Categories
রিভিউ

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।।

হাসন রাজার জন্ম ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর  সেকালের সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ শহরের নিকটবর্তী সুরমা নদীর তীরে লক্ষণছিরি (লক্ষণশ্রী) পরগণার তেঘরিয়া গ্রামে। হাসন রাজা জমিদার পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। হাসন রাজা তাঁর তৃতীয় পুত্র।

পনেরো বছর বয়সে পিতৃবিয়োগ হলে সংসার ও জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত হয়। হাসন বেশ সুপুরুষ দর্শন ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় সহস্রাধিক গান এবং পঙক্তি রচনা করেছেন। এছাড়াও আরবি ও ফার্সি ভাষায় ছিল বিশেষ দক্ষতা।
যৌবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৌখিন ও ভোগবিলাসী, কিন্তু পরিণত বয়সে সব বিষয়-সম্পত্তি বিলি-বণ্টন করে দরবেশ জীবন যাপন করেন। তারই উদ্যোগে সুনামগঞ্জ হাসন এম ই স্কুল, অনেক ধর্ম-প্রতিষ্ঠান ও আখড়া স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী ছাত্রের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও তিনি করতেন। কিন্তু হাসন রাজার কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও হাসন রাজা ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার আধ্যাত্মিক গান রচনা করেন।

 

মরমী সাধক ও আধ্যাত্মিক কবি দেওয়ান হাসন রাজার গানে সহজ সরল স্বাভাবিক ভাষায় মানবতার চিরন্তন বাণী যেমন উচ্চারিত হয়েছিল। সকল ধর্মের বিভেদ অতিক্রম করে তিনি গেয়েছেন মাটি ও মানুষের গান। তাই তিনি এখনো বেঁচে আছেন সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের মাঝে।
‘মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়া রে কান্দে হাসন রাজার মনমুনিয়া রে’, ‘আমি না লইলাম আল্লাজির নাম না কইলাম তার কাম- বৃথা কাজে হাসন রাজায় দিন গুজাইলাম’ আবার ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো সোনা বন্ধে আমারে পাগল করিল- আরে না জানি কি মন্ত্র করি জাদু করিল’ – হাসন রাজার এমন অনেক গান আজো মানুষে মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। বলা যায় চিরন্তন সংগীতে রূপ পেয়েছে হাসন রাজার এসব গান।
লোভ লালসার বাইরে থেকে সহজ সরল জীবন যাপনে রচনা করে গেছেন অসংখ্য লোকগান। মরমী এই সাধকের জন্ম-মৃত্যুতে বরাবরই খুব একটা আয়োজন থাকে না সুনামগঞ্জে। তবে এবছর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী একসঙ্গে পালন করবে জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও হাসন রাজা ট্রাস্ট।
মরমী সাধক হাসন রাজা জীবদ্দশায় প্রায় ২০০ গান রচনা করেছেন।  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও ১৯২৫ সালে কলকাতায় এবং ১৯৩৩ সালে লন্ডনে হিবার্ট বক্তৃতায় হাসন রাজার দুটি গানের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু প্রখ্যাত এই মরমী সাধকের জীবন-দর্শন ও গানের চর্চা এখন আর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয় না বললেই চলে।

 

তিনি গানের ভণিতায় নিজেকে ‘পাগলা হাসন রাজা’, ‘উদাসী’, ‘দেওয়ানা’,  ‘বাউলা’ ইত্যাদি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি কৈশোর ও যৌবনে শ্রীকৃষ্ণের নানাবিধ লীলায় অভিনয়ও করেছেন। হাছন উদাস (১৯০৭), শৌখিন বাহার, হাছন বাহার ইত্যাদি গ্রন্থে তাঁর গানগুলি সংকলিত হয়েছে।
দর্শনচেতনার সাথে মরমী সাধনা ও সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে লালন শাহ এর প্রধান পথিকৃৎ। এর পাশাপাশি নাম করতে হয় ইবরাহীম তশ্না দুদ্দু শাহ্, পাঞ্জু শাহ্, পাগলা কানাই, রাধারমণ দত্ত, আরকুম শাহ্, শিতালং শাহ, জালাল খাঁ এবং আরও অনেকে।

১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখা হাসন রাজা মিউজিয়ামে অনেকেই আসেন দূর-দূরান্ত থেকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৫ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস।

(খ) জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দিবস (বাংলাদেশ)।

 

(গ) বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ওয়াল্ট ডিজনি, একজন মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কন্ঠ শিল্পী ও অ্যানিমেটর ছিলেন।

১৯০১ – (ক) প্রমথ ভৌমিক, একজন সাম্যবাদী বিপ্লবী, সাংবাদিক ও কৃষক নেতা।

 

(খ) ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ, নোবেল বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯০৫ – কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

 

১৯১১ – প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায় (গীতিকার)।

 

১৯১৩ – গোপাল ঘোষ, খ্যাতনামা বাঙালি চিত্রশিল্পী।

 

১৯২৫ – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সঙ্গীতের বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার।

১৯৩২ – শেল্ডন গ্ল্যাশো,মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৩৯ – বাসবী নন্দী, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৮৩০- ইংরেজ মহিলা কবি ক্রিশ্চিনা রসেটি।

১৮৯০ – ফ্রিৎস ল্যাং, একজন অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার।

১৪৪৩ – পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াস।

১৩৭৭ – চীনের সম্রাট জিয়ান ওয়েন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৩ – দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন রলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা মৃত্যুবরণ করেন ।

১৯১৭- ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৭ – রাশিয়ার বিপ্লবী সরকার ও জার্মানির মধ্যে সন্ধি চুক্তি হয়।

১৯২৯ – আইরিনা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৩২- জার্মান বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন আমেরিকার ভিসা পান।

১৯৩৩ – উটাহ ৩৬তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার সাথে যুক্ত হয়।

১৯৩৫ – কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৩৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নতুন সংবিধান অনুমোদিত হয়। এর মাধ্যমে ১৯২৪ সালে প্রণীত ফেডারেল সংবিধান বাতিল হয়ে যায়।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী ও রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৩- জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে।

১৯৫০- কোরিয় যুদ্ধ চলাকালে চীনের সৈন্যরা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং-এ প্রবেশ করে।

১৯৫৫ – এডগার নিক্সন ও রোসা পার্কস আমেরিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মন্টেগোমারীতে বাস বয়কট আন্দোলন শুরু করেন। সে সময় নিক্সনকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৬৯ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘ বাংলাদেশ ”।

১৯৭১- ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কমান্ড গঠন করে মিত্রবাহিনী নাম গ্রহণ করে।

১৯৭১ – পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মৌলভীবাজারের জুড়ী এলাকাকে (বর্তমান জুড়ী উপজেলা) শত্রুমুক্ত করে।

১৯৭৭ – মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত সিরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও দক্ষিণ ইয়েমেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৮৩ – আর্জেন্টিনায় সামরিক জান্তা সরকারের পতন।

১৯৮৫ – যুক্তরাজ্য ইউনেস্কোর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে।

১৯৮৭- পানামার জাতীয় পতাকা ধারী একটি মালবাহী জাহাজ স্পেনের উত্তর উপকূলীয় ফিনিস্টেলে জলসীমা থেকে প্রায় ১৫ নটিকল-মাইল দূরে যায়। জাহাজের ২৩ জন চীনা নাবিক প্রাণ হারান।

১৯৯২ – আলবেনিয়াকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৯ – যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু।

১৯৯৫- হংকং-র সবোর্চ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো চীনা ভাষায় মামলা পরিচালিত হয়।

১৯৯৬- ম্যাডেলিন অলব্রাইট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

১৮০৪ – টমাস জেফারসন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮১২ – রাশিয়ায় লজ্জাজনক পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে ফিরে যান।

১৮৪৬ – দুদু মিয়া কর্তৃক নীলকুঠি আক্রমণ।

১৮৫৪ – অ্যারোন অ্যালেন রিভলবিং থিয়েটার চেয়ার প্যাটেন্ট করেন।

১৮৭৯ – প্রথম স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্যাটেন্ট করা হয়।

১৮৯৩- চীন আর ব্রিটেনের মধ্যে ‘চীন-ব্রিটেন সম্মেলন তিব্বত-ভারত চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৫৭ – প্রুশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে অস্ট্রিয়া পরাজিত হয়।

১৭৬৬ – লন্ডনে প্রথম নিলাম ডাক শুরু হয়।

১৭৯১ – অস্ট্রীয় মিউজিক কম্পোজার ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট ভিয়েনায় ৩৫ বছর বয়সে মারা যান।

১৭৯২ – জর্জ ওয়াশিংটন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৪৫৬ – নেপলসে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

১৩৬০ – ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৬ – ক্লোদ মনে, ফ্রান্সের এক বিখ্যাত ধারণাবাদী (ইম্প্রেশনিস্ট) চিত্রশিল্পী।

 

১৯৫০ – অরবিন্দ ঘোষ, বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মসাধক এবং দার্শনিক।

 

১৯৫১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৯৫৭ – উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ হযরত মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)।

 

১৯৬১ -ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৬৩ – হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, বিখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৯৮১- সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন।

 

১৯৮৬ – ভারতের ভৌত রসায়ন বিজ্ঞানের পথিকৃৎ ড. নীলরতন ধর।

 

১৯৯৩ – সত্য চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

১৮৭০ – আলেক্সাঁদ্র্ দ্যুমা, বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক।

 

১৮৯০ – অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার ফ্রিৎস ল্যাং।

 

১৭৯১ – ভোল্‌ফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট, অস্ট্রীয় সুরকার।

১৫৬০ – ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফ্রাঙ্কোইস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস, জানব দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৩ :  মাটি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশগুলির মধ্যে একটি।  তারা আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, খাদ্য আইটেম বৃদ্ধির জন্য বিছানা, এবং বিভিন্ন প্রজাতির আবাসস্থল।  মাটির মান বজায় রাখা এবং মাটির গুণাগুণ স্বাস্থ্যকর তা নিশ্চিত করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।  শিল্পায়ন এবং দুর্বল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনেক জায়গায় মাটির গুণমানকে অবনমিত করেছে, যা মাটির ক্ষয়, উর্বরতা হ্রাস এবং জৈব পদার্থের ক্ষতির দিকে পরিচালিত করে।  মাটির গুণাগুণ বজায় রাখার তাৎপর্য এবং আমাদের জীবন এবং খাদ্য ব্যবস্থায় এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করার জন্য প্রতি বছর বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত হয়।

 

তারিখ : বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর পালিত হয়। এই বছর, বিশেষ দিনটি মঙ্গলবার পড়ে।

 

ইতিহাস :  জুন ২০১৩ সালে, FAO সম্মেলন বিশ্ব মৃত্তিকা দিবসকে অনুমোদন করে এবং পরে 68তম ইউনাইটেড ন্যাশনাল জেনারেল অ্যাসেম্বলির কাছে যায় এবং এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করে।  ২০১৩ সালের শেষের দিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ কে প্রথম সরকারী বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস হিসাবে মনোনীত করে।

তাৎপর্য:

“বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৩ (WSD) এবং এর প্রচারণার লক্ষ্য টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা অর্জনে মাটি ও জলের মধ্যে গুরুত্ব এবং সম্পর্ক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। WSD একটি অনন্য বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম যা শুধুমাত্র মৃত্তিকা উদযাপন করে না বরং আশেপাশের নাগরিকদের ক্ষমতায়ন ও নিযুক্ত করে।  পৃথিবী মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে, “জাতিসংঘ তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লিখেছে।  জাতিসংঘ আরও যোগ করেছে টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনা অনুশীলন ন্যূনতম চাষ, ফসলের ঘূর্ণন, জৈব পদার্থ সংযোজন, এবং কভার ক্রপিং মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে এবং মাটির ক্ষয় কমাতে পারে এবং জলের অনুপ্রবেশ ও সঞ্চয় বাড়াতে পারে।  “এই অনুশীলনগুলি মাটির জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে, উর্বরতা উন্নত করে এবং কার্বন সিকোয়েস্টেশনে অবদান রাখে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,” জাতিসংঘ যোগ করেছে।

 

WSD ২০২৩ থিম : “মাটি এবং জল: জীবনের একটি উৎস” (Soil and water: a source of life) সেক্রেটারিয়েট এবং অংশীদারদের জন্য উদযাপনে আরও বেশি লোক এবং দেশকে যুক্ত করার একটি সুযোগ হবে, কারণ জলের থিম আলোচ্যসূচিতে অত্যন্ত উচ্চ এবং বিশ্বব্যাপী সমস্ত দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক।  .

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস, জানবো দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস : আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস একটি বিশ্বব্যাপী পালন যা বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানকে উদযাপন করে এবং স্বীকৃতি দেয়।  এটি এমন ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টার প্রশংসা করার একটি সুযোগ হিসাবে কাজ করে যারা তাদের সম্প্রদায় এবং এর বাইরে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে তাদের সময় এবং দক্ষতা উত্সর্গ করে।বিশ্বব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টা এবং তাদের অবদানকে সমর্থন করার জন্য সরকারকে স্বীকৃতি দিতে এবং উত্সাহিত করার জন্য আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালিত হয়।  আসুন আমরা আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস, কীভাবে এটি উদযাপন করা হয় এবং ২০২৩ এর জন্য এর থিম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ কবে?

প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালন করা হয়।  এই তারিখটি স্বেচ্ছাসেবকদের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বগুলিকে স্বীকার করার এবং উদযাপন করার এবং সমাজে স্বেচ্ছাসেবীর প্রভাবের প্রতিফলন করার সুযোগ দেয়।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ : এই দিনটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনের উপরও আলোকপাত করে এবং স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায় তৈরিতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজকে হাইলাইট করে।  এটি প্রতি বছর ৫ ডিসেম্বর পালন করা হয়।  জাতিসংঘের মতে, আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস স্বেচ্ছাসেবকদের স্বীকৃতি প্রদান করে এবং উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবকতাকে একীভূত করতে অংশীদারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে শান্তি ও উন্নয়নের প্রচার করে।  এটি স্বেচ্ছাসেবক এবং সংস্থাগুলির জন্য তাদের প্রচেষ্টা উদযাপন করার, তাদের কাজের প্রচার করার এবং সম্প্রদায়, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), জাতিসংঘের সংস্থা, সরকারী কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারী সেক্টরের মধ্যে তাদের মূল্য ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটি অনন্য সুযোগ প্রদান করে।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩ : থিম।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৩  এই থিমের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, “যদি সবাই করে…” (“If everyone did…”) দিনটি প্রত্যেক ব্যক্তির অংশগ্রহণ এবং অবদানের দাবি রাখে।  আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২২ এর থিম হল “স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে সংহতি”।  থিমটি স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন চালনা করার জন্য মানবতার সম্মিলিত শক্তির প্রচারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  এই দিনটি তাদের সময় এবং দক্ষতা স্বেচ্ছাসেবী করে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের সুযোগও দেয়।  নিঃসন্দেহে, স্বেচ্ছাসেবকতার মাধ্যমে, সমগ্র বিশ্বের সম্প্রদায়গুলি সংহতি এবং অন্তর্ভুক্তিকে শক্তিশালী করেছে।

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস : ইতিহাস।

১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রথম অনুমোদন করে এবং প্রতি বছর ৫ ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উদযাপন শুরু করে।  এই দিবসটি উদযাপন অনেক স্বেচ্ছাসেবককে সংগঠিত হতে সাহায্য করে এবং অংশীদার এবং সরকারী সংস্থার সাথে একত্রে কাজ করতে সাহায্য করে যাতে সমস্ত দেশে দেশীয় স্বেচ্ছাসেবকতা প্রচার এবং চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রোগ্রামের জন্য একটি কাঠামো সেট করা যায়।  এই স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইন স্বেচ্ছাসেবী পরিষেবাগুলি ব্যবহার করে এবং ক্রমাগত মানব উন্নয়নের জন্য একটি কর্ম পরিকল্পনা প্রস্তুত করে।  এটা দেখা যায় যে সমস্ত সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্মে স্বেচ্ছাসেবী কাজ পাওয়া গেছে।  বিশ্বকে একটি ভাল জায়গা করে তুলতে, অনেক লোক তাদের সময় এবং দক্ষতা স্বেচ্ছাসেবক করতে এবং অন্যদের ভালবাসা উন্নত করতে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে।  স্বেচ্ছাসেবকতার সময়, তারা তাদের সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত হওয়ার একটি বৃহত্তর অনুভূতি অর্জন করে।

 

কিভাবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস 2023 এ অংশগ্রহণ করবেন?

 

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে অংশগ্রহণ করা আপনার সম্প্রদায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি এবং সমর্থন করার একটি চমৎকার উপায়।  এখানে জড়িত হওয়ার কিছু উপায় রয়েছে:–

 

আপনার সময় স্বেচ্ছাসেবক: আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে সারিবদ্ধ একটি কারণ বা সংস্থার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বিবেচনা করুন।  আপনার অবদান, যতই ছোট হোক না কেন, একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আনতে পারে।

 

একজন স্বেচ্ছাসেবককে ধন্যবাদ: আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা আপনার সম্প্রদায়ের মধ্যে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য সময় নিন।  একটি সাধারণ “ধন্যবাদ” তাদের প্রচেষ্টাকে স্বীকার করার জন্য অনেক দূর যেতে পারে।

 

স্বেচ্ছাসেবক ইভেন্টে যোগ দিন: অনেক সম্প্রদায় স্বেচ্ছাসেবক কাজ প্রদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে ইভেন্ট এবং কার্যক্রম সংগঠিত করে।  আপনার সমর্থন দেখানোর জন্য এই ইভেন্টগুলিতে যোগ দিন।

 

স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাগুলিকে দান করুন: স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাগুলিতে আর্থিক অবদান তাদের প্রোগ্রাম এবং উদ্যোগগুলিকে সমর্থন করতে সহায়তা করতে পারে।  এমনকি একটি পরিমিত দান ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

স্বেচ্ছাসেবকদের গল্প শেয়ার করুন: আপনার সম্প্রদায়ের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী স্বেচ্ছাসেবকদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার করতে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।  স্বেচ্ছাসেবক আন্দোলনে যোগ দিতে অন্যদের উৎসাহিত করুন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৪ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ভারতীয় নৌবাহিনী দিবস।

(খ) স্বেচ্ছাসেবক দিবস (বাংলাদেশ)।

(গ) বাংলাদেশ জাতীয় বস্ত্র দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১০ – আর. ভেঙ্কটরমন,ভারতীয় আইনজ্ঞ,স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৫ – কাজী আবদুল বাসেত, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী এবং চারুকলা বিষয়ের শিক্ষক।

 

১৯৮৩ – কাজী মারুফ বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৯১ – সারাহ ভিঞ্চি , অস্ট্রেলিয়ার ১ পয়েন্ট হুইল চেয়ার বাস্কেটবল খেলোয়াড়।

 

১৮৭৫ – জার্মান কবি রাইনার মারিয়া রিলকে।

 

১৮৮৮ – রমেশচন্দ্র মজুমদার, ভারতের বাঙালি অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ।

 

১৮৯৩ – দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেতা ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৪ – মুম্বইয়ে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া-র উদ্বোধন হয়।

১৯৫৩ – শেরে বাংলা, ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠন।

১৯৫৯ – সেচ ও বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপায়নের লক্ষ্যে ভারত ও নেপালের মধ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৫ – আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড সময় বিকেল সাতটা ত্রিশ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেনেডী কেপ থেকে হারকিউলিস-২ রকেট দিয়ে “জেমিনি ৭.” উপগ্রহ ধরনের নভোযান উৎক্ষেপন করে।

১৯৭০ – পল্টনে বিশাল জনসমুদ্রে মওলানা ভাসানীর স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান দাবি উত্থাপন।

১৯৭১ – ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৭১ -এ ভারতীয় নৌবাহিনী পাকিস্তানি নৌবাহিনীর চারটি জাহাজ নষ্ট করে দেয়।

১৯৭৪ – শ্রীলংকায় বিমান দুর্ঘটনায় ১৯১ জন নিহত হয়।

১৯৭৫ – সুরিনাম জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৮০ – ড্রামার জন বনহ্যামের মৃত্যুতে (২৫ সেপ্টেম্বর) লিজেন্ডারী ইংরেজ রক ব্যান্ড লেড জেপ্লিন ভেঙ্গে যায়।

১৯৮১ – দিল্লি কুতুবমিনার এলাকায় পদপিষ্ট হয়ে ৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯০ – গণআন্দোলনের মুখে বাংলাদেশের ৯ বছরের প্রেসিডেন্ট এরশাদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।

১৯৯১ – বৈরুতে সাংবাদিক টেরি এ অ্যান্ডারসন সাত বছর বন্দি থাকার পর মুক্তি লাভ করেন।

১৯৯৩ – ইয়েলৎসিনের অনুগত ট্যাংক ও সাঁজোয়া বাহিনী ১০ ঘণ্টা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পার্লামেন্ট ভবন দখল করে নেয় এবং ১০০০ বিদ্রোহীকে গ্রেফতার করে।

১৯৯৬ – মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে নভোযান পাথফাইন্ডার আমেরিকার ফ্লোরিডা থেকে উড্ডয়ন করে।

১৯৯৫ – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুইজ জাভাস্ক্রিপ্ট এর যাত্রা শুরু।

১৯৯৯ – মিছেল ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পার্টির প্রথম নারী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

১৮২১ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তারাচরণ দত্তের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ কৌমুদী’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮২৯ – লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক আইন করে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করে দেন।

১৮৩৩ – আমেরিকায় দাসপ্রথাবিরোধী সংগঠন গড়ে ওঠে।

১৮৯৯ – প্রথমবারের মতো টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্যে এই জ্বরের ভ্যাকসিন মানব দেহে ব্যবহার করা হয়।

১৭৯১ – বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বরিবাসরীয় ব্রিটেনে দি অবজার্ভার পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৭৯৮ – ইংল্যান্ডে আয়কর প্রবর্তিত হয়।

১৬৪৪ – শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৫৩৪ – তুরস্কের সুলতান সুলেমান বাগদাদ দখল করেন।

১১৫৪ – ৪র্থ অড্রিয়ান পোপ নির্বাচিত হন। তিনিই একমাত্র ইংরেজ যিনি পোপ পদে অধিষ্ট হয়েছেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – কলিন কাউড্রে, ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার ও অধিনায়ক।

২০১৬ – অরুণকুমার বসু, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও কালজয়ী বাংলা গানের স্রষ্টা।

 

২০১৭ – (ক) পূরবী মুখোপাধ্যায় প্রথিতযশা রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

 

(খ) শশী কাপুর,বিখ্যাত ভারতীয় অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

২০১৯ – বব উইলিস, সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক, কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার ও তিন দশক ধরে ধারাভাষ্যকার।

 

২০২২ – বিশ্বের সেরা ১০ টেনিস সেরা তারকার কোচ নিক বলেতিয়েরি।

 

১৯৮৯ – সৈয়দ মুহাম্মদ আহসান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১১৩১ – ফারসি কাব্য সাহিত্যের অবিস্মরণীয় কবি ওমর খৈয়াম।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস কি, কেন এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবছর ৩ ডিসেম্বরকে বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।১৯৯২ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে।
আজ ৩ ডিসেম্বর। শারীরিকভাবে অসুস্থ মানুষদের জন্য এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়। এই দিনটিতে সেই সকল মানুষকে সম্মাননা জানান হয়, যারা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কাছে হার না মেনে লড়াই করে চলেছেন। মনের জোরে জয় করেছেন একাধিক লড়াই। আজ সেই সকল সাহসী ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর পালা। শারীরিকভাবে অসম্পূর্ন মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগীতা প্রদর্শন ও তাদের কর্মকান্ডের প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটির সূচনা।

ইতিহাস—

 

বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী দিবসের অনুগামিতার পিছনে আছে এক ঘটনাবহুল জীবনস্মৃতি। ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বেলজিয়ামে এক সাংঘাতিক খনি দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারা যান। আহত পাঁচ সহস্রাধিক ব্যক্তি চিরজীবনের মতো প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। তাদের প্রতি সহমর্মিতায় ও পরহিতপরায়ণতায় বেশ কিছু সামাজিক সংস্থা চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কাজে স্বতঃপ্রবৃত্ত ভাবে এগিয়ে আসে। এর ঠিক পরের বছর জুরিখে বিশ্বের বহু সংগঠন সম্মিলিত ভাবে আন্তর্দেশীয় স্তরে এক বিশাল সম্মেলন করেন। সেখান থেকেই প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে বিস্তারিত সব তথ্যের হদিশ মেলে। সেখানে সর্বসম্মতভাবে প্রতিবন্ধী কল্যাণে বেশকিছু প্রস্তাব ও কর্মসূচি গৃহীত হয়। খনি দুর্ঘটনায় আহত বিপন্ন প্রতিবন্ধীদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস পালন করতে আহ্বান জানানো হয়। সেই থেকেই কালক্রমে সারা পৃথিবীর প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর দিন হয়ে উঠেছে।

অনেক সময় সব পেয়েও তুচ্ছ কিছু না পাওয়ার জন্য অনেকেই দুঃখ করতে থাকেন। পরিশ্রমের পর পরীক্ষায় ফল খারাপ হলে, উচ্চ শিক্ষায় সুযোগ না পেলে, চাকরি পেতে সমস্যা হলে কিংবা পরিবারের কোনও অশান্তি আমাদের কাছে সব না পাওয়ার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সামান্য জিনিসের জন্য অনেকেই ভেঙে পড়ি। আবার, বহুজন তো না পাওয়ার জন্য আত্মহত্যাপ পথ বেছে নেন। প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় এমন বহু আত্মহত্যার খবর মেনে। কিন্তু, সত্যিই যারা কিছু পায়নি, জন্মেছেন অম্পূর্ণ হয়ে, তাদের কথা ভেবে দেখেছেন। প্রতি শহরে এমন শয় শয় মানুষ আছেন, যারা শারীরিক অসম্পূর্ণতা নিয়ে জন্ম নিয়েছেন। এমন কিছু প্রতিবন্ধকতা তাদের শরীরে আছে, যা কোনও দিনই ঠিক করা সম্ভব নয়। সব জেনেও সেই মানুষগুলো মনের জোরে লড়ে চলেছেন। আসুন তাদের সম্মান জানাই। তাদের লড়াইকে কুর্নিশ করি।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – রিচার্ড কুহ্ন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান প্রাণরসায়নী ও একাডেমিক।

 

১৯২২ – শ্যামল গুপ্ত, বিংশ শতকের শেষার্ধের আধুনিক বাংলা রোমান্টিক গানের কিংবদন্তি গীতিকার সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী।

 

১৯২৫ – কিম দায়ে জং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ অ দক্ষিণ কোরিয়ার ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।

১৯৩০ – ফরাসি চিত্রপরিচালক জাঁ লুক।

 

১৯৩৩ – পল জে. নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ক্রুটযেন, ডাচ রসায়নবিদ ও প্রযুক্তিবিদ।

১৯৩৫ – নিতুন কুণ্ডু, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা।

 

১৯৩৬ – আবু হেনা মোস্তফা কামাল, শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক।

১৯৪৮ – রক ব্যান্ড ব্ল্যাক সাবাথের ভোকাল ওজি অসবর্ন।

১৯৭০ – ক্রিস্তিয়ান কারেম্ব্যু, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৬ – মার্ক বাউচার, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৮১ – ব্রায়ান বনসাল্, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮২ – মাইকেল এসিয়েন, ঘানার ফুটবলার।

 

১৯৮৬ – ব্রিটানি ক্যামেরুন, মার্কিন ফুটবলার।

১৮৫৭ – পোলিশ বংশোদ্ভুত ইংরেজ লেখক জোসেফ কনরাড, ‘লর্ড জিম’ তার বিখ্যাত উপন্যাস।

 

১৮৮২ – খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।

১৮৮৪ – ভারতের বিখ্যাত দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও প্রথম রাষ্ট্রপতি ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ।

১৮৮৬ – কার্ল মানে গেয়র্গ জিগবান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।

 

১৮৮৯ – ক্ষুদিরাম বসু, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক বিপ্লবী।

১৩৬৮ – ষষ্ঠ চার্লস, ফ্রান্সের রাজা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ইউক্রেনের কিয়েভে চেরনোবিল পারমাণবিক দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজারেরও বেশি পঙ্গু শিশুর জন্য পেনশন দাবী করা হয়।

২০২০ – সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মদিন স্মরণে কলকাতার মাঝেরহাটে জয় হিন্দ সেতু নামে নতুন ব্রিজের উদ্বোধন হয়।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসার লগ্নে জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে।

১৯৫৫ – বাংলা একাডেমী, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ – দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ডা. ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ড প্রথমবারের মত মানবদেহে হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করেন।

১৯৭১ – মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে বসে। ভারতে দ্বিতীয় বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয় ।

১৯৭৬ – বিখ্যাত পপশিল্পী বব মারলিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরপর দুটি গুলি করা হয়। তিনি বেঁচে যান।

১৯৮৩ – বাংলা ভাষায় প্রথম ‘ছোটদের অভিধান’ প্রকাশ করে বাংলা একাডেমী।

১৯৮৪ – ভারতের ভূপালে একটি মার্কিন কারখানা থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় অন্ততঃ আড়াই হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।

১৯৯০ – তেহরানে ফিলিস্তিন বিষয়ক প্রথম ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৯ – বাংলাদেশে প্রথম নারী গ্রন্থমেলা ধানমন্ডি মহিলা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত।

১৮১০ – ব্রিটিশরা ফরাসিদের কাছ থেকে মৌরিতাস দখল করে নয়।

১৮১৮ – ২১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হয় ইলিনয়।

১৮২৮ – এন্ড্রু জ্যাকসন আমেরিকার সপ্তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮৫১ – একনায়ক লুই নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে প্যারিসের জনগণের বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৭৯০ – লর্ড কর্নওয়ালিস ফৌজদারি বিচারের দায়িত্ব নবাবের কাছ থেকে নিজের হাতে নিয়ে নেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – ডেভিড হেম্মিংস, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

২০১১ – দেব আনন্দ, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা,চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক।

 

২০১৩ – রোনাল্ড হান্টার, আমেরিকান অভিনেতা।

 

২০২২ – মায়া ঘোষ, খ্যাতনামা নাট্য ব্যক্তিত্ব।

 

১৯১৯ – বিখ্যাত ফরাসী চিত্র-শিল্পী অগাস্টো রেনোয়ার।

১৯১৯ – পিয়ের-অগাস্টে রেনইর, ফরাসি চিত্রশিল্পী।

 

১৯৩৮ – ব্রজেন্দ্রনাথ শীল,বাঙালি দার্শনিক ও বহুবিদ্যাবিশারদ পণ্ডিত।

 

১৯৫৬ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৯৫৬ – সৈয়দ এমদাদ আলী, পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি লেখক।

 

১৯৭৯ – মেজর ধ্যানচাঁদ,প্রখ্যাত ভারতীয় হকি খেলোয়াড়।

 

১৯৮২ – কবি ও প্রাবন্ধিক বিষ্ণু দে।

১৯৮৮ – পানস গাভালাস, গ্রিক গায়ক।

 

১৯৯০ – ইরানের বিশিষ্ট লেখক এবং ইউনেস্কোর গবেষণা কমিটির সদস্য ডক্টর মোহাম্মাদ হোসাইন মাশায়েখ ফারিদানি।

১৯৯৮ – সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত, ইংরাজী সাহিত্যের দিকপাল শিক্ষক, শেক্সপিয়ার সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক।

 

১৯৯৯ – রোকনুজ্জামান খান বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিকে ও সাংবাদিক ।

১৮৬৮ – হরচন্দ্র ঘোষ, ঊনিশ শতকের বাঙালি বিচারক ও সমাজ সংস্কারক।

 

১৮৯০ – বিলি মিডউইন্টার, ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক দাসত্ব বিলোপ দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৫৯ – জর্জ সেউরাট, ফরাসি চিত্রশিল্পী।

 

১৮৮৫ – জর্জ রিচার্ডস মিনট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও অধ্যাপক।

 

১৮৮৮ – ক্ষিতিমোহন সেন,ভারতীয় বাঙালি গবেষক, সংগ্রাহক এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

 

১৮৯২ – বিপ্লবী গোলাম আম্বিয়া খান লোহানি।

১৮৯৬ – সোভিয়েত ইউনিয়োনের সামরিক নেতা জুকোভ।

 

১৮৯৭ – ইভান বাগ্রাময়ান, রাশিয়ান জেনারেল।

 

১৮৯৮ – ইন্দ্রলাল রায়, প্রথম ভারতীয় বাঙালি বিমান চালক প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন।

১৯২১ – পটুয়া চিত্রশিল্প কামরুল হাসান।

 

১৯২৫ – (ক)  সন্তোষ দত্ত,প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেতা।

(খ) জুলি হ্যারিস, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

 

১৯৩০ – গ্যারি স্ট্যানলি বেকার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৪৪ – ইব্রাহিম রুগোভা, কসোভোর প্রথম রাষ্ট্রপতি, প্রথম সারির কসোভো-আলবেনীয় রাজনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবী ও লেখক।

 

১৯৫৯ – বমান ইরানী,ভারতীয় অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৬০ – অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা

১৯৬৭ – মুশতাক আহমদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উপ-পরিচালক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

১৯৬৮ – লুসি লিউ, আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

 

১৯৭৬ – ফিদেল আলেসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ, কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী।

১৯৭৮ – নেলি ফুরটাডো, কানাডীয় কণ্ঠশিল্পী ও গীতিকার, যন্ত্রশিল্পী।

 

১৯৮১ – ব্রিটনি স্পিয়ার্স, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০৪ – নেপোলিয়ান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

১৮১৫ – নেপালের রাজা ও ব্রিটিশদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত।

১৮২৩ – স্বাধীনচেতা মার্কিন রাষ্ট্রপতি জেমস মনরো তার বিখ্যাত ও মনরো নীতি ঘোষণা করেন।

১৮৫২ – তৃতীয় নেপোলিয়নকে সম্রাট করে দ্বিতীয় ফরাসি সাম্রাজ্য ঘোষিত হয়।

১৮৫৬ – ফ্রান্স ও স্পেনের সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৫৯ – আমেরিকার দাস বিদ্রোহী ও সমাজ সংস্কারক জন ব্রাউনকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

১৯৪২ – স্ট্যালিন গ্রাডে জার্মানির পরাজয়।

১৯৪২ – শিকাগোতো বিশ্বের প্রথম আণবিক চুল্লি পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়,

১৯৪৬ – ব্রিটিশ সরকার ভারতের চার নেতাকে সংসদীয় সভায় যোগ দিতে নিমন্ত্রণ করেছিল। তারা হলেন- নেহরু, বলদেব সিং, জিন্নাহ ও লিয়াকত আলী।

 

১৯৪৭ – ফিদেল ক্যাস্ট্রো ঘোষণা দেন তিনি মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট এবং কিউবার লক্ষ্য সমাজতন্ত্র।

১৯৪৮ – ফ্রাঙ্ক যোসেফ অস্ট্রিয়ার রাজা হন।

১৯৫৪ – এশিয়ার দেশ লাওস পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৬ – কিউবার অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ট্রো স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করেন।

১৯৭১ – পাক বাহিনীর হামলায় রামপুরা ও মালিবাগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন। নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামের পথে পথে শুরু হয় সম্মুখযুদ্ধ।

১৯৭১ – সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৭৫ – বিকালে চেয়ারম্যান মাও সেতুং সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেরালড রুডোলফ ফোর্ড, তার স্ত্রী বেটি ফোর্ড এবং তার সফরসংগীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৯৭৮ – রোমে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল সদর দফতর স্থাপিত হয়।

১৯৮২ – ইউনিভার্সিটি অব উতাহ মেডিকেল সেন্টারে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়। এই কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে দন্ত চিকিৎসক বার্নে ক্লার্ক ১১২ দিন বেঁচে ছিলেন।

১৯৮৪ – ভূপালে বিষগ্যাসে ৩ হাজার লোক নিহত এবং ৫০ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

১৯৮৯ – ভিপি সিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

১৯৯০ – একীভূত জার্মানিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচনে হেলমুট কোলের নেতৃত্বে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাট দল জয়লাভ করে।

১৯৯৫ – লাওস প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ – মার্কিন ইন্টার কোম্পানি শক্তিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত সুপার কম্পিউটার অবিষ্কার করেন।

১৯৯৭ – পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮১ – কার্ল মার্ক্সের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কস ।

১৮৮৮ – তুর্কি কবি নেমিক কামাল ।

 

১৯১৮ -গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা হাই কোর্টের ভারতীয় বাঙালি বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য।

১৯৫৭ – হ্যারিসন ফোর্ড, আমেরিকান অভিনেতা।

 

১৯৬৫ – সাহিত্যিক সৈয়দ এমদাদ আলী,

১৯৬৬ – লাউৎসেন এখবার্টস ইয়ান ব্রাউয়ার, ওলন্দাজ গণিতবিদ,

 

১৯৮২ – মার্টি ফেল্ডম্যান, ইংরেজ অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৮৫ – ফিলিপ্ লার্কিন, ইংরেজ লেখক ও কবি।

 

১৯৮৭ – লুইস ফেদেরিকো লেলইর, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি বংশোদ্ভূত আর্জেন্টিনার চিকিৎসক ও বায়োকেমিস্ট।

 

১৯৯১ – ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্র।

২০১৪ – জেয়ান বেলিভেয়াউ, কানাডিয়ান আইস হকি খেলোয়াড়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব এইডস দিবস (আন্তর্জাতিক)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা, একজন রসায়নবিদ, গ্রন্থকার এবং শিক্ষাবিদ।

১৯০৩ – চট্টগ্রামে যুব বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক অনন্ত সিং।

 

১৯১৭ -বিমলচন্দ্র সিংহ সংস্কৃত সাহিত্য দর্শনশাস্ত্রে ও ফরাসি ভাষার সুপণ্ডিত ও চিন্তাশীল লেখক ।

 

১৯৩২ – অদ্রীশ বর্ধন, বাঙালি ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক।

১৯৩৫ – উডি অ্যালেন, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা, নাট্যকার এবং জ্যাজ সঙ্গীতজ্ঞ।

 

১৯৪২ – রেজাউল করিম হীরা, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ।

 

১৯৫৪ – মেধা পাটকর, ভারতের প্রথম সারির খ্যাতনামা সমাজকর্মী।

 

১৯৫৫ – উদিত নারায়ণ, ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৮৪৭ – আমেরিকান কবি জুলিয়ান মুর।

 

১৮৫৮ – প্রসিদ্ধ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবী ও দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য।

১৭৬১ – ম্যারি তুসো, মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা।

১০৮১ – ফ্রান্সের ষষ্ঠ লুই।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – বাংলাদেশের গাইবান্ধায় জাকাতের কাপড়ের জন্যে হুড়োহুড়ি; পদদলিত হয়ে ৫০ জন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯১৮ – সালে আইসল্যান্ড ডেনমার্কের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৯ – প্রথম মহিলা সংসদ সদস্য হিসাবে লেডি অ্যাস্টর যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমান্সে তার আসন গ্রহণ করেন।

১৯২০ – পি. জে. হার্টগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৪৮ – ইউনিয়ন অব বার্মা গঠিত হয়।

১৯৫৫ – যুক্তরাষ্ট্রের আলবামা অঙ্গরাজ্যের মন্টেগোমারি শহরে মার্কিন নিগ্রো নেতা মার্টিন লুথার কিং (জুনিয়র) সহ কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকরা বর্ণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক অভাবিত আন্দোলনের সূচনা করেছিলো।

১৯৫৮ – মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৮ – আমেরিকার শিকাগোর লেডি অব দ্য লস এঞ্জেলস স্কুলে আগুন লেগে ৯২ শিশু নিহত হয়।

১৯৫৯ – অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ শুধু বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে – এ মর্মে ১২টি দেশের মধ্যে অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৯ – একটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রে বসানো ক্যামেরা দিয়ে মহাশুন্য থেকে প্রথম পৃথিবীর রঙ্গিন ছবি তোলা হয়েছিলো।

১৯৬৩ – নাগাল্যান্ডকে ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।

১৯৬৪ – মালাউই, মাল্টা ও জাম্বিয়া দেশ সমুহ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়।

১৯৬৭ – রাজকীয় গ্রিনউইচ মানমন্দিরে পশ্চিম ইউরোপের সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ ‘আইজাক নিউটন’ চালু করা হয়।

১৯৭১ – ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্থানের কাছ থেকে কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করে।

১৯৭৬ – এ্যাঙ্গোলা জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৮০ – বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৮১ – এইচআইভি ভাইরাসের অস্তিত্বের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়।

১৯৮৮ – বেনজির ভুট্টো পাকিস্তানের প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৯০ – ইংলিশ চ্যানেলের ১৩২ ফুট নিচে কর্মীরা পাথর কেটে একটি গাড়ি চলাচলের মতো সুড়ঙ্গ করতে সক্ষম হয়।

১৯৯০ – কর্মীরা বৃটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে প্রাথমিকভাবে সংযোগ স্থাপনে সক্ষম হলেও টানেলের চুড়ান্তকাজ শেষ হতে আরও চার বছর সময়ের প্রয়োজন ছিলো।

১৯৯৮ – তুরষ্কে ভূমিকম্পে ১০৮ জন নিহত।

১৮২১ – স্পেনের কবলমুক্ত হয়ে সান ডেমিঙ্গো প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৩৪ – কেপ উপনিবেশ থেকে দাসত্ব রদ অ্যাক্ট ১৮৩৩ অনুযায়ী দাসত্ব বিলুপ্ত করা হয়।

১৮৩৫ – হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের প্রথম বই প্রকাশিত হয়।

১৮৫২ – নেদারল্যান্ডসে টেলিগ্রাফ কম্পানি চালু হয়।

১৭৬৮ – দাস বহনকারী একটি জাহাজ ডুবে যায়।

১৬৪০ – স্পেনের দখল থেকে পর্তুগাল স্বাধীনতা পায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – সঙ্গীতশিল্পী পূরবী দত্ত,ভারতীয় বাঙালি নজরুলগীতি বিশেষজ্ঞা।

২০১৮ – (ক) আনোয়ার হোসেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও চলচ্চিত্র ভিডিওগ্রাফার।

 

(খ) তারামন বিবি, বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা।

১৯২৮ – কলম্বীয় কবি ও ঔপন্যাসিক হোসো রিভেরা।

১৯৪৭ – ব্রিটিশ গণিতবিদ গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৫২ – মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৬৪ – জে বি এস হ্যালডেন, বৃটিশ-ভারতীয় বিজ্ঞানী।

 

১৯৭৪ – সুচেতা কৃপালনী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৯০ – বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত, ভারতীয় কূটনৈতিক ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯১ – অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী [১৯৮২] অধ্যাপক জর্জ জোসেফ স্টিগলার।

১৯৯৭ – খান আতাউর রহমান, বাংলাদেশী চলচ্চিত্রাভিনেতা, সুরকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

১৯৯৯ – শান্তিদেব ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক, কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী ও রবীন্দ্রসংগীত-বিশারদ।

১৪৩৩ – সম্রাট গো-কোমাত্সু জাপানের সম্রাট।

১২৪১ – ইংল্যান্ডের ইসাবেলা, জার্মানির রাণী।

১১৩৫ – ইংল্যান্ডের প্রথম হেনরি, ইংল্যান্ডের রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব এইডস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্ব এইডস দিবসটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দ্বারা চিহ্নিত, বিশ্ব জনস্বাস্থ্য সচেতনতার উদ্দেশ্যে ঘোষিত। বিশ্ব এইডস দিবস হল একটি আন্তর্জাতিক দিবস। প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়। এই রোগের থাবা থেকে রক্ষা পেতে যে পদক্ষেপ করা হয়েছিল, তা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় এই দিনটি। পাশাপাশি যে সমস্ত ব্যক্তিরা এইচআইভি বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন, তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াও এই দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৮ সালে প্রথম বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়। সারা বিশ্বের জনগণের জন্য এইচআইভি একটি বিপজ্জনক জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এই ভাইরাস ব্যক্তি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রমণ করে এবং সমস্ত রোগের প্রতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষমতাকে কমিয়ে আনে। এর ফলে রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।

 

এইডস  হচ্ছে এইচ.আই.ভি.  তথা “মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস” নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি রোগলক্ষণসমষ্টি, যা মানুষের দেহে রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা তথা অনাক্রম্যতা হ্রাস করে। এর ফলে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে।

২০১৭-এর হিসাব অনুযায়ী, এইডসের জন্য বিশ্বজুড়ে ২৮.৯ মিলিয়ন থেকে ৪১.৫ মিলিয়ন মানুষ মারা গেছে, এবং আনুমানিক ৩৬.৭ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভি সংক্রামিত হয়ে বেঁচে আছে, এর ফলে এটি নথিভুক্ত ইতিহাস অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম জনস্বাস্থ্য বিষয় হিসাবে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে সাম্প্রতিক উন্নত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পৌঁছোনোর ফলে, ২০০৫ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যায় মৃত্যুর পর এইডস মহামারী থেকে মৃত্যুর হার কমেছে (২০১৬ সালে ১ মিলিয়ন, যেখানে ২০০৫ সালে ছিল ১.৯ মিলিয়ন)।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচির দুজন জনতথ্য কর্মকর্তা জেমস ডব্লু বুন এবং টমাস নেটটার দ্বারা ১৯৮৭ সালের আগস্টে প্রথম বিশ্ব এইডস দিবসের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচির (বর্তমানে আনএইডস নামে পরিচিত) পরিচালক ডঃ জোনাথন মানের কাছে বুন এবং নেটটার তাঁদের ধারণাটির কথা জানিয়েছিলেন। ডঃ মান এই ধারণাটি পছন্দ করে এটির অনুমোদন করেন এবং ১৯৮৮ সালের ১লা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবসটি প্রথম পালন করা উচিত এমন পরামর্শের সাথে একমত হন। সান ফ্রান্সিসকোর প্রাক্তন টেলিভিশন সম্প্রচার সাংবাদিক বুন, ১লা ডিসেম্বর তারিখটির সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল মার্কিন নির্বাচনের যথেষ্ট পরে কিন্তু বড়দিনের ছুটির আগে, পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমগুলি দ্বারা বিশ্ব এইডস দিবসের প্রচার সর্বাধিক হবে।
এর প্রথম দুই বছরে, বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য শিশু এবং তরুণদের লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছিল। এই প্রতিপাদ্যটি বেছে নেওয়ার সময়, কিছু ঘটনা উপেক্ষা করার কারণে এর সমালোচনা করে বলা হয়েছিল যে সমস্ত বয়সের লোকেরা এইচআইভিতে আক্রান্ত হতে পারে, প্রতিপাদ্যটি রোগটিকে ঘিরে থাকা কিছু কালিমা মোচন করতে এবং পারিবারিক রোগ হিসাবে সমস্যাটির স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করেছিল।
১৯৯৬ সালে এইচআইভি / যৌথ জাতিসংঘের এইডস সম্পর্কিত কর্মসূচি (ইউএনএআইডিএস) চালু হয়েছিল, এবং এটি বিশ্ব এইডস দিবসের পরিকল্পনা ও প্রচারের দায়িত্ব অধিগ্রহণ করে। শুধু একটি দিনে মনোযোগ না দিয়ে, আনএইডস ১৯৯৭ সালে বছরব্যাপী যোগাযোগ, প্রতিরোধ ও শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বিশ্ব এইডস অভিযান তৈরি করেছিল। ২০০৪ সালে, বিশ্ব এইডস প্রচার, একটি স্বাধীন সংগঠনে পরিণত হয়েছিল।
প্রতি বছর, পোপ জন পল দ্বিতীয় এবং দ্বাদশ বেনেডিক্ট বিশ্ব এইডস দিবসে রোগী এবং চিকিৎসকদের জন্য একটি শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করেন।

 

জেনে রাখা দরকার।

 

এইচআইভি সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু এইডস হয় না। কিন্তু যে হেতু এক বার সংক্রামক এইচআইভি শরীরে ঢুকলে তাকে পুরোপুরি দূর করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি, তাই এইচআইভি. সংক্রমণ হলে এইডস প্রায় অনিবার্য। তবে বিনা চিকিৎসায় এইডস পর্যায়ে পৌছতে যদি লাগে গড়ে দশ বছর তবে চিকিৎসার দ্বারা তাকে আরও কিছু বছর পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ‘হার্ট’ (এইচএএআরটি) নামে এইডস-এর যে কম্বিনেশন ওষুধ দিয়ে চিকিৎসাপদ্ধতি রয়েছে তা অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ। আসলে শরীর জাত অধিকাংশ তরল ক্ষরণে এইচআইভি নিষ্কৃত হয়। তবে স্নেহপদার্থের আবরণ থাকায় এইচআইভি অত্যন্ত ভঙ্গুর। তাই এইচআইভি শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বাঁচে না। এই কারণে সরাসরি রক্ত বা যৌন নিঃসরণ শরীরে প্রবেশ না করলে এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব কম। শুধুমাত্র স্পর্শ, এক সঙ্গে খাওয়া, এমনকী একই জামাকাপড় পরা, বা মশার কামড়ে কখনও এইচআইভি ছড়ায় না। তাই এইচআইভি সংক্রমণ ছোঁয়াচে নয়।

 

এইচআইভি কী ভাবে ছড়ায়।

 

ক) এইচআইভি-তে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে, বা তার ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা সূঁচ ব্যবহার করলে।

খ ) এইচআইভি-তে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গর্ভধারণের শেষ দিকে বা প্রসবের সময় হতে পারে। তবে জিডোভুডিন ওষুধ ব্যবহার করে এই সম্ভাবনা কিছুটা কম করা যায়, এবং তা করলে মায়ের দুধও বাচ্চাকে দেওয়া যেতে পারে (কারণ মার দুধ না পেলে গরিব ঘরে জন্মানো বাচ্চার মৃত্যুর সম্ভাবনা আরও বেশি)

গ) এইচআইভি-তে আক্রান্ত কারও সঙ্গে অসংরক্ষিত (কনডম ব্যবহার না করে) যৌন সম্পর্ক করলে।

 

পালনের উদ্দেশ্য 

 

বিশ্ব এইডস দিবসের মাধ্যমে এ কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, এইচআইভির প্রাদুর্ভাব এখনও বর্তমান এবং আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আবার এর প্রতি সচেতনতা গড়ে তোলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয় দিনটি। শুধু তাই নয়, এইচআইভি সংক্রান্ত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই চালানো ও এ বিষয় জনগণকে শিক্ষিত করে তোলার ওপরও জোর দেয় দিনটি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট; উইকিপিডিয়া।।

Share This