Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব মানবীয় সংহতি দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩ : বিশ্ব মানবতাবাদী কর্মী বা বাস্তব জীবনের নায়কদের স্মরণে ১৯ আগস্ট বিশ্ব মানবিক দিবস পালিত হয় যারা বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে অন্যদের সাহায্য করার জন্য তাদের জীবন দান করেছেন।  এই দিনে, আমরা সমস্ত সাহায্য এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের সম্মান জানাই যারা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, যারা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা এবং সুরক্ষা প্রদান করে চলেছেন।

 

প্রতি বছর ১৯ আগস্ট, বিশ্ব মানবতাবাদীদের অসাধারণ প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতে একত্রিত হয় যারা অক্লান্তভাবে সঙ্কট-আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জীবন উন্নত করার জন্য কাজ করে।  বিশ্ব মানবিক দিবসটি সেই ব্যক্তিদের অদম্য চেতনার প্রমাণ হিসাবে দাঁড়িয়েছে যারা চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, তাদের অটল সমর্থন প্রসারিত করে।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই বৈশ্বিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেয়, বিশ্বজুড়ে অংশীদারদেরকে একত্রিত করে প্রতিকূলতার মুখে বেঁচে থাকা, মঙ্গল এবং মর্যাদা অর্জনের জন্য।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস কেন পালিত হয়?

 

বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস উদযাপন করে নিঃস্বার্থ বীরদের যারা মানবজাতির সেবার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেন।  মানবতাবাদীরা এমন লোক যাদেরকে একটি উন্নত জীবন যাপনের জন্য সমাজকে রক্ষা করা এবং সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩ : থিম–

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২৯২৩-এর অফিসিয়াল থিম হল ‘নো ম্যাটার হোয়াট।’  জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, “এই বছর, আমাদের বিশ্ব মানবিক দিবসের প্রচারাভিযান বিশ্ব মানবিক সম্প্রদায়কে একত্রিত করে ইরাকের বাগদাদে জাতিসংঘের সদর দফতরে হামলার বিংশতম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবং সেই সম্প্রদায়ের জন্য আমাদের অটল প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করতে যা আমরা করি।  পরিবেশন করুন, যেই হোক না কেন, যেখানেই হোক না কেন এবং #No Matter What।”

 

বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস ২০২৩-এর থিম, “কোনও ব্যাপার নয়,” “No Matter What।” বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদীদের অটল উত্সর্গকে ধারণ করে।  একটি সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা একত্রিত হয়- জীবন উদ্ধার এবং রক্ষা করা- তারা মানবিক নীতির প্রতি অটল অঙ্গীকারের উদাহরণ দেয়।  এই থিমটি মানবতাবাদীদের মধ্যে অটুট বন্ধন এবং তারা যে লোকেদের সেবা করে তাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয় এমন সঠিক বিচার করার জন্য তাদের অবিচ্ছিন্ন সংকল্পের উপর জোর দেয়।  অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, তাদের দৃঢ় মনোভাব উজ্জ্বল হয়, কারণ তারা বাধাগুলি নেভিগেট করে এবং যারা কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করে।

 

বিশ্ব মানবিক দিবসের তাৎপর্য: নিঃস্বার্থ অবদানকে সম্মান করা—

 

পৃথিবীর প্রতিটি কোণে, পুরুষ এবং মহিলারা নিঃস্বার্থভাবে মানবিক কারণে সেবা করার জন্য তাদের জীবনকে লাইনে রেখেছেন।  তাদের ক্রিয়াকলাপ সম্পূর্ণরূপে পরোপকার দ্বারা চালিত হয়, লুকানো উদ্দেশ্য বা এজেন্ডা বর্জিত।  তারা সাহসিকতার সাথে প্রয়োজনে তাদের সহায়তা প্রসারিত করে, এমনকি সামাজিক সহিংসতায় জর্জরিত এলাকায়ও।  বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস এই অমিমাংসিত নায়কদের এবং তাদের নিঃস্বার্থ অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।  বছর অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে, তাদের পরিষেবার স্কেল এবং জটিলতা বিকশিত হতে থাকে, আরও বড় চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করে।  ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের জন্য স্পষ্ট অবহেলা, ইচ্ছাকৃত আক্রমণ এবং ভুল তথ্য প্রচারের মধ্যে, এই মানবতাবাদীরা বিশ্বকে একটি ভাল জায়গা তৈরি করার জন্য তাদের সাধনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস: ইতিহাস—

 

ত্যাগ ও সেবার স্মৃতি—

 

বিশ্ব মানবিক দিবসের শিকড়গুলি ১৯ আগস্ট, ২০০৩-এ ফিরে আসে, যখন ইরাকের বাগদাদের ক্যানেল হোটেলে একটি বিধ্বংসী বোমা হামলায় ২২ জন মানবিক সহায়তা কর্মী নিহত হয়েছিল, যার মধ্যে ইরাকের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি সার্জিও ভিয়েরা ডি মেলো ছিল।  এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পাঁচ বছর পর ১৯ আগস্টকে বিশ্ব মানবিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।  প্রতি বছর, উপলক্ষটি একটি নির্দিষ্ট থিমকে কেন্দ্র করে, মানবিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতাকে উত্সাহিত করে যাতে সঙ্কট-আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেঁচে থাকা, মঙ্গল এবং মর্যাদা, সেইসাথে সাহায্য কর্মীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তার পক্ষে সমর্থন করা যায়।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩: প্রসারিত প্রভাব–

 

এই বছরের বিশ্ব মানবিক দিবস মানবিক কাজের গুরুত্ব, কার্যকারিতা এবং ইতিবাচক প্রভাবকে আলোকিত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।  এটি মানবতাবাদীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টাকে হাইলাইট করে যারা দুঃখকষ্ট দূর করার জন্য চ্যালেঞ্জের ঊর্ধ্বে উঠে মানব আত্মার স্থিতিস্থাপকতার উদাহরণ দেয়।  অনিশ্চয়তা এবং দ্বন্দ্বে জর্জরিত বিশ্বে, তাদের উত্সর্গ এবং নিঃস্বার্থতা আশার আলোকবর্তিকা হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে, আমাদের সকলকে আরও সহানুভূতিশীল এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব সম্প্রদায়ে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করে।

 

সমবেদনার ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করা

বিশ্ব মানবিক দিবস প্রতিকূলতার মুখে ঐক্য, সহানুভূতি এবং স্থিতিস্থাপকতার শক্তিকে অন্ডারস্কোর করে।  এটি মানবতাবাদীদের অটল প্রতিশ্রুতি উদযাপন করে, যারা “কোন ব্যাপারই হোক না কেন,” অভাবীদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে চলেছে।  এই দিনে যখন আমরা তাদের নিঃস্বার্থ অবদানকে স্মরণ করি, তখন আসুন আমরা এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের উত্তরাধিকারকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করি যেখানে সহানুভূতি, সংহতি এবং মানবিক নীতিগুলি আমাদের কর্মকে নির্দেশিত করে।  একসাথে, আমরা সমবেদনা এবং সহযোগিতার দ্বারা সংজ্ঞায়িত একটি ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারি, এটি নিশ্চিত করে যে অন্ধকারতম সময়েও আশার আলো জ্বলতে থাকে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক) বাংলা ব্লগ দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – রাফ রিচার্ডসন, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯০৪ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতা রণদিভের জন্ম।

 

১৯০৬ – সোভিয়েত কমিউনিস্ট নেতা ও প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনেভের জন্ম।

১৯০৮ – প্রখ্যাত বাঙালি সুরকার রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায় বা রতু মুখাপাধ্যায়।

 

১৯১০ – জ্যঁ জ্যেঁনে, ফরাসি সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনকর্মী।

 

১৯৩৪ – প্রতিভা পাতিল, ভারতের দ্বাদশ ও প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫২ – এলবার্ট মিকেলসন, মার্কিন পদার্থবিদ।

 

১৮৭৩ – বৃটিশ ভারতের খ্যাতনামা চিকিৎসক এবং বৈজ্ঞানিক স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী।

 

১৮৭৫ – মিলেভা মেরিক, পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রথম স্ত্রী ও সহকর্মী।

 

১৬৮৩ – স্পেনের রাজা পঞ্চম ফিলিপ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪১ – জার্মান সাবমেরিন ইউ-৫৭৪ ডুবে যায়।

১৯৪২ – ফ্যাসিস্টবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের দু’দিন ব্যাপী প্রথম সম্মেলন শুরু।

১৯৫৭ – মস্কো ও লন্ডনের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু।

১৯৮৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পানামায় আগ্রাসী অভিযান শুরু করে।

১৯৯১ – মোটরগাড়ি নির্মাণশিল্পের পুরোধা জেনারেল মোটরস কোম্পানির একশটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে আমেরিকায় ৭৪ হাজার শ্রমিক চাকরি হারান।

১৯৯৬ – চট্টগ্রাম টিভি উপকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

১৮৮৯ – হাওয়াইয়ে বিশপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯১ – কানাডিয়ান রাগবি ইউনিয়ন গঠিত হয়।

১৬৭৫ – দিল্লিতে নবম শিখগুরু তেগ বাহাদুরের শিরশ্ছেদ ঘটানো হয়।

১৬৮৮ – রাজা দ্বিতীয় জেমস স্ত্রী-সন্তানসহ ফ্রান্সে পালিয়ে যান।

১১৫৪ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরির অভিষেক।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২০ – পবিত্র কাবা ঘরে স্থাপিত দরজার নকশাকার প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি।

 

১৯১১ – মীর মশাররফ হোসেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯১৮ – (ক) রাধাগোবিন্দ কর,বৃটিশ ভারতের খ্যাতনামা চিকিৎসক।

 

(খ) অজিতকুমার চক্রবর্তী,রবীন্দ্রনাথের শিক্ষার আদর্শ রূপায়ণকারী, রবীন্দ্র অনুরাগী ব্যক্তিত্ব।

 

১৯২৭ – (খ)  রামপ্রসাদ বিসমিল,মণিপুর ষড়যন্ত্র মামলায় যুক্ত বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবী ।

 

(খ) আসফাকউল্লা খান, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

 

১৯৮৪ – আবদুল কাদির, ছান্দসিক হিসেবে খ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক।

১৯৮৭ – ড. খায়রুল বশর, গবেষক ও প্রাবন্ধিক।

 

১৮৬০ – লর্ড ডালহৌসি, ভারতের গভর্নর জেনারেল।

১৭৩৭ – জেমস সোবিয়েস্কি, পোল্যান্ডের যুবরাজ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৮ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস (জাতিসংঘ)।

(খ) সুপ্রিম কোর্ট দিবস (বাংলাদেশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৩০ – সাহিত্যিক-সাংবাদিক শহীদ সাবের।

 

১৯৩৯ – হ্যারল্ড ইলিয়ট ভারমাস, মার্কিন জীববিজ্ঞানী এবং অধিবিদ্যাবিৎ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৯৪২ – রঘু রাই, কিংবদন্তি ভারতীয় আলোকচিত্রী এবং চিত্র সাংবাদিক।

 

১৯৪৬ – স্টিভেন স্পিলবার্গ, মার্কিন পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার, ড্রিমওয়ার্কসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫০ – শরৎ ফনসেকা, শ্রীলংকার জেনারেল ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৫২ – সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত, বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত ও দার্শনিক।

 

১৯৬১ – লালচাঁদ রাজপুত, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৬৩ – ব্র্যাড পিট, মার্কিন অভিনেতা এবং প্রযোজক।

১৯৭৫ – সিয়া, অস্ট্রেলিয়ান গায়িকা-গীতিকার।

১৯৮৬ – উসমান খাজা, পাকিস্তানি-অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮৮ – ইমাদ ওয়াসিম, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – আল্লামা ইকবাল অনিক, বাংলাদেশী সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৮২৪ – লালবিহারী দে,বৃটিশ ভারতীয় সাংবাদিক ও খ্রিস্টান মিশনারি।

১৮৫৬ – জে জে টমসন, ইংরেজ পদার্থবিদ্ এবং অধিবিদ্যাবিৎ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৮৭০ – সাকি, ব্রিটিশ ছোট গল্পকার।

 

১৮৭৮ – জোসেফ স্ট্যালিন, জর্জিয়ান-রাশিয়ান মার্শাল এবং রাজনীতিবিদ, ৪র্থ সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রধান।

 

১৮৯০ – এডউইন হাওয়ার্ড আর্মস্ট্রং, মার্কিন প্রকৌশলী, এফএম রেডিওর জনক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১২ – মার্কিন কংগ্রেস সেদেশে অশিক্ষিত অভিবাসীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে।

১৯৬৯ – ব্রিটেনে খুনের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রহিত করা হয়।

১৯৭১ – সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত।

১৯৭২ – সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রথম কার্যক্রম শুরু করে।

১৯৯৯ – স্বাধীন বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন।

১৮৬৫ – মার্কিন সংবিধানের ১৩শ সংশোধনী ঘোষণা করার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

১৩৯৮ – তৈমুর লঙ দিল্লির সুলতান মুহম্মদ তুঘলকের কাছ থেকে দিল্লি দখল করে নেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – বিজয় হাজারে, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

২০০৬ – বিকাশ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী।

 

১৯৭৩ – কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

 

১৯৮৩ – প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ,ভারতীয় রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা সংগ্রাম,পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৮৪ – শক্তিরঞ্জন বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী ও সমাজসেবী।

 

১৯৯৬ – বামপন্থী সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও অনুবাদক ননী ভৌমিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক) পেনশনভোগী দিবস। (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০- ব্রিটিশ গণিতবিদ মেরি কার্টরাইট।

 

১৯০২ – মালতী ঘোষাল, ভারতীয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

 

১৯০৪ – মোহনানন্দ ব্রহ্মচারী, ভারতীয় বাঙালি ধর্মগুরু ও যোগী পুরুষ।

 

১৯২০ – কেনেথ আইভার্সন, টুরিং পুরস্কার বিজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯৩১ – দিলীপ রায়,ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৩৬ – বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক দেবেশ রায়।

 

১৯৭৯ – শাবনূর, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৮৫৭ – সুন্দরীমোহন দাস, প্রখ্যাত ভারতীয় চিকিৎসক, বিশিষ্ট লেখক ও সমাজসেবী।

 

১৮৯২ – ভারতীয় বাঙালি সাংবাদিক বঙ্কিমচন্দ্র সেন।

 

১৭৭০ – লুড‌উইগ ভ্যান বেইটোভেন, জার্মান সুরকার ও পিয়ানো বাদক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৩ – রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্রথম উড়োজাহাজে উড্ডয়ন করেন। দিনটি আমেরিকায় রাইট ব্রাদার্স দিবস।

১৯৩১ – প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশ কলকাতায় ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।

 

১৯৪২ – বিপ্লবী সতীশচন্দ্র সামন্ত তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠন করেন।

১৯৯৬ – পেরুর জিম্মি সংকট শুরু।

১৮৭৩ – বুদাপেস্ট নগরীর পত্তন হয়।

 

১৩৯৯ – পানিপথের যুদ্ধে তৈমুর লঙ দিল্লির সুলতান মুহম্মদ তুঘলককে পরাস্ত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – আইদেউ সন্দিকৈ, অসমীয়া চলচ্চিত্রের প্রথম মহিলা অভিনেত্রী।

 

২০১১ – কিম জং-ইল, গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া বা উত্তর কোরিয়ার শাসক ও প্রধান ব্যক্তিত্ব।

 

২০১৯ – ড.শ্রীরাম লাগু, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ভারতীয় চিকিৎসক এবং মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৩৮ – চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রখ্যাত বাঙালি লেখক, সম্পাদক ও অনুবাদক।

 

১৯৬১ – শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক গোলাম মাকসুদ হিলালী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৬ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৬ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিজয় দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৭ – আর্থার সি ক্লার্ক, একজন বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক এবং উদ্ভাবক।

 

১৯০৬ – মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা, বাঙালি কবি।

 

১৯৩৬ – বাঙালি কবি ও লেখক সামসুল হক।

 

১৯৪০ – মাহমুদুন্নবী, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৪০ – শিশুসাহিত্যিক এখলাসউদ্দিন আহমদ।

 

১৯৪২ – কবি হায়াৎ সাইফ।

 

১৯৪৭ – বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল।

 

১৮৪০ -উমেশচন্দ্র দত্ত,সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ।

 

১৮৮২ – বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

 

১৭৭৫ – জেন অস্টেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০২১ – স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শপথ পড়ান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী – শেখ হাসিনা।

১৯৫০ – সাইপ্রাসের জনগণ তাদের দেশের ওপর ব্রিটিশ আধিপত্যের পরিসমাপ্তির লক্ষ্যে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করে।

১৯৫১ – ভারতের হায়দ্রাবাদে সালারজং জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

১৯৭১

পাকিস্তান সেনাবাহিনী বিকালে ৪-২১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান হয় ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭২ – বঙ্গবন্ধু সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

১৯৯১ – কাজাখস্তান নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৮ – প্যারিসের একটি আপীল আদালত ফ্রান্সের বিশিষ্ট মুসলিম দার্শনিক, ইতিহাসবিদ ও লেখক রজার গারুদিকে হোলোকাস্টের কথিত গণহত্যার কল্পকাহিনী অস্বীকার করার অপরাধে জেল ও জরিমানা করে।

১৯০৪ – কলকাতার প্রথম দৈনিক সান্ধ্য পত্রিকা ‘সন্ধ্যা’ প্রকাশিত হয়।

১৯২৫ – কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘লাঙ্গল’ কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।

১৯৩৯ – ঢাকা থেকে প্রথম বেতার অনুষ্ঠান সম্প্রচার।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০১ – নবাব খাজা আহসানউলস্নাহর।

 

১৯৭৫ – প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ অনাথনাথ বসু।

 

১৯৬৫ -ইংরেজ কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার উইলিয়াম সমারসেট মম্‌।

১৯৮৭ – অখিলচন্দ্র নন্দী – ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ও সাম্যবাদী কর্মী।

 

১৯৯৫ – কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ সাই।

 

১৮৫৯ – ভিলহেল্ম গ্রিম, জার্মান লেখক।

 

১২৭৩ – কবি জালাল উদ্দিন রুমী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৫ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক চা দিবস

(খ) খাগড়াছড়ি হানাদারমুক্ত দিবস (বাংলাদেশ)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – সতীশচন্দ্র সামন্ত, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সাবেক লোকসভা সদস্য।

 

১৯০৫ – ইরাবতী কার্বে ভারতের নৃবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ এবং লেখক।

 

১৯০৬ – বন্দে আলী মিয়া, বাঙালি কবি।

 

১৯০৮ – রামকৃষ্ণ মিশনের ত্রয়োদশ অধ্যক্ষ স্বামী রঙ্গনাথানন্দ।

১৯১৬ – মরিস উইলকিন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীবপদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৩৩ – এমাজউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য।

 

১৯৩৫ – একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী, বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।

১৮৩২ – গুস্তাভ আইফেল, ফরাসি প্রকৌশলী, আইফেল টাওয়ারের স্থপতি।

 

১৮৫২ – অঁরি বেকেরেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৫৯ – লুডভিক লাযারুস জামেনহোফ, পোলিশ চিকিৎসক, সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ।

 

১৮৭০ – জোসেক হফম্যান, মার্কিন স্থপতি।

১৭৯৭ – উইলিয়াম ইয়েটস, শিক্ষাবিদ ও বহু ভাষাবিদ, বাংলা মুদ্রণ শিল্পের পথিকৃৎ।

 

১৬২৬ – গ্রেগরি কিং, ইংরেজ পরিসংখ্যানবিদ।

৩৭ – নিরো, রোমক সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – ইংরেজিতে ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচারিত স্যাটেলাইট চ্যানেল চালুর বিষয়ে আল-জাজিরার ঘোষণা।

২০০৬ – ঢাকার ধানমন্ডির শংকরে ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

২০০৭ – অস্ট্রেলিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির ৭৮ বছরের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রী (জন হাওয়ার্ড) নিজ আসনে পরাজিত হন।

২০২১ – কলকাতার দুর্গাপূজা ইউনেস্কোর আবহমান অধরা বা অস্পর্শনীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিরোপা লাভ করে।

১৯০৬ – লন্ডনের পাতাল রেলপথ চালু।

১৯১৪ – গ্যাস বিস্ফোরনে জাপানের মিটসুবিসি কয়লা খনিতে ৬৮৭ জন নিহত।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: সার্বিয়ার সেনাবাহিনী অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে বেলগ্রেড দখল করে।

১৯২৮ – ব্রিটেনে সর্বপ্রথম টিভি নাটক প্রদর্শিত হয়।

১৯২৯ – কলকাতায় কবি নজরুলকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়।

১৯৩৯ – বিশ্বখ্যাত সিনেমা গন্ড অব দ্য উইন্ড এর প্রিমিয়ার হয় জর্জিয়ার আটলান্টার লুইস গ্যান্ড থিয়েটারে।

১৯৪১ – আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠিত হয়।

১৯৪১ – ইউক্রেনের কিয়েভে জার্মান সেনাবাহিনী ১৫০০০ ইহুদিকে হত্যা করে।

১৯৪৫ – জাপান দখলের পর জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার শিন্তো ধর্মকে জাপানের রাষ্ট্র ধর্ম বাতিল করেন।

১৯৪৯ – পেইচিংয়ে চীনা গণ পররাষ্ট্র ইনস্টিডিউট প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

১৯৬১ – জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘে চীনের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৬১ – বিখ্যাত নাজি নেতা অ্যাডলফ আইখম্যানকে ইহুদি হত্যাসহ পনেরটি অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় ইজরাইলের রাজধানী জেরুজালেমে।

১৯৬৫ – বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ে ১০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭০ – সোভিয়েত মহাকাশযান ভিনিরা-৭ সফলভাবে ভেনাসে ল্যান্ড করে।

১৯৭৫ – পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত পশ্চিম সাহারা এলাকা থেকে স্পেনীয়রা সরে আসার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

১৯৭৬ – সামোয়া জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

১৯৭৭ – জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগ দল) গঠিত হয়।

১৯৮৮ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পিএলওর সঙ্গে সরাসারি সংস্রবের ক্ষেত্রে ১৩ বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।

১৯৯৩ – সাত বছর আলোচনার পর ১১৭টি দেশ গ্যাট চুক্তিতে সম্মত হয়।

১৯৯৪ – পালউ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে।

১৮৫৭ – সিলেটের সিপাহীদের বিদ্রোহ হয়।

১৮৫৯ – চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ সম্পর্কিত গ্রন্থ ‘অরিজিন অফ দ্য এস্পিচেস’-এর প্রকাশ।

১৮৭৭ – টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফ প্যাটেন্ট করেন।

১৭৯১ – যুক্তরাস্ট্র বিল আইন হয়ে ভার্জিনিয়া সাধারণ অধিবেশনে আইন হিসাবে গৃহীত হয়।

১৭৯২ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম জীবন বীমা পলিসি জারি হয়।

১৬৪০ – পর্তুগালের রাজা হিসেবে চতুর্থ জোহানের অভিষেক।

১৫১৬ – সালের এই দিনে দক্ষিণ আমেরিকায় আর্জেন্টিনার উপকূল আবিস্কৃত হওয়ার এক বছর পর স্পেনের প্রথম অভিবাসি দলটি ঐ এলাকায় প্রবেশ করে।

১২৫৬ – হালাকু খান বর্তমান ইরানের আলামুত ও হাসাসুন শহর দখল ও ধ্বংস করেন। এর মাধ্যমে এ এলাকার ইসলামী শক্তির উপর প্রথম আঘাত আনেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – গৌরকিশোর ঘোষ, বাঙালি সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

 

২০০৬ – নিতুন কুণ্ডু, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা।

 

২০০৭ – নবেন্দু ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

২০১৬ – হাইকোর্টের বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরী।

 

২০২০ – সুধীর চক্রবর্তী, বাঙালি অধ্যাপক, লেখক,সঙ্গীত-গবেষক এবং লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ।

 

১৯২৫ – প্রগতিবাদী সমাজসেবী শশীপদ বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৪০ – মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী বাংলাভাষার লেখক এবং সাংবাদিক।

১৯৪১ – গাব্রিয়েল পেরি, জার্মান নাৎসি বাহিনী ফরাসি কমিউনিস্ট নেতা।

 

১৯৫০ – বল্লভভাই প্যাটেল উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জাতীয়তাবাদী নেতা।

 

১৯৬৬ – ওয়াল্টার এলিয়াস ডিজনি, মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কন্ঠ শিল্পী ও অ্যানিমেটর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক চা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির ইতিহাস।

চা বা চা-এর সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্য উদযাপনের জন্য প্রতি বছর আন্তর্জাতিক চা দিবস পালন করা হয় যেখানে দিবসটির উদ্দেশ্য চায়ের ইতিহাস, উৎপাদন, ব্যবহার এবং স্বাস্থ্য সুবিধা সহ চায়ের বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা।  আন্তর্জাতিক চা দিবস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চায়ের তাৎপর্য তুলে ধরতে, চা শিল্পে টেকসই অনুশীলনের প্রচার এবং এই প্রিয় পানীয়ের সাথে যুক্ত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রশংসা করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে এবং এটি একটি বিশ্বব্যাপী চায়ের গুরুত্বকে প্রতিফলিত করার সময়।  ঘটনাটি এবং অন্যদের সাথে চায়ের অভিজ্ঞতা উপভোগ করা এবং ভাগ করা।

 

২০০৫ সালে ভারতের রাজধানী শহর নয়াদিল্লিতে প্রথম আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয় এবং পরবর্তীতে অন্যান্য চা উৎপাদনকারী দেশগুলি – শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, কেনিয়া, মালাউই, মালয়েশিয়া, উগান্ডা এবং তানজানিয়া এই উদযাপনগুলি অনুসরণ করে।  দশ বছর পরে, ভারত সরকার ২০১৫ সালে চায়ের উপর FAO আন্তঃসরকার গ্রুপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালনের প্রসারিত করার প্রস্তাব দেয় যা বিশ্ব চা অর্থনীতিকে সমর্থন করার জন্য বহুপাক্ষিক প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেয় এবং আন্তর্জাতিক চা দিবস ঘোষণার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 

একই বছরে ইতালির মিলানে একটি বৈঠকের সময় এই ধারণাটি এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল যখন প্রস্তাবটি পণ্য সমস্যা সম্পর্কিত FAO কমিটি দ্বারা অনুমোদিত হয়েছিল।  ডিসেম্বর ২০১৯-এ, চাহিদা সম্প্রসারণের দিকে বৃহত্তর প্রচেষ্টার নির্দেশ দেওয়ার জন্য চায়ের উপর আন্তঃসরকারি গোষ্ঠীর আহ্বানের উপর পুনরায় জোর দেওয়া, বিশেষ করে চা-উৎপাদনকারী দেশগুলিতে, যেখানে মাথাপিছু ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কম এবং ঐতিহ্যগত আমদানিতে মাথাপিছু ব্যবহার হ্রাস পেতে সহায়তা করার প্রচেষ্টা।  দেশগুলি, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ মে আন্তর্জাতিক চা দিবস হিসাবে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

১৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত আন্তর্জাতিক চা দিবসের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী চায়ের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক তাত্পর্যকে স্বীকার করা, জীবিকা ও স্থায়িত্বের উপর এর প্রভাবের উপর জোর দেওয়া।  এই পালনের উদ্দেশ্য চায়ের মূল্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই চা উৎপাদন এবং ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলনকে উন্নীত করার জন্য যখন ২১শে মে পালিত আন্তর্জাতিক চা দিবসের শিকড় রয়েছে বিশ্ব চা সম্মেলনের চা-উৎপাদনকারী দেশগুলিতে, যেটি তারিখটি প্রস্তাব করেছিল।  ২০০৫ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক চা চুক্তি স্বাক্ষরের স্মরণে এবং এই পালনটি চা উৎপাদন, ব্যবহার এবং সাংস্কৃতিক দিকগুলির প্রচারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

 

ইতিহাস—-

 

জাতিসংঘের মতে, চীনে ৫০০০ বছর আগে চা খাওয়ার প্রমাণ রয়েছে।  গল্পটি বলে যে চীনা সম্রাট শেন নুং প্রথম পানীয়ের স্বাদ গ্রহণ করেছিলেন যখন তিনি এবং তার সৈন্যরা একটি গাছের নীচে আশ্রয় নিতে ব্যস্ত ছিলেন এবং কিছু বাতাসের চা পাতা ফুটন্ত জলের পাত্রে পড়েছিল যা পরে এটিতে মিশে যায় এবং আজকের সবচেয়ে বেশি খাওয়া পানীয়তে পরিণত হয়েছিল।
২৭৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চীনে প্রথম আবিষ্কৃত হয়, চা এশিয়ান সংস্কৃতির মধ্যে একটি প্রধান উপাদান হয়ে ওঠে যেখানে এটি একটি পানীয় এবং একটি ঔষধি নিরাময়ে পরিণত হওয়ার আগে এটি ধর্মীয় আচারের একটি প্রতীকী অংশ ছিল।  চীনের চা উৎপাদনের একচেটিয়াতার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য, ব্রিটিশরা ১৮২৪ সালে ভারতে বাণিজ্যিকভাবে চা ফসলের সূচনা করে এবং তখন থেকেই দার্জিলিং, নীলগিরি এবং আসাম জুড়ে ৯০০০০০ টন চা উৎপাদিত হয় বলে জানা গেছে।

 

আন্তর্জাতিক চা দিবস ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রস্তাবটি অনেক সংস্কৃতিতে একটি ঐতিহ্যবাহী পানীয় হিসাবে চায়ের গুরুত্ব এবং বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা নির্বাহে এর অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।

 

তাৎপর্য—-

 

চায়ের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিতে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে যেখানে এটি শুধুমাত্র একটি জনপ্রিয় পানীয় নয় বরং অনেক সমাজে সামাজিক রীতিনীতি, অনুষ্ঠান এবং আতিথেয়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  চা শিল্প সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস, বিশেষ করে চা-উৎপাদনকারী অঞ্চলে এবং আন্তর্জাতিক চা দিবস চা খাতের অর্থনৈতিক মূল্যকে স্বীকৃতি দেয় এবং টেকসই চা উৎপাদন ও ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলনকে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখে।

টেকসইতা প্রচার করে, আন্তর্জাতিক চা দিবস টেকসই চা উৎপাদন ও সেবনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করে এবং চা-উত্পাদিত অঞ্চলে সামাজিক উন্নয়নের প্রচার করে এমন অনুশীলনকে উৎসাহিত করে।  চা, বিশেষ করে সবুজ এবং ভেষজ চা, বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতার সাথে যুক্ত কারণ এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিক্যাল সমৃদ্ধ যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে তাই, আন্তর্জাতিক চা দিবস চা খাওয়ার সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।

 

উদযাপন—–

 

আন্তর্জাতিক চা দিবসে, চা এবং এর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সেমিনার, কর্মশালা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়।  এই ইভেন্টগুলির মধ্যে চা খাওয়া, প্রদর্শনী, চা অনুষ্ঠান, শিক্ষামূলক সেশন এবং চা শিল্পের সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলির উপর আলোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

 

আন্তর্জাতিক চা দিবস চা উৎপাদনকারী দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকার এবং চা উত্সাহীদের চা উৎপাদন, বাণিজ্য এবং ব্যবহার সম্পর্কিত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করার সুযোগ দেয়।

 

।। সংগৃহীত।।

 

 

 

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৪ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস (বাংলাদেশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

১৯২২ – নিকোলাই বাসভ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সোভিয়েত পদার্থবিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদ।

 

১৯২৪ – রাজ কাপুর, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের পরিচালক।

 

১৯৩৪ – শ্যাম বেনেগল, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৪৬ – এন্টোনি বিভোর্‌, ইংরেজ ঐতিহাসিক।

 

১৯৫৩ – বিজয় অমৃতরাজ, ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড়, ক্রীড়া ভাষ্যকার ও অভিনেতা।

১৯৫৪ – মাকসুদুল আলম, বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ, পেঁপে, রাবার, পাট এবং ছত্রাক জিনোম উদ্ভাবক।

 

১৯৬৭ – সন্দীপ গোস্বামী, ভারতীয় বাঙালি কবি, সমালোচক।

১৮৭৮ – হরিহর শেঠ, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবেত্তা।

১৬২৬ – গো-সুজাকো, জাপানের সম্রাট।

 

১৫০৩ – নসট্রাদামুস, ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা, জ্যোতিষী, লেখক এবং ঔষধ প্রস্তুতকারক ও চিকিৎসা সামগ্রী বিক্রেতা।

১৫৪৬ – টাইকোব্রাহে, ড্যানীয় জোতির্বিদ ও রসায়নবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০১ – বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।

১৯০৩ – বিমান আবিষ্কারকারী রাইট ভাতৃদ্বয় উত্তর ক্যারোলিনায় প্রথম আকাশযান উড্ডয়নের প্রচেষ্টা চালান।

১৯১১ – নরওয়েজীয় অভিযাত্রী রোল্ড আমুন্ডেসন ওলাভ জালান্ড, হেলমার হ্যানসেন, স্ভেরে হ্যাসেল ও অস্কার উইস্টিংকে নিয়ে গড়া তার দল নিয়ে প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পা রাখে।

১৯১৫ – জ্যাক জনসন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে প্রথম হেভিওয়েট মুষ্টিযুদ্ধে বিজয়ী হন।

১৯১৮ – ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

১৯৪৬ – আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে।

১৯৪৬ – জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ নিউ ইয়র্কে সদর দপ্তর স্থাপনের পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৪৭ – রোমানিয়া প্রজাতন্ত্রী দেশে পরিণত হয়।

১৯৫৫ – আলবেনিয়া, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, ক্যাম্বোডিয়া, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জর্ডান, লাওস, লিবিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্পেন ও শ্রীলঙ্কা জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৬০ – সোমালিয়ার সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬১ – তাঞ্জানিয়া জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৭১ – মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৮১ – ইহুদিবাদী ইসরাইলের সংসদ অধিকৃত গোলান মালভূমিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইলের ভূখণ্ড বলে ঘোষণা করে।

১৯৯৪ – সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে চীনের তখনকার রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী লি ফেং সারা বিশ্বের কাছে “ইয়াংসি নদীর তিনগিরিখাত প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু” হবার কথা ঘোষণা করেন।

১৯৯৫ – প্যারিসে বসনীয় শান্তিচুক্তি (ডেইটন চুক্তি) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৬ – বাংলাদেশে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল বিলে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন।

১৯৯৯ – কিরিবাশ, নাউরু ও টোঙ্গা জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৮০৫ – ফসিল জ্বালানী হিসেবে পাথুরে কয়লার তীব্র তাপ শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতার বিষয়টি আবিষ্কৃত হয়।

১৬৫৬ – প্রথম কৃত্রিম মুক্তা তৈরি করা হয়।

১৫৬৮ – রাজকুমারী মেরি স্টুয়ার্ট স্কটল্যান্ডের রানি হন।

১৫৭৫ – ইস্টভান বাথোরি পোল্যান্ডের রাজা নির্বাচিত হন।

১১২৪ – থিওবাল্ড বুক্কাপেকাস পোপ নির্বাচিত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৮ – আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশী অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্রকার।

১৯৩৬ – ইয়োসেফ ব্লক, জার্মান সমাজতান্ত্রিক সাংবাদিক।

 

১৯৭০ – কুমুদরঞ্জন মল্লিক, বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৮৪ – ধীর আলী মিয়া, বাংলাদেশী যন্ত্রবাদক, সঙ্গীত পরিচালক, ও সুরকার।

 

১৯৮৯ – আন্দ্রে শাখারভ, সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নমতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী।

 

১৯৯৯ – আবদুল লতিফ, ভাষাসৈনিক।

 

১৭৯৯ – জর্জ ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৫৪২ – পঞ্চম জেমস, স্কটল্যান্ডের রাজা।

 

১১৩৬ – চতুর্থ হেরাল্ড, নরওয়ের সম্রাট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক শিবরাম চক্রবর্তী।

 

১৯২৩ – ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৩৪ – জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, কিংবদন্তি বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

১৯৩৬ – প্রিন্স করিম আগা খান ।

 

১৯৪৫ – হারমান কেইন, আমেরিকান ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও রাজনীতিক।

 

১৯৬০ – ডাগুবাটি ভেঙ্কটেশ, ভারতীয় তেলুগু অভিনেতা।

 

১৯৬৭ – জেমি ফক্স, মার্কিন অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা, গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।

 

১৯৭৩ – এমরে আশিক, সাবেক তুর্কি ফুটবলার।

 

১৯৮৪ – সান্তি কাজোরলা, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮৭ – নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি, বাংলাদেশী সংগীতশিল্পী।

১৯৮৯ – টেইলর অ্যালিসন সুইফট, আমেরিকান গায়ক-গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক ও অভিনেত্রী।

 

১৮৯১ – কমিউনিস্ট দর্শনে বিশ্বাসী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী সতীশচন্দ্র পাকড়াশী।

 

১৭৯৭ – ক্রিশ্চিয়ান যোহান হাইনরিশ হাইনে, জার্মান সাংবাদিক, কবি ও সমালোচক।

 

১৫৩৩ – সুইডেনের এরিক ওয়াসা ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – রাত ১১টায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাবলিও বুশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিতমার্কিন-রাশিয়া আন্টি ব্যালিষ্টিক ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি’ থেকে বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করেন।

২০০১ – ২৯তম অলিম্পকস ক্রীড়া সংস্থার কমিটি পেইচিংএ প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০০৩ – ইরাকের সাবেক একনায়ক সাদ্দাম হোসেন সেদেশের উত্তরাঞ্চলীয় শহর তিকরিতের কাছে একটি গোপন আস্তানা থেকে গ্রেফতার হন।

১৯২১ – ওয়াশিংটন সম্মেলন সফল্যজনকভাবে সমাপ্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স আর জাপানের মধ্যে প্রশান্ত মহা সাগর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯২৩ – ডা. লি.ডি ফরেস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম সবাক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন।

 

১৯৩০ – গ্রেফতার এগড়াতে ইংরেজ শাসন বিরোধি বিপ্লবী বিনয় বসু পটাশিয়াম সায়োনেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

১৯৩৭ – চীনের নানচিং শহরে জাপানী আগ্রাসীসেনাবাহিনীর গণহত্যা যঞ্জশুরু হয়। জাপানের সৈন্যবাহিনী নানচিন শহরে প্রবেশ করার পর পেশাচিক গনহত্যা শুরু করে। এই বিশ্ব-কাঁপানো গণহত্যায় ৩ লক্ষাধিক লোকের প্রাণহানি হয়।

 

১৯৭১ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিকসন আর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পমপেইটুর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭৮ – চীনের কমিউনিস্ট পাটির ত্রয়োদশ কংগ্রেসের তৃতীয় পূর্ণাংগ অধিবেশন পেইচিংএ সমাপ্ত হয়।

১৯৮১ – পোল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান জেরুজালেস্কি পোল্যান্ডে সামরিক শাসন জারি করেন।

১৯৮২ – উত্তর হয়েমেনে ভূমিকম্পে ২ সহস্রাধিক নিহত।

১৯৮৮ – অ্যাঙ্গোলা, কিউবা ও দক্ষিণ আফ্রিকা কঙ্গোর ব্রাজাভিলে নামিবিয়ার স্বাধীনতা ও অ্যাঙ্গোলার শান্তিসংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

১৯৯০ – ত্রিশ বছর জাম্বিয়ায় নির্বাসিত জীবন শেষে এএনসি রাষ্ট্রপতি অলিভার পাম্বো দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯৯১ – উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া শান্তি ও অনাক্রমণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৯১ – কিশোরগঞ্জে পাকুন্দিয়া পীর মতিউর রহমানের সশন্ত্র বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের ৩ দিনব্যাপী সংঘর্ষ শুরু হয় এতে ২ পুলিশসহ ২১ জন নিহত হন।

১৯৯৬ – সন্ধ্যায় জাতি সংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কোফি আনান জাতি সংঘ মহাসচিব নিবার্চিত হন।

১৮৭০ – পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ দখলের উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের আগ্রাসী অভিযান শুরু হয়।

১৮৭৯ – মুসলিম সমাজ সম্মিলনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৯ – বেলজিয়াম নারী ও শিশু শ্রম বিষয়ে আইন জারি করে।

১৭৩৪ – ইংল্যান্ড ও রাশিয়া বাণিজ্য চুক্তি করে।

১৭৫৯ – আমেরিকায় প্রথম মিউজিক স্টোর চালু হয়।

১৬৪২ – পর্তুগিজ নাবিক আবেল তাসমান নিউজিল্যান্ড আবিষ্কার করেন।

 

১৫৭৭ – স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক বিশ্বভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্লিমাউথ থেকে যাত্রা শুরু করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১০ – রিচার্ড হোলব্রকে, আমেরিকান সাংবাদিক ও কূটনীতিক ও জাতিসংঘের ২২ তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

২০১১ – কবীর চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক।

২০১২ – নাতালিয়া কুস্টিন্সকায়া, রাশিয়ান অভিনেত্রী।

২০২০ – নূর হুসাইন কাসেমী, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব।

 

১৯৩০ – বিনয় বসু, একজন ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৩০ – ফ্রিটজ প্রেগ্ল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্লোভেনিয়ান বংশোদ্ভূত অস্ট্রিয়ান রসায়নবিদ ও চিকিৎসক।

১৯৩৫ –  ভিক্টর গ্রিগনারড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।

১৯৫৫ – এগাস মনিয, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পর্তুগিজ সাইকোলজিস্ট ও নিউরোসার্জন।

১৯৮১ – প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞান গবেষক গিরিজাপতি ভট্টাচার্য।

১৯৮৬ – স্মিতা পাতিল বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, টেলিভিশন ও থিয়েটার কর্মী।

১৯৯২ – ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৯৩ – অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

 

১৯৯৬ – চীনের নাটকের প্রতিষ্ঠাতা চাও ইউ।

 

১৭৮৪ – ইংরেজ লেখক ও অভিধান প্রণেতা স্যামুয়েল জনসন।

 

১৫৬০ – পোপ দ্বিতীয় ক্যালিস্টাস।

 

১৪৬৬ – দোনাতেল্লো, ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

 

১২৫০ – রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ফেডরিখ।

১০৪৮ – আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি, বিশ্বখ্যাত ফার্সি পণ্ডিত, আরবীয় শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১২ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  কেনিয়ার জাতীয় দিবস।

 

(খ) ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – ইংরাজী সাহিত্যের ভারতীয় লেখক মুলকরাজ আনন্দ।

 

১৯১০ – বিমল ঘোষ, খ্যাতনামা বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।

 

১৯১৫ – আমেরিকান গায়ক ও অভিনেতা ফ্রাঙ্ক সিনাত্রার।

 

১৯২৭ – ইন্টেলের সহ প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট নর্টন নয়েস।

 

১৯৩৪ – আবদুল গাফফার চৌধুরী, সাংবাদিক

১৯৪০ – বাঙালি কবি পবিত্র মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৫০ – রজনীকান্ত, ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৮০ – ভারতীয় অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা।

 

১৯৮১ – যুবরাজ সিং, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৮৪ – পাকিস্তানি ক্রিকেটার সোহেল তানভীর।

১৯৮৬ – ইংরেজ অভিনেতা টমাস ওয়ান্সেয়।

 

১৮৬৬ – আলফ্রেড ওয়ের্নার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৮৮০ – আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৭৩১ – ইরাসমাস ডারউইন, ইংরেজ চিকিৎসক, প্রাকৃতিক দার্শনিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী, উদ্ভাবক এবং কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৩ –  দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি রাত ১০ টা এক মিনিটে কার্যকর করা হয় ।

১৯০১ – ইতালির পদার্থবিদ এবং বেতার যন্ত্রের অগ্রদূত গুগলিয়েলমো মার্কনি আটলান্টিক মহাসাগরের এক কুল থেকে অপর কুলে প্রথম সফল ভাবে বেতার বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

১৯০৪ – আলেম ও স্বাধীনতাকামীরা তেহরান ত্যাগ করে পবিত্র নগরী কোমে অভিবাসন শুরু করেছিলেন।

 

১৯১১ – বঙ্গভঙ্গ আইন রদ করা হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়।

১৯২৫ – ইরানের রাজবংশের পরিবর্তন ঘটে। ১৫৩ বছরের কাজার রাজ বংশের অবসান ঘটে এবং পাহলভী বংশের ৫৩ বছরের শাসনের শুরু হয়।

১৯২৫ – ইরানের মজলিশ রেজা খানকে ইরানের নতুন শাহ মনোনীত করা হয়।

১৯৪১ – যুক্তরাজ্য বুলগেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। হাঙ্গেরী ও রোমানিয়া আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ভারত জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৫২ – জেনিভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব সম্মেলনকে অভিনন্দন জানানোর জন্যে ফ্রান্সের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী পিকাসোর নতুন চিত্রাঙ্কন শান্তির কপোত প্রদান করেন।

১৯৫৮ – গায়না জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৬৩ – কেনিয়া ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৪ – কেনিয়ার স্বাধীনতার অগ্রাধিনায়ক জোমো কেনিয়াত্তা কেনিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।

১৯৭১ – কক্সবাজার ও নরসিংদী জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭৯ – চীনের বিখ্যাত আধুনিক লেখক লুসুইন গবেষণা সমিতি পেইচিংএ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৯ – কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে ৭শ’ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৮৫ – ভোরবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বে-সামরিক ভাড়াটে বিমান ক্যানাডার নিউফান্ডল্যান্ডে ভূপাতিত হয়। বিমানের ২৫০ জন যাত্রী আর ৮ জন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান।

 

১৯৮৮ – অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি গুলাম ইসহাক খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৮৯ – জাতিসংঘ শিশুর নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত একটি সনদ গ্রহণ করে।

১৯৯০ – দুর্নীতির অভিযোগে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সপরিবারে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৯১ – রাশিয়ান ফেডারেশন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়।

১৯৯১ – উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯২ – দু’দিনব্যাপী ইইউর শীর্ষ সম্মেলন জেনিভায় সমাপ্ত হয়।

 

১৯৯২ – ইন্দোনেশিয়ায় প্রচন্ড ভূমিকম্পে ২৫০০ লোকের প্রাণহানি।

১৯৯৩ – অক্টোবরের বিপ্লবের পর [১৯১৭] প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৪ – চীনের সাংহাইয়ের ১ নম্বর পাতাল রেলপথ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।

 

১৯৯৬ – শেখ হাসিনা ও দেবগেওড়ার মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত ৩০ বছর মেয়াদী পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৭ – বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী কালোসের বিচার হয়।

১৮০৪ – ব্রিটেনের বিরুদ্ধে স্পেনের যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

১৮৯৭ – ব্রাজিলের প্রথম পরিকল্পিত শহড় বেলো হরিজন্টে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

১৩৩৮ – দিল্লীতে তৈমুর লং কর্তৃক ১ লাখ লোক খুন হয়।

১০৯৮ – প্রথম ধর্মযুদ্ধে মা’নাত আল নুমানের গণহত্যা:

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – জাঁ রিচার্ড, ফরাসি অভিনেতা ও গায়ক।

 

২০০৩ – আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট হায়দার আলিয়েভ।

২০০৫ – সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ‘আভা গার্দ’ লেখকগোষ্ঠির অন্যতম ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

২০১০- পিটার পাগেল, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

২০১৩ – এজরা সেলার্স, আমেরিকান মুষ্টিযোদ্ধা।

 

১৯৫১ – মিলড্রেড বেইলি, আমেরিকান গায়ক।

১৯৫৪ – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিপ্লবী কিরণশঙ্কর রায়।

 

১৯৫৬ – খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক অনুপম ঘটক।

 

১৯৬৩ – জাপানি চলচ্চিত্রকার ইয়াসুজিরো ওজু।

১৯৬৫ – হেমেন্দ্রনাথ ঘোষ,ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

১৯৭১ – সাংবাদিক নিজামুদ্দিন আহমদ শহীদ হন।

 

১৯৭৮ – ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়ক ফায় কম্পটন।

 

১৯৮৬ – রশিদ চৌধুরী, একুশে পদক প্রাপ্ত বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

 

১৮৮৯ – ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং।

 

১৬৮৫ – জন পেল, ইংরেজ বীজগণিতবিদ, জ্যামিতিজ্ঞ এবং জোতির্বিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This