Categories
বিবিধ

মোহবনীতে ক্ষুদিরাম বসুর আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য, পালিত পশ্চিমবঙ্গ দিবস।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ২০ শে জুন অর্থাৎ শনিবার পশ্চিমবঙ্গ দিবসকে সামনে রেখে এই দিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের দু’নম্বর শীর্ষা অঞ্চলের খেতুয়া এলাকায় পদযাত্রা এবং মোহবনীতে ভারত মাতার বীর সন্তান শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্প অর্পণের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করল বিজেপি নেতৃত্ব। এই দিন উপস্থিত ছিলেন কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্র বিজেপির এক নম্বর মন্ডল সভাপতি প্রবীণ হালদার,যুব মোর্চার সভাপতি উৎপল পাঁজা,প্রলয় বাগ সহ অন্যান্য বিজেপির নেতাকর্মীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

বনকাটায় রহস্যমৃত্যু নয়, খুনের মামলা; গ্রেপ্তার সনাতন মুর্মু।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের রসকুণ্ডুর বনকাটা গ্রামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত নেমে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো চন্দ্রকোনারোড বিট হাউসের পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে এই ঘটনায় খুনের মামলার রজু করা হলে তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সনাতন মুর্মুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে গড়বেতা আদালতে তোলা হলে ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার ৪৮ বছর বয়সি মুনু সরেন নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

“ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও আদর্শ” — একটি আলোচনা : দিলীপ রায় (৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)।

ভূমিকাঃ- ভারতের জাতীয় জীবন, শিক্ষা, সমাজচিন্তা ও রাজনীতির ইতিহাসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । তিনি ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, আইনজ্ঞ, সমাজসংস্কারক, দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা । ভারতমাতার এই কৃতী সন্তান তাঁর কর্ম, চিন্তা ও আদর্শের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদ, মানবপ্রেম এবং দেশসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন । তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শনিষ্ঠার এক উজ্জ্বল অধ্যায় ।
জন্ম ও শিক্ষাজীবনঃ
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯০১ সালের ৬ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতা ছিলেন বাংলার বাঘ নামে খ্যাত স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবদন্তি উপাচার্য এবং ভারতের শিক্ষাজগতের এক মহীরুহ । পিতার আদর্শ, দেশপ্রেম ও শিক্ষানুরাগ শৈশব থেকেই শ্যামাপ্রসাদের চরিত্র গঠনে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল ।
তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন । পরবর্তীকালে আইনশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে একজন মেধাবী শিক্ষাবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন । তাঁর অসামান্য প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ মাত্র ৩৩ বছর বয়সে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন, যেটা সেই সময়ে এক বিরল কৃতিত্ব ।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানঃ
উপাচার্য হিসেবে তিনি শিক্ষার আধুনিকীকরণ, মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় চেতনার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন । ১৯৩৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন । তৎকালীন প্রচলিত রীতিনীতি ভেঙে মাতৃভাষাকে সম্মান জানানোর এই উদ্যোগ শিক্ষাক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে ।

রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণঃ
দেশের সংকটময় পরিস্থিতি, সাধারণ মানুষের দুর্দশা এবং জাতীয় স্বার্থরক্ষার তাগিদে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন । ব্রিটিশ শাসন, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এবং বাংলার হিন্দু সমাজের নিরাপত্তাহীনতার প্রেক্ষাপটে তিনি সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা গ্রহণ করেন ।
মুসলিম লীগ ও ব্রিটিশ প্রশাসনের নীতির ফলে যখন বাংলার বহু মানুষ অত্যাচার ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছিলেন, ঠিক তখন তিনি হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজের এক বৃহৎ অংশের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সোচ্চার হন ।
১৯৪১ সালের ১২ ডিসেম্বর ফজলুল হক মুসলিম লীগ ত্যাগ করার পর “শ্যামা-হক” মন্ত্রিসভা গঠিত হয় । এই জোট সরকার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় । ড. শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুর পর শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক তাঁর সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা করে তাঁকে অসাম্প্রদায়িক, দূরদর্শী ও সাহসী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলে বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায় ।
দেশভাগ ও জাতীয় চেতনাঃ
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ভারত বিভাগের বিরোধী ছিলেন। তিনি মনে করতেন, ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠন দীর্ঘমেয়াদে উপমহাদেশের জন্য অশান্তি ও বিভেদের কারণ হবে । দ্বিজাতি তত্ত্বের বিরোধিতা করে তিনি একটি ঐক্যবদ্ধ ভারতের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন ।
দেশভাগের সময় পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন । তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও রাজনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে বাংলার পশ্চিমাংশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত থাকে বলে তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন ।
স্বাধীন ভারতের মন্ত্রী হিসেবে ভূমিকাঃ
স্বাধীনতার পর জওহরলাল নেহেরুর প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তিনি শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । শিল্পোন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং উদ্বাস্তু পুনর্বাসনের প্রশ্নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করতেন । পূর্ববঙ্গ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের দুর্দশা এবং সেখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে তিনি সংসদে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিলেন ।
১৯৫০ সালের নেহেরু-লিয়াকত চুক্তির বিরোধিতা করে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন । তাঁর মতে, এই চুক্তি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ছিল না । নীতিগত অবস্থানের কারণে মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করা তাঁর রাজনৈতিক সততা ও আদর্শনিষ্ঠার পরিচয় পাওয়া যায় ।
ভারতীয় জনসংঘ প্রতিষ্ঠাঃ
১৯৫১ সালে তিনি ভারতীয় জনসংঘ (Bharatiya Jana Sangh) প্রতিষ্ঠা করেন । এই রাজনৈতিক সংগঠন পরবর্তীকালে ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলগুলির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পরিচিত হয় । তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল জাতীয় ঐক্য, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ।
কাশ্মীর প্রশ্নে অবস্থানঃ
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল কাশ্মীর ইস্যু । তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের মধ্যে কেন পৃথক সংবিধান, পৃথক পতাকা এবং পৃথক প্রশাসনিক ব্যবস্থা থাকবে ?
তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ছিল—
“এক দেশে দুই বিধান, দুই প্রধান, দুই নিশান চলতে পারে না অর্থাৎ এক দেশ, এক বিধান, এক নিশান) ।”
(এক দেশ মে দো বিধান, দো প্রধান অর দো নিশান নহি চলেঙ্গে)
এই আদর্শকে সামনে রেখে তিনি কাশ্মীরে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালে কাশ্মীরে প্রবেশের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় । বন্দি অবস্থায় ২৩ জুন ১৯৫৩ সালে তাঁর মৃত্যু ঘটে । তাঁর মৃত্যু আজও বহু মানুষের কাছে রহস্যাবৃত ও আলোচিত একটি ঘটনা ।
আদর্শ ও মূল্যবোধঃ
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনাদর্শের মূল ভিত্তি ছিল—
• অটল দেশপ্রেম
• জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ডতা
• শিক্ষার প্রসার
• সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের বিকাশ
• সমাজের দুর্বল ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো
• নীতির প্রশ্নে আপসহীনতা
তিনি বিশ্বাস করতেন, জাতির শক্তি নিহিত থাকে — তার সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং আত্মমর্যাদাবোধের মধ্যে ।
উপসংহারঃ
পরিশেষে বলা যায়, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন এমন এক নেতা, যাঁর জীবন সংগ্রাম, সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত । তিনি শিক্ষা, সমাজ ও রাজনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজের স্বাক্ষর রেখে গেছেন । তাঁর আদর্শ আজও বহু মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস । জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়ার যে শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, সেটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে চিরকাল পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে । ভারতীয় ইতিহাসে তাঁর অবদান ও স্মৃতি চির অম্লান হয়ে থাকবে । (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত) ।
**********************************************

Share This
Categories
বিবিধ

ছাত্রাবাস সংস্কার ও চালুর দাবিতে স্মারকলিপি ছাত্রদের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – মালদহ কলেজে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকা আদিবাসী ছাত্রাবাস চালুর দাবিতে শুক্রবার বিক্ষোভে সামিল হলেন ছাত্র-ছাত্রীরা। দুপুরে কলেজ চত্বরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য নির্মিত ছাত্রাবাসটি বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা আদিবাসী ছাত্রদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার করে ছাত্রাবাসটি চালু করার দাবি জানান তারা। এদিন কলেজে উপস্থিত থেকে ছাত্ররা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ বলে জানা গেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

ডালা-কুলো-পাখার বাজারে মন্দা, তবুও পুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ক্রেতারা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– রাত পোহালেই জামাই ষষ্ঠী।জামাই ষষ্ঠী, সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসেই পালিত হয়। তবে এবারে ব্যতিক্রম—ষষ্ঠীপুজো পড়েছে আষাঢ় মাসে। আর সেই প্রভাব পড়েছে বাজারেও। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ডালা, কুলো ও পাখার বাজারে কিছুটা মন্দাভাব দেখা গেলেও পুজোর উপকরণ কিনতে মানুষের উৎসাহে ভাটা পড়েনি শুক্রবার ।সকাল থেকেই পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন বিক্রেতারা। দুপুর গড়াতেই হাটে দেখা গেল মহিলাদের ভিড়। কেউ কিনছেন তালপাতার পাখা, কেউ বা বাঁশের তৈরি নানা ডিজাইনের হাতপাখা, ডালা কিংবা কুলো—সবই ষষ্ঠীপুজোর অপরিহার্য সামগ্রী।রাঙাভিটা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা গোস্বামী জানান, পরিবারের সন্তান-সন্ততিদের মঙ্গল কামনায় প্রতিবছরই তিনি ষষ্ঠীপুজো করেন। তাঁর কথায়, “পুজোর জন্য ডালা, কুলো, পাখা—এসব লাগবেই। শনিবার পুজো, তাই আজ হাটে এসে কিনে নিচ্ছি। তবে গতবারের তুলনায় এ বছর দাম অনেকটাই বেড়েছে।”একই সুর শোনা গেল তুলসীডাঙ্গা থেকে আসা গৃহবধূ নমিতা সাহার গলায়। তিনি বলেন, “ডালা, কুলো আর পাখার সেট এবার ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম অনেক বেশি, কিন্তু পুজো তো করতেই হবে, তাই কিনতেই হচ্ছে।”
বিক্রেতাদেরও একই আক্ষেপ। ব্যবসায়ী কার্তিক চন্দ্র দাসের কথায়, “সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসে ষষ্ঠীপুজো হয়, তখন চাহিদা বেশি থাকে। এবারে আষাঢ়ে পড়ায় চাহিদা কিছুটা কমেছে। তার উপর বাঁশ, তালপাতা-সহ সব কাঁচামালের দাম বেড়েছে। তবুও মানুষ পুজোর সামগ্রী কিনছেন।”
দাম বাড়ুক বা বাজার মন্দা থাকুক—বাংলার ঘরের আচার-অনুষ্ঠানের টান যে এখনও অটুট, গাজোলের হাটের এই চিত্র যেন সেই কথাই আরও একবার প্রমাণ করল।

Share This
Categories
বিবিধ

গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার গৃহবধূর দেহ, তদন্তে পুলিশ।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় জোর চাঞ্চল্য তৈরি হল মালদার রতুয়া থানার ফরিদপুর এলাকায়। ঘটনায়, ‘স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুললেন মৃতার বাপের বাড়ির পরিবারবর্গ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করল পুলিশ। জানা গেছে, মৃত গৃহবধূর নাম শামসুন নেহার। বয়স ২০ বছর। তার প্রথম পক্ষের স্বামীর সংসার ছেড়ে গত কয়েক মাস আগে রতুয়ার কারবোনা গ্রামের যুবক ওয়াসিম আক্তারের সঙ্গে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই ওয়াসিম শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য শামসুনের উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। তার উপর নিয়মিত অত্যাচার চালাতে থাকে বলে অভিযোগ। এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার স্বামীর বাড়িতেই তার গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যদিও মৃতার বাবার অভিযোগ, তার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে মারধর করে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে রতুয়া থানার পুলিশ মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিজেপি কর্মীর পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ।

মালদা, নিজস্বসংবাদদাতা : – বিজেপি নেতার ভাইকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মালদার ইংরেজ বাজার থানার, দক্ষিণ বালুচর এলাকার ঘটনা। ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের।
আহত ভাস্কর সরকার বলেন, আমার দাদা কৌশিক সরকার ইংরেজবাজার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি শক্তি কেন্দ্রের প্রমুখ। বিজেপি করার কারণে গত পাঁচ বছর ধরে আমাদের উপর লাগাতার হামলা হচ্ছে। আমি এদিন রাতে বাড়ির পাশে মহানন্দা নদীর ধারে দাঁড়িয়ে ছিলাম।। সেই সময় ইংরেজ বাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ও ও আট নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর কৃষ্ণেন্দু বাবুর স্ত্রী কাকলি চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ জিতেন রায় এসে আমার দাদার খোঁজ শুরু করে। আমি বলি দাদা বাড়িতে নেই। এরপরেই আমার উপর হামলা চালায়। আমাকে ফেলে মারধর করে।
কৌশিক সরকার বলেন বিগত পাঁচ বছর ধরে লাগাতার আমার উপর অত্যাচার চলছে। বিজেপি করার কারণে আমি এই বাড়িতে থাকতে পারিনা। আমারও আমার পরিবারের উপর লাগাতার হামলা চলছে।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। কৃষ্ণেন্দু বাবুর দাবী কৌশিক সরকার একটি অসামাজিক ছেলে। এর আগেও বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল করেছে। মিথ্যাও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে।
তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ জেলা বিজেপি নেতৃত্বের।
ইতিমধ্যেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজ বাজার থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

যোগের বার্তা ছড়াতে চন্দ্রকোনারোডে ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আন্তর্জাতিক ১২ তম যোগ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরে ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে “রান ফর যোগা” কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করা হয়। এই দিন এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন BDO দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য,স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবী ধীমান কোলে সহ অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ। এইদিন এই ম্যারাথন দৌড়ে এলাকার যুবক যুবতীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

এবিভিপি সদস্যের উপর হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার দুই তৃণমূল ছাত্র নেতা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিজেপির ছাত্র সংগঠন এভিবিপির সদস্যকে তুলে নিয়ে গিয়ে ছিধতাই এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা অভিযোগ উঠলো দুই তৃণমূল ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে গাজোলের মাঝরা গ্রাম পঞ্চায়েতের আমতলা এলাকায় । গুরুতর জখম আক্রান্ত ওই কলেজ ছাত্র অনিমেষ মন্ডল (২৩) দুই তৃণমূল ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে বুধবার গাজোল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন । এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শুভঙ্কর সাহা এবং রাজেশ সাহাকে গ্রেপ্তার করেছে । পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

কিশোরীদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচি।।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- নেশামুক্ত সমাজ গড়ার বার্তা নিয়ে শুক্রবার জটেশ্বর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এক সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করল ফালাকাটা প্রয়াস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। এদিন ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের মধ্যে মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা হয়।
অনুষ্ঠানে অল্প বয়সে মাদকের সংস্পর্শে এলে কিশোর কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রভাব, পড়াশোনায় অমনোযোগ, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা, আক্রমণাত্মক আচরণ এবং অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়। উপস্থিত ছিলেন জটেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির আধিকারিক সহ ওই সংস্থার সদস্যরা।

Share This