Categories
রিভিউ

আজ ১১ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১১ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – প্রমথনাথ বিশী, বাঙালি লেখক, শিক্ষাব্রতী ও সাংসদ।

১৯০৮ – জর্জ পেইন, ইংরেজ সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯১৯ – রিচার্ড টড, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৩৭ – ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ও নকশাকার গণেশ পাইন।

১৯৩৯ – র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট, ইংরেজ সাবেক প্রমীলা ক্রিকেটার।

১৯৪২ – সোমাচন্দ্র ডি সিলভা, শ্রীলঙ্কান সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৪৭ – বিহারের রাজনীতিবিদ লালু প্রসাদ যাদব।

১৯৫১ – কলিস কিং, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৬০ – মেহমেত ওজ, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, কার্ডিওথোরাসিক সার্জন, অধ্যাপক, ছদ্মবিজ্ঞান প্রবর্তক এবং লেখক।

১৯৬২ – মানো মেনেজেস, ব্রাজিলীয় সাবেক ফুটবলার ও কোচ।

১৯৬৯ – পিটার ডিংকলেজ, মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭৮ – ড্যারিল টাফি, সাবেক ও প্রথিতযশা নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৬ – মিচেল ম্যাকক্লেনাগান, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – রিচমন্ড মুতুম্বামি, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার।

১৯৯১ – স্তাফানি টেলর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার।

১৮৮৫ – উকিল মুন্সী, বাংলাদেশী বাঙালি গীতিকবি।

১৮৯৭ – রামপ্রসাদ বিসমিল, মণিপুর ষড়যন্ত্র মামলায় যুক্ত বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবী।

১৮৯৯ – নোবেলজয়ী (১৯৬৮) জাপানি সাহিত্যিক ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা।

১৫৭২ – বেন জনসন, ইংরেজ নাট্যকার, কবি এবং সাহিত্য সমালোচক।

খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ – মহান আলেকজান্ডার, গ্রীক বীর ও সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ভয়াবহ প্লাবন ও পাহাড় ধ্বসের ঘটনায় কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত হয়েছিল।

২০১৭ – চট্টগ্রামসহ রাঙামাটি ও বান্দরবানে দুই দিনের টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১২৫ জন নিহত হয়েছিল।

১৯৪২ – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৩ – রাজা পলের ব্রিটেনে রাষ্ট্রীয় সফরের প্রতিবাদে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কনস্টান্টিন কারমানসিসের পদত্যাগ।

১৯৮১ – ইরানে ভূমিকম্পে দেড় হাজার লোক নিহত ।

১৯৯১ – নোবেল শান্তি পুরস্কার ভূষিত মাদার তেরেসা বাগদাদ সফরে যান।

১৮৪৬ – মৌলবি ফরিদ উদ্দিন খাঁর সম্পাদনায় বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘জগদুদ্দীপক ভাস্কর’ প্রকাশিত হয়।

১৮৫৫ – বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে সূর্য রশ্মির বিভাজন আবিষ্কার হয়।

১৭২৭ – দ্বিতীয় জর্জ ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত।

১৭৬০ – মহীশুরের নবাব হায়দার আলির সঙ্গে ব্রিটিশদের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৭৮৮ – রাশিয়ার অভিযাত্রী গেরাসিম ইসমাইলভ আলাস্কায় পৌঁছেন।

খ্রিস্টপূর্ব ১১৮৪ – ইরাথোস থেনিস হিসাব অনুসারে ট্রোজান যুদ্ধে ট্রয় নগরীকে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

১৪২৯ – ইয়ারগু যুদ্ধের মাধ্যমে শত বছরের যুদ্ধ (হানড্রেড ইয়ার্স ওয়ার) শুরু হয়।

১৪৮৮ – চতুর্থ জেমস স্কটল্যান্ডের রাজা নিযুক্ত।

১৫০৯ – ক্যাথরিনকে ইংল্যান্ডের রাজা ৮ম হেনরির বিয়ে করেন।

১৫০৯ – ক্যাথরিনকে ইংল্যান্ডের রাজা ৮ম হেনরির বিয়ে করেন।

১৪২৯ – ইয়ারগু যুদ্ধের মাধ্যমে শত বছরের যুদ্ধ (হানড্রেড ইয়ার্স ওয়ার) শুরু হয়।

১৪৮৮ – চতুর্থ জেমস স্কটল্যান্ডের রাজা নিযুক্ত।

খ্রিস্টপূর্ব ১১৮৪ – ইরাথোস থেনিস হিসাব অনুসারে ট্রোজান যুদ্ধে ট্রয় নগরীকে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – টিমোথি ম্যাকভেই, আমেরিকান সন্ত্রাসী।

২০০৫ – ভাস্কো গনসালভস পর্তুগালের ১০৩তম প্রধানমন্ত্রী।

২০১৫ – রন মুডি, ইংরেজ অভিনেতা, গায়ক, সুরকার এবং লেখক।

২০১৬ – ডোনাল্ড কার, জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৩ – সার্বিয়ার রাজা আলেকজান্ডার ও রানী দ্রাগা বেলগ্রেডে আততায়ীর হাতে নিহত।

১৯২৭ – উইলিয়াম অ্যাটওয়েল, ইংরেজ সাবেক ঘরোয়া ক্রিকেটার।

১৯২৮ – শৈলেশ্বর বসু, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

১৯৩৬ – আমেরিকার লেখক রবার্ট ই. হাওয়ার্ড।

১৯৬২ – ছবি বিশ্বাস, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা।

১৯৭০ – লীলা নাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।

১৯৭৯ – জন ওয়েন, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৯৭ – মিহির সেন, বাঙালি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দূরগামী সাঁতারু।

১৮৫৯ – ক্লেমেন্স ভন মেটরনিখ, অস্ট্রীয় সাম্রাজ্য-এর বিদেশমন্ত্রী।

১৮৬০ – রামকমল ভট্টাচার্য, সংস্কৃত পণ্ডিত, গ্রন্থকার এবং লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১০ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৮১ – আলবি মরকেল, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – ডেভিড মিলার, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – আলেক্সান্দ্রা স্তান, রোমানীয় সঙ্গীত শিল্পী এবং সঙ্গীত লেখক।

১৯১৫ – সল বেলো, কানাডীয়-আমেরিকান লেখক।

১৯১৮ – ফররুখ আহমদ, বাঙালি কবি।

১৯২২ – জুডি গারল্যান্ড, মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী ছিলেন।

১৯৪২ – আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান: বাংলাদেশ) একজন শহীদ ছাত্রনেতা।

১৯৫৫ – প্রকাশ পাডুকোন, ভারতের অন্যতম ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়।

১৯৬০ – নন্দমুরি বলকৃষ্ণ, ভারতের তেলুগু চলচ্চিত্র শিল্পের একজন অভিনেতা।

১৯৬৫ – এলিজাবেথ হার্লি, ইংরেজ অভিনেত্রী ও মডেল।

১৯৭২ – এরিক উপশান্ত, শ্রীলঙ্কান সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৩২ – নিকোলাস অটো, জার্মান প্রকৌশলী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১- মিডিয়া সম্রাট সিলভিও বালুসকনি দ্বিতীয়বারের মতো ইতালির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

১৯০৫- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে বঙ্গীয় শিল্পকলা তথা বেঙ্গল স্কুল অব আর্ট গঠিত হয়।

১৯১৬ – হুসাইন বিন আলি উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ঘোষণা দেন।

১৯২৬- তুরস্কে সর্বশেষ জানেসারী বিপ্লবের সূচনা।

১৯৪০- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণা।

১৯৪০- উইনস্টন চার্চিল তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

১৯৭২- ভারতের প্রথম তাপানুকূল যাত্রীবাহী জাহাজ হর্ষবর্ধনের সমুদ্রযাত্রা।

১৮৮১- রাশিয়ার বিখ্যাত লেখক কাউন্ট লিও তলস্তয় চাষির ছদ্মবেশে একটি মঠের দিকে তীর্থযাত্রা শুরু করেন।

১৮৯০ – আজকের দিন রবিবার ছিল। এদিন থেকেই ভারতে সাপ্তাহিক ছুটি রবিবার নির্ধারিত হয় এবং এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

১৭৫২- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন ঘুড়ি উড়িয়ে বজ্র থেকে বিদ্যুৎ আহরণ করতে সক্ষম হন।

১৭৯০- ইংরেজ সেনাবাহিনী মালয় নামে পরিচিত বর্তমানকালের মালয়েশিয়ার ওপর হামলা চালায়।

১৬১০- গ্যালিলিও শনি গ্রহের দ্বিতীয় চক্র আবিষ্কার করেন।

১১৯০ -তৃতীয় ক্রুসেড: প্রথম ফ্রেডেরিক বারবারোসা জেরুজালেমের দিকে একটি বাহিনীর নেতৃত্ব দেয়ার সময় গোকসু নদীতে ডুবে যান।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – (ক) হাফেজ আল-আসাদ, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

(খ) – ব্রায়ান স্ট্যাদাম, ইংলিশ ক্রিকেটার।

২০০১ – লেইলা পাহলভি, ইরানের রাজকন্যা।

২০১৪ – গ্যারি গিলমোর, প্রখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

২০১৯ – গিরিশ কারনাড, ভারতীয় ভাষাবিজ্ঞানী ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

২০২১ – বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, ভারতীয় বাঙালি কবি ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯০২ – জ্যাসিন্ট ভার্ডাগুয়ের, কাতালান কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।

১৯২৬ – অ্যান্টনি গাউদি, স্প্যানিশ কাতালান স্থপতি ছিলেন।

১৯৪৮- বাঙালি লেখক অতুলচন্দ্র সেন।

১৯৪৯ – সিগ্রিড উন্ড্‌সেট, নরওয়ান ঔপন্যাসিক।

১৯৫১ – এস ওয়াজেদ আলি, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৬৫ – অতীন্দ্রনাথ বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৬৭ – স্পেন্সার ট্রেসি, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৮২ – রাইনার ভের্নার ফাসবিন্ডার, পশ্চিম জার্মান চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা এবং নাট্যকার।

১৯৮৭ – এলিজাবেথ হার্টম্যান, মার্কিন মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৯৩ – বিশিষ্ট বাঙালি বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক সুধীরনাথ সান্যাল।

১৯৯৬ – জো ভ্যান ফ্লিট, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৮৩৬ – অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার, ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৬৮- সার্বিয়ার রাজা তৃতীয় মাইকেল।

১৮৭৭ – বাংলার অগ্রগণ্য সমাজপতি মহারাজা রমানাথ ঠাকুর।

১১৯০- রোম সম্রাট ফ্রেডরিক বারবারোসা।

৭৫৪ – আস-সাফাহ, প্রথম আব্বাসীয় খলিফা।

৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – মহান আলেকজান্ডার, প্রাচীন গ্রিক রাজ্য শাসনকারী আর্গিয়াদ রাজবংশের একজন রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৯ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আর্ন্তজাতিক আর্কাইভস দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৫ – লেস পল, মার্কিন জ্যাজ, কান্ট্রি এবং ব্লুজ গিটারবাদক, গীতিকার এবং আবিষ্কারক।

১৯১৬ – রবার্ট ম্যাকনামারা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন।

১৯৩১ – নন্দিনী শতপতি, একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং লেখক ছিলেন।

১৯৪৯ – কিরণ বেদি, অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় পুলিশ পরিষেবা কর্মকর্তা এবং সামাজিক কর্মী।

১৯৬৩ – জনি ডেপ, মার্কিন অভিনতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার।

১৯৭৫ – অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৭ – উসমান আফজাল, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৮ – মিরোস্লাভ ক্লোসা, জার্মান ফুটবলার।

১৯৮১ – ন্যাটালি পোর্টম্যান, ইসরায়েলী-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – মাসুদ শোজেই, ইরানি ফুটবলার।

১৯৮৪ – ওয়েসলি স্নাইডার, ডাচ ফুটবলার।

১৯৮৫ – সোনম কাপুর, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৮৭ – মুশফিকুর রহিম, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৮৩৬ – ইংল্যান্ডের প্রথম নারী মেয়র এলিজাবেথ গ্যারেট অ্যান্ডারসন।

১৮৪৩ – বের্টা ফন জুটনার, অস্ট্রীয় ঔপন্যাসিক এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী কবি।

১৮৭৫ – হেনরি ডেল, ইংরেজ ওষুধবিজ্ঞানী ও শারীরতত্ত্ববিদ।

১৭৮১ – জর্জ স্টিফেনসন, বৃটিশ প্রকৌশলী ও লোকোমোটিভ আবিষ্কারক।

১৬৪০ – রোমান শাসক লিওপড।

১৬৭২ – রাশিয়ার প্রথম পিটার, ১৬৮২ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাশিয়া শাসন করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৫ – আমেরিকান গিটারিস্ট ‘লিস পল’ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইলেক্ট্রিক গিটারের বর্তমান রূপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯২৪ – বুলগেরিয়ায় সামরিক অভ্যুত্থানে জনপ্রিয় সংস্কারবাদী আলেঙ্গান্দার নিহত এবং তার সরকার উৎখাত।

১৯৩১ – প্রথম ডোনাল্ড ডাক কার্টুন প্রদর্শিত হয়।

১৯৪০ – নরওয়ে জার্মানির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫৬ – আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৪০০ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৫৭ – ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি ইডেন পদত্যাগ করেন।

১৯৬০ – চীনে টাইফুন মেরি আঘাত হানে। এক হাজার ৬০০ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৬৭ – ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয়ের পর মিসরের প্রেসিডেন্ট কামাল আবদেল নাসেরের পদত্যাগ।

১৯৭৩ – স্পেনে এডমিরাল রানেকা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

১৭৫২ – ভারতের ত্রিচিনোপলিতে ইংরেজদের কাছ ফরাসি সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করে।

১৫৩৫ – স্পেনীয় সৈন্যবাহিনী ল্যাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে দখল করে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ২৭৬ বছরের স্পেনীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়।

৬৮ – রোমান সম্রাট নিরো আত্মহত্যা করেন।

৫৩ – রোমান সম্রাট নিরো ক্লডিয়া অক্টাভিয়াকে বিয়ে করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – মকবুল ফিদা হুসেন, ভারতের জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী।

২০১২ – ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও কৃত্তিবাস পত্রিকার অন্যতম প্রথম সম্পাদক আনন্দ বাগচী।

২০১৫ – হেমন্ত কানিদকর, ভারতীয় ক্রিকেটার।

২০২২ – ম্যাট জিমারম্যান, কানাডিয়ান অভিনেতা।

১৯০০ – বিরসা মুন্ডা, ভারতের রাঁচি অঞ্চলের মুন্ডা আদিবাসী ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৫৮ – রবার্ট ডোনাট, ইংরেজ চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা।

১৯৫৯ – এডলফ অটো রিনহোল্ড উইনদস, নোবেলজয়ী জার্মান রসায়ন বিজ্ঞানী।

১৯৬৮ – বঙ্কিমচন্দ্র সেন, বাঙালি সাংবাদিক ও দেশ (পত্রিকা)র সম্পাদক।

১৯৮৯ – জর্জ ওয়েলস বিডেল, মার্কিন জিনবিজ্ঞানী।

১৮৩৪ – উইলিয়াম কেরী, বৃটিশ খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক ও বাংলা গদ্যরীতির প্রবর্তক।

১৮৭০ – চার্লস ডিকেন্স, ঊনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৮ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব মহাসাগর দিবস ৷

(খ) আজ আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩১৮ – রাজা দ্বিতীয় এডওয়ার্ডের কন্যা ইলিওনা প্ল্যান্টাগ্যানেট।

১৮৯৭ – বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক মণীন্দ্রলাল বসু।

১৯০৪ – বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।

১৯১৬ – ফ্রান্সিস ক্রিক, ইংরেজ পদার্থবিদ, আণবিক জীববিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী।

১৯৫৫ – টিম বার্নার্স-লি, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক।

১৯৭৫ – শিল্পা শেঠী, ভারতীয় অভিনেত্রী৷

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

 

২০০২ – বাংলাদেশ পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯২৩ – বুলগেরিয়ায় ফ্যাসিস্ট বাহিনী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ক্ষমতায় আসে।

১৯৩০ – রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারালের সিংহাসন পুনর্দখল।

১৯৩৬ – ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের নাম বদলে অল ইন্ডিয়া রেডিও রাখা হয়।

১৯৩৮ – জাপান চীনে বোমা বর্ষণ শুরু করে। চীনে জাপানের এই বোমা বর্ষণ দশ দিন ধরে অব্যাহত ছিল।

১৯৩৯ – ইংল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জর্জ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।

১৯৪৮ – ভারত-ব্রিটেন আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু।

১৯৪৯ – শ্যাম দেশের নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়।

১৯৫৩ – টর্নেডোতে মিশিগান ও ওহাইয়োতে ১১০ জনের মৃত্যু।

১৯৫৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম সাবমেরিন তৈরি করে।

১৯৬৩ – আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ধূমপানবিরোধী প্রচার শুরু করে।

১৯৬৮ – বারমুডার সংবিধান গৃহীত হয়।

১৯৬৮ – মার্কিন সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি আর্লিংটনে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

১৯৭০ – আর্জেন্টিনায় সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে।

১৯৮৮ – নাইজেরিয়ায় একনায়ক সানি আবাচারের আকস্মিক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশটিতে গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত।

১৯৯০ – ৪৪ বছরের মধ্যে চেকোশ্লোভাকিয়ায় প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ডাকলাভ হাভেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত।

১৯৯১ – পাকিস্তানের ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১০০ লোক নিহত হয়।

১৯৯২ – ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্যারিসে অবস্থানরত একজন ফিলিস্তিনী নেতাকে হত্যা করে।

১৯৯৫ – সাইপ্রাসে ৯৯% ভোটার পৃথক তুর্কী সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্রের পক্ষে রায় দেয়।

১৮৩০ – জার্মান আবিস্কারক কামবোর্জ দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন।

১৮৫৫ – পর্তূগালের রাজধানী লিসবনে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প হলে সেখানে অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং এর ফলে শহরটির অধিকাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়।

১৭০০ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুতানুটির বদলে ক্যালকাটা লেখা শুরু করে।

১৬২৪ – পেরুতে ভূমিকম্প আঘাত হানে।

১৬৫৮ – পুত্র আওরঙ্গজেব পিতা মোগল সম্রাট শাহজাহানকে ৫ দিন অন্তরীণ রেখে আগ্রা দুর্গ দখল করেন!

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১২ – সুভাষ চৌধুরী বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিক্ষক গবেষক  ও সমালোচক।

১৯৬৯ – হলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা রবার্ট টেলরের মৃত্যু।

১৯৭০ – আব্রাহাম মাসলো, একজন আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী।

১৯৯১ – বিমলকৃষ্ণ মতিলাল, বাঙালি দার্শনিক অধ্যাপক ।

১৯৯৮ – সানি আবাচা, নাইজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি।

১৮০৯ – টমাস পেইন, বৃটেনের বিখ্যাত লেখক ও দার্শনিক।

১৮৪৫ – এন্ড্রু জ্যাক্‌সন,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম রাষ্ট্রপতি।

৬৩২ – মুহাম্মাদ,ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ৮ জুন, বিশ্ব মহাসাগর দিবস, জানুন দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব।

বিশ্ব মহাসাগর দিবস হল একটি আন্তর্জাতিক দিন যা প্রতি বছর ৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।  ধারণাটি মূলত ১৯৯২ সালে কানাডার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ডেভেলপমেন্ট (ICOD) এবং ওশান ইনস্টিটিউট অফ কানাডা (OIC) আর্থ সামিটে – ইউএন কনফারেন্স অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (UNCED) ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে প্রস্তাব করেছিল।  মহাসাগর প্রকল্পটি ২০০২ সালে বিশ্ব মহাসাগর দিবসের বিশ্বব্যাপী সমন্বয় শুরু করে৷ “বিশ্ব মহাসাগর দিবস” আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৮ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছিল৷ আন্তর্জাতিক দিবসটি বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) বাস্তবায়নকে সমর্থন করে এবং সুরক্ষায় জনস্বার্থকে উৎসাহিত করে৷  সমুদ্র এবং এর সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা।

 

বিশ্ব মহাসাগর দিবস মানুষকে সমুদ্রের গুরুত্ব এবং দৈনন্দিন জীবনে তারা যে প্রধান ভূমিকা পালন করে তা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য স্মরণ করা হয়। জাতিসংঘের মতে, দিবসটি সমুদ্রের উপর মানুষের ক্রিয়াকলাপের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমুদ্রের প্রজাতির জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্দেশ্য। এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র এবং সম্পদের টেকসইতাকে উন্নীত করার জন্য সমুদ্র এবং এর সম্পদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি সমুদ্র থেকে মানবজাতির উৎসারিত বিভিন্ন সম্পদ, সেইসাথে সমুদ্র যে বিভিন্ন হুমকির সম্মুখীন হয় তা তুলে ধরার উদ্দেশ্য।

 

গোটা বিশ্বে সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত আজ বিপন্ন প্রায়। অথচ পৃথিবীতে মানব জাতির টিকে থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হল সাগর। খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে আমাদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের একটি বড় অংশ আসে মহাসাগর থেকে। তাছাড়া মহাসাগরগুলো বায়ুমণ্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। কিন্তু মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জলবায়ুর বৈরী থাবায় মহাসাগরগুলোর প্রতিবেশ ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে এর জীববৈচিত্র্য।

 

আমাদের অক্সিজেনের সবচেয়ে বড় জোগানদাতা হলো সাগর-মহাসাগর। পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় এসব সাগর-মহাসাগরকে। সমুদ্রের এই অবদান, আবেদন, প্রয়োজনীয়তা আর উপকারিতাকে স্বতন্ত্রভাবে বিশ্বের সবার সামনে তুলে ধরতে প্রতি বছর ৮ জুন পালন করা হয় বিশ্ব সমুদ্র দিবস।দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাগর-মহাসাগর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘জোয়ার পরিবর্তনে স্পন্দন হারাচ্ছে সমুদ্র’  -২০২৩।

 

ইতিহাস—

 ১৯৮৭-১৯৯২

Brundtland Commission (এছাড়াও বিশ্ব কমিশন অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট নামে পরিচিত) ১৯৮৭ Brundtland রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে অন্যান্য সেক্টরের তুলনায় সমুদ্র সেক্টরে একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বরের অভাব রয়েছে।
১৯৯২ সালে প্রথম বিশ্ব মহাসাগর দিবসে, উদ্দেশ্যগুলি ছিল সমুদ্রকে আন্তঃসরকারি এবং এনজিও আলোচনা এবং নীতির কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া এবং বিশ্বব্যাপী সমুদ্র এবং উপকূলীয় নির্বাচনী এলাকার কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা।

 

২০০২-২০০৮

 

বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রচেষ্টাগুলি The Ocean Project এবং World Ocean Network সহযোগীতার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল এবং ইভেন্টের সংখ্যা কয়েক ডজন।  এই সময়ের মধ্যে, www.WorldOceanDay.org চালু হয়েছে, সাগরের প্রোফাইল বাড়াতে এবং আমাদের নীল গ্রহের জন্য যুক্ত হওয়ার এবং একটি পার্থক্য করার সুযোগ দেওয়ার সুযোগের প্রচারে সহায়তা করতে।  ওয়েবসাইটটি ইভেন্ট সংগঠকদের তাদের সম্প্রদায়গুলিতে সাহায্য করার উপায়গুলি প্রদান করে এবং শিক্ষামূলক এবং কার্যকরী সংস্থান, ধারণা এবং সরঞ্জামগুলির প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সম্পৃক্ততা তৈরি করে, সর্বদা প্রত্যেকের জন্য তারা যে কোনও উপায়ে বিশ্ব মহাসাগর দিবস উদযাপন করতে ব্যবহার করার জন্য বিনামূল্যে।  ২০০৪ সালে, The Ocean Project এবং World Ocean Network চালু করেছে “আমাদের মহাসাগর গ্রহের জন্য একটি পার্থক্য করতে সাহায্য করুন!”  ৮ জুনকে বিশ্ব মহাসাগর দিবস হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের কাছে একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করার জন্য অনলাইন এবং ব্যক্তিগত উভয় সুযোগের সাথে।  ডিসেম্বর ২০০৮ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি ঘোষণা পাস করে।

 

বার্ষিক থিম—

 

জাতিসংঘ দিবসটির জন্য নিম্নলিখিত বার্ষিক থিমগুলি বেছে নিয়েছে:

২০০৯: “আমাদের মহাসাগর, আমাদের দায়িত্ব”

২০১০: “আমাদের মহাসাগর: সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ”

২০১১: “আমাদের মহাসাগর: সবুজ আমাদের ভবিষ্যত”

২০১২: “UNCLOS @ 30” — United Nations Convention on the Law of the Sea (UNCLOS)

২০১৩: “মহাসাগর এবং মানুষ”

২০১৪: “সমুদ্রের স্থায়িত্ব: আসুন একসাথে নিশ্চিত করি যে মহাসাগরগুলি ভবিষ্যতে আমাদের টিকিয়ে রাখতে পারে”

২০১৫: “স্বাস্থ্যকর মহাসাগর, স্বাস্থ্যকর গ্রহ”

২০১৬: “স্বাস্থ্যকর মহাসাগর, স্বাস্থ্যকর গ্রহ ⁠- একটি টেকসই গ্রহের জন্য ভ্রমণ: হোকুলে’র আগমন”

২০১৭: “আমাদের মহাসাগর, আমাদের ভবিষ্যত”

২০১৮: “আমাদের মহাসাগর পরিষ্কার করুন!”

২০১৯: “লিঙ্গ এবং মহাসাগর”

২০২০: “টেকসই মহাসাগরের জন্য উদ্ভাবন”

২০২১: “The Ocean: Life & Livelihoods”

২০২২: “পুনরুজ্জীবন: মহাসাগরের জন্য যৌথ কর্ম”

২০২৩: “প্ল্যানেট ওয়াসেন: জোয়ার পরিবর্তন হচ্ছে।

 

বিশ্বের খাদ্য ও ওষুধের অন্যতম ভাণ্ডার এই মহাসাগর। ফলে যেভাবেই হোক রক্ষা করতেই হবে সমুদ্রকে। পৃথিবীর মোট ৭০ শতাংশেরও বেশি অংশ জুড়ে রয়েছে মহাসাগর। পৃথিবীর প্রায় ৯৪ শতাংশ প্রাণী প্রজাতি বাস করে সমুদ্রের নীচে!মহাসাগরগুলি পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশ অক্সিজেন উৎপাদন করে। কারণ সমুদ্রের নীচে থাকা সামুদ্রিক প্রজাতিই এই অক্সিজেন উৎপাদন করে।

 

তাই বিশ্বের পরিবেশ সুরক্ষার কাজে মহাসাগরের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে মহাসাগরের তুলনা নেই। আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবসে যাতে আমরা মহাসাগরের গুরুত্ব আরো বেশি করে উপলব্ধি করতে পারি সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার একটি বিশেষ দিন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

“বিশ্ব পরিবেশ দিবস” সম্পর্কে দুটি কথা : কলমেঃ দিলীপ রায় (+৯১ ৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)।

“আজ বাঁচাও সবুজ, জাগাও সবুজ,
ঘোচাও হিংসার রেশ
মনের সবুজ বাঁচলে তবেই
বাঁচবে এ পরিবেশ ।“

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য হলো, দিবসটি বিশ্বের বা একটি নির্দিষ্ট দেশের সম্মুখীন পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করতে পালন করা ।
প্রথমেই আমরা জেনে নিই, পরিবেশ কাকে বলে । উদ্ভিদ, মানুষ যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্যে জীবন যাপন করে এবং যে দৃশ্য ও অদৃশ্য উপাদান মানুষের জীবন জীবিকার উপর প্রভাব বিস্তার করে — সম্মিলিতভাবে তাকে পরিবেশ বলে ।
মানুষের চারিদিকে যে প্রাকৃতিক ও মানবিক স্পর্শ রয়েছে যাদের ছাড়া মানুষের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, সেসব বিষয়গুলিকে একত্রিতভাবে বলা হয় পরিবেশ ।
সোজা কথা – আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই আমাদের পরিবেশ । অর্থাৎ মাটি, জল, বায়ু, গাছপালা, জীবজন্তু, ইত্যাদি আমাদের পরিবেশ । পরিবেশ সম্পর্কে মাসটন বেটস্‌ বলেছেন, “পরিবেশ হলো সেসব বাহ্যিক অবস্থার সমষ্টি যা জীবনের বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে ।“
এবার দিবসটির ইতিহাসের দিকে নজর দেওয়া যাক । ১৯৬৮ সালের ২০শে মে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার । চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাঁদের গভীর উদ্বেগের কথা । সে বছরই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের আলচ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয় । পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে সদস্য রাষ্ট্রগুলীর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালে ৫ থেকে ১৫ জুন জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায় । ১৯৭৪ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ই জুনকে জাতিসংঘ “পরবেশ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস । প্রতি বছর ৫ জুন ‘পরিবেশ’ দূষণের হাত থেকে এ বিশ্বকে বাঁচানোর অঙ্গীকার নিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে । বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস ।
প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিকমতো বজায় রেখে মানুষ যাতে এই পৃথিবীর বুকে অন্যান্য সমস্ত জীবের সাথে একাত্ম হয়ে এক সুন্দর পরিবেশে বেঁচে থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাই বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল উদ্দেশ্য ।
এবার আসছি পরিবেশবিদরা কী বলছেন ? বিভিন্ন পরিবেশবিদরা বলছেন, পর্যাপ্ত গাছের অভাবে জলের বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেছে, এর ফলে এখানে মাইক্রোক্লাইমেট তথা আশেপাশের এলাকা থেকে ভিন্ন জলবায়ু পরিস্থিতি বিরাজ করছে । গাছ না লাগালে আগামী ২০বছর পর এখানে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দিতে পারে ।
অনেক পরিবেশবিদরা বলছেন, গাছ মূলত ‘বাষ্পমোচন ও ঘনীভবন’ — এই দুটি প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি আনতে সাহায্য করে । গাছ তার শোষিত জলের ১০ শতাংশ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহার করে । আর বাকী ৯০ শতাংশই প্রকৃতিতে বাষ্পমোচন করে দেয় । এতে বাতাসে ভাসমান জলীয়কণার পরিমান বাড়ে, যা বৃষ্টির প্রধান উপাদান । বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এখন গাছও কম, তাই বৃষ্টি কম ।
“দূষণ মুক্ত সবুজ পৃথিবী গড়তে
গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান ।“
এখানে একটি ঘটনার উল্লেখ না করে পারলাম না । জানেন কি, এক টাকাও খরচ না করে দেশের স্বচ্ছতম নদীর তকমা পেয়েছে মেঘালয়ের এক পাহাড়ি নদী । শুধুমাত্র স্থানীয় মানুষের সচেতনতার ফল । মেঘালয়ের পশ্চিম জয়ন্তিয়া পাহাড় জেলায় অবস্থিত ছোট্টো পরিচ্ছন্ন এবং তকতকে শহর ডাউকি । ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত ডাউকি কিন্তু দেশের আর পাঁচটা সীমান্তের মতো সবসময় উত্তপ্ত থাকে না । পরিবেশ যেন সর্বদাই মনোরম। যদিও সেনা টহল সবসময় । ডাউকির কাছেই অবস্থিত এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাওলিনং । ডাউকির সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হল উমঙ্গট নদী ।
অথচ গঙ্গা দূষণ রোধে ও পরিবেশ রক্ষায় না জানি ভারত সরকার কত হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাচ্ছে ! অথচ ফল কী হচ্ছে, আজও মানুষেরা অজানা !
এবছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম – প্লাস্টিক-দূষণ মোকাবিলার পথ সন্ধান করা । ২০২৩ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো “প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে সামিল হই সকলে ।“ দিবসের স্লোগান নির্ধারন হয়েছে, “সবাই মিলে করি পণ, বন্ধ হবে প্লাস্টিক দূষণ ।“ দেশের সুশীল নাগরিক সমাজও পরিবেশ দিবসের স্লোগানের সাথে সামিল হন, আবেদন রইলো । (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত)
——-০———–

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব সাইকেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৬০ – কার্ল রেকেম্যান, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৬৬ – ওয়াসিম আকরাম, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৬৮ – সাফ্রন, ইংরেজ গায়িকা।

১৯৮২ – ইয়েলেনা ইসিনবায়েভা, ভলগোগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী রাশিয়ার বিখ্যাত প্রমিলা পোল ভল্টার।

১৯৮৫ – উকাশ পিশ্চেক, পোল্যান্ডের একজন পেশাদার ফুটবলার।

১৯৮৬ – রাফায়েল নাদাল, স্পেনের একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯১ – উকাশ তেওদোর্চেক, পেশাদার ফুটবলার।

১৯৯২ – মারিও গোটজে, জার্মান ফুটবলার।

১৮৯১ – ভারতীয় বাঙালি বিপ্লবী ও কমিউনিস্ট নেতা অবনীনাথ মুখোপাধ্যায়।

১৯০৬ – জোসেফিন বেকার, আমেরিকান বংশদ্ভুত ফ্রেন্স নৃত্যশিল্পী, সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেত্রী।

১৯০৬ – ওয়াল্টার রবিন্স, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফুটবলার।

১৯১০ – পলেট গডার্ড, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং মডেল।

১৯১১ – এলেন কর্বি, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯১৯ – ছায়া দেবী(চট্টোপাধ্যায়), প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯২০ – অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার, বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি’র ভূতপূর্ব সভাপতি।

১৯২৪ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক এবং তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯২৫ – টনি কার্টিস, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯২৬ – অ্যালেন গিন্সবার্গ, মার্কিন কবি এবং লেখক।

১৯২৮ – জন রিচার্ড রিড, সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৩১ – রাউল কাস্ত্রো, কিউবার রাষ্ট্রপতি এবং ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই।

১৭২৩ – জিওভান্নি আন্তোনিও স্কোপোলি, তাইরলীয় চিকিৎসক ও প্রকৃতিবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

 

২০০০ – মন্টেনিগ্রো কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা।

২০১০ – রাজধানী ঢাকার নিমতলি মহল্লায় অগ্নিকাণ্ডে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়।

১৯১৫ – ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯৩৬ – অবিভক্ত ভারতের সিভিলিয়ান রেডিওর নাম পরিবর্তন করে অল ইন্ডিয়া রেডিও নামকরণ।

১৯৪০ –  (ক) ব্যাটল্‌ অব ডানকার্ক।

(খ)  – জার্মান বিমানবাহিনী ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।

(গ) – সিঙ্গাপুর বৃটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৬ – ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতারা ব্রিটিশ সরকার প্রস্তাবিত ভারত বিভাজন প্রস্তাব মেনে নেন।

১৯৪৭ – বৃটিশ সরকার ভারত বিভাগের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

১৯৪৯ – আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৯ – ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৭১ – জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে হানাদার বাহিনীর অত্যাচার মানব ইতিহাসের সর্বাধিক বিষাদময় ঘটনা।

১৯৭৮ – বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয় লাভ করে।

১৯৮৪ – ভারত সরকার শিখদের পবিত্র হরমন্দির সাহিব দখলের জন্য অপারেশন ব্লু স্টার শুরু করে; এটি ৮ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

১৯৮৯ – চীন সরকার তিয়েনআনমেন স্কয়ার থেকে অবরোধকারীদের বিতারণের জন্য সেনা প্রেরণ করে।

১৯৯৯ – যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোভেদান মিলোশোভিচ কোসভো থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে সম্মত হয়।

১৭৮৯ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় লবণ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে।

১৬৬৫ – ডিউক অব ইয়র্ক জেমস স্টুয়ার্ট ওলন্দাজ নৌ-রণতরীকে পরাজিত করেন।

১৬৬৫ – লোয়েস্টফটের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে ওলন্দাজদের পরাজয়।

১৫০২ – পর্তুগীজ নৌ অভিযাত্রী ভাস্কো-দা-গামা ভারতের কালিকট বন্দরে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো।

১০৯৮ – খ্রিস্টানদের এন্টিয়ক দখল। ১৩ হাজার মুসলমানকে হত্যা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – অ্যান্থনি কুইন, মার্কিন অভিনেতা।

২০১৪ – প্রবীণ সাংবাদিক বেনজীর আহমেদ।

২০১৫ – সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী বিজয়া রায়।

২০১৬ – মোহাম্মদ আলী, মার্কিন বক্সার।

২০২০ – বলিউডের বিশিষ্ট গীতিকার আনোয়ার সাগর।

১৯০৮ – গোপাল সেনগুপ্ত, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯২৪ – ফ্রান্‌ৎস কাফকা, জার্মান ও চেক উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।

১৯৬১ – কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৯৬৩ – (ক)  নাজিম হিকমত, তুর্কি কবি এবং লেখক।

(খ) – ধর্মগুরু ত্রয়োদশ পোপ জনের মৃত্যু।

১৯৬৯ – মুহম্মদ আবদুল হাই, বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।

১৯৭৭ – আর্চিবাল্ড ভি. হিল, ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ।

১৯৭৫ – এইসাকু সাতো, জাপানী রাজনীতিবিদ।

১৯৮৪ – ঐতিহাসিক আবু মহামেদ।

১৯৮৭ – রুহুল্লাহ্‌ খামেনেই, ইরানি ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯০ – রবার্ট নয়েস, আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী এবং ইন্টেল কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

১৬৫৭ – উইলিয়াম হার্ভে, ইংরেজ চিকিৎসক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ মে, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৯ মে। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।

(খ) সেনাবাহিনী দিবস (আর্জেন্টিনা)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬৩০ – দ্বিতীয় চার্লস ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডের রাজা।

১৮৬০ – স্যার মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী, কাশিমবাজারের মহারাজা ও মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব।

১৮৬৫ – রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়, ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সাহিত্যিক ও ‘প্রবাসী’ ও ‘মডার্ন রিভিউ’ এর সম্পাদক।

১৮৬৮ – দ্বিতীয় আবদুল মজিদ, সর্বশেষ উসমানীয় খলিফা।

১৮৯৪ – ইয়োজেফ ফন স্টার্নবের্গ, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৮৯৬ – স্টেলা ক্রামরিশ, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইতিহাসবিদ ও কিউরেটর যিনি মূলত ভারতীয় শিল্পের ইতিহাস নিয়ে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

১৯০৩ – বব হোপ, মার্কিন কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা, গায়ক, নৃত্যশিল্পী, মল্লক্রীড়াবিদ ও লেখক।

১৯০৫ – হীরাবাঈ বরোদাকর, হিন্দুস্তানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৯১৪ – তেনজিং নোরগে, নেপালী শেরপা, এডমন্ড হিলারির সাথে যৌথভাবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।

১৯১৭ – জন এফ. কেনেডি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম রাষ্ট্রপতি।

১৯২১ – বিশিষ্ট বাঙালি শিল্প ব্যক্তিত্ব সাধন দত্ত।

১৯২৫ – অমলেন্দু বিশ্বাস, বাংলাদেশী যাত্রা অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯২৯ – দ্বিজেন শর্মা, বাংলাদেশী প্রকৃতিবিদ।

১৯২৯ – পিটার হিগস, ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ এবং এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যামিরেটাস অধ্যাপক।

১৯৪০ – ফারুক আহমদ খান লেগারি, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং অষ্টম প্রেসিডেন্ট।

১৯৪১ – অরুণাভ সরকার, বাংলাদেশী কবি, কলাম লেখক, সাহিত্য সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৫২ – হুমায়ুন ফরিদী, বাংলাদেশী অভিনেতা।

১৯৮৪ – নিয়া জ্যাক্স, মার্কিন পেশাদার কুস্তিগীর, মডেল এবং বডিবিল্ডার।

১৯৯৩ – মাইকা মনরো, মার্কিন অভিনেত্রী এবং পেশাদার কাইটবোর্ডার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩২৮ – ফিলিপ-৫ ফ্রান্সের রাজমুকুট গ্রহণ করেন।

১৪৫৩ – কনস্টান্টিনোপল বিজয়: সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদের নেতৃত্বে উসমানীয় সেনারা ৫৩ দিন অবরোধের পর বাইজেন্টাইন রাজধানী কনস্টান্টিনোপল জয় করে এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে।

১৭২৭ – দ্বিতীয় পিটার রাশিয়ার জার হন।

১৮০৭ – মোস্তফা চতুর্থ কর্তৃক তুরস্কের সুলতান সেলিম তৃতীয় ক্ষমতাচ্যুত।

১৮৭৪ – সুইজারল্যান্ডে সংবিধান কার্যকর হয়।

১৯০৩ – সার্বিয়ার রাজা আলেকজান্ডার আর্বেনোভিচ সস্ত্রীক নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে নিহত।

১৯৩৪ – তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোসফের স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি অনুযায়ী, কিউবারের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বাতিল করা হয়।

১৯৩৫ – হেগ জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়।

১৯৩৭ – স্পেনে গৃহযুদ্ধ চলার সময় রিপাবলিকানদের জঙ্গী বিমান জার্মানীর একটি জাহাজে আঘাত হানে।

১৯৪৮ – আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধ বিরতির জন্য জাতিসংঘের পরিচালিত প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন।

১৯৫৩ – তেনজিং নরগেএবং এডমন্ড হিলারী যৌথভাবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন। দু জনের মধ্যে তেনজিং নরগে প্রথমে শৃঙ্গে উঠেছিলেন।

১৯৫৪ – পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক এ.কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

১৯৫৯ – শার্ল দ্য গোল ফ্রান্সে জাতীয় নিরাপত্তামূলক সরকার গঠন করেন।

১৯৬৩ – ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশে ২২ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৬৮- ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাব ইউরোপিয়ান কাপ জয় করে।

১৯৭২ – তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিকসেন সৌভিয়েত ইউনিয়নে তার এক সপ্তাহব্যাপী সফর করেন।

১৯৯০ – বরিস ইয়েলৎসিন রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৯০ – কর্ণফুলি সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।

১৯৯১ – ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯৩ – চতুর্থ এশিয়া-প্যাসিফিক রেড ক্রস সম্মেলন পেইচিংএ সমাপ্ত হয়।

১৯৯৬ – কায়রোতে ৭টি আরব দেশের পরিবেশ সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ – বেনজামিন নেতানিয়াহু ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৫৯ – ডেনমার্কের রাজা দ্বিতীয় ক্রিস্টোফার।

১৪৫৩ – উলুবাতলি হাসান, অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদের অধীনস্থ একজন তিমারলি সিপাহি।

১৮২৯ – হামফ্রে ডেভি, ব্রিটিশ আবিষ্কারক এবং প্রখ্যাত রসায়নবিদ।

১৮৯২ – বাহাউল্লাহ, বাহাই ধর্ম-এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪২ – জন ব্যারিমোর, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৭১ – পৃথ্বীরাজ কাপুর, ভারতের থিয়েটার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ও ভারতীয় গণনাট্য সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ।

১৯৭৭ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, একজন ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৭৯ – ম্যারি পিকফোর্ড, কানাডীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯৮১ – চীনের মহান বিপ্লবী পথিকৃৎ ড: সান ইয়াত সেনের বিধবা সন ছিং লিন।

১৯৮৭ – চৌধুরী চরণ সিং, ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ভারতের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

২০০৪ – আঞ্জুমান আরা বেগম, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

২০১০ – ডেনিস হপার, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, আলোকচিত্রী ও চিত্রশিল্পী।

২০১৭ – মানুয়েল নরিয়েগা, পানামার সাবেক রাজনীতিবিদ ও সৈনিক।

২০২১ – (ক) ‘টারজান’ খ্যাত হলিউড তারকা জো লারা।

(খ ) বিষ্ণুপুর ঘরানার কিংবদন্তি ধ্রুপদী সঙ্গীত শিল্পী ড.দেবব্রত সিংহ ঠাকুর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস, কেন পালিত হয় জানুন।

বিশ্ব কচ্ছপ দিবস প্রতি বছর ২৩ মে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় কচ্ছপদের বেঁচে থাকতে এবং তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানে উন্নতি করতে সহায়তা করার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে। এই বিশেষ দিনটি আমেরিকান কচ্ছপ রেসকিউ (ATR), একটি অলাভজনক সংস্থা দ্বারা ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ATR একটি স্বামী এবং স্ত্রী জুটি, সুসান টেলেম এবং মার্শাল থম্পসন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
এই সংস্থায়, তারা কচ্ছপ এবং কচ্ছপের সমস্ত প্রজাতিকে উদ্ধার ও পুনর্বাসন করে, যারা ঝুঁকিপূর্ণ, বিপন্ন বা সমালোচনামূলকভাবে বিপন্ন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে, ATR কেয়ার হোমে প্রায় ৪০০০ কাছিম এবং কচ্ছপের যত্ন নিয়েছে। তারা অসুস্থ, অবহেলিত বা পরিত্যক্ত কচ্ছপদের তথ্য সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

 

বিশ্ব কচ্ছপ দিবস হল একটি বার্ষিক ইভেন্ট যা ২০০০ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি আমেরিকান কচ্ছপ রেসকিউ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বিশ্ব কচ্ছপ দিবসের উদ্দেশ্য হল কচ্ছপ এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষা করতে তারা কী করতে পারে সে সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করা।  এই সরীসৃপগুলি দৈনিক ভিত্তিতে এত লোকের জন্য যে আনন্দ নিয়ে আসে তারও এটি একটি উদযাপন।
সারা বিশ্বে দিনটি নানাভাবে পালিত হয়।  অনেক লোক আছে যারা কচ্ছপের মতো পোশাক পরে আবার অন্যরা কেবল সবুজ কিছু পরার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।  লোকেরা এমন প্রকল্পগুলিতে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকে যা তাদের স্থানীয় এলাকায় বসবাসকারী কচ্ছপদের উদ্ধার করতে সহায়তা করে।
এছাড়াও এমন অনেক সংস্থান রয়েছে যা স্কুলগুলিতে উপলব্ধ করা হয়েছে যা শিক্ষকরা বিশ্ব কচ্ছপ দিবসকে ঘিরে পাঠ তৈরি করতে ব্যবহার করতে পারেন।  কচ্ছপ এবং কাছিম যে হুমকির সম্মুখীন হয় সে সম্পর্কে ভবিষ্যত প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।  এটি এমন কিছু যা শিশুরা এতে জড়িত হওয়া উপভোগ করে।
আমেরিকান টর্টোইস রেসকিউ (এটিআর) ১৯৯০ সালে স্বামী এবং স্ত্রীর দল সুসান টেলেম এবং মার্শাল থম্পসন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  এটি একটি অলাভজনক সংস্থা যা সমস্ত প্রজাতির কাছিম এবং কচ্ছপকে উদ্ধার করে এবং পুনর্বাসন করে।  এই প্রাণীগুলি যে পরিবেশে বাস করে সেগুলিকে রক্ষা করার জন্য এটি অনেক কাজ করে।  তারা সর্বদা প্রাণীদের জন্য নতুন বাড়ি খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে কিন্তু যদি এটি সম্ভব না হয় তবে তারা এটিআর-এর যত্নে থাকবে।

5টি বিপন্ন কচ্ছপ প্রজাতি—

 

১। বিকিরিত কচ্ছপ- দক্ষিণ মাদাগাস্কারের স্থানীয় বিকিরিত কাছিম। একসময় সমগ্র দ্বীপ জুড়ে প্রচুর পরিমাণে, প্রজাতিটি এখন আইইউসিএন দ্বারা গুরুতরভাবে বিপন্ন। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে প্রজাতিটি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হতে পারে।
২। অ্যাঙ্গোনোকা কচ্ছপ- অ্যাঙ্গোনোকা কাছিম শুধুমাত্র উত্তর-পশ্চিম মাদাগাস্কারের উপসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। সমালোচনামূলকভাবে বিপন্ন হিসাবে তালিকাভুক্ত, অ্যাঙ্গোনোকা কচ্ছপের বর্তমান বন্য জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ২০০ প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

৩। ফিলিপাইন ফরেস্ট টার্টল- এই প্রজাতিটি শুধুমাত্র ফিলিপিনো দ্বীপ পালাওয়ানে পাওয়া যায়। সমালোচনামূলকভাবে বিপন্ন হিসাবে তালিকাভুক্ত, ফিলিপাইন ফরেস্ট কচ্ছপ বহিরাগত প্রাণী সংগ্রাহকদের দ্বারা অত্যন্ত মূল্যবান।
৪। পেইন্টেড টেরাপিন- এগুলি ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়। পেইন্টেড টেরাপিন শুধুমাত্র সমালোচনামূলকভাবে বিপন্ন নয় বরং পৃথিবীর সবচেয়ে বিপন্ন ২৫ টি স্বাদু পানির কচ্ছপের মধ্যে একটি হিসেবেও তালিকাভুক্ত।
৬। হলুদ মাথার বাক্স কচ্ছপ- এরা মধ্য চীনের আনহুই প্রদেশের অধিবাসী। আইইউসিএন দ্বারা সমালোচিতভাবে বিপন্ন হিসাবে তালিকাভুক্ত, হলুদ মাথার বক্স কচ্ছপকে বিশ্বের ২৫টি সবচেয়ে বিপন্ন প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

 

জাতীয় কাছিম দিবস/ কচ্ছপ দিবস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য—-

 

জাতীয় কাছিম দিবস/ কচ্ছপ দিবস কি?

 

জাতীয় বিশ্ব কচ্ছপ দিবস, কখনও কখনও বিশ্ব কাছিম দিবস বা জাতীয় কাছিম দিবসও বলা হয়, এমন একটি দিন যা কচ্ছপ এবং কাছিম উদযাপনের জন্য তৈরি করা হয়।  এটি প্রতি বছর ২৩শে মে সারা বিশ্বের দেশে পালিত হয়।  এর মূল উদ্দেশ্য হল এই সুন্দর প্রাণীদের মুখোমুখি হওয়া সমস্যাগুলি সম্পর্কে আরও বেশি লোককে সচেতন করা, কচ্ছপ এবং কচ্ছপদের রক্ষা করতে এবং বন্যের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকার হার বাড়ানোর জন্য আরও মানবিক পদক্ষেপকে অনুপ্রাণিত করা।  এটি একটি অলাভজনক সংস্থা যা সমস্ত প্রজাতির কাছিম এবং কচ্ছপকে উদ্ধার ও পুনর্বাসন করে।  বিশ্বজুড়ে মানুষ বিভিন্ন উপায়ে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস উদযাপন করে।

 

 বিশ্ব কচ্ছপ দিবস প্রথম কবে পালিত হয়?

 

বিশ্ব কচ্ছপ দিবস ১৯৯০ সালে আমেরিকান কচ্ছপ উদ্ধার (ATR) দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর দল সুসান টেলেম এবং মার্শাল থম্পসন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত একটি প্রাণী উদ্ধার সংস্থা যারা কচ্ছপ এবং কাছিম সংরক্ষণে নিবেদিত।
ATR প্রতি বছর ২৩শে মে বিশ্ব কচ্ছপ দিবসকে স্পনসর করেছে এবং এটি এখন সারা বিশ্বের কচ্ছপদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রজাতি সচেতনতা দিবসগুলির মধ্যে একটি।

 

 প্রথম জাতীয় কাছিম/কচ্ছপ দিবস কবে?

 

২০০২ সালে এটিআর (আমেরিকান কচ্ছপ উদ্ধার) দ্বারা প্রথম বিশ্ব কচ্ছপ দিবস পালিত হয়।

 

 কেন আমরা বিশ্ব কচ্ছপ দিবস উদযাপন করি?

 

আমরা কচ্ছপ এবং কাছিম সম্পর্কে আরও মনোযোগ আকর্ষণ এবং জ্ঞান বাড়াতে জাতীয় কাছিম দিবস উদযাপন করি।  কচ্ছপগুলি উজ্জ্বল প্রাণী যা বেশিরভাগই বসে থাকা মনে হতে পারে তবে খুব আকর্ষণীয়।  তারা বিশ্বের প্রাচীনতম সরীসৃপ গোষ্ঠীগুলির মধ্যে একটির অন্তর্গত – যা তাদের সাপ, কুমির এবং কুমিরের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বয়স্ক করে তোলে।  এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা কচ্ছপ এবং কচ্ছপের জনসংখ্যার গবেষণা ও সুরক্ষা করি, কারণ তারা আমাদের সমুদ্র সৈকতকে পরিষ্কার রাখে মৃত মাছগুলিকে খাওয়ানোর মাধ্যমে যা উপকূলে ধুয়ে যায় এবং আমাদের মহাসাগরে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখে।
এই প্রাণীগুলি ২০০ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরের সময়কালের।  সমগ্র বিশ্বে মোট ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে, যার মধ্যে ১২৯ প্রজাতিই বিপন্ন।  তাই, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে কচ্ছপদের তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে বেঁচে থাকতে এবং উন্নতি করতে সাহায্য করার জন্য, প্রতি বছর বিশ্ব কচ্ছপ দিবস পালিত হয়।

 

 আমি কিভাবে শিশুদের সাথে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস উদযাপন করতে পারি?

 

বিশ্বজুড়ে মানুষ বিভিন্ন উপায়ে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস উদযাপন করে।  মানুষ কচ্ছপ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রমের আয়োজন করে।  কিছু মানুষ এই দিনে রাস্তা-মহাসড়ক থেকে কচ্ছপদের উদ্ধার করে তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেয়।  আপনি শিশুদের সাথে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস বা জাতীয় কাছিম দিবস পালন করতে পারেন এমন অনেক মজার এবং সহজ উপায় রয়েছে!
কচ্ছপের মতো সাজানো বা গ্রীষ্মের সবুজ পোশাক পরা থেকে শুরু করে, মহাসড়কে ধরা কচ্ছপগুলিকে বাঁচানো, গবেষণা কার্যক্রম পর্যন্ত, উদযাপন করার অনেক উপায় রয়েছে।
দিনটি উদযাপনের একটি মজার উপায় হল কচ্ছপ বা কাছিমের মতো সাজানো।  অথবা, একটি সহজ ড্রেস-আপ বিকল্পের জন্য, আপনি দিনটি স্মরণ করতে এবং সচেতনতা বাড়াতে আপনার ক্লাস বা স্কুলের বাচ্চাদের সবুজ কিছু পরতে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
বিশ্ব কচ্ছপ দিবসে আরেকটি দুর্দান্ত জিনিস হল এমন একটি দাতব্য সংস্থার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যা একটি বেক সেল নিক্ষেপ করে বা স্পনসরড হাঁটার মাধ্যমে কচ্ছপদের সাহায্য করে, উদাহরণস্বরূপ।
বিশ্ব কচ্ছপ দিবসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হল কচ্ছপ সম্পর্কে আরও তথ্য জানা এবং প্রজাতি সম্পর্কে মানুষের সম্মান এবং জ্ঞান বাড়াতে অন্যদের সাথে তথ্য ভাগ করা।  এটি করার জন্য, কেন আমাদের একটি দুর্দান্ত বিশ্ব কচ্ছপ দিবসের শিক্ষার সংস্থান ব্যবহার করবেন না, শিশুদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত?

কচ্ছপ এবং কচ্ছপের কার্যকলাপ প্যাক – বড় বাচ্চাদের সাথে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস উদযাপন করতে এই আকর্ষক কার্যকলাপ প্যাকটি ব্যবহার করুন।  এটি কারুশিল্প, রঙিন শীট এবং ওয়ার্কশীটগুলিতে পূর্ণ যাতে বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখা যায় যখন তারা মহিমান্বিত প্রাণীগুলি সম্পর্কে শেখে।

ওয়ার্ল্ড টার্টল ডে ফ্যাক্ট শীট – এই ফ্যাক্ট শীটটি প্রিন্ট করার জন্য প্রস্তুত এবং বয়স্ক বাচ্চাদের সাথে কচ্ছপ সংরক্ষণের জ্ঞান সম্প্রসারিত করার জন্য এবং তাদের সুরক্ষার জন্য আমরা কী করতে পারি তা জানাতে।

মহাসাগরের দূষণ: একক ব্যবহার প্লাস্টিক পাওয়ারপয়েন্ট – এই পাওয়ারপয়েন্টটি শিশুদের (৭ থেকে ১১ বছর বয়সী) সাথে শেয়ার করার জন্য আদর্শ যা তাদের সারা বিশ্বে প্লাস্টিক দূষণের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলি বুঝতে সাহায্য করে এবং এটি কীভাবে কচ্ছপকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে৷  আপনার স্থানীয় এলাকায় প্রকৃত পরিবর্তনকে অনুপ্রাণিত করার জন্য, আপনি এমনকি শিশুদের তাদের স্থানীয় এমপিকে লিখতে উত্সাহিত করতে প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে এই চিঠির টেমপ্লেটটি ব্যবহার করতে পারেন।

আমাদের সমস্ত টুইঙ্কল সংস্থানগুলি আমাদের ডিজাইনারদের বিশেষজ্ঞ দল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং শিক্ষকদের দ্বারা পরীক্ষা করা হয়েছে৷  এর মানে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে তারা শ্রেণীকক্ষে জড়িত এবং পাঠ্যক্রম অনুসরণ করছে।

কচ্ছপের চেয়ে মানবতার প্রিয় প্রাণী খুব কমই আছে।  এই খোলসযুক্ত প্রাণীগুলি বিশ্বের কার্যত সমস্ত কোণে পাওয়া যেতে পারে এবং উপমা, পৌরাণিক কাহিনী এবং সমস্ত ধরণের জনপ্রিয় মিডিয়াতে তাদের পথ খুঁজে পেয়েছে।
বিশ্ব কচ্ছপ দিবস শুধুমাত্র কচ্ছপদের প্রতি ভালবাসা এবং ভক্তি দেখানোর জন্য নয় বরং আমরা তাদের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন আবাসস্থল রক্ষা করতে পারি তাও নিশ্চিত করা।

কচ্ছপ এবং কাছিম এর মধ্যে পার্থক্য কী তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।  যদিও তারা উভয়ই একই পরিবারের অন্তর্গত, কচ্ছপরা তাদের সময় জলের কাছাকাছি বা জলে কাটায় যখন কচ্ছপ প্রাথমিকভাবে স্থল প্রাণী।
কচ্ছপ এবং কাছিম উভয়ই এমন প্রাণী যারা তাদের নিজ নিজ বাস্তুতন্ত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে।  অন্যান্য প্রাণীর বাসযোগ্য গর্ত খনন করা হোক বা সৈকত থেকে মৃত মাছ পরিষ্কার করা হোক না কেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ মে, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১৯মে। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৫ – (ক) পল পট, কম্বোডিয়ার খেমাররুজ দলের নেতা।

(খ) – ম্যালকম এক্স, আফ্রিকান-মার্কিন মুসলিম রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় নেতা।

১৯৩৪ – রাস্কিন বন্ড, ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক।

১৯৩৮ – গিরিশ কারনাড, ভারতীয় ভাষাবিজ্ঞানী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক ।

১৯৪৬ – আন্দ্রে দি জিয়ান্ট, ফরাসী বংশোদ্ভূত আমেরিকান পেশাদার কুস্তিগির এবং অভিনেতা।

১৯৭৪ – নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৭৯ – (ক) আন্দ্রেয়া পিরলো, ইতালীয় পেশাদার ফুটবলার।

(খ) – দিয়েগো ফরলান, উরুগুয়ের জাতীয় ফুটবল দলের একজন খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – অ্যালিস্টার ব্ল্যাক, ওলন্দাজ পেশাদার কুস্তিগীর।

১৯৯২ – মার্শমেলো, মার্কিন ইলেকট্রনিক সঙ্গীত প্রযোজক এবং ডিজে।

১৯০৮ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

১৯১০ – অ্যালান মেলভিল, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯১৩ – নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।

১৯১৪ – ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতয, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ আণবিক জীববিজ্ঞানী।

১৯২২ – অমর পাল,ভারতের বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লেখক।

১৮৭৪ – গিলবার্ট জেসপ, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৮৮১ – তুরষ্কের প্রথম রাষ্ট্রপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।

১৮৯০ – হো চি মিন,ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ও গণপ্রজাতন্ত্রী ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী।

১৭৬২ – ইয়োহান গটলিব ফিকটে, জার্মান দার্শনিক।

১৭৭৩ – সিসমন্দি, জেনেভায় জন্মগ্রহণকারী অর্থনীতিবিদ ও লেখক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – প্রথম অ্যাপল রিটেইল স্টোর উদ্ভোধন।

২০১৯ – বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু।

১৯৩০ – দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ মহিলাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ।

১৯৩৬ – বৃটিশ আবিষ্কারক ওয়াটসন ওয়াট রাডার নির্মাণ করেন।

১৯৪৩ – তৎকালীন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাংকলিন রুজভেল্ট ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের উপকূল নর্মান্ডিতে মিত্রপক্ষের সৈন্য অবতরণের একটি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

১৯৫৪ – ভারত-মার্কিন সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬১ – আসামের বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারি ভাষার মর্যাদার দাবিতে বাংলা ভাষা আন্দোলন (বরাক উপত্যকা)-এ প্রাদেশিক পুলিশের গুলিতে ১১ জন শহীদ হন।

১৯৮০ – পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি হতে প্রথম উত্তরবঙ্গ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

১৯৮৯ – বেজিংয়ে সামরিক শাসন জারি।

১৯৯১ – সাবেক যুগশ্লাভিয়াভুক্ত ক্রোয়েশিয়ীদের স্বাধীনতার জন্য গণভোট।

১৯৯৩ – মেডেলিনে কলম্বিয়া জেটলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ১৩২ জন নিহত।

১৯৯৪ – মালাবিতে প্রথম বহুদলীয় নির্বাচনে বাকিলি মুলুজের কাছে ৩০ বছরের সামরিক শাসক কামুজুবান্দা পরাজিত।

১৯৯৭ – বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভয়ানক ঘূর্ণিঝড়ে সাড়ে ৩ শতাধিক প্রাণহানি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।

১৮৯৭ – ইংরেজ কবি অস্কার ওয়াইল্ডের কারামুক্তি।

১৬৩৫ – স্পেনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের যুদ্ধ ঘোষণা।

১৬৪৯ – পার্লামেন্ট সদস্যদের হাতে রাজা প্রথম চার্লসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর ইংল্যান্ডকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।

১৫২১ – ওসমানিয়া সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষের পর বেলজিয়ামের রাজধানী বেলগ্রেড দখল করে নেয়।

১৫৩৬ – পুত্র সন্তান জন্মদান ব্যর্থতার অভিযোগে ইংল্যান্ডের রাজা অস্টম হেনরীর দ্বিতীয় স্ত্রী এ্যানি বোলিয়েনের শিরশ্ছেদ।

১৫৬৮ – ইংল্যান্ডের রাণী ১ম এলিজাবেথ স্কটল্যান্ডের রাণী মেরীকে গ্রেফতারের নির্দেশ।

১৫৮৮ – স্প্যানিশ আর্মাডার ইংল্যান্ড আক্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – রবার্ট ফ্রান্সিস ফার্চগট, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

২০১২ – সফিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

২০২২ – আবদুল গাফফার চৌধুরী, কালজয়ী একুশে গানের রচিয়তা, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

১৯০৩ – আর্থার শ্রিউসবারি, ইংলিশ ক্রিকেটার।

১৯০৪ – জামশেদজী টাটা, ভারতের অগ্রণী শিল্পপতি ও টাটা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৩৫ – টি. ই. লরেন্স, লরেন্স অব এ্যারাবিয়া নামে পরিচিত ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ব বিশারদ, সামরিক নীতি নির্ধারক এবং লেখক।

১৯৩৬ – মারমাডিউক পিকথাল, ইংরেজ ইসলামি পণ্ডিত।

১৯৪৬ – বুথ টার্কিংটন, মার্কিন ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।

১৯৫৮ – স্যার যদুনাথ সরকার, বাঙালি ইতিহাসবিদ।

১৯৫৮ – রোনাল্ড কলম্যান, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৬৬ – সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়, খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও আইনজীবী।

১৯৭০ – অভিধানকার, লেখক ও চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদ।

১৯৭৯ – হাজারী প্রসাদ দ্বিবেদী , হিন্দি ভাষার ঔপন্যাসিক,প্রাবন্ধিক ও সমালোচক ।

১৯৮৭ – (ক) বাঙালি বামপন্থী বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ চিন্মোহন সেহানবীশ।

(খ) ছিদ্দিক আহমদ, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯৪ – জ্যাকলিন কেনেডি ওনাসিস, সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি।

১৯৯৭ – শম্ভু মিত্র, বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব।

১৮৬৪ – ন্যাথানিয়েল হথর্ন, আমেরিকান উপন্যাসিক, ডার্ক রোম্যান্টিক এবং ছোটগল্প লেখক।

১৬২৩ – জোধাবাই, রাজস্থানের রাজপুতঘারানার রাজা ভারমালের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

১৫৩৬ – অ্যান বোলিন, রাজা অষ্টম হেনরীর দ্বিতীয় পত্নী ও ইংল্যান্ডের রাণী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This