেশপ্রেমিকের রক্তই স্বাধীনতা বৃক্ষের বীজ স্বরূপ।” – টমাস ক্যাম্পবেল।
১০)  “নদীতে স্রোত আছে তাই নদী বেগবান, জীবনে দ্বন্দ্ব আছে তাই জীবন বৈচিত্র্যময়।” – টমাস মুর।
১১) “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।” – শেখ মুজিবুর রহমান
১২)  “প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৩) “জ্ঞানীকে চেনা যায় নীরবতা থেকে, আর মূর্খকে তার বক্তব্য থেকে।” – পিথাগোরাস।
১৪)  “আমাদের সমস্ত স্বপ্ন সত্যি হতে পারে যদি আমরা তাদের অনুসরণ করার সাহস পাই।” – ওয়াল্ট ডিজনি
১৫) “বিদ্বান সকল গুণের আধার, অজ্ঞ সকল দোষের আকার। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক বেশি কাম্যস” – চাণক্য
১৬) “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না।” – কনরাড হিলটন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

কুম্ভ মেলা সম্পর্কে কিছু তথ্য।

ভূমিকা:-  হিন্দুদের একটি গণ তীর্থযাত্রা, কুম্ভ মেলা বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ। এটি বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার এক দর্শনীয় প্রদর্শন যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তকে আকর্ষণ করে। এই মেলা প্রতি ১২ বছর অন্তর ভারতের চারটি ভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়: এলাহাবাদ (প্রয়াগরাজ), হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জয়িনী।

ইতিহাস এবং তাৎপর্য:- কুম্ভ মেলার উৎপত্তি প্রাচীন হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী (সমুদ্র মন্থন) থেকে। কিংবদন্তি অনুসারে, দেবতা এবং অসুররা সমুদ্র মন্থনে সহযোগিতা করে অমরত্বের অমৃত, অমৃত উৎপন্ন করে। মন্থন প্রক্রিয়া চলাকালীন, চারটি স্থানে যেখানে কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে অমৃতের চারটি ফোঁটা পৃথিবীতে পড়ে।

মেলা হল মন্দের উপর শুভের বিজয় এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের উদযাপন। এটি ভক্তদের জন্য তাদের আত্মাকে পবিত্র করার, আধ্যাত্মিক বিকাশের সন্ধান করার এবং জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভের একটি সুযোগ।

প্রস্তুতি এবং আচার-অনুষ্ঠান:-  কুম্ভমেলার প্রস্তুতি কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। স্থানগুলি বিশাল তাঁবুর শহরে রূপান্তরিত হয়, যেখানে হাজার হাজার অস্থায়ী আশ্রয়স্থল, খাবারের দোকান এবং চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মেলার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য একসাথে কাজ করে।

কুম্ভমেলা একটি 48 দিনের উৎসব, যার প্রথম দিন মকর সংক্রান্তি (শীতকালীন অয়নকাল)। মেলাটি তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: শাহী স্নান (রাজকীয় স্নান), পৌষ পূর্ণিমা স্নান এবং মহা শিবরাত্রি স্নান।

শাহী স্নান হল কুম্ভমেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে লক্ষ লক্ষ ভক্ত পবিত্র নদীতে স্নান করেন। নগ্ন তপস্বীদের একটি দল, নাগা সাধুরা প্রথমে পবিত্র স্নান করেন, তারপরে অন্যান্য সাধু, সাধু এবং ভক্তরা আসেন।

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য:-  কুম্ভমেলা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও একটি উদযাপন। মেলা দেশের সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে, যেখানে সাধু, সাধু, সঙ্গীতজ্ঞ, নৃত্যশিল্পী এবং কারিগর সহ সকল স্তরের অংশগ্রহণকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

কুম্ভমেলা ভক্তদের জন্য তাদের আধ্যাত্মিক শিকড়ের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ভারতের প্রাণবন্ত সংস্কৃতি অনুভব করার একটি সুযোগ। এটি আত্ম-প্রতিফলন, আধ্যাত্মিক বিকাশ এবং সাম্প্রদায়িক উদযাপনের সময়।

চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক:-  কুম্ভমেলা তার চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক ছাড়াই নয়। বিশাল সমাবেশ উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, যার মধ্যে রয়েছে ভিড় ব্যবস্থাপনা, মৌলিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মেলা চলাকালীন পদদলিত, দুর্ঘটনা এবং স্বাস্থ্য সংকটের ঘটনা ঘটেছে। পরিবেশগত প্রভাবের জন্যও এই অনুষ্ঠান সমালোচিত হয়েছে, দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসের বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

উপসংহার:-  কুম্ভমেলা একটি অনন্য এবং আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতার গভীরতা এবং বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে। চ্যালেঞ্জ এবং বিতর্ক সত্ত্বেও, মেলা ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রয়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

বিশ্বের বৃহত্তম মানব সমাবেশ হিসেবে, কুম্ভ মেলা বিশ্বাস, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক উদযাপনের শক্তির প্রমাণ। এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা এতে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করে, শিক্ষিত করে এবং রূপান্তরিত করে, তাদের জীবন ও আত্মার উপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

Share This
Categories
রিভিউ

বিখ্যাত কিছু উক্তি যা আপনাকে সব সময়ে অনুপ্রেরণা দেবে।।।

১ . “যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা কৌশল হল, লড়াই করা ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করতে পারা”
– সান জু (লেখক, দি আর্ট অব ওয়ার)
০২. “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে”
– লাও ঝু (বিখ্যাত চীনা দার্শনিক)
০৩. “সততা হল জ্ঞানী হওয়ার বইয়ের প্রথম অধ্যায়”
– থমাস জেফারসন
০৪. “আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে। এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো, দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো”
– এডিথ ওয়ারটন (বিখ্যাত লেখিকা)
০৫. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”
– ক্লাইভ জেমস
০৬. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”
– নেলসন ম্যান্ডেলা
০৭. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”
– কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন)
০৮. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”
– নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক)
০৯. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”
– ওয়াল্ট ডিজনি
১০. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”
– আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
১১. “চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে”
– ড. এপিজে আব্দুল কালাম
১২. “একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে তোমার কাছে কিছু বললে তাতে কান দিও না। সবকিছু নিজের হাতে যাচাই করো।”
– হেনরি জেমস (বিখ্যাত লেখক)
১৩. “বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে”
– প্লেটো (দার্শনিক)
১৪. “আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়”
– প্লুতার্ক (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৫. “সুখ কখনও সম্পত্তি বা অর্থের ওপর নির্ভর করে না। সুখের বাস আত্মার গহীনে”
– দেমোক্রিতাস (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৬. “যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৭. “ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৮. “সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা”
– সক্রেটিস (গ্রীক দার্শনিক)
১৯. “সৎ কর্ম যত ছোটই হোক, তা কখনও বৃথা যায় না”
– দার্শনিক ঈশপ এর বিখ্যাত উক্তি
২০. “খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো”
– জর্জ ওয়াশিংটন
২১. “যদি খুব ভালো কিছু করতে না পারো, তবে ছোট ছোট কাজ খুব ভালো করে করো”
– নেপোলিয়ন হিল
২২. “সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে”
– থমাস কার্লাইল (স্কটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ)
২৩. “সুযোগ যদি তোমার দরজায় কড়া না নাড়ে, তবে নতুন একটি দরজা বানাও”
– মিল্টন বার্লে (বিখ্যাত অভিনেতা)
২৪. “জীবনে উন্নতি করার গোপন সূত্র হল কাজ শুরু করা”
– মার্ক টোয়েন (ইতিহাসের সফলতম লেখকদের একজন)
২৫. “একসাথে হওয়া মানে শুরু; একসাথে থাকা মানে উন্নতি; দীর্ঘ সময় একসাথে চলা মানে সাফল্য”
– এডওয়ার্ড এভরিট হ্যালি (বিখ্যাত লেখক)
২৬. “যারা নতুন কিছু খোঁজে না, একদিন তাদেরও কেউ খুঁজবে না”
– জে আর আর টলকিন (লেখক, লর্ড অব দ্য রিংস)
২৭. “বললে আমি ভুলে যাব। শেখালে মনে রাখব। সাথে নিলে আমি শিখব”
– বেন্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন
২৮. “সুখী জীবনের জন্য খুব অল্প কিছুর প্রয়োজন। এটা তোমার মধ্যেই আছে, এটা তোমার ভাবনার ধরন।”
– মার্কাস ইলেরিয়াস (প্রাচীন রোমান শাসক ও দার্শনীক)
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
রিভিউ

বিখ্যাত কিছু উক্তি যা আপনাকে সব সময়ে অনুপ্রেরণা দেবে।।।

১ . “যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা কৌশল হল, লড়াই করা ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করতে পারা”
– সান জু (লেখক, দি আর্ট অব ওয়ার)
০২. “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে”
– লাও ঝু (বিখ্যাত চীনা দার্শনিক)
০৩. “সততা হল জ্ঞানী হওয়ার বইয়ের প্রথম অধ্যায়”
– থমাস জেফারসন
০৪. “আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে। এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো, দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো”
– এডিথ ওয়ারটন (বিখ্যাত লেখিকা)
০৫. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”
– ক্লাইভ জেমস
০৬. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”
– নেলসন ম্যান্ডেলা
০৭. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”
– কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন)
০৮. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”
– নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক)
০৯. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”
– ওয়াল্ট ডিজনি
১০. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”
– আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
১১. “চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে”
– ড. এপিজে আব্দুল কালাম
১২. “একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে তোমার কাছে কিছু বললে তাতে কান দিও না। সবকিছু নিজের হাতে যাচাই করো।”
– হেনরি জেমস (বিখ্যাত লেখক)
১৩. “বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে”
– প্লেটো (দার্শনিক)
১৪. “আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়”
– প্লুতার্ক (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৫. “সুখ কখনও সম্পত্তি বা অর্থের ওপর নির্ভর করে না। সুখের বাস আত্মার গহীনে”
– দেমোক্রিতাস (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)
১৬. “যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৭. “ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে”
– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ
১৮. “সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা”
– সক্রেটিস (গ্রীক দার্শনিক)
১৯. “সৎ কর্ম যত ছোটই হোক, তা কখনও বৃথা যায় না”
– দার্শনিক ঈশপ এর বিখ্যাত উক্তি
২০. “খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো”
– জর্জ ওয়াশিংটন
২১. “যদি খুব ভালো কিছু করতে না পারো, তবে ছোট ছোট কাজ খুব ভালো করে করো”
– নেপোলিয়ন হিল
২২. “সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে”
– থমাস কার্লাইল (স্কটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ)
২৩. “সুযোগ যদি তোমার দরজায় কড়া না নাড়ে, তবে নতুন একটি দরজা বানাও”
– মিল্টন বার্লে (বিখ্যাত অভিনেতা)
২৪. “জীবনে উন্নতি করার গোপন সূত্র হল কাজ শুরু করা”
– মার্ক টোয়েন (ইতিহাসের সফলতম লেখকদের একজন)
২৫. “একসাথে হওয়া মানে শুরু; একসাথে থাকা মানে উন্নতি; দীর্ঘ সময় একসাথে চলা মানে সাফল্য”
– এডওয়ার্ড এভরিট হ্যালি (বিখ্যাত লেখক)
২৬. “যারা নতুন কিছু খোঁজে না, একদিন তাদেরও কেউ খুঁজবে না”
– জে আর আর টলকিন (লেখক, লর্ড অব দ্য রিংস)
২৭. “বললে আমি ভুলে যাব। শেখালে মনে রাখব। সাথে নিলে আমি শিখব”
– বেন্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন
২৮. “সুখী জীবনের জন্য খুব অল্প কিছুর প্রয়োজন। এটা তোমার মধ্যেই আছে, এটা তোমার ভাবনার ধরন।”
– মার্কাস ইলেরিয়াস (প্রাচীন রোমান শাসক ও দার্শনীক)
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৬ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) জাতীয় পাট দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১২৫২ – ইতালির সাধু রোজ।

১৪৫৯ – জার্মান ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার জ্যাকব।

১৪৭৫ – মাইকেলেঞ্জেলো, রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।

১৫০৮ – সম্রাট হুমায়ুন, দ্বিতীয় মুঘল সম্ৰাট।

১৭৮৭ – ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার, একজন জার্মান আলোকবিজ্ঞানী।

১৮০৬ – ইংরেজ কবি এলিজাবেথ বেরেট ব্রাউনিংয়।

১৮১২ – কবি-সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
১৮৫১ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী।
১৯২৭ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজের।
১৯২৮ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজ।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫২২ – জার্মানীর ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের দ্বিতীয় বারের মত বড় ধরনের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ।
১৭৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে রাস্টাড শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৭৫ – রঘুনাথ রাও ও ব্রিটিশ রাজের মধ্যে সুরাট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৯৯ – নেপোলিয়ন প্যালেস্টাইনের জাফা দখল করেন
১৮৩৬ – ১৩ দিনের অবরোধের পর মেক্সিকোর সেনাবাহিনীর হাতে টেস্কাসের সান এন্টোনিওর পতন। এ অভিযানে মোট নিহত হয় ১৮৬ জন।
১৮৯৯ – ফলিক্স হফম্যান অ্যাসপিরিন প্যাটেন্ট করেন ।
১৯০২ – ব্রিটিশ সেনারা দায়িত্ব পালনকালে বা অন্য সময়ে চশমা ব্যবহারের অধিকার পায়।
১৯১৫ – শান্তিনিকেতনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর প্রথম সাক্ষাৎ।
১৯৩০ – লন্ডনে প্রথম হিমায়িত খাদ্য বিপণন শুরু হয়।
১৯৪৪ – মার্কিন বাহিনী দিবালোকে বার্লিনে বোমাবর্ষণ শুরু করে।
১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে ।
১৯৫৭ – ঘানা স্বাধীনতা লাভ করে ডক্টর কাওয়াম নকরোমোর নেতৃত্বে।
১৯৬১ – ভারতের প্রথম ইংরেজি ভাষার ব্যবসা সম্পর্কিত সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমস প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে ‘রাস্টার্ড শান্তি চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৭৫ – ইরান ও ইরাকের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিরসন সংক্রান্ত আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৯ – যশোরের টাউন হলে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে টাইম বোমা বিষ্ফোরণ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০০ – জার্মান আবিস্কারক জি. ডায়মলার ৬৪ বছর বয়সে মারা যান ।

১৯০০ – ইংরেজ রসায়নবিদ জন ডালটনের মৃত্যু ।

১৯৬২ – অম্বিকা চক্রবর্তী, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

১৯৭১ – মার্কিন ঔপন্যাসিক পার্ল এস বাকের মৃত্যু।
১৯৭৩ – নোবেলজয়ী প্রথম মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক পার্ল এস. বাক।

২০২১ – অডিও ক্যাসেট টেপ উদ্ভাবক খ্যাত ডাচ প্রকৌশলী লু ওটেনস।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া সন্দীপ মহেশ্বরীর বিখ্যাত কিছু উক্তি।।।

(১) যার যত সচেতনতা বেশি, তার সম্ভাবনাও তত বেশিই বৃহত্তর।
(২) যদি কোনো বোরিং জায়গায় আমাদের মনকে আমরা একাগ্র করতে সক্ষম হই, তাহলে ইন্টারেস্টিং জায়গা তো শুধু একটা খেলার সমান হয়ে যাবে।
(৩) কোনো কাজে যদি তুমি নিজের ১০০% দাও, তাহলে তুমি সাফল্য পাবেই।
(৪) তুমি দুনিয়াকে যেমন নজরে দেখবে, তেমনটাই তুমি হয়ে যাবে।
(৪) ব্যর্থতা এটাই প্রমান করে যে, আপনি চেষ্টা করছেন।
(৫) সর্বদা মনে রেখো, যা হয় তা ভালোর জন্যই হয়।
(৬) অর্থ ততটুকুই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা গাড়িতে পেট্রোল | না কম না বেশি।
(৭) যদি আপনি মহান হতে চান, তাহলে বারবার অনুমতি নেওয়া বন্ধ করুন।

(৮) জীবনে যদি কিছু করতে চাও তাহলে সত্যিটা বলো, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কথা বলোনা।
(৯) তুমি এটাই ভাবছো না যে; তোমার বাড়ির লোক কী ভাববে, তোমার আত্মীয়রা কি ভাববে? ভালোই তো ভেবেই যাও তবে।
(১০) শেখার উপর মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়। উপার্জন সর্বদা ভবিষ্যতে হওয়া সম্ভব কিন্তু শেখা শুধু বর্তমান মুহূর্তেই হয় | তাই শেখার উপরেই মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়।
(১১) ময়দান ছেড়ে চলে যেওনা; প্রতীক্ষাও করোনা, শুধু চলতে থাকো।
(১২) মনে রাখবে, প্রত্যেক বড় কিছুর শুরুটা ছোট দিয়েই হয়।
(১৩) কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি তুমি বার বার হতাশ হয়ে যাও তাহলে সেই কাজের প্রতি তুমি অনুপ্রাণিত হবে কি করে? তুমি যত সেই কাজের সম্বন্ধে জানতে শুরু করবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হতে থাকবে | যতই তুমি সেই কাজের পসিটিভ দিকগুলোকে অনুসন্ধান করতে থাকবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হবে।
(১৪) সর্বদা শিখে যেতে হবে | যে শিখে যাচ্ছে সে জীবিত আছে আর যে শেখা বন্ধ করে দিয়েছে, সে একটা জ্যান্ত মৃতদেহ।
(১৫) মধ্যস্থতা একটা খুবই বিপজ্জনক জায়গা, আমরা এরমধ্যেই আটকে থেকে যাই | এরফলে আমরা উপরতলার মানুষদেরকে দেখে ঈর্ষা করে থাকি আর নিচেরতলার মানুষদেরকে দেখে খুশি হই।
(১৬) তোমায় শক্তিশালী হতে হবে, এইজন্য না যে তুমি কারোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারো বরং এইজন্যই যাতে তোমার উপর কেউ চাপ সৃষ্টি করতে না পারে।
(১৭) সবসময় মনে রাখবে তুমি তোমার সমস্যার থেকে অনেক বেশি বড়।
(১৮) যেইসব মানুষরা তাদের নিজেদের চিন্তাভাবনা বদল করেন না, তারা কোনো কিছুই বদলাতে পারবেন না।
(১৯) সফল ব্যক্তিরা অন্যদের থেকে মোটেই আলাদা নয়, শুধু তাদের চিন্তাভাবনা অন্যদের থেকে আলাদা।
(২০) চিন্তা না করে করা কাজ এবং কাজ না করে শুধু চিন্তা করা, আপনাকে ১০০% অসফলতা দেবে।
(২১) আপনি যদি সেই ব্যক্তির সন্ধানে থাকেন যে আপনার জীবন পরিবর্তন করে দেবে, তাহলে একবার আয়নার সামনে তাকিয়ে দেখুন।
———-‐—-‐————-সন্দীপ মহেশ্বরী।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১১৩৩ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরি।

১৩২৪ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিড জন্মগ্রহণ করেন।
১৩২৬ – হাঙ্গেরির রাজা লুই আই জন্মগ্রহণ করেন।

১৫১২ – ফ্লেমিশ গণিতজ্ঞ, মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও দার্শনিক গেরারডুস মেরকাটর জন্মগ্রহণ করেন।
১৬৯৬ – ইতালীয় চিত্রশিল্পী জিওভান্নি বাতিস্তা টিয়েপলো জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭১ – পোলীয় রুশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক রোসা লুক্সেমবুর্গ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৭ – ব্রাজিলীয় সুরকার আতোর ভিলা-লোবোস।
১৮৯৮ – চীনা রাষ্ট্রনেতা চৌ এন-লাই।
১৯০২ – আজাদ আজাদ হিন্দ ফৌজের রানী ঝাঁসি রেজিমেন্টের সৈনিক নীরা আর্য।
১৯০৪ – কথাসাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৫ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৯০৮ – ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক রেক্স হ্যারিসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১১ – এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।
১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস টোবিন জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ – ইতালীয় অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার জেটি পাওলো পাসোলিনির জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৮ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৩৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল কানেমান জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৭ – নাইজেরিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট ওলুস্যাগুন অবাসাঞ্জ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৯ – দিব্যেন্দু পালিত ভারতীয় বাঙালি লেখক।
১৯৪২ – স্পেনীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফেলিপে গনসালেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ – ইতালীয় শিল্পী, তিনি গীতিকার ও গিটার লুচো বাত্তিস্তি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৮ – হাঙ্গেরীয় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রধানমন্ত্রী গর্ডন বাজনাই জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৪ – মার্কিন অভিনেত্রী এভা মেন্ডেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – রুশ টেনিস খেলোয়াড় আন্না চাকভেতাদজে জন্মগ্রহণ করেন।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৫৫৮ – ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়।
১৬৮৪ – তুরস্কের বিরুদ্ধে রোম পোল্যান্ড ও ভেনিসের লিঞ্জলীগ গঠন।
১৭৭০ – বোস্টনে (যুক্তরাষ্ট্র) জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা গণহত্যা ঘটায়।
১৭৯৩ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়।
১৮২২ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়।
১৮২৪ – ইঙ্গ-বার্মা যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৩৩ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।
১৮৩৬ – মেক্সিকো আলামো আক্রমণ করে।
১৮৯৬ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী ক্রিসপি পদত্যাগ করেন।
১৮৯৭ – মার্কিন নিগ্রো অ্যাকাডেমি গঠিত হয়।
১৯১২ – স্পেনে স্টিমারডুবিতে ৫০০ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।
১৯১৮ – মস্কোকে রাশিয়ার রাজধানী করা হয়।
১৯৩৩ – জার্মানিতে নির্বাচনে এডলফ হিটলার ও তার নাৎসী পার্টির বহু আসনে জয়লাভ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর কিছুদিন পরই এক নায়কতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৬৬ – জাপানের ফুজি পর্বতে ব্রিটিশ এয়ার লাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ যাত্রী নিহত।
১৯৮৪ – ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৮৭ – সিলেটের ওসমানী জাদুঘর উদ্বোধন।
১৯৯৮ – ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ চুক্তিতে উপনীত হয়।
২০০১ – হজ্বের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে ৩৫ হাজীর মৃত্যু।
২০০৭ – ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা সেক্টরে ইলেকট্রনিক টিকেটিং (ই-টিকেটিং) পদ্ধতি চালু।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৩৪ – আন্তোনিও ডা করেগিও, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৬২৫ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস।
১৮১৫ – ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের।
১৮২৭ – ইতালীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা।
১৮২৭ – পিয়ের লাপ্লাস, বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৭৮ – হরিচাঁদ ঠাকুর, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৪ – ম্যাক্স জেকব, ফরাসি কবি ও লেখক।
১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ও হিটলার বধের নায়ক জোসেফ স্টালিন।

১৯৬১ – নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

১৯৬৬ – রুশ মহিলা কবি আন্না আখমা তোভা।
১৯৬৭ – ইরানি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ ও ৬০তম প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৩ – অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত, বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৮২ – জন বেলুশি, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৯৬ – খন্দকার মোশতাক আহমেদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
২০০৮ – জোসেফ ওয়েইযেনবাউম, জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও লেখক।

২০১৩ – হুগো চাভেজ, ভেনেজুয়েলার কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট।
২০১৬ – রে টমলিনসন, মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী।
২০২০ – হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার, পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) টাকা দিবস (বাংলাদেশ)
আজ যাদের জন্মদিন—-
ল
১৮৫৬ – বিদুষী কবি তরু দত্ত।

১৯৩২ – গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা মিরিয়াম মাকেবার।

১৯৬৫ – আনিসুল হক, একজন বাংলাদেশী লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১৫২ – ফ্রেডেরিক বারবারোসা জার্মান রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৮৬ – ভ্লাদিস্লভ দ্বিতীয় পোল্যান্ডের রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৬৬৫ – ইল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৭৮৪ – ফ্রান্সিস গ্লাডুইনের সম্পাদনায় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৭৮৯ – মার্কিন সংবিধান কার্যকর হয়।
১৮২৩ – গ্রীসের সেনারা ত্রিপোলিৎজা শহরে ১২ হাজার মুসলমানকে হত্যা করে।
১৮৩৬ – লর্ড অকল্যান্ড ভারতের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
১৮৪৮ – অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে হাঙ্গেরীর স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।
১৮৫৭ – কলকাতা টাউন হলে ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অব বেঙ্গলের প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়।
১৮৭৯ – নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতায় ‘বেথুন কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ – কমিনটার্ন (কমিউনিস্ট আনত্মর্জাতিক) গঠিত হয়।
১৯২৪ – ভারতের পতাকা সঙ্গীত ‘বিজয়ী বিশ্ব তিরঙ্গা প্যারা,ঝণ্ডা উঁচা রহে হমারা’ – শ্যামলাল গুপ্ত ’পার্ষদ’ রচনা করেন।
১৯৩১ – বন্দি মুক্তি দিবসে গান্ধী-আর উইন চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৩ – ফ্রাঙ্কলিন ডেলানোর রুজাভেল্টের অভিষেক।
১৯৫১ – নয়া দিল্লিতে প্রথম এশিয়ান গেমস শুরু।
১৯৭০ – ভূমধ্যসাগরের বিভিয়েরায় ৫৭ যাত্রীসহ একটি ফরাসি ডুবোজাহাজ নিখোঁজ।
১৯৭১ – রেডিও পাকিস্তান ঢাকার পরিবর্তে ঢাকা বেতার কেন্দ্র নামকরণ করা হয়।
১৯৭২ – স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও একশত টাকার নোট চালু করা হয় ।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে শ্রীলঙ্কা।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কাতার।
১৯৭৭ – রুমানিয়ায় ভূমিকম্পে সহস্রাধিক লোক নিহত। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ।
১৯৮৮ – বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
১৯৯০ – দক্ষিণ আফ্রিকার সিসকেইয়ের সরকার উৎখাত।
১৯৯১ – ইরাকে কুর্দি বিদ্রোহ শুরু।
১৯৯৮ – পাকিস্তান আকস্মিক বন্যায় ৩ শত লোক নিহত। দেড় হাজার নিখোঁজ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৯৩ – সালাউদ্দিন, কুর্দি সুলতান।

১৫৫২ – অঙ্গদে, দ্বিতীয় শিখ গুরু।

১৮৫২ – নিকোলাই গোগোল, রুশ লেখক।

১৯২৫ – জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ ও নাট্যকার।

১৯৩৯ – লালা হর দয়াল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় বিপ্লবী।

১৯৪১ – শের উড অ্যান্ডারসন, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯৬৩ – উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়াম, মার্কিন চিকিৎসক ও কবি।

১৯৬৭ – মোহাম্মাদ মোসাদ্দেক, ইরানীয় রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭৬ – ঔপন্যাসিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় পরলোকগমন করেন।
১৯৭৮ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সম্পাদক।

১৯৮৩ – ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা।
১৯৯০ – আলী শাফায়ী, ইরানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
২০১১ – সাইমন ভ্যান ডের মার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওলন্দাজ চিকিৎসক।

২০১২ – জন টেলর, মার্কিন অভিনেতা ও লেখক।
২০১৬ – নির্মল দাশ, বাঙালি অধ্যাপক ও ভাষাবিদ।
২০২১ – হোসেন তৌফিক ইমাম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

২০২২ – সর্বকালের সেরা বোলার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This