Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন ৪০০ বছরের প্রাচীন শীতলা মায়ের পুজোর ইতিহাস ও সংস্কৃতি।।।

রানাঘাট হবিবপুর পুরাতন বাজারের প্রাচীন ও ঐতিহ্য জাগ্রত শীতলা মায়ের পুজো আনুমানিক ৪০০ বছরের প্রাচীন তাকে ঘিরে চলে ১০ দিন উত্‍সব ও মেলা। এখানকার শীতলা মা শুধুমাত্র একটা বট বৃক্ষে পূজিত হয়ে আসছে বিগত ৪০০ বছর ধরে। কথায় আছে বিশ্বাসে মেলায় বস্তু তর্কে বহুদূর হয়তো এই মায়ের কাছে না আসলে অনেকে বিশ্বাস করতে পারবে না এমনটাই জানাচ্ছেন পুজো উদ্যোগতারা ।

এখানে কোনো মূর্তি হিসেবে পূজিত হয়না শুধুমাত্র বট গাছটি শীতলা দেবী হিসেবে পূজিত হয়ে আসছে ৪০০ বছর ধরে।
কথিত আছে গঙ্গা নদী প্রবাহিত ছিল এই বট বৃক্ষে পাশ দিয়ে কোনো এক সময় চাঁদ সদাগর বাণিজ্য করতে গিয়ে এই স্থানে বটো বৃক্ষ নিজে পূজা দিয়েছিলেন।
প্রথমে এক অবাঙালি ব্রাহ্মণ পুজো করলেও বর্তমানে হবিবপুরের ভট্টাচার্য বাড়ির পুরুষেরা বংশানুক্রমিক এই পূজার দায় ভার পায়।
কথিত আছে মায়ের স্বপ্ন আদেশ”হয় ভট্টাচার্য পরিবার কে পুজো করবার তারপরথেকেই তারা পুজো করে আসছেন । চৈত্র মাসের শীতলা অষ্টমী তিথিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের সমাগম হয় এই পুজোতে । তারপর ব্রাহ্ম মুহূর্ত সময়কালে ভট্টাচার্জি বাড়ির বর্তমান পুরোহিত গদাই ভট্টাচার্য চন্ডী পাঠ দাঁড়া দেবী শক্তির গুনোগান করেন।
লোকমূখে শোনা যায় এক সময় বট বৃক্ষের সামনে দিয়ে ভাগীরথী গঙ্গা নদী প্রবাহিত ছিল। এখন গঙ্গা ৭ কিলোমিটার দূরে তারাপুরে অবস্থান করছে।
মা শীতলা দেবী এতই জাগ্রত যারা মায়ের কাছে আসেন বা পূজা দেন তারা উপলব্ধি করতে পারেন এই দেবী কে ভক্তিভরে ডাকলে মা ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরন করেন এবং অনেকের মনোবাঞ্ছা পূরন হলে তাদের ওজনে বাতাসা ছিটান ভক্তরা। ৬ দিনের হরিনাম সংকীর্তনে ৩ টনের অধিক পরিমাণে বাতাসা ছিটানো হয় ভক্তদের মাঝে।
শুধু হবিবপুর গ্রামের মানুষ এই পূজা সামিল হোন না রাজ্য বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের পাশাপাশি দেশ বিদেশের ভক্তদের ঢল নামে এই পূজাতো এবছর ১০ হাজারের অধিক ভক্তদের সমাগম ঘটবে অনুমান করা হচ্ছে পূজা দিতে সকাল থেকে বিরাট লম্বা লাইন পড়ে ভক্তরা ডালা সাজিয়ে অনেন ডাবের জল, গঙ্গার জল, দুধ ,আলতা, সিঁদুর ফল, ফুল নিয়ে এসে মায়ের কাছে ভক্তি ভরে পূজা দেন মহা সমারোহে পুজো হয়, অঞ্জলী পরে ও বিশেষ হোমজঙ্গ হয় এবং এখনও পর্যন্ত এই দশদিনের উত্‍সবে অধিকাংশ বাড়িতে নিরামিষ আহার করে থাকেন তাদের বাড়িতে কোনো আমিষ খান না । এই শীতলা মায়ের বিভিন্ন মতবাদ আছে এখানে আগে একজন অবাঙালি সাধুঁ থাকত তিনি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিল মায়েরা ৭ বোন মায়েরা এই বট বৃক্ষে অবস্থান করে আছেন আজও সাধারণ মানুষের ধারণা বিশ্বাস, এই বট গাছে অবস্থান করে আছেন লোক মূখে শোনা যায় অনেক ভক্তকে মা দেখা দিয়েছেন।পুজোর আগেরদিন অধিবাস পুজোর দিন নিয়ম অনুযায়ী পুজোর দিন ভোরবেলা মাকে ১০৮ কলশি গঙ্গার জল দিয়ে মাকে স্নান করাতে হবে তাই প্রতিবছর হাজার হাজার ভক্তদের দেখা যায় ১৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে আসা যাওয়া করে শান্তিপুর থানার অন্তর্গত কুমলে গঙ্গার থেকে জল নিয়ে এসে মাকে স্নান করানো হয়।যদিও পুজো ঘিরে চলে ১০দিনের কীর্তন ও অনুষ্ঠান। এদিন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করেন। অপরদিকে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী বর্ণালীদের আয়ো মাতৃ মন্দিরে গিয়ে পূজা অর্চনা করেন।

।। নদীয়া, রানাঘাট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) শিশু দিবস (হংকং, তাইওয়ান)।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৯ – মাখনলাল চতুর্বেদী, ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।
১৯২৯ – আবুল খায়ের, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা।
১৯৩২ – অ্যান্থনি পারকিন্স, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৩৩ – সনজীদা খাতুন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।
১৯৪১ – জিয়া উদ্দিন, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের সভাপতি, জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুরের মহাপরিচালক।
১৯৪২ – চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।
১৯৬০ – হুগো ওয়েভিং, নাইজেরীয়-অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।
১৯৬৫ – রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৭৯ – হিথ লেজার, অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।
১৯৮৭ – সামি খেদিরা, জার্মান ফুটবলার।
১৯৮৯ – স্টিভেন ফিন, ইংরেজ ক্রিকেটার।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮৯৮ – বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন কর্তৃক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী : স্থান ক্লাশিক থিয়েটার, কলকাতা।
১৯৪৯ – ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬০ – ইতিহাসের এই দিনে সেনেগাল স্বাধীনতা লাভ করে। সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। এর রাজধানীর নাম ডাকার। সেনেগাল নদী থেকে দেশটির নামকরণ করা হয়।
১৯৬৮ – মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং আততায়ীর হাতে নিহত হন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
১৯৭৫ – মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস ও পল অ্যালেন মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৭৯ – পাকিস্তানি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো এর ফাঁসি। তিনি পাকিস্তান পিপলস্‌ পার্টির প্রধান ছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৯ সালে সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত করে।
১৯৮৪ – ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করে। তিনি ভারতীয় প্রথম নভোচারী। রাকেশ ছিলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের পাইলট। তিনি সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৮ – অনুরূপচন্দ্র সেন, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৩২ – উইলহেম অসওয়াল্ড, নোবেল বিজয়ী (১৯০৯) জার্মান রসায়নবিদ।
১৯৩৯ – গাজি বিন ফয়সাল, ইরাকের দ্বিতীয় বাদশাহ।

১৯৫০ – (ক)  সুন্দরীমোহন দাস, বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক।
(খ) উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ও সাংবাদিক।
১৯৭১ – যোগেশচন্দ্র ঘোষ, প্রখ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ। তিনি সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৭৯ – জুলফিকার আলী ভুট্টো, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
১৯৮৩ – গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।
১৯৯০ – মোহাম্মদ জাকারিয়া, বাঙালি অভিনেতা ও টেলিভিশন প্রযোজক।
২০০৪ – সুখেন দাস, বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।
২০১৩ – রজার ইবার্ট, মার্কিন চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার।
২০২১ – দীপা চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৩ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮১ – স্বামীনারায়ণ , ভারতীয় যোগী, সন্ন্যাসী এবং ধর্মীয় নেতা।

১৭৮৩ – ওয়াশিংটন আরভিং, মার্কিন ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার, ইতিহাসবেত্তা ও কূটনীতিক।
১৮৮১ – ইতালীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ও ৩০ তম প্রধানমন্ত্রী আল্কিডে ডি গাস্পেরি।
১৮৮৪ – জিমি ম্যাথুজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৮৯৩ – লেসলি হাওয়ার্ড, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯০৩ – কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।
১৯১৪ – শ্যাম মানেকশ’ পারস্য বংশোদভূত ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম ফিল্ড মার্শাল।
১৯২২ – ডরিস ডে, মার্কিন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী, ও প্রাণি-কল্যাণকর্মী।
১৯২৪ – মার্লোন ব্রান্ডো, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯২৫ – ইংরেজ পাইলট, রাজনীতিবিদ ও উদ্ভাবন অ্যান্থনি নীল ওয়েজউড টনি বেন।
১৯২৯ – ফজলুর রহমান খান, বাংলাদেশী স্থপতি ও পুরকৌশলী।
১৯৪৮ – ওলন্দাজ শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও কূটনীতিক জাপ ডি হুপ শেফার।

১৯৫০ – আলমগীর, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬১ – মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার এডি মারফি।
১৯৭৩ – ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার প্রভু দেব।
১৯৭৮ – টমি হাস, জার্মান টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮২ – কানাডীয় অভিনেত্রী কবিয়ে স্মুল্ডেরস।
১৯৮৩ – ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় বেন ফস্টার।
১৯৮৫ – ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক লিওনা লুইস।
১৯৮৬ – মার্কিন অভিনেত্রী অ্যামান্ডা লরা বাইন্স।
১৯৮৮ – ওলন্দাজ ফুটবলার তিম ক্রুল।
১৯৯২ – রুশ সাঁতারু জুলিয়া আন্দ্রেইভানা ইফিমোভা।
১৯৯৫ – তাসকিন আহমেদ, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০৪৩ – ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে এডওয়ার্ডের অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
১৩১২ – ভিয়েনার দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
১৫৫৯ – স্পেন ও ফ্রান্স দ্বিতীয় চুক্তি করে।
১৬৬১ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া, অস্ত্র নির্মাণ ইত্যাদির অধিকারসংক্রানৱ সনদ লাভ করে।
১৭৮৩ – সুইডেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করে।
১৮৫৭ – রানী ভিক্টোরিয়াকে ‘ভারত সম্রাজ্ঞী’ ঘোষণা করা হয়।
১৮৬০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ঘোড়ার ডাক চালু হয়।
১৮৯০ – ইউরোপের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, জার্মান সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রথম চ্যান্সেলর অটো ভন বিসমার্ক পদচ্যুত হন।
১৯৩৯ – ডেনমার্ক ও নরওয়েতে জার্মান বাহিনী অনুপ্রবেশ করে।
১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ইরাকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা রশিদ আলী আল গিলানী বাগদাদ দখল করে নেন।
১৯৫৪ – শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুক হক চার সদস্য বিশিষ্ট যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী সভা গঠন করেন।
১৯৯৫ – ভিয়েতনাম মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ যুদ্ধে জয়লাভের ২০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করে।
২০০২ – ইসরাইলী সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনের জর্দান নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত জেনিন শহরে ভয়াবহ হামলা শুরু করে।
২০০৫ – বাংলাদেশী অভিনেতা সিয়াম আহমেদ খাঁ এর জন্মদিন ।
২০১৩ – আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেস ও লা প্লাতায় রেকর্ড বৃষ্টির পর বন্যায় ৫০ জন নিহত হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮০ – ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ, ভারতের মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
১৬৮২ – স্পেনীয় চিত্রশিল্পী ও শিক্ষাবিদ বারটলমে এস্তেবান মুড়িলও।
১৮৯৭ – জার্মান পিয়ানোবাদক ও সুরকার জোহানেস ব্রামস।
১৯০৯ – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও শিক্ষাব্রতী নগেন্দ্রনাথ ঘোষ।
১৯৩২ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী ।

১৯৪০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী চট্টল গৌরব মহিমচন্দ্র দাস ।
১৯৪১ – হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবি, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম পাল টিলেকি প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪৩ – জার্মান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক কনরাড ভেইডট।
১৯৬৯ – প্রথম ভারতীয় সবাক চলচ্চিত্র যন্ত্র স্থাপয়িতা মধু শীল।

১৯৭৫ – ভারতে জ্যোতির্বিজ্ঞানচর্চায় অন্যতম পথিকৃৎ রাধাগোবিন্দ চন্দ্র।
১৯৭৭ – জ্যাক রাইডার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৭৯ – সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ, বাংলাদেশী প্রখ্যাত বিচারপতি।

১৯৮৬ – সাহিত্যিক সাংবাদিক অসীম রায়।

১৯৯১ – গ্রাহাম গ্রিন, খ্যাতিমান ইংরেজ ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও সমালোচক।

১৯৯৮ – মেরি কার্টরাইট, ব্রিটিশ গণিতবিদ
২০১৩ – জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার রুথ প্রাওয়ের ঝাবভালা।

২০১৭ – কিশোরী আমোনকর, ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের, খেয়াল, ঠুমরি ও ভজন ইত্যাদির গায়িকা।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শিশু বই দিবস, জানুন দিনটি সম্পর্কে কিছু কথা।।।

প্রোতি বছর, বিভিন্ন দেশ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ করতে বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি মাসে বিভিন্ন বিশেষ দিন চিহ্নিত করে। এর মধ্যে, বিশ্ব শিশু বই দিবস শিশু সাহিত্য উদযাপনের জন্য নিবেদিত একটি দিন হিসাবে দাঁড়িয়েছে। এই উপলক্ষে, শিশুসাহিত্যের অগ্রগতি, বিশেষ করে বাংলা ভাষায় মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উন্নত রুচি, দৃঢ় মূল্যবোধ এবং সুস্থ মানসিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য উচ্চমানের শিশুসাহিত্য অপরিহার্য।
রূপকথার মায়াময় জগতটি হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের কাছে অনেক ঋণী, যিনি 2 এপ্রিল, 1805-এ ডেনমার্কের ওডেন্সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। “দ্য অগ্লি ডাকলিং,” “থাম্বেলিনা,” “দ্য লিটল মারমেইড,” “দ্য রেড শুস” এবং “দ্য স্নো কুইন” এর মতো চিত্তাকর্ষক গল্পের জন্য পরিচিত, অ্যান্ডারসেনকে রূপকথার অবিস্মরণীয় স্রষ্টা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি 4 আগস্ট, 1875-এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিশুদের জন্য লিখতে এবং তার ভালবাসা প্রকাশ করতে থাকেন।
তার জন্মদিন উপলক্ষে, সুইজারল্যান্ডের ইন্টারন্যাশনাল বোর্ড অন বুকস ফর ইয়াং পিপল (IBBY) প্রতি 2শে এপ্রিল বিশ্ব শিশু বই দিবস উদযাপন করে। দিনটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়, যা প্রখ্যাত লেখক ও প্রকাশকদের তরুণ পাঠকদের জন্য মানসম্পন্ন বই তৈরি ও প্রচার করতে উৎসাহিত করে। শিশুদের পড়ার প্রতি ভালবাসার প্রতি অনুপ্রাণিত করুন।
বিশ্ব শিশু বই দিবসের থিমটি প্রতি বছর IBBY দ্বারা নির্ধারিত হয়, যার প্রায় প্রতিটি দেশে শাখা রয়েছে। প্রতি বছর, একটি দেশকে উদযাপনের আয়োজন করার জন্য বেছে নেওয়া হয় এবং সেই দেশের একজন বিখ্যাত শিশু লেখক বিশ্বের শিশুদের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন। এই চিঠির উপর ভিত্তি করে, একজন প্রখ্যাত শিল্পীকে একটি পোস্টার ডিজাইন করতে বলা হয়, যা শিশু সাহিত্যের বিশ্ব উদযাপনে অবদান রাখে।
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের কল্পনাপ্রসূত গল্প শিশুদের জন্য একটি অনন্য জগত তৈরি করেছে, তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক বিকাশের জন্য স্বপ্ন এবং বাস্তবতাকে মিশ্রিত করেছে। তার কাজগুলি, বিশ্বব্যাপী উদযাপিত, শিশুদের অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের ক্লাসিক মূল্যের জন্য স্বীকৃত, তার জন্মদিনটিকে বিশ্ব শিশু বই দিবসের সমার্থক করে তোলে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০২ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস
(খ) বিশ্ব শিশুতোষ বই দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮০৫ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, ডেনীয় লেখক এবং কবি।  .
১৮৪০ – এমিল জোলা, ফরাসি ঔপন্যাসিক।  .
১৮৬২ – নিকোলাস মরি বাটলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।  .
১৮৯৮ – হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা।  .
১৯০২ – বিখ্যাত হিন্দুস্তানী খেয়াল সঙ্গীতজ্ঞ বড়ে গুলাম আলী খান।  .
১৯০৩ – ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।

১৯১৪ – আলেক গিনেজ, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯২৭ – পুশকাস, হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৪১ – ববি মুর, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৪৩ – বিন্দেশ্বর পাঠক, ভারতীয় সমাজবিজ্ঞানী, সামাজিক উদ্যোক্তা এবং সুলভ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৮ – মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৯৫৩ – দেব্রালি স্কট, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৬৩ – কার্ল বিটটিয়ে, ইংরেজ পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৭৩ – দিমিত্রি লিপারটভ, রাশিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৭৫ – অ্যাডাম রদ্রিগেজ, মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯৮০ – গেভিন হাফেরনান, কানাডীয় পরিচালক ও চিত্রনায়ক।
১৯৮৩ – পোল কেপডেভিল, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮৬ – ইব্রাহীম আফেলায়, ডাচ ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০০ – বিটোফেন তার প্রথম সিম্ফনির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন ভিয়েনায়।
১৮২৭ – যুক্তরাষ্ট্রে জোসেপ ডিক্সন প্রথম লিড পেন্সিল নির্মাণ করেন। তিনি ম্যাচাচুসেটস অঙ্গ রাজ্যের সালেমে পেন্সিল নির্মানের কারখানা স্থাপন করেন।
১৮৪৫ – সুর্যের প্রথম আলোকচিত্র গ্রহণ করা হয়েছিলো।
১৮৫১ – রামা (সপ্তম) থাইল্যান্ডের রাজা হন।
১৯১২ – ইল্ল-ফাটেড আরএমএস টাইটানিক সমুদ্রের ট্রায়াল শুরু করে।
১৯১৭ – তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আহবান জানান।
১৯৪১ – মরু শিয়াল হিসেবে খ্যাতিমান জার্মানীর বিখ্যাত লেফটেনেন্ট জেনারেল এডউইন রোমেল লিবিয়া পুনঃদখলের অভিযান শুরু করেন।
১৯৬৩ – মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮২ – ফকল্যান্ডস যুদ্ধ: আর্জেন্টিনা ফক্‌ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আক্রমণ করে।
১৯৮৯ – সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ হাভানায় ভ্রমণ করেন ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে দেখা করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৭ – জার্মান লেখক জহান হাইনরিশ জং।

১৯১৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান লেখক পল হেইসা।
১৯২৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ থিওডোর উইলিয়াম রিচার্ডস।

১৯৩৩ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ক্রিকেটার রণজিত সিংহ।

১৯৫৩ – কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও আইনজ্ঞ আসাফ আলী।

১৯৫৮ – জাপানি শিক্ষক ও সমাজ কর্মী জসেই টডা।
১৯৬৫ – অতুলচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৭২ – টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার উদ্ভাবক মার্কিন আবিষ্কারক স্যামুয়েল মোর্স।
১৯৮৬ – আইনজীবী ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন।
১৯৯৪ – মার্কিন অভিনেত্রী বেটি ফুরনেসস।
১৯৯৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী হানেস উলফ গোস্তা আল্‌ফভেন।
২০০৫ – ইংরেজ অভিনেত্রী বেত্তী বলটন।
২০১২ – অস্ট্রেলিয়ান এক্সপ্লোরার, লেখক ও প্রকৌশলী ওয়ারেন বন্যথন।
২০১৪ – ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়ক ল্যন্ডসি হল্যান্ড।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব ।।।।

চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষায় অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার স্নায়ুবিক বিকাশের প্রতিবন্ধকতার প্রতিফলন। বিশ্বজুড়েই এটি একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়।আজ ১৬তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।

অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দিনটি পালিত হয়।
একসময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এটি নিয়ে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। তবে যত দিন গিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে।
এই দিনটিতে জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তার সদস্য দেশগুলিকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে উৎসাহিত করে। দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক “৬২/১৯৯ ধারা অনুযায়ী মনোনয়ন লাভ করে। “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস” প্রস্তাবটি ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছিল এবং সেটি গৃহীত হয়েছিল একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর। এটি প্রস্তাব করেছিলেন জাতিসংঘে কাতারের প্রতিনিধিবৃন্দ যাদের মধ্যে ছিলেন প্রিন্সেস শিখা মোজাহ বিনতে নাসের আল-মিসনদ এবং তার স্বামী, কাতার রাজ্যের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি। সকল সদস্যরাষ্ট্র তাঁদের এ প্রস্তাবকে সমর্থন করে।
এই প্রস্তাবনাটি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিনা ভোটে পাশ এবং গৃহীত হয়েছিল। মূলত মানবাধিকার উন্নয়নে জাতিসংঘের পূর্ববর্তী উদ্যোগসমূহের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবেই এমনটি করা হয়েছিল। তাই, অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ‘রূপান্তরের অভিযাত্রায় সবার জন্য নিউরোবান্ধব অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার (২ এপ্রিল) পালিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। ১৬তম বছরের মতো এবার পালিত হচ্ছে দিবসটি।

অটিজমের লক্ষণ—-

তার সমবয়সী শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় না। এই রোগে আক্রান্ত শিশু কারো সাথেই, সে সমবয়সী হোক কিংবা অন্য যে কোনো বয়সী হোক তার সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। কিছু কিছু বাচ্চা আবার ১ থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত খেলাধুলা কথাবার্তা সব ঠিক থাকে কিন্তু হঠাৎ করে কথা ও সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
গবেষণা বলছে, পরিবেশের প্রভাবের পাশাপাশি জিন শিশুর বৃদ্ধিকে এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারে যাতে ASD দেখা দিতে পারে। সময়ের আগেই শিশুর জন্ম, পারিবারিক ইতিহাস, বাবা মায়ের বয়স বেশি হওয়ার কারণগুলিও রয়েছে এই রোগের নেপথ্যে।
এই রোগের লক্ষণ গুলি হলো , সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে অসুবিধা হয় শিশুদের এবং মুখের অভিব্যক্তির অভাব, চোখের যোগাযোগের অভাব, ডাকার পরে উত্তর দিতে দেরি হওয়া এবং অস্বাভাবিক সুরে কথা বলা। চলন্ত বস্তু বা বস্তুর কোনও অংশে মনোনিবেশ করাতে সমস্যা দেখা দেয়, রুটিন বা সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন হলেই অনভ্যাসের জেরে বিরক্তি এবং নতুন পরিবেশে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে জটিলতার সম্মুখীন হয় শিশুরা। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে মানবিক পরিবেশে গড়ে তোলা হলে তারাও পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।
চিকিৎসকদের একাংশ বলেন যদি সময়মতো রোগ ধরা পড়ে এবং সংবেদনশীলভাবে তার যত্ন নেওয়া হয় তাহলে এই রোগ নিয়েও সুন্দর, সৃজনশীল জীবনযাপন করা যেতেই পারে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার শুরুর দিক থেকে বিষয়টির যত্ন নিলে আপনার শিশু সামাজিক, যোগাযোগ বাড়ানোর, কার্যকরী এবং আচরণগত নানান দক্ষতা শিখতে শুরু করে।প্রতিটি অভিভাবকের উচিত নিজেদের সন্তানের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটানো। সেই সঙ্গে মনোযোগ দিতে হবে সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া অটিজমের লক্ষণগুলির উপরেও। যদি দেখা যায়, সন্তান স্বাভাবিক আচরণ করছে না, সে ক্ষেত্রে তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া বাঞ্ছনীয়। আর এমন লক্ষণ দেখা দিলে তা নিয়ে একেবারেই গাফিলতি কিংবা অবহেলা করা ঠিক নয়। সময় মতো অটিজম শনাক্ত করা গেলে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই শিশুকে স্বাভাবিক জীবন দেওয়া যেতে পারে। আর লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অটিজমে আক্রান্ত শিশুর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় বড় শব্দ অথবা বাক্যের পরিবর্তে ছোট-ছোট শব্দ অথবা বাক্য ব্যবহার করে কথা বলা উচিত। আক্রান্ত শিশুকে অন্য কোনও শিশু কিংবা অন্য কারওর সঙ্গে তুলনা করা চলবে না। তাকে নতুন-নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করাতে হবে। অটিজমে আক্রান্ত শিশু রাগারাগি করলে তাকে বকুনি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়, বরং তাকে ভালোবেসে কথা বলেই সব কিছু বোঝানো উচিত।
সর্বপরি, অটিজমের চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, আচরণগত শিক্ষা এবং মনস্তাত্বিক পদ্ধতি যেমন সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আচরণ এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।
উল্লেখ্য, বিশ্ব অটিজম দিবস স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সাতটি দিবসের মধ্যে অন্যতম। এইদিন সেইসকল পৃথক পৃথক অটিজম সংস্থাগুলি ঐক্যবদ্ধ হয় যারা বিশ্বজুড়ে এরকম মানসিক বিকাশসংক্রান্ত ব্যাধিতে আক্রান্তদের সম্পর্কে গবেষণা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রদান এবং তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করে।বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস বিশ্বব্যাপী অটিস্টিক ব্যক্তিদের অধিকারের সমর্থনের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক তৈরি করা হয়েছিল দিনটি।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) ১ এপ্রিল অনেক দেশে এপ্রিল ফুলস্ ডে বা অল ফুলস্ ডে হিসেবে পরিচিত।
(খ) জাতীয় বিমান বাহিনী দিবস (ভারত)।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৭৮ – উইলিয়াম হার্ভে, রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির অন্যতম উদ্ভাবক।

১৮০৯ – নিকোলাই গোগোল, রুশ ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

১৮১৫ – জার্মানি পুনর্গঠনের অন্যতম পুরোধা অটো ফন বিসমার্ক।

১৮৬৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রীয় রসায়নবিদ রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি।

১৮৭০ – অতুলচন্দ্র সেন, বাঙালি লেখক।
১৯০৭ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।
১৯০৮ – আব্রাহাম মাসলো, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।
১৯১৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন শল্যবিদ জোসেফ এডওয়ার্ড মুর।

১৯২৯ – আবেদ হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক ও সুরকার।
১৯৩১ – চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও কথাশিল্পী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা ।
১৯৩২ – রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৩৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ক্লোদ কহেন-টানউডজি।

১৯৩৬ – পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের খান।
১৯৪৭ – মার্কিন লেখক ফ্রান্সিন প্রোস।
১৯৫৩ – সাবেক ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার আলবের্তো জ্যাকহেরনি।
১৯৭৬ – জাপানি টেনিস খেলোয়াড় ইয়ুকা ইয়োশিদা।
১৯৮৩ – ফ্রাংক রিবেরি, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – মার্কিন অভিনেতা জশ জাকারম্যান।
১৯৯৩ – বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলম।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় এর প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়।
১৮৬৭ – সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৬৯ – এই সময়কালে ভারতে আয়কর চালু হয়।
১৮৬৯ – নদিয়া টাউন কমিটি নামে নবদ্বীপ পৌরসভা স্থাপিত হয়।
১৮৭৮ – কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ – ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেয়া হয়।
১৯৩৫ – ১৯৩৪ সালের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক আইন বলে আজকের দিনে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপিত হয়েছিল।
১৯৩৬ – ভারতে ওড়িশা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৭ – ভারত আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ – স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৪২ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র জনযুদ্ধ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আগ্রাসন শুরু করে।
১৯৫৭ –
অল ইন্ডিয়া এয়ার (AIR) এর অন্যতম নাম রাখা হয় আকাশবাণী।
ভারতে পুরাতন মুদ্রা (৬৪ পয়সায় এক টাকা) বহাল রেখে দশমিক মুদ্রা (১০০ পয়সায় এক টাকা) চালু হয়।
১৯৬০ – যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক হাজার বাঙালিকে হত্যা করে।
১৯৭৯ – ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
১৯৯২ – বসনিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৯৭ – প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বিল পাস করা হয়।
১৯৯৮ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পবিত্র ঈদুলফিতর ও ঈদুল-আজহা উপলক্ষে জাতিসংঘের স্টাফদের জন্য ২ দিনের ছুটি বাধ্যতামূলক করে।
২০০১ – নেদারল্যান্ডসে সমকামীদের মধ্যে বিয়ে বৈধ করা হয়। এটি প্রথম দেশ, যেখানে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২১ – ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিস্টফানো আলোরি।

১৯৭৯ – মার্কিন অভিনেত্রী বারবারা লুডডয়।

১৯৮৩ – কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান।

১৯৮৪ – ইংরেজ লেখক এলিজাবেথ গউডগে।
১৯৯৪ – ফরাসি ফটোগ্রাফার রবার্ট ডইস্নেয়াউ।

২০০০ – একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।
২০১২ – তুর্কি অভিনেতা একরাম বোরা।
২০১৩ – ইরানি অভিনেত্রী আসাল বাদিঈ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

কাশি কমাতে হোক বা বাতের ব্যথা বাসক পাতার গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন।।।

কাশি কমাতে হোক বা বাতের ব্যথা বাসক পাতার গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন।
বসাক পাতার ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে কথা বললে প্রথমেই বলা যায় যে, পাতা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ওষুধ তৈরিতে। তাজা এবং শুকনো পাতা উভয়ই ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বাসক পাতায় ভ্যাসিসিন (বসক পাতার গুণ) নামক একটি প্রাকৃতিক পদার্থ এবং কিছু প্রয়োজনীয় তেল রয়েছে।

বসাক পাতা ব্যবহার সাধারণত ঠান্ডা ও কাশি কমাতে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘদিন ধরে বুকে জমে থাকা কফকে তরল করতে বাসক পাতার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাসক পাতায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান বুকে জমে থাকা কফ গলিয়ে ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়।
বাসক পাতার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন –
১। কাশি কমাতে বাসক পাতা
আগেই যেমন বলা হল সর্দি কাশি কমাতে বাসক পাতার ব্যবহার অনস্বীকার্য। যদি বহু পুরনো সর্দি বা কাশির সমস্যা থাকে, সেক্ষেত্রে দু-চারটি বাসক পাতা খুব ভাল করে ধুয়ে বেটে নিয়ে সেই রস যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে উপশম হয়। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে বাসক পাতা প্রচন্ড তেতো হয়। কাজেই এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ বাসক পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে বেশ কয়েকদিন খেতে পারেন। এরপর অবশ্যই এক গ্লাস জল খাবেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই কাশি কমে যাবে।
২। যক্ষ্মা রোধে বাসক পাতা
বাসক পাতার ঔষধি গুণ গুলির মধ্যে একটি হল বাসক পাতা যক্ষ্মা বা টিউবারকিউলোসিস রোগ সারাতে সাহায্য করে। বাসক পাতায় অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান রয়েছে যা যক্ষ্মা কমাতে (বাসক পাতার গুনাগুন) সাহায্য করে। এছাড়াও ব্রঙ্কাইটিস ও হুপিং কাশির সমস্যা সমাধানেও বাসক পাতা সাহায্য করে।
৩। বাতের ব্যথায় উপশম করে
বাসক পাতার ঔষধিগুণ (Bashok Pata) গুলির মধ্যে আরও একটি হল এই পাতা বাতের ব্যথাও উপশম করতে সাহায্য করে। এতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে যা আরট্রাইটিস, বাতের ব্যথা, গাঁটে ব্যথা ইত্যাদি নিরাময় করতে সাহায্য করে। কয়েকটি বাসক পাতা (Basak Pata Benefits) বেটে তার সঙ্গে হলুদ ও চুন মিশিয়ে লাগালে বাতের ব্যথা কমে বলে অনেকে দাবী করেন।
৪। রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে
অনেকেরই মুখে ব্রণ হয় বা পেটে সমস্যা হয় অথবা নানারকম অ্যালারজির সমস্যা থাকে। এই সমস্যাগুলো বেশিরভাগ সময়েই তখন হয় যখন রক্ত পরিষ্কার থাকে না। বাসক পাতার (Bashok Pata) নিয়মিত সেবনে কিন্তু আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কার হয়। শুধু তাই নয়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করতে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে।
৫। জ্বর হলে বাসক পাতা খান
জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে বাসক পাতা (Bashok Pata) যথেষ্ট সাহায্য করে। এছাড়াও অনেকসময়েই জ্বরের সঙ্গে সর্দি ও কাশির সমস্যা থাকে। সেক্ষেত্রে এক চামচ মধু, এক চামচ তুলসি পাতার রস এবং এক চামচ বাসক পাতার রস (Basak Pata Benefits) খেলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
৬। শ্বাসকষ্টে বাসক পাতা
বাসক পাতা কাশি, সর্দি, ব্রঙ্কাইটিস, হাপানি ইত্যাদি নিরাময় করতে সাহায্য করে। বাসক পাতার ঔষধি গুণ আমাদের শ্বাসনালী প্রশস্ত করতে (বাসক পাতার গুনাগুন) সাহায্য করে যার ফলে শ্বাসকষ্ট কমে এবং ব্রঙ্কাইটিস ও হাপানি রোগীদের উপশম পেতে সাহায্য করে। হাপানির ওষুধ তৈরি করতেও অনেকসময়ে বাসক পাতার ব্যবহার (Basak Pata Uses) দেখা যায়।
৭। শরীরের নানা ‘দোষ’ কাটাতে
আয়ুর্বেদ মতে আমাদের শরীরে নানা দোষ থাকে যার ফলে আমাদের নানারকমের শারীরিক সমস্যা ও অসুখ হয়। আয়ুর্বেদ অনুসারে, শরীরের সুস্থ থাকা নির্ভর করে বায়ু, পিত্ত এবং কফ, এই তিনটি বিষয়ের ভারসাম্যের উপর। এর কোনওটার মাত্রা যদি বেড়ে যায়, তা হলেই দেখা দেয় নানা সমস্যা। তবে বাসক পাতার (Bashok Pata) নিয়মিত সেবনে আমাদের শরীরে এই তিনটি বস্তুর ভারসাম্য বজায় থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে।
নিয়মিত বাসক পাতার রস খেলে খিঁচুনি বা মৃগীরোগ সারে বলে অনেকেই দাবী করেন।
অনেকের গায়ে খুব দুর্গন্ধ হয়, তাঁরা প্রতিদিন বাসক পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে স্নান করলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়।
।। সংগৃহীত।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ৩১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৯৬ – রেনে দেকার্ত, ফরাসি দার্শনিক ও আধুনিক দর্শনের জনক, গণিতজ্ঞ, বিজ্ঞানী।

১৯১৪ – অক্তাবিও পাজ, সাহিত্যে নোবেলজয়ী (১৯৯০) ম্যাক্সিকান কবি।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭১৩ – ইউট্র্যাক্ট নগরের সন্ধির মাধ্যমে স্পেনীয় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মহাযুদ্ধের অবসান হয়।
১৭২৭ – ইংরেজ পদার্থ ও গণিতবিদ বিশ্বের প্রধানতম বিজ্ঞানীদের অন্যতম আইজ্যাক নিউটনের মৃত্যু।
১৭৭৪ – কলকাতায় পোস্ট মাস্টার জেনারেলের পদ সৃষ্টি করা হয়।
১৮০৭ – খিদিরপুর থেকে প্রথম বাষ্পচালিত ব্রিটিশ-ভারতীয় জাহাজ জলে ভাসানো হয়।

১৮২৪ – প্রথম ভারতীয় টাকশালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৮৮২ – কলকাতায় প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়।

১৮৮৯ – প্যারিসে আইফেল টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়।
১৯২১ – মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৫৪ – জেনারেল গিয়াপের নেতৃত্বে ভিয়েত মীন নামে পরিচিত ভিয়েতনামের বাহিনী দিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি বাহিনীকে অবরোধের সূচনা করে।

১৯৬৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন লুন টেন নামের প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণকারী একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।

১৯৭১ – সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদ সাবের নিহত হন।
১৯৭৯ – আরব লীগের সদস্যরা এই সংস্থায় মিশরের সদস্য পদ নাকচ করে দেয়।
১৯৭৯ – ইংল্যান্ডের রক্ষনশীল দলের এম.পি. এয়ারি নিভ কমন্সসভার বাইরে নিজ মোটর গাড়িতে বোমা বিস্ফোরনে প্রাণ হারান।
১৯৯১ – মধ্যরাতে ওয়ারশ জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৩১ – জন ডান , ইংরেজ কবি।

১৬৬৩ – মোগল সেনাপতি মীর জুমলার প্রয়াত হন।

১৭২৭ – প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক আইজাক নিউটন।

১৯১৭ – এমিল ফন বেরিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী।

১৯৯১ – শিল্পপতি এ কে খান-এর মৃত্যু।
২০১৩ – ছোটদের বাংলা গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

নির্জনতা প্রিয় জঙ্গল-প্রেমীদের আদর্শ আলিপুরদুয়ারের চিলাপাতা।।।

তোর্সা নদীর তীরে অবস্থিত, চিলাপাতা বন ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ বনভূমি এলাকাগুলির মধ্যে একটি। কালাচিনি, বুড়ি বসরা এবং বেনিয়া সহ বেশ কয়েকটি নদী দ্বারা কাটা বনটি এতটাই বিস্তৃত যে এমনকি গাইডদের জন্য এটি একদিনে ঢেকে রাখা কঠিন বলে মনে হয়। জলদাপাড়া এবং গোরুমারার মতো ডুয়ার্সে তার আরও ঘন ঘন প্রতিপক্ষের বিপরীতে, চিলাপাতা কম দর্শক দেখে, যাঁদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ অফার করে যারা মার-ধর-পথের দুঃসাহসিক কাজ করতে চান।

এটি হাতি সাফারির জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত।
বন শুধু বন্যপ্রাণী উত্সাহীদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল নয় বরং এটি ইতিহাসে রক্ষিত একটি সাইট। কিংবদন্তি আছে যে চিলাপাতা কোচ রাজাদের শিকারের জায়গা হিসাবে কাজ করেছিল, বনের নাম চিল্লার নামে, একজন সেনাপতি তার দ্রুত আক্রমণের জন্য পরিচিত। বনে প্রবেশের জন্য, একজনকে অবশ্যই রেঞ্জ অফিস থেকে একটি পারমিট নিতে হবে, সাফারিগুলি সকাল 5টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত কাজ করে।
চিলাপাতার ঘন ছাউনি এমন জায়গা তৈরি করে যেখানে সূর্যের আলো খুব কমই পৌঁছায়, কোচ রাজাদের যুগের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচন করে। এই বনে গন্ডার, হাতি এবং ভাগ্য অনুমতি দিলে বাঘ এবং চিতাবাঘ সহ বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল। বন্যের মধ্যে, কেউ নল রাজাদের অন্তর্গত দুর্গগুলির ধ্বংসাবশেষও খুঁজে পেতে পারে, যা জঙ্গল সাফারির অভিজ্ঞতায় রহস্যের একটি স্তর যুক্ত করে।
চিলাপাতার আরেকটি অনন্য দিক হল বিপন্ন রামগুয়া গাছ, যা এখন চোরাচালানের হুমকির সম্মুখীন। এর বাসিন্দাদের মধ্যে শক্তিশালী কিং কোবরা অন্তর্ভুক্ত থাকায়, গাইড সবসময় দর্শকদের সাবধানে চলার পরামর্শ দেয়। ডুয়ার্সের অন্যান্য বনের তুলনায়, চিলাপাতা আরও আদিম এবং অস্পৃশ্য মরুভূমির অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
চিলাপাতা দেখার জন্য, যাত্রীরা বাগডোগরা বিমানবন্দরে উড়ে যেতে পারে এবং তারপরে সড়কপথে প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা ভ্রমণ করতে পারে। যারা রেল পছন্দ করেন তাদের জন্য, হাসিমারা থেকে বনটি ৫ কিমি, আলিপুরদুয়ার জংশন থেকে ২৩ কিমি এবং নিউ আলিপুরদুয়ার থেকে 20 কিমি দূরে। রাস্তার যাত্রীদের প্রথমে আলিপুরদুয়ার পৌঁছতে হবে, যেখান থেকে চিলাপাতা ২০ কিমি দূরে। এই অঞ্চলে অসংখ্য মনোরম রিসর্ট এবং থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, যা একটি স্মরণীয় থাকার জন্য চমৎকার জঙ্গলের দৃশ্য প্রদান করে।
ইতিহাস উৎসাহী, বন্যপ্রাণী প্রেমিক বা অ্যাডভেঞ্চার সন্ধানকারীর জন্যই হোক না কেন, চিলাপাতা বন প্রকৃতির অস্পৃশ্য সৌন্দর্যের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This