Categories
বিবিধ

সিআইআই-এর বাজেট পর্যালোচনা অধিবেশন, কর্মসংস্থান-প্রযুক্তি-আঞ্চলিক উন্নয়নে জোরকে স্বাগত।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭-কে স্বাগত জানিয়ে সিআইআই পূর্বাঞ্চলের চেয়ারম্যান এবং টেগা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ সিইও শ্রী মেহুল মোহঙ্কা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭ পরিকাঠামো-চালিত প্রবৃদ্ধি এবং শিল্প প্রতিযোগিতার জন্য একটি দূরদর্শী রূপরেখা উপস্থাপন করেছে। দুর্গাপুর, আসানসোল এবং শিলিগুড়িতে নতুন মেট্রো রেল প্রকল্পের সমীক্ষাসহ মেট্রো রেল সম্প্রসারণের উপর জোর দেওয়া একটি স্বাগতযোগ্য পদক্ষেপ, কারণ উন্নত নগর পরিবহন ব্যবস্থা কর্মীদের চলাচলে সহায়তা করবে, যানজট কমাবে এবং প্রধান শিল্প কেন্দ্রগুলিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে।”

“আমরা বিশেষ করে নগর ভূমি সর্বোচ্চ সীমা কাঠামোর প্রস্তাবিত পুনঃপরীক্ষা এবং আরও সহায়ক ভূমি অধিগ্রহণ নীতির বৃহত্তর উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বৃহৎ বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্প পার্ক, লজিস্টিক হাব এবং আধুনিক উৎপাদন ক্লাস্টার গড়ে তোলার জন্য সংলগ্ন, মামলা-মুক্ত জমির প্রাপ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,” তিনি বলেন।

শ্রী মোহঙ্কা আরও বলেন, “কল্যাণীর নিকটবর্তী গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর, আঞ্চলিক বিমান সংযোগের সম্প্রসারণ, পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপত্রবরে গভীর সমুদ্রবন্দর এবং গভীর সমুদ্রের পাশাপাশি মিনি ও ক্ষুদ্র বন্দর সুবিধার উপর গুরুত্বারোপ সংক্রান্ত ঘোষণাগুলি পশ্চিমবঙ্গের লজিস্টিক ইকোসিস্টেমকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করতে, টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমাতে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারে।”

শিল্প প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেছেন যে রাজ্য বাজেটটি আর্থিক সংহতকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতি একটি পরিমিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে, যেখানে মূল সূচকগুলিতে উন্নতি দেখা যাচ্ছে। রাজস্ব ঘাটতি পূর্ববর্তী বছরের ২.০৭% থেকে কমে জিএসডিপি-র ১.০২% (অর্থবছর ২৭)-এ নেমে আসবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যেখানে রাজস্ব ঘাটতি ৩.৪০% থেকে কমে জিএসডিপি-র ২.৯১% হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা বিচক্ষণ রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ইঙ্গিত দেয়।

লক্ষ্মী টি-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওবিটি-র চেয়ারম্যান শ্রী রুদ্র চ্যাটার্জী উল্লেখ করেন, “বাজেটে উত্তরবঙ্গের উপর গুরুত্বারোপ বিশেষভাবে উৎসাহব্যঞ্জক। প্রস্তাবিত আইআইটি ও আইআইএম, আইটি পার্ক, বিমানবন্দর পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ, উন্নত সড়ক যোগাযোগ এবং নগর উন্নয়নের উপর অধিক মনোযোগ এই অঞ্চলের বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে সাহায্য করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “চা শিল্পের জন্য, এই বাজেট বাগানগুলোর কাছাকাছি প্রক্রিয়াকরণ, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং এবং মূল্য সংযোজনকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে একটি আরও টেকসই ভ্যালু চেইন গড়ে তোলার সুযোগও করে দিয়েছে। উত্তরবঙ্গ জুড়ে শক্তিশালী পৌরসভা, উন্নত সরবরাহ ব্যবস্থা এবং আধুনিক পরিকাঠামো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এবং এই অঞ্চলের প্রবৃদ্ধিকে ব্যাপকভিত্তিক, টেকসই ও বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে।”

রাজ্য বাজেটের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি এর দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি, বিশেষত ‘পশ্চিমবঙ্গ ইমপ্যাক্ট এআই মিশন’-এর ঘোষণার মাধ্যমে। এর পাশাপাশি ডেটা সেন্টার পরিকাঠামো উন্নয়ন, উদীয়মান প্রযুক্তি খাতগুলোকে সহায়তা এবং একটি ডিজিটালভাবে সক্ষম শাসন ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শিল্পমহলের মতে রাজ্যকে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।

সিআইআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শ্রী রূপক বরুয়া বলেন, “জননীতির কেন্দ্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে স্থান দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭ প্রশংসার দাবি রাখে। আয়ুষ্মান ভারতের জন্য ৩,১০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বরাদ্দ প্রবীণ নাগরিক এবং সম্মুখসারির কর্মীসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বিস্তারের দৃঢ় অঙ্গীকারের পরিচায়ক। উত্তরবঙ্গে একটি এইমস এবং একটি বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের ঘোষণা, সেইসাথে সুন্দরবন, পুরুলিয়া এবং দার্জিলিং-এর মতো অঞ্চলে সুপার-স্পেশালিটি সুবিধা স্থাপন, আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য কমানোর একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে। ১৩টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৬৫০টি এমবিবিএস আসন যুক্ত করার পরিকল্পনা রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মী বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে।”

শ্রী বরুয়া আরও বলেন, “ভর্তুকিযুক্ত শয্যার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের উদ্যোগ, সেইসাথে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে ট্রমা কেয়ার সেন্টার এবং প্রত্যন্ত দ্বীপ সম্প্রদায়ের জন্য মোটরবোট অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা—এই সবই একটি সুচিন্তিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির পরিচায়ক, যা নিশ্চিত করে যে সবচেয়ে দুর্বল এবং দুর্গম জনগোষ্ঠীও যেন পিছিয়ে না থাকে।”

শিল্প মহলও পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সংযোগ স্থাপনের জোরালো উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপত্রবরে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর, চিংড়িঘাটা-নিউ টাউন উড়ালপথ নির্মাণ, এবং পুরুলিয়া, মালদা ও বালুরঘাটে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ, সেইসাথে কলকাতার কাছে একটি প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলিকে বাণিজ্য, লজিস্টিকস দক্ষতা এবং আঞ্চলিক সংযোগের অপরিহার্য সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ির জন্য পরিকল্পিত মেট্রো সংযোগ সমীক্ষা এবং ডানকুনি সহ লজিস্টিকস হাবগুলির উন্নয়ন রাজ্যের পরিকাঠামো সম্প্রসারণ কৌশলকে আরও শক্তিশালী করে।

শিল্প প্রতিনিধিরা রাজ্য বাজেটের উচ্চশিক্ষা ও শিল্পোন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপের বিষয়টিও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গে একটি আইআইটি ও একটি আইআইএম স্থাপন, শিলিগুড়িতে একটি আইটি পার্কের উন্নয়ন এবং দুর্গাপুরে একটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব, যা রাজ্যের শিল্প পরিমণ্ডল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৫,০০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো এবং আসন্ন স্টার্টআপ নীতিকে উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা এবং বৃহৎ বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিশ্রুতির জোরালো সংকেত হিসেবে দেখা হয়েছে।

একটি চা শ্রমিক উন্নয়ন বোর্ড গঠন এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের জন্য, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলে, লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রবৃদ্ধির দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছে। বাজেটে শাসনতান্ত্রিক সংস্কার এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের উপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তারও প্রশংসা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বসিরহাট, সুন্দরবন, জঙ্গিপুর এবং আরামবাগের মতো নতুন জেলা গঠন, সেইসাথে ভূমি রেকর্ড, ডিজিটাল প্রশাসন এবং জনসেবা প্রদান ব্যবস্থায় সংস্কার।

সিআইআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭ পরিকাঠামো-চালিত শিল্প প্রবৃদ্ধির জন্য একটি উৎসাহব্যঞ্জক রূপরেখা উপস্থাপন করেছে এবং উৎপাদন খাতের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত পাঠিয়েছে। কল্যাণীর কাছে প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর, পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপত্রবরে গভীর সমুদ্রবন্দর, বর্ধিত আঞ্চলিক বিমান সংযোগ, বিশেষ মালবাহী করিডোর, শিল্প করিডোর এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলি পশ্চিমবঙ্গকে একটি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র হিসাবে শক্তিশালী করবে এবং একই সাথে এমএসএমই-কে উল্লেখযোগ্য গতি প্রদান করবে,” বলেছেন সিআইআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিষদের সহ-সভাপতি এবং টিটাগড় রেল সিস্টেমস লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী পৃথিশ চৌধুরী।

তিনি আরও বলেন, “উৎপাদন শিল্পের বিকাশের জন্য দক্ষ মাল্টিমোডাল সংযোগ, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, শিল্প জমির প্রাপ্যতা এবং দ্রুত অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিকাঠামো নির্মাণ, সৌর ও উন্মুক্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং শিল্প-সংযুক্ত উন্নয়নের উপর বাজেটের মনোযোগ লজিস্টিক খরচ কমাতে, সরবরাহ শৃঙ্খলের দক্ষতা বাড়াতে এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, ধাতু, বস্ত্র, রাসায়নিক ও এমএসএমই জুড়ে বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সাহায্য করতে পারে। আমরা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উন্নয়নমূলক ব্যয়কে উন্মুক্ত করার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সরকারের সাথে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।” পূর্ব ভারতে পশ্চিমবঙ্গ একটি প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে।

উল্লেখ্য, কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) সোমবার কলকাতায় একটি রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭ পর্যালোচনা অধিবেশনের আয়োজন করে। রাজ্য বাজেটের প্রধান ঘোষণাগুলো এবং রাজ্যের বৃদ্ধি ও উন্নয়নের উপর সেগুলোর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করার জন্য এই অধিবেশনে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী নেতারা একত্রিত হন।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদা সীমান্তে চাপা উত্তেজনা, অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোকে ঘিরে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাককে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদার বৈষ্ণবনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শুকদেবপুর এলাকা। শনিবার ভোররাত থেকেই সীমান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের ওপারে বহু বাংলাদেশি নাগরিক জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তে কড়া পাহারায় মোতায়েন রয়েছে বিএসএফ।
জানা গেছে, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই পুশব্যাক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই সীমান্তের দুই প্রান্তে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুকদেবপুর সীমান্তের প্রায় ১২০০ মিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। দীর্ঘদিন ধরেই এই তারকাটাবিহীন অংশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ এবং ভারতীয় কৃষকদের জমির ফসল কাটাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল।
এদিনের ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিএসএফের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গোটা এলাকায় চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

মালদা, নিজস্বসংবাদদাতা:– আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দিতে কাটমানি নিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্য-শনিবার এমনটাই অভিযোগ তুলে কাটমানির টাকা ফেরতের দাবীতে পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। ঘটনা মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামের। জানা গেছে, ওই গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছেন নির্দল প্রতীকে জেতা উপেন যাদব। তবে তিনি নির্দল প্রতীকে জিতলেও পরে শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে মিশে যান। তৃণমূলের সমর্থনে কাজ করেন। তার বিরুদ্ধে শনিবার গ্রামবাসীদের একাংশ আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে গ্রামের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় বছর খানেক আগে তাদের আবাস যোজনায় নাম আসে। আর নাম আসার পরপরই পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ১৫ হাজার, কারও কাছে ২০ হাজার টাকা কাটমানি নেন। এমনকি কয়েকজনের কাছে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কেউ কাটমানি দিতে না চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। এমনকি দাবী মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। তাই বাধ্য হয়েই উপভোক্তারা পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দেন। আর কাটমানি দেওয়ার। কারণে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজন উপভোক্তা, তাদের বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করে উঠতে পারেন নি। এই পরিস্থিতিতে শনিবার উপভোক্তারা একজোট হয়ে কাটমানি ফেরতের দাবীতে বিক্ষোভ দেখান। যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবী করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদায় প্রশাসনের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন, উপস্থিত সাংসদ-জেলাশাসক।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে শনিবার মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে শ্রদ্ধা ও স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন পশ্চিমবঙ্গ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী Syama Prasad Mukherjee-এর মূর্তিতে মাল্যদান করে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, পুলিশ সুপার অনুপম সিংহ সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের ধারাকে স্মরণ করে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজ্যের অগ্রগতির লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

কৃষ্ণপল্লী থেকে হ্যান্টাকালী মোড়, রাস্তা দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– মালদা জেলা ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে মাইকিং করে অবৈধ দখলদারি উচ্ছেদ মালদা শহরে। শনিবার দুপুরে মালদা শহরের কৃষ্ণপল্লী সাবওয়ে গেট থেকে হ্যান্টাকালী মোড় পর্যন্ত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের দুই ধারে রাস্তা জবরদখল করে থাকা বেশ কিছু দোকান গ্যারেজ ঘর উচ্ছেদ করা হয় এদিন। রাস্তার দুই ধার দখল করে বসে থাকার কারণে যান চলাচল সহ সাধারণ মানুষ চলাচলের ক্ষেত্রে ভীষণ সমস্যার মুখে পড়তো। বারবার পুলিশের তরফ থেকে বলা সত্ত্বেও রাস্তার ওপর থেকে দোকান না সরানোয় অবশেষে শনিবার দুপুরে জেলা ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে বেশ কিছু দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মাতৃমা ভবনে ঢোকার মুখে অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে বসে থাকা দোকানদারদের মাইকিং করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় যদি কেউ না সরিয়ে নেয় তাহলে প্রশাসনিক ভাবে আইনের মধ্য দিয়ে তাদের দোকান উচ্ছেদ করা হবে বলে হুশিয়ারিয়ে দেওয়া হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

বাজেটে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একাধিক ঘোষণা, সাধুবাদ জানালেন এস.এস. আলম।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে পালা বদলের পর সোমবার ডবল ইঞ্জিন সরকারের বাজেট পেশ করা হলো। বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আর এই বাজেট ঘোষণার পর যথেষ্ট প্রশংসা করলেন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক সংগঠনের অন্যতম নেতা S.S আলম । তিনি বলেন বিগত সরকারের আমলে পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বার্থে কোন জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করা হয়নি। এই সরকার আসার পর পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে সকল পরিযায়ী শ্রমিকদের। এতে ভারতবর্ষের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা পাবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। অন্যদিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের রেশন ব্যবস্থা নিউ কার্যত বর্তমান ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রশংসা করলেন তিনি। অন্যদিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে রাজ্যে একাধিক লগ্নী ঘোষণা করা হয়েছে এই বাজেটে, এতেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি।

Share This
Categories
বিবিধ

দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগে মানিকচক পঞ্চায়েতে ডিম-বিক্ষোভ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ফের মালদার মানিকচকে ডিম ছুঁড়ে বিক্ষোভ। এবারে তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মন্ডলের দপ্তরে ঢুকে তার টেবিলে তারই ছবি রেখে ডিম ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ নেতৃত্ব দিলেন মানিকচকের বিজেপি নেতা সুভাষ যাদব,যুব মোর্চা সভাপতি সৌরভ রজক সহ অন্যান্যরা। এদিন তার নেতৃত্বেই মানিকচকের বিজেপি নেতাকর্মীরা প্রথমে মিছিল করে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির অফিসের সামনে জমায়েত হন। এরপর তারা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মন্ডলের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে হাতে ডিম নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের পর তারা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির ঘরে ঢুকে ডেপুটেশন জমা দিতে যান। কিন্তু পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে না পেয়ে বিজেপি নেতাকর্মীরা রীতিমতো তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। তারা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির টেবিলে তারই ছবি রেখে একের পর এক ডিম ছুঁড়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখান বলে জানা গেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মধ্যম কেন্দুয়ায় বেপরোয়া লরির তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পরপর দুটি বাড়ি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– নিয়ন্ত্রণহীন লরি ইলেক্ট্রিক পোল এবং ছোটো গাড়িতে ধাক্কা মেরে ঢুকে পড়ল রাস্তার ধারের এক বাড়িতে। ঘটনায় অল্পের জন্য বড়োসড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন এলাকার সাধারণ মানুষ। তবে লরির ধাক্কায় প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হল পরপর দুটি বাড়ি। সোমবার বিকাল চারটা নাগাদ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল মালদার হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের মধ্যম কেন্দুয়া এলাকায়। জানা গেছে, এদিন একটি ১২ চাকার মাল বোঝাই লরি বুলবুলচন্ডীর দিক থেকে মালদার দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু লরিটি মধ্যম কেন্দুয়ার কাছে আসতেই লরি চালক হঠাৎ করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে তিনি নিয়ন্ত্রণহীন লরি নিয়ে প্রথমে একটি ইলেক্ট্রিক পোল এবং একটি ছোটো গাড়িতে ধাক্কা মারেন। তবে এখানেই শেষ নয়। এরপর লরিটি, একটি বাড়ির প্রাচীর ভেঙে, অপর একটি বাড়িতে হুড়হুড়িয়ে ঢুকে পড়ে। ফলে দুটি বাড়িই প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বভাবতই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে খবর পেয়ে হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে বলে জানা গেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে জেলে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা গণি ইসমাইল মল্লিক। রবিবার গভীর রাতে কোতওয়ালি থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার সকালে তাকে মেদিনীপুর আদালতে তোলা হলে আদালত চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা “চোর চোর” স্লোগান দিতে শুরু করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বর ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গণি ইসমাইল মল্লিকের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। রবিবার রাতে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহল্কা এলাকার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার ধৃতকে মেদিনীপুর আদালতে পেশ করে পুলিশ। ধৃতকে আদালতে তোলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আদালত চত্বরে ভিড় জমে যায় রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের।
গণি ইসমাইল মল্লিক শুধু পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষই নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেদিনীপুরের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। তিনি মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। পাশাপাশি মেদিনীপুর সদর ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। দলীয় সংগঠনে তার যথেষ্ট প্রভাব ছিল বলেই রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি ছিল। ফলে তার গ্রেপ্তারি ঘিরে তৃণমূলের অন্দরমহলেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, গণি ইসমাইল মল্লিক ওই এলাকার বিধায়ক তথা তৃণমূলের চেয়ারম্যান দীনেন রায় এবং প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা-র অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও গ্রেপ্তারির ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। বিরোধী শিবির এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে। বিজেপির দাবি, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সোমবার আদালতে তোলার সময় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের স্লোগানে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও আদালত চত্বরে মোতায়েন থাকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না ঘটে, সে জন্য আদালত ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
গোটা ঘটনায় এখন নজর আদালতের পরবর্তী নির্দেশ ও পুলিশের তদন্তে। দুর্নীতির অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হয়, আরও কারও নাম সামনে আসে কি না, তা নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহলে

Share This
Categories
বিবিধ

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১২০০ কোটি টাকা, বিধানসভা বাজেট ঘোষণায় খুশি রূপনারায়ণ সংগ্রাম কমিটি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সোমবার ছিল রাজ্যের বিধানসভাতে বাজেট ঘোষণা। এই ঘোষণায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্যের সহযোগিতায় ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এই ঘোষণার পর ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপনারায়ণ সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক যথেষ্ট সাধুবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তকে। তবে এই দিন তিনি স্পষ্টভাবে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন আমরা চাই- ‘নো কষ্ট’ পদ্ধতি বাতিল করে নদী ও খাল সংস্কারের কাজ করা হোক। যাতে সঠিক সময়ের মধ্যে নদী ও খালের বাঁধগুলি শক্তপোক্ত করে নদী ও খাল সংস্কার করা সম্ভব হবে।

Share This