Categories
রিভিউ

আজ ২৫ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  খ্রিস্টান ভোজন দিবস:

আনাস্তাসিয়া অব সারমিয়াম (ক্যাথলিক গির্জা)

২৫শে ডিসেম্বর (প্রাচ্য অর্থোডক্স ধর্মীয় উদ্‌যাপন)

(খ) বড়দিন, যিশুর জন্মদিবসের স্মরণে উদযাপিত  খ্রিস্টানদের ছুটির দিন। (আন্তর্জাতিক)

(গ) গুড গভরন্যান্স দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬৪২ – ইংরেজ পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ স্যার আইজ্যাক নিউটন।

১৭২১ – ইংরেজ কবি উইলিয়াম কলিন্সের।

১৮৬১ – পণ্ডিত মদনমোহন মালব্য, ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা আন্দোলনের এক বিশিষ্ট নেতা ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের চার বারের সভাপতি।

 

১৮৭৬ – মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান মুসলিম নেতা।

১৮৮৯ – চৌধুরী খালিকুজ্জামান, পূর্ব বাংলার গভর্নর।

১৮৯১ – ক্ল্যারি গ্রিমেট, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯১১ – ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়,প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও কলকাতার পাভলভ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯১৮ – মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত।

১৯১৯ – (ক)  বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত লেখক এবং বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আবু রুশদ।

(খ) ভারতের সংগীত পরিচালক নওশাদ আলী।

 

(গ) করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালীতে “সর্বজয়া” ভূমিকায় অবতীর্ণ প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী।

১৯২৩ – মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথিতযশা স্থপতি।

 

১৯২৪ – অটল বিহারী বাজপেয়ী ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯২৭ – রাম নারায়ণ, ভারতীয় সঙ্গীতজ্ঞ।

 

১৯৩৪ – সত্য সাহা, বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৪৮ – হুমায়ুন কবির, বিশ শতকের বাংলা ভাষার কবি।

১৯৬৮ – সঞ্জীব চৌধুরী, বাংলাদেশী সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক।

 

১৯৮০ – আনিফ রুবেদ, বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০০০ – ইস্তফান হাঙ্গেরির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১০৬৬ – উইলিয়াম ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৬৯১ – রাঁচির জগন্নাথ মন্দির নির্মিত হয়।

১৭৫৮ – হ্যালির ধূমকেতু প্রথম দেখা যায়।

১৭৭১ – দ্বিতীয় শাহ আলম মোগল সম্রাট হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে বসেন।

১৮৪৮ – নিউ হ্যাভেন রেলপথ চালু হয়।

১৯২৫ – কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় লাঙল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯২৬ – সম্রাট হিরোহিতো জাপানের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৯২৭ – ভিয়েতনাম ন্যাশনালিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯৪৫ – ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র দৈনিক ‘স্বাধীনতা’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৬৪ – ঢাকা থেকে প্রথম টেলিভিশন অনুষ্ঠান সম্প্রচার।

১৯৬৮ – ভারতের তামিলনাড়ুর বেনমনি গ্রামে ৪৪ জন ক্ষেতমজুরকে পুড়িয়ে মারা হয়।

১৯৭৪ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দান করেন ।

১৯৮৯ – রোমানিয়ার ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি নিকোলাই চসেস্কু সস্ত্রীক নিহত হন।

১৯৯১ – মিখাইল গর্বাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৯১ – মস্কোর ক্রেমলিন শীর্ষে ৭৪ বছর ধরে উড্ডীয়মান কাস্তে-হাতুড়ি চিহ্নিত লাল পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়। তার স’লাভিষিক্ত হয় তিন রঙা রুশ পতাকা।

১৯৯৮ – রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরিস ইয়েলটসিন বিয়েলো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট লুকাশেনকোর সঙ্গে দুপক্ষের ইউনিয়নভুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা স্বাক্ষর করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৪৮ – কুসুমকুমারী দাশ, খ্যাতনামা বাঙালি মহিলা কবি।

 

১৯৬১ – ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, সমাজতান্ত্রিক এবং গবেষক।

 

১৯৭৭ – চার্লি চ্যাপলিন, ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮০ – চীনের বিখ্যাত ঐতিহাসিক কু চিয়েকাং পেইচিংয।

 

১৯৮৮ – চিত্রশিল্পী কাজী হাসান হাবিবের মৃত্যুবার্ষিকী

 

২০১৪ – জিওফ পুলার, ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

২০১৬ – জর্জ মাইকেল, ব্রিটিশ গায়ক।

 

২০১৮ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ জাতীয় উপভোক্তা অধিকার দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৩ : ভোক্তা হিসেবে অধিকারগুলি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  যদিও বাজার কিছু নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের উপর চালানো উচিত, কখনও কখনও লোকেরা আমাদের শোষণ করতে পারে যদি আমরা আমাদের অধিকারগুলি যথেষ্ট ভালভাবে না জানি।  অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা আমাদের গ্রাহক হিসাবে আমাদের সুবিধাগুলি সর্বাধিক করতে এবং বাজারে পণ্য ও পরিষেবাগুলির একটি নৈতিক প্রবাহ সক্ষম করতে সহায়তা করে।  সরকার ভোক্তা অধিকার এবং সেই অধিকারগুলির সুরক্ষার উপর জোর দেয় এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার এবং তাদের সচেতন করার চেষ্টা করে।  ভোক্তাদের জন্য এই অধিকারগুলি সম্পর্কে শিক্ষিত হওয়া এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনে সেগুলি অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ণ৷

 

প্রতি বছর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস ২৪ ডিসেম্বর পালিত হয়। এই বছর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস একটি রবিবার পড়ে।

 

ইতিহাস—

 

১৯৮৬ সালে, ভোক্তা সুরক্ষা আইন পাশ হয় এবং ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রাপ্ত হয়। সেই থেকে, এই দিনটিকে স্মরণ করার জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়।  ভোক্তা সুরক্ষা আইন ভোক্তাদের ত্রুটিপূর্ণ পণ্য, অবহেলামূলক পরিষেবা এবং অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন থেকে রক্ষা করার জন্য কাজ করে।  ভোক্তা সুরক্ষা আইনের ছয়টি মৌলিক অধিকার হল নিরাপত্তার অধিকার, বেছে নেওয়ার অধিকার, জানানোর অধিকার, শোনার অধিকার, প্রতিকার চাওয়ার অধিকার এবং ভোক্তা শিক্ষার অধিকার।

 

তাৎপর্য—

 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস প্রায়শই বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসের সাথে বিভ্রান্ত হয় যা প্রতি বছর ১৫ মার্চ উদযাপিত হয়। যদিও লক্ষ্য একই থাকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস জাতীয় পর্যায়ে পালিত হয় এবং বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।  .  জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবসের লক্ষ্য হল ভোক্তাদের তাদের অধিকার সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে সাহায্য করা, যাতে তারা শোষিত না হয় তা নিশ্চিত করা।  এটি তাদের অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও শিক্ষিত করে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় উপভোক্তা অধিকার দিবস (ভারত)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮২২ – ইংরেজ কবি ও সমালোচক ম্যাথু আর্নল্ড।

 

১৮৮১ – নোবেলজয়ী স্প্যানিশ কবি হুয়ান রামন হিমানাস।

 

১৮৮২ – বিজ্ঞানী আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন।

 

১৮৮৬ – মাইকেল কার্টিজ, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৮৯০ – ডা. রফিউদ্দিন আহমেদ, ভারতে প্রথম ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৯১ – প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ,ভারতীয় রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা সংগ্রাম,পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।

১৯০১ – বিখ্যাত সোভিয়েত লেখক আলেকজান্ডার ফাদেয়েভ।

 

১৯২৪ – মোহাম্মদ রফি, ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯২৬ – মোহাম্মদ সুলতান, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৩১ – কাজী অনিরুদ্ধ, খ্যাতনামা বাঙালি গিটারবাদক।

১৯৩২ – কলিন কাউড্রে, ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে জন্মগ্রহণকারী ইংরেজ ক্রিকেট খেলোয়াড় ও অধিনায়ক।

১৯৫২ – আলাউদ্দিন আলী, আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশি গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৫৬ – ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক অনিল কাপুর।

 

১৯৭১ – রিকি মার্টিন, পুয়ের্তো রিকান গায়ক।

১৯৯৯ – ইমরুল হোসেন আফনান

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০০ – লেনিনের ‘ইসক্রা’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯৫০ – লিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫১ – ইতালির কাছ থেকে লিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। ইদ্রিস লিবিয়ার বাদশাহ ঘোষিত হন।

১৯৫৩ – দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম প্রকাশ।

১৯৭৩ – রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর পদত্যাগ।

১৯৭৯ – প্রথম ইউরোপীয় রকেট ‘আরিয়ান’ উৎক্ষেপণ।

১৯৮৬ – সিলেটের হরিপুরে তেলক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।

১৮০১ – ব্রিটেনে স্বয়ংচালিত যানে প্রথম পরীক্ষামূলক মহড়া হয়।

১৮১৪ – ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে বিরাজমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

১৮৯৪ – কলকাতায় প্রথম মেডিক্যাল সম্মেলন হয়।

১২৫৮ – হালাকু খান কর্তৃক আব্বাসীয় খলিফা মোস্তালিমকে হত্যা,আব্বাসীয় রাজত্বের অবসান।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৮ – রবীন্দ্র সংগীতে অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী (২০১০) দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী।

 

১৯৪৩ – অজয় ভট্টাচার্য একজন বিখ্যাত বাঙালি গীতিকার।

 

১৯৭৩ – পেরিয়র ই. ভি. রামস্বামী, ভারতের তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৮৫ – ফেরহাত আব্বাস, আলজেরীয় রাজনৈতিক নেতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৯৯ – হুয়াঁউ বাতিস্তা দি ওলিভেইরা ফিগেইরেদু ব্রাজিলের একজন চার-তারকাবিশিষ্ট সামরিক জেনারেল ও সাবেক রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৬৫ – ব্রিটিশ লেখক ও চিত্রশিল্পী চার্লস লক।

 

১৫২৪ – পর্তুগীজ নাবিক ও পর্যটক ভাস্কো-দা-গামা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জাতীয় কিষাণ দিবস এবং তার গুরুত্ব।

কৃষকদের সম্মান জানাতে এবং তাঁদের কাজ সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য মূলত আজকের এই দিনটি পালন করা হয়। আজ দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিং এর জন্মদিন। তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দেশের কৃষকদের জন্য একাধিক কাজ করেছেন।

 

চৌধুরী চরণ সিংহের মতে কৃষিকাজ চিরস্থায়ী করতে হলে কৃষিজমির মালিকানা কৃষকদের হওয়া প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যে তিনি এমন একটি স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরী করতে চেয়েছিলেন যেখানে কৃষিজমির মালিকানা কৃষকদেরই থাকে। স্বাধীনতার পরেই অধিকাংশ ভারতীয় নাগরিকের জীবিকা ছিল কৃষিকাজ কেন্দ্রিক।  কৃষক সুবিধার জন্য একাধিক পদক্ষেপও গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর আমলে কৃষকদের দিকটাও একই ভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। কৃষকদের জন্য বানিয়েছিলেন একাধিক প্রকল্প। তার আগে ১৯৫২ সালে কৃষি মন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কৃষিক্ষেত্রে জমিদারি প্রথা বিলোপ করেন। সেই সময় ১৯৫২ সালে ‘জমিদারি প্রথার বিলুপ্তীকরণ বিল’ (Abolition of Zamindari Bill 1952) প্রণয়নে তাঁর কঠোর পরিশ্রমের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ১৯৫৩ সালে এই সংক্রান্ত একটি আইনও পাশ হয়। এরফলে কৃষক দিবস হিসেবে তাৎপর্য আরও বেড়ে যায়। তাঁর আমলেই ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক অফ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (National Bank of Agriculture and Rural Development– NABARD) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ভারতের নানা সামাজিক সমস্যা বিষয়ক বই লিখেছিলেন চৌধুরী চরণ সিংহ। কৃষিজমি, জমিদারি প্রথা, দারিদ্র্য, কৃষিজমির স্বত্বাধিকার প্রভৃতি বিষয়গুলি বারবার তাঁর লেখায় উঠে এসেছে।

 

 

২০০১ সাল থেকে আজকের দিনটিকে অর্থাৎ চৌধুরি চরণ সিংয়ের জন্মদিনটিকে কৃষক দিবস বা কিষাণ দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময় থেকে আজকের দিনটিকে কৃষক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে দেশে। প্রত্যেকটা দিনই কৃষকরা কাজ করেন। মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার তাগিদে দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে থাকেন কৃষকরা। রীতিমতো মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলান। এক্ষেত্রে সবজি বা ফসল তাঁদের কাছে নিজের সন্তানের মতো। এবিষয়ে আরও বলা হয়েছে,ইন্ডিয়ান ডিশ থেকে ওয়েস্টার্ন বা কনটিনেন্টাল, আমরা যা-ই খেয়ে থাকি না কেন, তার মূল ভিত হল আমাদের কৃষকরা। এ জন্যই আমরা ভালো–মন্দ খেতে পারি।

 

 

আমাদের অন্নের জোগাড় করার লক্ষ্যেই অনেক সময় তাঁদের দু’‌মুঠো ভাতও খাওয়া হয় না। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটে কারো কারো। তবুও তাঁরা নিরন্তর পরিশ্রম করেন। সামান্য অর্থের বিনিময়ে যাঁরা আমাদের এত বড়, সব চেয়ে মূল্যবান পরিষেবা দিয়ে থাকেন, তাঁদের অনেক সময়েই অবহেলায় থাকতে হয়। কৃষক বা চাষির ঘরের ছেলে-মেয়েরা আর পাঁচটা আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল পরিবারের মতো বড় হয় না। কোনো রকমে দিন গুজরান করে চলে যায়। কিন্তু তাদের জন্যই আমর পেট ভোরে খেতে পাই। আমাদের ক্ষুধা নিবৃত্তি হয়।

 

 

কৃষকরা দেশের মেরুদণ্ড,একথা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। তাঁরা না ফসল ফলালে দেশ এই পর্যায়ে এসে পৌঁছাতো না। স্বল্প অর্থের বিনিময়ে তাঁরা পরিষেবা দিয়ে থাকেন। অনেক সময়েই তাঁদের অবহেলার মধ্যে থাকতে হয়।কৃষিকে ভারতের প্রাথমিক পেশা, আমাদের দেশ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তবে এখনও এটি সবচেয়ে অবমূল্যায়ন পেশা হিসাবে বিবেচিত হয়। যে কোনও দেশের জন্য, কৃষি কেবলমাত্র বাক্যে নয়, বাস্তবেও তার মেরুদণ্ড।যে কৃষকরা আমাদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে জীবনধারণে সহায়তা করে থাকেন, এই দিনটিতে সমগ্র জাতি তাদের প্রতি প্রাণ দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।  সেই কৃষকদের আজ ধন্যবাদজ্ঞাপন করার দিন। এইধরনের অনুষ্ঠানগুলি আয়োজনের মাধ্যমে সময় ও বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে কৃষিজমি ও কৃষিজাত পণ্যের গুণগত মান ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা উপায়গুলি কৃষকদের জানানো হয়। পাশাপাশি তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ও সুবিধাগুলি সম্পর্কে তাঁদের সচেতন করে তোলার প্রয়াস করা হয়। অপরদিকে কৃষকদের অবদান এবং অবস্থান বিষয়ে দেশের সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলা এই অনুষ্ঠানগুলি উদযাপনের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতে সমগ্র দেশের কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই এই দিনটি উদযাপন সার্থক হয়ে উঠতে পারে।  এই কারণেই প্রতিবছর ২৩ শে ডিসেম্বর সারাদেশে কৃষক দিবস অত্যন্ত উদ্দীপনার সাথে পালন করা হয়।  দিনটি গোটা দেশে পালিত হয়ে থাকে জাতীয় কৃষক দিবস হিসাবে।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৩ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় কিষাণ দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – রুন রুন শাও, চীনা বংশোদ্ভূত হংকং ব্যবসায়ী, মানবপ্রেমিক ও শাও ব্রাদার্স স্টুডিও এর প্রতিষ্ঠিাতা।

১৯১২ – অ্যালান টুরিং, ইংরেজ গণিতবিদ, যুক্তিবিদ ও ক্রিপ্টোবিশেষজ্ঞ।

১৯১৬ – লেন হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯২০ – সাহেবজাদা ইয়াকুব খান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

১৯২২ – ম্যানুয়েল ফ্রাগা ইরিবারনে, স্প্যানিশ রাজনীতিবিদ।

 

১৯২৫ – সাবেক প্রধানন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান।

১৯২৫ – পিয়ের‌ বেরেগোভোয়া, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩০ – আলতাফ মাহমুদ, বাংলাদেশী সুরকার, সাংস্কৃতিক কর্মী ও স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৩৩ – সম্রাট আকিহিতো, জাপানের সম্রাট।

১৯৩৫ – ভ্লাদিস্লাভ ভোল্কভ, রাশিয়ান প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।

১৯৩৭ – মারটি্ আহটিসারি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ রাজনীতিবিদ ও ফিনল্যান্ড এর ১০তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৪০ – মাইক শ্রিম্পটন, নিউজিল্যান্ডীয় সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৪১ – ফ্রাঙ্কো নিরো, ইতালিয়ান অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯৪৩ – এলিজাবেথ হার্টম্যান, মার্কিন মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৫২ – মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশী লেখক, পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৫৫ – লুডোভিকো ইনাউডি, ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৫৭ – ডেভিড লড হটন, জিম্বাবুয়ে সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৬৪ – জস্ ওহেডন, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৬ – ভিনসেন্ট ক্যাসেল, ফরাসি অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯৭৬ – প্যাট্রিক ভিয়েরা, ফরাসি ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮০ – ফ্রান্সেসকা সচিয়ানোনে, ইতালীয় টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮০ – জেসিকা টেলর, ইংরেজ মডেল ও গায়িকা।

১৯৮৪ – ডুফি, তিনি ওয়েলশ গায়িকা, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৯৯১ – আহমেদ শেহজাদ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৮০৪ – ফ্রাংক্লিন পিয়ের্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি।

১৮২৪ – কার্ল রেইনেকে, জার্মান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৮৩৭ – ইয়োহানেস ডিডেরিক ফান ডার ভাল্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও তাপগতিবিদ্যা বিশারদ।

 

১৮৪৫ – ভারতীয় রাজনীতিবিদ,আইনজীবী, সমাজকর্মী এবং লোকহিতৈষী রাসবিহারী ঘোষ।

 

১৮৬০ – ইয়ালমার ব্রান্তিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৮৯ – আনা আখমাতোভা, ইউক্রেনীয় রাশিয়ান কবি ও লেখক।

 

১৮৯৪ – অষ্টম এডওয়ার্ড, যুক্তরাজ্য রাজা।

১৭৬০ – ফ্রাঞ্চইস-নয়েল বাবেউফ, ফরাসি সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

 

১৭৬৩ – জোসেফিন, ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপোর্টের স্ত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মেক্সিকো থেকে সরে আসে।

১৯১৬ – প্রথম কার্ল অস্ট্রিয়ার সিংহাসন আরোহণ করেন।

১৯১৮ – বিশ্বভারতীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৯১৯ – দিল্লীতে প্রথম নিখিল ভারত খিলাফত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২১ – বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ( আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন) স্থাপিত হয়।

১৯২২ – রাজদ্রোহের অভিযোগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেফতার হন এবং সরকার কর্তৃক তার বই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯২৬ – নাট্যকার শিশিরকুমার ভাদুড়ী নাট্যমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৩৪ – সাত সপ্তাহ সীমান্ত যুদ্ধের পর সৌদি আরব ও পরাজিত ইয়েমেনের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৬ – লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯৩৯ – ফ্রান্স, সিরিয়ার ইসকেনদেরুন বন্দরকে তুরস্কের নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দেওয়া হয়।

১৯৪১ – সোভিয়েত লাল ফৌজ জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে।

১৯৪৯ – হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল থেকে ১২ নারী গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেন।

১৯৪৯ – মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫০ – সুইস পার্লামেন্ট নারীর ভোটাধিকার প্রয়োগের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।

১৯৬৪ – ব্রিটেনে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক বেতার কেন্দ্র চালু হয়।

১৯৭৮ – অতীশ দীপঙ্করের দেহভস্ম চীন থেকে ঢাকায় আনা হয়।

১৯৮৫ – টরেন্টো থেকে বোম্বে যাবার পথে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৪৭ আটলান্টিক সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এ সময় ৩২৯ যাত্রীর সবাই নিহত হয়।

১৯৮৯ – ১৪ বছর গৃহযুদ্ধের পর আঙ্গোলায় যুদ্ধ বিরতি হয়।

১৯৯৪ – ২০ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা পুনরায় জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯৫ – বসনিয়া শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৬ – শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

১৯৯৮ – পৃথিবীর ১১তম ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যমুনা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

১৮৬০ – উমেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘মনোহর’ প্রকাশিত হয়।

১৮৭৩ – ফরাসী সেনারা ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় দখল করে নেয়।

১৮৯০ – নেদারল্যান্ড থেকে লুক্সেমবার্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৭২৪ – রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৪৪ – ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কার্টারেট পদত্যাগ করেন।

১৭৮৩ – অ্যানাপোলিস মেরিল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হয়।

১৫৩৬ – জেনেভায় ফ্রান্সের প্রোটেস্টেন্ট ধর্মতত্ত্ব বিশারদ জন কেলভিন সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন।

০৯৩০ – পৃথিবীর প্রাচীনতম সংসদ আইনল্যান্ড সংসদ যাত্রা শুরু করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – পি ভি নরসিমা রাও, ভারতের নবম প্রধানমন্ত্রী।

২০০৬ – ফিলিপ নইরেট, ফরাসি অভিনেতা।

২০১০ – ইংরিড পিট, পোলিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ অভিনেত্রী ও লেখক।

২০১১ – আব্দুর রাজ্জাক (রাজনীতিবিদ), বাংলাদেশের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী।

২০১৩ – একে-৪৭-এর উদ্ভাবক মিখাইল কালাশনিকভ।

২০১৩ – রিচার্ড মাথেসন, আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

 

২০১৪ – ডরোথি চেনি, আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৫৯ – বরিস ভিয়ান, ফরাসি লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৯৭০ – তুন ইউসুফ বিন ইসহাক, সিঙ্গাপুরের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৭৬ – ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক আন্দ্রে মালরো।

১৯৯০ – রুয়াল দাল, ওয়েল্সীয় সাহিত্যিক।

১৯৯৫ – লুই মালে, ফরাসি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৯৬ – আন্দ্রিয়াস পাপান্ডরেওউ, গ্রিক অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ১৭৪ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৬ – রেমন্ড রাসেল লিন্ডওয়াল, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও রাগবি খেলোয়াড়।

১৮০৬ – মাথুরিন জ্যাকে জাকুইয়েস বরিসন, ফরাসি প্রাণিবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

 

১৮৩৪ – টমাস ম্যালথাস, ইংরেজ অর্থনীতিবিদ ও জনমিতিবিদ।

১৮৩৬ – জেমস মিল, স্কটিশ ইতিহাসবেত্তা, অর্থনীতিবিদ, রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ও দার্শনিক।

 

১৮৯১ – উইলহেম এডুয়ার্ড ওয়েবার, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

১৬৮২ – ক্লাউডে লরাইন, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও খোদকার।

 

১৫১১ – মাহমুদ শাহ্, গুজরাটের শাসক ৫২ বছর শাসনের পর

১৫৭২ – ব্রনযিনো, ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও কবি।

১৪৫৭ – লাডিস্লাউস পুস্থুমউস, হাঙ্গেরিয়ান রাজা

১৩১৮ – ইয়োরিইয়ুকি, জাপানের গণিতবিদ

০০৭৯ – ভেস্পাসিয়ান, রোমান সম্রাট

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ  ।

 

সোনমার্গ বা সোনামার্গ যার জন্য দাঁড়ায় সোনার তৃণভূমি জম্মু ও কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় অবস্থিত একটি হিল স্টেশন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিস্ময়কর। এখানে, আপনি প্রকৃতির বিস্ময় অন্বেষণ করতে পাবেন। চমত্কার কনিফার গাছগুলি পুরো পর্বতকে উজ্জ্বল করে তোলে। তুষার যা পাহাড়ের সুন্দর বাদামী রঙকে ঢেকে দেয় তা আশ্চর্যজনকভাবে অন্বেষণ, লালন এবং অভিজ্ঞতার জন্য মনোরম দৃশ্য তৈরি করে।

 

শ্রীনগর থেকে ৮২ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কাশ্মীর এর আর এক স্বর্গ সোনমার্গ। এপ্রিল মে মাসে সোনমার্গ তার রূপের ডালি উজাড় করে দেয় পর্যটকদের কাছে। শ্রীনগর থেকে সোনমার্গ যেতে পথে পড়বে গান্দেরবল, কঙ্গন, গুন্দ প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাহাড়ি জনপদ। আর পুরো পথটাই সাথে থাকবে দামাল সিন্ধুনদ। পাইন, ফার, বার্চ আর দূর দুরান্তের পাহাড়শ্রেণীর শোভা দেখতে দেখতে আপনি মোহিত হয়ে পড়বেন। চারপাশে পাহাড় আর সোনালি ঘাসে ঢাকা সোনমার্গ নিয়ে জনশ্রুতি রয়েছে যে এই উপত্যকার কোথাও এক কুপ আছে জার জলে সোনালি রঙ ধরে উপত্যকায়। এই জন্য নাম সোনমার্গ অর্থাত্‍ সোনালী উপত্যকা। সোনমার্গ থেকে পায়ে পায়ে বা ঘোড়ায় চেপে পৌঁছে যাওয়া যায় খাজিয়ার হিমবাহের কোলে। শীতের সময় এখানে বরফ নিয়ে মেতে ওঠে সবাই।

 

সোনমার্গ এর দর্শনীয় স্থানসমূহ–

 

সোনমার্গ অন্যতম কাশ্মীরে দেখার জন্য সেরা জায়গা. সোনমার্গের কাছে আপনি যে পর্যটন স্থানগুলি ঘুরে দেখতে পারেন তার তালিকা এখানে রয়েছে।

১. থাজিওয়াস হিমবাহ

সোনমার্গ যার অর্থ ‘সোনার তৃণভূমি’ অনায়াসে তার আকর্ষণ বহন করে। তুষারে পূর্ণ হওয়ায়, এই হিমবাহটি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি জম্মু ও কাশ্মীর. শহর থেকে 3 কিমি দূরে অবস্থিত এবং আনুমানিক 9,186 ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, এই স্থানটি তার মনোরম কাশ্মীর উপত্যকা সহ তুষার এর কবজ দেখার জন্য বেশ মনোরম।

২. জোজি-লা-পাস

এই সুন্দর পাসটিই কাশ্মীর উপত্যকাকে একত্রিত করে লাদাখ. জোজি-লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,528 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই জায়গাটি অভিজ্ঞতার জন্য অবিশ্বাস্য এবং আপনার প্রিয়জনদের সাথে লালন-পালন করে।

৩. বিষনসার লেক

সোনমার্গের একটু বাইরে অবস্থিত, এই হ্রদের ফিরোজা নীল জল রূপালী পাহাড়ের সাথে একটি সবুজ তৃণভূমি দ্বারা বেষ্টিত। এই পর্বতগুলি একটি উত্তেজনাপূর্ণ দূরত্বে অবস্থিত। আপনার প্রিয়জনের সাথে কিছু আশ্চর্যজনক স্মৃতি উপভোগ করার ক্ষেত্রে এটি বেশ দুর্দান্ত জায়গা।

৪. হোয়াইট রিভার রাফটিং

এটা কোনো অ্যাডভেঞ্চার রাইডের চেয়ে কম নয়। এই রাইডটি আপনাকে একটি অ্যাড্রেনালিন রাশ দিতে যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। এবং এই কার্যকলাপ সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ কি পছন্দ করে. আপনি একটি দীর্ঘ র‌্যাফটিং অভিযানে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করতে পারেন যা শুরু হয় বালতাল এবং সোনমার্গে অবস্থিত শুটকারি ব্রিজে শেষ হয়।

৫. নীলাগ্রাদ নদী

এটি তার নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত এবং এই কারণেই এটি অত্যন্ত সম্মানিত। প্রতি রবিবার প্রচুর স্থানীয় মানুষ এখানে আসেন শুধু এর পবিত্র জলে স্নান করতে।

৬. কৃষ্ণসার লেক

কৃষ্ণসার হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,801 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এখানকার মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করে। ঘন আলপাইন দ্বারা বেষ্টিত, এই জায়গাটি একটি খুব শীতল এবং মনোরম পরিবেশ রয়েছে। লোকেরা মাছ ধরার জন্য এবং দুঃসাহসিক জলের ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করার জন্য প্রায়শই এই জায়গায় আসে।

 

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়—

সোনমার্গ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় মার্চ – নভেম্বর। এটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় রূপ নেয় এপ্রিল-মে মাসে। তবে যারা স্নোফল দেখতে কাশ্মীর যেতে চান তাদের জন্যে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি উত্তম। কারন এ সময়টায় কাশ্মীরে সব থেকে বেশী স্নোফল পাবার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে, সার্বিক তাপমাত্রা দর্শনীয় কার্যকলাপের জন্য বেশ মনোরম।

 

সোনমার্গ কিভাবে যাবেন—-

যদি অফবীট জায়গা গুলো আপনার ভ্রমণ লিস্টে না থাকে তাহলে শ্রীনগর থেকে দিনে দিনে সেরে নিতে পারেন সোনমার্গ ভ্রমণ। তবে পথের শোভা উপভোগ করতে হলে এ পথে নিজস্ব গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভালো। মারুতি ওমনি ভাড়া পাওয়া যায়। টাটা সুমোও রয়েছ কারগিলগামী শেয়ার সুমোও যাচ্ছে এ পথে।

 

কোথায় থাকবেন—

সোনমার্গে থাকবার সেরা জায়গা জম্মু কাশ্মীর পর্যটনের ট্যুরিস্ট হাটে, এছাড়া হোটেল রয়্যাল, হোটেল স্নো ল্যান্ড, হোটেল পিকস, রয়েছে।

 

সোনমার্গের ইতিহাস—-

 

ঐতিহাসিক লেন্স থেকে দেখলে, আমরা জানতে পারি যে প্রাচীন কাল থেকেই সোনামার্গ ভারতীয় ইতিহাসের বর্ণনায় একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে, কারণ এটি সিল্ক রোডের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত ছিল যা কাশ্মীর ভূমিকে সংযুক্ত করেছিল। গিলগিট হয়ে চীন ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সোনমার্গ, যা তখন কাশ্মীরের একটি স্থানীয় শহর ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। আজ, এই জায়গাটি অমরনাথ মন্দির এবং লাদাখ অঞ্চলের মতো কাছাকাছি অবস্থিত পর্যটন এলাকার জন্য বেস ক্যাম্প হিসাবে পরিচিত।

 

 

 

।।তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২২ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  সশস্র বাহিনী দিবস ভিয়েতনাম

(খ) মা দিবস ইন্দোনেশিয়া

(গ) জাতীয় গণিত দিবস, ভারত

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৪৮ – মেরি আর্চার, ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।

 

১৯৮৩ – জেনিফার হকিংস, মিস ইউনিভার্স ২০০৪।

 

১৮৫৩ – সারদা দেবী, ঊনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পত্নী ও সাধনসঙ্গিনী এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সংঘজননী।

 

১৮৫৭ – বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক সুন্দরীমোহন দাস।

 

১৮৮৭ – শ্রীনিবাস রামানুজন, প্রতিভাবান ভারতীয় গণিতবিদ।

 

১১৭৮ – জাপানের সম্রাট আনটুকু।

 

১৮০৪ – বেঞ্জামিন ডিজরেলি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৩৭ – চালু হয় লিংকন টানেল।

১৯৩৯ – জার্মানিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১২৫ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৪২ – কলকাতায় জার্মানিদের বিমান আক্রমণ।

১৯৪৪ – ভিয়েতনাম পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠিত।

১৯৫৬ – ফ্রান্স এবং বৃটেন, মিশরের পোর্ট সাঈদ বন্দর থেকে তাদের ৫০ দিনের দখলদারিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটায় এবং তাদের সেনাদেরকে মিশর থেকে সরিয়ে নেয়।

১৯৫৮ – দ্য গোল্লে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৬৫ – বেলজিয়াম সরকার ছয়টি কয়লাখনি বন্ধ করে দেয়।

১৯৭১ – কুর্ট ওয়াল্ডহেইম জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত।

১৯৭১ – বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭১ – বাংলাদেশের মন্ত্রী পরিষদ মুজিবনগর থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত। প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দিন আহমদ।

১৯৭২ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

১৯৮৬ – সিলেটের হরিপুরে তেল খনি আবিষ্কার।

১৯৮৮ – স্কটল্যান্ডের লকারবিতে প্যান আমেরিকান জাম্বো জেট বিমান বিধ্বস্ত। ২৫৯ জন নিহত।

১৯৮৯ – রুমানিয়ার রাষ্ট্রপতি চসেস্কু ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯৩ – দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণ বৈষম্য বিলোপ করে নতুন সংবিধান অনুমোদন।

১৯৯৫ – ইসরাইলি বাহিনীর বেথলেহেম ত্যাগ। প্যালেস্টাইনি শাসন কায়েম।

১৮১০ – ইংলিশ ফ্রিগেড মিনোটর ডুবে যায়।

১৮৫১ – ভারতে প্রথম মালবাহী ট্রেন চালু হয়।

১৮৬৯ – মহারানী ভিক্টোরিয়ার দ্বিতীয় পুত্র প্রিন্স আলফ্রেডের কলকাতায় আগমন।

১৭১৬ – ইংল্যান্ডে প্রথম মুকাভিনয় অনুষ্ঠিত।

১৬৯৩ – ইতালির দক্ষিণে অবস্থিত সিসিলা দ্বীপে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৫৮ – তারকনাথ দাস, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী।

 

১৯৬৫ – পল্লীগীতি ও নজরুলগীতির খ্যাতিমান গায়ক গিরীন চক্রবর্তী।

 

১৯৮৬ – কথাশিল্পী সরদার জয়েন উদ্দীন।

 

১৯৮৭ – চীনের দাবা মাস্টার সিয়ে সিয়াসুয়েন।

 

১৯৮৯ – নোবেলজয়ী [১৯৬৯] আইরিশ সাহিত্যিক স্যামুয়েল বেকিট।

 

১৯৯১ – মির্জা নূরুল হুদা, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১৯৯২ – চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের ফিল্ড মার্শাল গণেশ ঘোষ।

 

১৯৯৫ – কমিউনিস্ট নেতা আবদুল হক।

১৮৮০ – ইংরেজ ঔপন্যাসিক,সাংবাদিক, অনুবাদক জর্জ ইলিয়ট।

 

১৭৯৭ – রাজা নবকৃষ্ণ দেব,কলকাতার শোভাবাজার রাজ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও কলকাতায় প্রথম দুর্গাপূজার সূচনাকারী।

১৬৬৬ – ইতালিয় চিত্রশিল্পী গুয়েরচিনো।

 

১৬৬৮ – ইংরেজ চিত্রকর স্টিফেন।

১৫৭২ – ফরাসি চিত্রশিল্পী ফ্রাঁসোয়া কো।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, কিংবদন্তি বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী – প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় হলেন ভারতের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক ও গীতিকার। তিনি গানকে ভালোবেসেছিলেন, ভালোবাসতেও শিখিয়েছিলেন। বাংলা রবীন্দ্রপরবর্তী যুগে বাংলা গানের জগতে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গানের স্বর্ণযুগের সেতুবন্ধন হয়েছিল। ‘বধূয়া আমার চোখে জল এনেছে’, ‘এ কোন সকাল রাতের চেয়ে অন্ধকার’ তাঁর বিখ্যাত গানগুলোর মধ্যে অন্যতম৷ ২০১৩ সালে তাঁকে রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি থেকে জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তাঁর এই সৃষ্টি বাঙালির তথা বাংলা গানের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে ও থাকবে।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি—

১৯৩৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর অবিভক্ত বাংলার চুঁচুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। আট ভাইয়ের মধ্যে জটিলেশ্বর সবচেয়ে ছোট। দাদারা অনেকেই ভালো গান গাইতেন । গান গাওয়ার পেছনে তাঁর অনুপ্রেরণা মা অন্নপূর্ণা ও দাদা কপিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ১৯৫৫ সালে প্রথম আকাশবাণীতে গান গাওয়ার সুযোগ পান জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৪ সালে তাঁর রেকর্ড করা ‘এ কোন সকাল’ গানটি আজো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা দুরবস্থার কথা তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়।

সঙ্গীত চর্চা—

 

সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, চিন্ময় লাহিড়ী ও সুধীন দাশগুপ্তের কাছ থেকে তিনি সঙ্গীতের শিক্ষা নেন।১৯৬৩ সালে মেগাফোন থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গানের ‘রেকর্ড’। তাঁর প্রথম রেকর্ড সুর ও কথা ছিল সুধীন দাশগুপ্তের। এরপর ১৯৬৪ সালে সলিল চৌধুরীর কথা ও সুরে মেগাফোন থেকেই বের হয় তাঁর দ্বিতীয় রেকর্ড, সেই বিখ্যাত গান ‘পাগল হাওয়া’। এর পর মেগাফোন, এইচএমভি থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হতে শুরু করে তাঁর গাওয়া গান।  বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগে অন্য মাত্রা যোগ করে তাঁর কণ্ঠ ও সঙ্গীতারোপের কুশলতা। তাঁর জনপ্রিয় সৃষ্টির মধ্যে অন্যতম ”কেউ বলে ফাগুন/ কেউ বলে পলাশের মাস..”, ”আমার স্বপন কিনতে পারে”, ”আহা ভালোবেসে এই বুঝেছি”, ”এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার”, ”কাঁদে গো শচীমাতা নিমাই নিমাই”, ”যদি সত্যিই আমি গান ভালোবেসে থাকি”..প্রভৃতি।

পুরস্কার ও সম্মাননা—

 

২০১৩ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি কর্তৃক জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ পদকে ভূষিত হন। এছাড়াও তিনি সেরা সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন ‘দামু’ ও ‘নটী বিনোদিনী’ চলচ্চিত্রে সুরারোপ করে।

মৃত্যু—

২১ ডিসেম্বর ২০১৭সালে তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যু কালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মাল্টি-অরগ্যান ফেলিওর হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

।।তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৭ – নোবেলজয়ী [১৯৭২] জার্মান ঔপন্যাসিক হাইনরিখ ব্যোল।

 

১৯১৮ – অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের মহাসচিব কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইন।

 

১৯২৮ – বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী,বিজ্ঞানলেখক ও মানবাধিকার কর্মী অজয় রায়।

 

১৯৩২ – আমীন সায়ানি,খ্যাতনামা ভারতীয় বেতার উপস্থাপক তথা রেডিও ঘোষক।

 

১৯৩৪ – প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি নেপথ্য সঙ্গীত শিল্পী ও বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় গায়িকা।

 

১৯৭৯ – সোভিয়েত নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধান জোসেফ স্তালিন।

 

১৯৭৫ – শ্রীজাত বাঙালি কবি, ঔপ্যন্যাসিক, গীতিকার ও সুরকার।

 

১৮০১ – প্রসন্নকুমার ঠাকুর, সমাজ সংস্কারক।

 

১৮০৫ – ব্রিটিশ রসায়নবিদ টমাস গ্রাহাম।

 

১৮২৭ – রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার।

 

১৮৫৪ – বাংলাদেশের মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী অহিদুর রেজা বা দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৩ – সংবাদপত্র নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড সর্ব প্রথম শব্দ ধাঁধা প্রকাশ করে।

১৯৫২ – উপমহাদেশে সাইফুদ্দিন কিসলু প্রথম লেনিন শান্তি পুরস্কার পান।

১৯৫৮ – দ্যা গল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৬৪ – চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এনলাই চীনের দ্বিতীয় জাতীয় গণ কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীর কমিটির পক্ষ থেকে ” চারটি ক্ষেত্রে চীনের আধুনিকায়ন বাস্তবায়নের প্রস্তাব” দাখিল করেন ।

১৯৬৪ – ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পি.এল.ও. গঠিত হয়।

১৯৬৮ – অ্যাপোলো-৮ উৎক্ষেপণের ফলে মহাশূন্যে প্রথমবারের মতো মানুষের পক্ষে চন্দ্র প্রদক্ষিণ সম্ভব হয়।

১৯৮৮ – পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন শুরু।

১৯৮৮ – স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিস্ফোরিত হবার ঘটনায় ২৭০ জন প্রাণ হারায়।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ১১টি প্রজাতন্ত্রের ( ৩টি বল্টিক উপকূলীয় প্রজাতন্ত্র এবং জর্জিয়া প্রজাতন্ত্র ছাড়া সোভিয়েত ইউনিয়নের বাকী ১১টি প্রজাতন্ত্রের ) নেতারা কাজাখস্তানের রাজধানী আলমা’ আটা শহরে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে “আলমা’ আটা ঘোষণা” স্বাক্ষর করেন এবং তাতেই সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে ।

১৯৯১ – কলম্বোয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

১৯৯৩ – রাশিয়ায় নতুন সংবিধান প্রবর্তন।

১৮২৬ – রাজা রনজিত সিংয়ের বিরুদ্ধে সৈয়দ আহমদ বেলভীর যুদ্ধ ঘোষণা।

১৮৪৯ – প্রথম মার্কিন স্কেটিং ক্লাব গঠিত হয়।

১৮৬২ – ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৬২ – সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী জিহাদ ঘোষণা করেন এবং এক যুদ্ধে শিখরা পরাজিত হয়।

১৮৭৯ – সোভিয়েত ইউনিয়নের পার্টি ও রাষ্ট্রের নেতা , আন্তর্জাতিক সাম্যবাদী আন্দোলনের মহা-নায়ক ইউসুফ ভিসালিওনোভিচ স্টালিন রাশিয়ার জর্জিয়ার গোলি শহরের একটি জুতোর মিস্ত্রী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৮ – বিজ্ঞানী পিয়ের ক্যুরি ও মারি ক্যুরি তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম আবিষ্কার করেন।

১৭৬২ – জেমস কুক এলিজাবেথ বাটসকে বিয়ে করেন।

১৭৮৮ – হু তে সং ভিয়েতনামের রাজা হন।

১৩৭৫ – কবি ও কথাশিল্পী জিওভান্নি বোক্কাচিওর মৃত্যু।

১১৬৩ – হল্যান্ডের কয়েকটি গ্রামে হারিকেন আঘাত হানে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – পি কে আয়েঙ্গার, ভারতে পরমাণু কর্মসূচির অন্যতম ব্যক্তিত্ব,ভাবা পরমাণু কেন্দ্রের অধিকর্তা ও ভারতের খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী।

 

২০১৭ – জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, কিংবদন্তি বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

 

২০২১ – ভারতীয় বাঙালি কবি শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়।

২০২২ – চিকেন টিক্কা মাসালার উদ্ভাবক আলি আহমেদ আসলাম।

 

১৯১৪ – বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক নবীনচন্দ্র দাশ।

১৯৬০ – মার্কিন গণিতবিদ ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক এরিক টেম্পল বেল।

১৯৮২ – প্রাবন্ধিক, নন্দনতাত্ত্বিক আবু সয়ীদ আইয়ুব।

১৮০৭ – ইংরেজ মানবতাবাদী জন নিউটন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব মানবীয় সংহতি দিবস৷

(খ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – বিল ও’রিলি, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯১৫ – আজিজ নেসিন, তুর্কি লেখক ও কবি।

 

১৯১৯ -খালেদ চৌধুরী,বাংলার প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩১ – বদরুদ্দীন উমর, বাংলাদেশের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী লেখক।

 

১৯৪০ – মুঙ্গারা যামিনী কৃষ্ণমূর্তি ভরতনাট্যম ও কুচিপুড়ি ধারার নৃত্যশিল্পী।

 

১৯৫৬ – মোহাম্মদ ওউলদ আবদেল আজিজ, মৌরিতানিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৫ – রবার্ট কাভানাহ, স্কটিশ অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৭০ – গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৮০ – অ্যাশলি কোল, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৮২ – মোহাম্মদ আসিফ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

 

১৯৯০ – জোজো, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৮৪১ – ফার্দিনান্ড ফেরডিনান্ড বুইস্‌ন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি অধ্যাপক ও রাজনীতিবিদ।

১৮৬৬ – সাংবাদিক ও সম্পাদক পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮৯০ – জারস্লাভ হেয়রভসকয়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৮৯৪ – অস্ট্রেলিয়ার রবার্ট মেনযিয়েস, অস্ট্রেলিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৫৩৭ – সুইডেনের রাজা তৃতীয় জন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৩ – লাহোরে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগে।

১৯২৫ – বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদ স্থাপিত হয়।

১৯৩৯ – রেডিও অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক শর্টওয়েভ সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৪২ – মাঝরাতে কলকাতার আকাশে জাপানি বিমান হানা দেয়।

১৯৫৭ – সানফ্রান্সিসকো চলচ্চিত্র উৎসবে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘পথের পাঁচালী’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে।

১৯৬০ – দক্ষিণ ভিয়েতনামে জাতীয় মুক্তিফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯৭১ – ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭৪ – পর্তুগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে।

১৯৮৮ – প্রধানমন্ত্রী রণসিংহে প্রেমাদাসা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৮৩০ – ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া, রাশিয়া বেলজিয়ামকে স্বীকৃতি দেয়।

১৭৫৭ – রবার্ট ক্লাইভ বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।

১৭৮০ – ইংল্যান্ড নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৭৯০ – আমেরিকায় প্রথম কটন মিল চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৫ – শাহ আবরারুল হক হারদুয়ী, ভারতীয় ইসলামি পণ্ডিত ও ধর্ম সংস্কারক।

 

২০০৯ – দীপালি নাগ রাগপ্রধান গানের প্রথম মহিলা বাঙালি শিল্পী।

 

২০১২ – স্ট্যান চার্লটন, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

২০১৩ – সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন৷

২০১৪ – মাকসুদুল আলম বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ, পেঁপে, রাবার, পাট এবং ছত্রাক জিনোম উদ্ভাবক।

২০১৮ – সরকার ফিরোজ, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

২০১৯ – স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি, একজন বাংলাদেশি সমাজকর্মী এবং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

২০২১ – অজিত রায়, ধানবাদের বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯১৫ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, বাঙালি শিশুসাহিত্যিক, বাংলা মুদ্রণের পথিকৃৎ।

১৯২৯ – এমিলি লউবেট, ফরাসি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৮ম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৪ – জেমস হিল্টন, একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৯৬৮ – জন স্টাইন্‌বেক্‌, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান লেখক।

 

১৯৭৪ – (ক)  রজনীপাম দত্ত, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বৃটিশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

 

(খ) সীতা দেবী, প্রখ্যাত বাঙালি লেখিকা।

 

১৯৭৯ – (ক) সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত, প্রখ্যাত গান্ধীবাদী নেতা ও গঠনমূলক সেবাকার্য ও পল্লীউন্নয়নের বিভিন্ন পদ্ধতির আবিষ্কারক।

(খ) কমলা ঝরিয়া, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী।

 

১৯৮২ – কানু রায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৯০ – মাহমুদুন্নবী, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী

১৯৯১ – সিমন ব্যাক, ফরাসি শেফ ও লেখক।

১৯৯৬ – বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান।

১৯৯৮ – অ্যালেন লয়েড হডজিকিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী ও জৈবপদার্থবিদ।

১৭৩৭ – চীনের সম্রাট কাংজির মৃত্যুবরণ করেন।

১৫৯০ – আম্ব্রইসে পারে, ফরাসি চিকিৎসক ও সার্জন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This