Categories
রিভিউ

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) শিবাজী জয়ন্তী (মহারাষ্ট্র, ভারত)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৭৩ – নিকোলাউস কোপার্নিকাস, বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন।

 

১৬৩০ – ভারতের মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা যোদ্ধা রাজা ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জন্ম গ্রহণ করেন ।

 

১৭৩২ – ইংরেজ নাট্যকার রিচার্ড কাম্বারল্যান্ড জন্মগ্রহণ করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৮৯ – সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়) দিল্লীতে নিহত হন।

১৬১৮ – ডেনিস-অস্ট্রেলিয়া যুদ্ধের অবসান। মাদ্রিদ শান্তি চুক্তি অনুমোদন।

১৮০৩ – সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতা আইন পাস (যে আইনের অধীনে ক্যান্টনস পুনরায় স্বাধীনতা অর্জন করে)।

১৮৫৫ – লিভারপুলে খাদ্যা দাঙ্গা শুরু।

১৮৭৮ – টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ পেটেন্ট করেন।

১৮৯১ – ‘অমৃত বাজার পত্রিকা’ দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

১৯০৪ – ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ঢাকাতে কার্জন হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

১৯২৪ – জেনেভায় আন্তর্জাতিক মাদক কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪১ – কেনিয়ায় অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইতালীয় সোমালিল্যান্ড দখল করে নেয়।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখন্ডে জাপানের প্রথম বিমান হামলা। ২৪৩ কর্মকর্তা নিহত। ২৩ টি বিমান বিধ্বস্ত ৮টি জাহাজডুবি।

১৯৫১ – নেপালে গণঅভ্যুত্থানে ১০৪ বছরের পুরনো রানা শাসনামলের পতন এবং রাজ পরিবারের ক্ষমতায় পুনঃঅধিষ্ঠিত।

১৯৫১ – বিখ্যাত ফরাসি লেখক, নৈতিকতাবাদী, দার্শনিক আন্দ্রে জিঁদ পরলোকগমন করেন।

১৯৬৩ – সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহারে সম্মত হয়।

১৯৭৪ – বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮০ – ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী ইরানের প্রথম অভিভাবক পরিষদের জন্য ইসলাম বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বা ফকিহদের মনোনয়ন দান করেন।

১৯৮৮ – ইরানের একটি যাত্রীবাহী বিমানের উপর ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসকের সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হোজ্জাতুল ইসলাম ফাজল্লাহ মাহলাদী শহীদ হন।

১৯৯৩ – হাইতিতে ১৫শ যাত্রীবাহী ফেরীডুবি। জীবিত উদ্ধার মাত্র ২৮৫ জন।

২০১৮ – বাংলাদেশে ফোরজি সেবা চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৬১ – কলকাতার দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ও জন হিতৈষী লোকমাতা রাণী রাসমণি প্রয়াত হন ।

 

১৯১৫ – গোপালকৃষ্ণ গোখলে, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

 

১৯৪৭ – সমাজসেবক স্যার আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৭৮ – পঙ্কজ কুমার মল্লিক, ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক ও অভিনেতা।

 

১৯৯০ – মাইকেল পাওয়েল, ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯৭ – চীনের শীর্ষ নেতা দেন শিয়াও পিং মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৯৯ – ভারতের বাঙালি সাহিত্যিক ও বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ‘দেশ’ র প্রখ্যাত সম্পাদক সাগরময় ঘোষ প্রয়াত হন ।

 

২০১৭ – বনশ্রী সেনগুপ্ত, প্রবাদপ্রতিম ভারতীয় বাঙালি গায়িকা।

 

২০১৯ – (ক) মুহম্মদ খসরু, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

(খ) প্রতীক চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

২০২৩ – সাবেক যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী, জানুন দিনটি কেন পালিত হয়- দিনটির ইতিহাস এবং তাৎপর্য।

ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী, যা শিব জয়ন্তী নামেও পরিচিত, একটি উৎসব যা মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে।  এটি প্রতি বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যে এটি একটি সরকারি ছুটির দিন।

 

ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ পালন যা শ্রদ্ধেয় মারাঠা সম্রাট, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীকে সম্মান করে।  ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী প্রতি বছর দুবার পালিত হয় কারণ, সম্বত হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, শিবাজি ফাল্গুনের তৃতীয় দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। হিন্দু সম্বত ক্যালেন্ডার অনুসারে, এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনটি ১০ ​​মার্চ, ২০২৪-এ পড়ে, যখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে, এটি ১৯ ফেব্রুয়ারী পালিত হয়। এই উপলক্ষটি মহান মারাঠা রাজার ৩৯৪ তম জন্মদিনকে চিহ্নিত করে অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বহন করে।

 

ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ, তাঁর বীরত্ব, নেতৃত্ব এবং প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য পরিচিত, ভারতীয় ইতিহাসে একজন বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে পালিত হয়।  তিনি মারাঠা সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিশেষ করে তাঁর সামরিক দক্ষতা, উদ্ভাবনী কৌশল এবং হিন্দবী স্বরাজ্য, যার অর্থ ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের জন্য স্ব-শাসনের দৃষ্টিভঙ্গির জন্য স্মরণীয়।
শিবাজী জয়ন্তী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাথে স্মরণ করা হয়, যার মধ্যে মিছিল, নাটক এবং বক্তৃতা রয়েছে যা তার জীবন এবং কৃতিত্বকে তুলে ধরে।  এটি তার উত্তরাধিকার এবং তিনি যে মূল্যবোধের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন, যেমন সাহসিকতা, ন্যায়বিচার এবং তার লোকেদের সুরক্ষার অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

 

এই পালনটি শুধুমাত্র ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে না বরং মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে, তাদের মহৎ গুণাবলী অনুকরণ করতে এবং সমাজে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখতে উৎসাহিত করে।

 

কেন আমরা ছত্রপতি শিবাজী জয়ন্তী উদযাপন করি?

 

মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে পুনে থেকে প্রায় ১০০ মাইল দূরে ১৮৬৯ সালে রায়গড়ে শিবাজি মহারাজের সমাধি আবিষ্কার করার পর ১৮৭০ সালে শিবাজি জয়ন্তী উদযাপনের সূচনা করেন।  ১৮৯৪ সালে বাল গঙ্গাধর তিলক এই উদযাপনগুলিকে আরও জনপ্রিয় করে তোলেন। মহারাষ্ট্র, গোয়া এবং কর্ণাটকে শিবাজী জয়ন্তী অত্যন্ত গর্বের সাথে পালিত হয়।  মারাঠা সম্প্রদায় এই দিনে মহান মারাঠা সম্রাটকে প্রশাসনে তার ব্যতিক্রমী দক্ষতা, সামরিক বীরত্ব এবং সামরিক কৌশলের জন্য সম্মান জানাতে অসংখ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  শিবাজি মহারাজের সাহস ও বুদ্ধিমত্তা কিংবদন্তি এবং প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ তার দরবারে এবং প্রশাসনে মারাঠি এবং সংস্কৃতের মতো আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারকে প্রচার করেছিলেন, প্রচলিত মান ভাষা ফার্সিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।  শিবাজি মধ্যযুগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর নৌ শাখার বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য “ভারতীয় নৌবাহিনীর পিতা” হিসাবেও বিখ্যাত।

 

ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তীর তাৎপর্য ২০২৪।

 

ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী মহারাষ্ট্র এবং ভারত জুড়ে পালিত হয়, এই অনুষ্ঠানের তাৎপর্য স্মরণ করে।  ২০২৪ সালে, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের উত্তরাধিকারকে সম্মান জানাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সেমিনার আয়োজন করা হয়।  স্কুল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ছাত্রদের তার জীবন সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে, তাদের ঐতিহ্যের প্রতি গর্ব জাগিয়ে তোলে। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী ভারতের অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্বের জীবন ও অর্জন উদযাপন করে, তার বীরত্ব, নেতৃত্ব এবং ইতিহাসে অবদান তুলে ধরে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩৭৪ – সেইন্ট জাডুইগার, পোল্যান্ডের রানি।

 

১৪৮৬ – শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু, বৈষ্ণব সন্ন্যসী ও ধর্মগুরু, ভারতে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক।

 

১৭৪৫ – আলেসান্দ্রো ভোল্টা, ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৩০ – হ্যালহেড, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব।

 

১৮৩৬ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক, দার্শনিক ও ধর্মগুরু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।

১৮৩৮ – আর্নস্ট মাখ, অস্ট্রীয় পদার্থবিদ, দার্শনিক ও মনোবিদ।

১৮৯৪ – রফি আহমেদ কিদোয়াই, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম বিপ্লবী রাজনীতিক ও সমাজতান্ত্রিক ব্যক্তি।

 

১৯২৭ – মহম্মদ খৈয়াম হাশমি, ভারতের প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার।

১৯৩৭ – আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক।

১৯৫২ – আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৯৮২ – গায়ত্রী মহন্ত, ভারতের অসম রাজ্যের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১২৩ – সম্রাট ফ্রেডরিক জেরুজালেম দখল করেন।

১৫৩৬ – ফ্রান্স ও তুরস্ক বাণিজ্য চুক্তি করে।

১৭৮৭ – অস্ট্রিয়ার সম্রাট শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করেন।

১৮৩৯ – ডেট্রয়েট বোট ক্লাব গঠিত হয়।

১৮৬১ – প্রথম ইতালিয় পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়।

১৮৮৫ – মার্ক টোয়েনের বিখ্যাত বই এডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন প্রকাশিত হয়।

১৯০০ – বোয়ের যুদ্ধে পারডারবাগে ৪ শ’ লোকসহ পিয়েত ক্রোনিয়ের বৃটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

১৯১৫ – ডুবোজাহাজের মাধ্যমে জার্মানির ব্রিটেন অবরোধ শুরু হয়।

১৯২১ – ব্রিটিশ সৈন্যরা ডাকলিন দখল করে।

১৯২৬ – বিখ্যাত রীফ নেতা আবদুল করিম খাত্তাবি ফ্রান্স এবং স্পেনীয় যৌথ বাহিনীর হাতে পরাজিত হন।

১৯৩০ – প্লুটো আবিষ্কৃত হয়।

১৯৩৪ – আলজেরিয়ার বিখ্যাত যোদ্ধা আমির আবদুল কাদেরর হাতে আগ্রাসী ফরাসি সেনারা শোচনীয়ভাবে পর্যুদস্ত হয়।

১৯৪২ – জাপানি সৈন্যরা বালিতে অবতরণ করে।

১৯৫১ – নেপাল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।

১৯৬৫ – গাম্বিয়ার স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৯ – রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় আফগানিস্তান।

১৯৭৬ – বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের নাগিরকত্বে ভূষিত করা করা হয়।

১৯৭৯ – বাংলাদেশের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

১৯৮৮ – রাশিয়ার ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো থেকে বরিস ইয়েলৎসিনকে বরখাস্ত করে।

১৯৮৯ – আফগানিস্তানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

১৯৯১ – কেনিয়ায় গ্রিস দূতাবাসে লুকিয়ে থাকার ৩ দিন পর তুরস্কের কুর্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালানকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৯৩ – হাইতিতে ফেরি ডুবে দু’হাজার লোকের মৃত্যু ঘটে।

১৯৯৭ – বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার যাত্রীবহন শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৯৪ – মোঙ্গল সম্রাট কুবলাই খানের মৃত্যু হয়।

 

১৫৪৬ – প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের সংস্কারক জার্মান ধর্মতাত্ত্বিক মার্টিন লুথারের মৃত্যু হয়।

 

১৫৬৪ – মাইকেলেঞ্জেলো, ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।

 

১৮৫১ – কার্ল গুস্তাফ ইয়াকপ ইয়াকবি, জার্মান গণিতবিদ।

 

১৯৪৯ – নিথেতো আলকালা-থামোরা, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৬৯ – মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা, বাঙালি শিক্ষাবিদ এবং অধ্যাপক।

 

১৯৭৪ – মুক্তিসংগ্রামী, চারণকবি ও সাংবাদিক বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হন।

 

১৯৭৭ – বাংলা সিনেমার নেতৃস্থানীয় অভিনেত্রী কাবেরি বসু।

 

১৯৯৭ জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ হিন্দুস্তানী শাস্ত্রীয় সংগীতের (ফারুকাবাদ ঘরানার) সঙ্গীতশিল্পী।

 

২০১৬ – আবদুল রশিদ খান,ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২০১ – নাসিরউদ্দিন আল-তুসি, পারস্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী ও ধর্মতাত্ত্বিক।

 

১৬৫৩ – আর্কে‌ঞ্জেলো কোরেল্লি, ইতালীয় ভায়োলিনবাদক ও সুরকার।

 

১৭৫৪ – নিকোলাস বডিন, ফরাসি কার্টো‌গ্রাফার ও অভিযাত্রী।

 

১৭৭৫ – ডেভিড হেয়ার, বাংলায় ইংরেজি শিক্ষা প্রবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৮৪৮ – আলবার্ট গুস্তাফ ডালমান, সুইডিশ জল্লাদ।

১৮৫৬ – ফেডারিক ইউজেন আইভস, ছবি মুদ্রণে হাফটোন প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক।

 

১৮৮৮ – অটো ষ্টের্ন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৯০ – রোনাল্ড ফিশার, পরিসংখ্যানবিদ।

১৮৯৭ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি রসায়ন বিজ্ঞানী জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়।

 

১৮৯৯ – জীবনানন্দ দাশ, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি।

১৯১৭ – অশোক মিত্র, ভারতীয় প্রশাসক, প্রাবন্ধিক, শিল্প ঐতিহাসিক, শিল্প সমালোচক, ভারতের প্রথম জনগণনা কমিশনার।

১৯১৭ – আবদেল রহমান বাদাউয়ি, মিশরীয় দার্শনিক ও কবি।

১৯৩৬ – মাসুদ করিম, বাংলাদেশি একজন বিখ্যাত গীতিকার।

১৯৩৮ – ওয়াজি কাসিম, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

১৯৪৯ – মাহবুবে আলম, বাংলাদেশি আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল।

১৯৫১ – রশিদ মিনহাজ, পাকিস্তানি সৈনিক ও পাইলট।

১৯৬৩ – মাইকেল জর্ডান, মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা।

১৯৮৪ – এবিডি ভিলিয়ার্স দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – অসীম ত্রিবেদী, ভারতীয় কার্টুন নির্মাতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬০০ – দার্শনিক ব্রুনোকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

১৬১৮ – সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলের ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত টমাস রো ভারত ত্যাগ করেন।

১৮৫৪ – যুক্তরাজ্য কর্তৃক অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের স্বীকৃতি প্রদান।

১৮৫৯ – কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর মাসিক পত্রিকা পূণির্মা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৬৩ – মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান,আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি গঠিত হয়।

১৮৬৫ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: অগ্রসরমান ইউনিয়ন বাহিনীর কাছ থেকে কনফেডারেটদের পলায়নের ফলে কলম্বিয়া আগুনে পুড়ে যায়।

১৮৭১ – ফরাসি-প্রুসিয়ান যুদ্ধে প্যারিস অবরোধ সমাপ্ত হওয়ার পর বিজয়ী প্রুসিয়ান বাহিনী প্যারিসে প্যারেড করে।

১৯১৫ – সন্ধ্যায় প্রচন্ড তুষার ঝড়ের কারণে ডেনমার্কের উপকূলস্থ নর্থসীতে জার্মানির জেপেলিন এল ফোর পতিত হয়।

১৯১৯ – বলশেভিকদের সাথে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য ইউক্রেনীয় প্রজাতন্ত্র কর্তৃক ত্রিপক্ষীয় মৈত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন করা হয়।

১৯৩৩ – নিউজউইক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত।

১৯৩৪ – বেলজিয়ামের রাজা প্রথম আলবার্ট পর্বত আরোহণের সময় পড়ে নিহত।

১৯৪৪ – ব্রিটিশ জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত শ্বেতপত্র প্রকাশ।

১৯৪৮ – ইয়েমেনের বাদশা ইমাম ওয়াহিদকে হত্যা।

১৯৪৯ – চেইম ওয়েজমেন ইসরায়েলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বপালন শুরু করেন।

১৯৫২ – বৃটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিল ঘোষণা করেন, বৃটেন পরমাণু বোমা তৈরি করেছে।

১৯৬৮ – ডাঃপ্রফুল্লকুমার সেন, ভারতে প্রথম এবং বিশ্বে চতুর্থ কার্ডিওথোরাসিক সার্জন যিনি মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করেন।

১৯৭৯ – চীন-ভিয়েতনাম যুদ্ধ শুরু।

১৯৯০ – পূর্ব জার্মানি বার্লিন প্রাচীরের ৬শ’ ফুট ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেয়।

১৯৯৬ – ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে ৫৩ জন নিহত।

২০০৬ – দক্ষিণ ফিলিপাইনে প্রকাণ্ড ভূমিধসে কমপক্ষে ১,১২৬ জন নিহত হয়।

২০০৮ – কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

২০১৫ – হাইতিতে মারদি গ্রাস প্যারেডে পদদলিত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয় ও ৭৮ জন আহত হয়।

২০১৬ – তুরস্কের আংকারায় সেনাবাহিনীর একটি ব্যারাকে বিস্ফোরণ ঘটে ২৯ জনের প্রাণহাণি ও ৬১ জন আহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৭৩ – ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের মৃত্যু হয়।

১৭৬৮ – আরথার অনস্লো, ইংরেজ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, হাউস অফ কমন্সের স্পিকার।

১৮২৭ – সুইজারল্যান্ডের জ্ঞান তাপস, শিক্ষাবিদ, শিক্ষা সংস্কারক জন হেনির পেস্টাল€জি পরলোকগমন করেন।

১৮৫৬ – হেনরিক হাইন, জার্মান সাংবাদিক ও কবি।

 

১৮৯০ – টাইপরাইটারের উদ্ভাবক ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলসের মৃত্যু হয়।

 

১৯১২ – এডগার ইভান্স, ওয়েলশ নাবিক ও অভিযাত্রী।

 

১৯৬১ – শিক্ষাবিদ ও আইনজ্ঞ অতুলচন্দ্র গুপ্তের মৃত্যু হয়।

১৯৭০ – নোবেলজয়ী হিব্রু কথাশিল্পী শামুয়েল আগনোনের মৃত্যু হয়।

১৯৮৩ – অশোক কুমার সরকার খ্যাতনামা বাঙালি সাংবাদিক ও সম্পাদক।(আনন্দবাজার পত্রিকা)।

 

১৯৮৪ – বিচারপতি রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়।

 

১৯৮৮ – কারপুরি ঠাকুর, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, বিহারের ১১তম মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৯৩ – অজিত চট্টোপাধ্যায়, বিশিষ্ট হাস্যকৌতুকাভিনেতা।

২০০৮ – নায়ক মান্না, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০০৯ – মালবিকা কানন, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী।

২০১৬ – মুহাম্মাদ হাসনাইন হাইকল, মিশরীয় সাংবাদিক।

২০২০ – ‘কাট-কপি-পেস্টের’ জনক টেসলার।

 

২০২২ – ভারতীয় বাঙালি ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত।

২০২৩ – পণ্ডিত বিজয়কুমার কিচলু, আগ্রা ঘরানার প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

চকলেট ডে কি, কেন পালিত হয় – তার সম্পর্কে কিছু কথা।

শুধু ৯ ফেব্রুয়ারি নয়, চকলেট ডে আসে বছরে ১১ বার
‘ভালোবাসা হলো আর্চিস গ্যালারি, ভালোবাসা হলো গোপন খেলা, ভালোবাসা হলো চোখের জল, ভালোবাসা হলো নীল খামের ভেলা’ আর সেই নীল খামে চকলেট ভরা।  নইলে ভালোবাসা ঠিকমতো জমে না।  পকেট বান্ধব বাজেটে আপনার প্রিয়জনকে চকলেট দেওয়ার চেয়ে ভাল উপহার আর কিছু হতে পারে না।
ভালোবাসার সপ্তাহে শুভ মহরতের দিন পরিণত হয়েছে।  এবং এই সপ্তাহে শত শত মন অবরুদ্ধ হতে চলেছে।  চকলেট হল ফুল দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে ভালো উপায়।  এই মিষ্টি স্বাদের খাবারটি সেই বিশেষ ব্যক্তির মুখে হাসি আনতে বাধ্য।

কেন চকলেট নিয়ে এমন উৎসবে মেতেছে বিশ্বের মানুষ?  তবে এই প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া যাবে না।  আপনি যদি এই দিনে চকলেট দিতে মিস করেন, চিন্তা করবেন না, চকোলেট ডে বছরে অনেকবার আসে।

হ্যাঁ, ৯ ফেব্রুয়ারি ‘চকলেট’ দিবস হিসেবে পালিত হয়, কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্যালেন্ডার অন্য কথা বলে।  কোলেট ডের ক্যালেন্ডার অনুসারে, শুধুমাত্র ৯ ফেব্রুয়ারি নয়, ৭ জুলাই ‘বিশ্ব চকোলেট দিবস’।  আবারও যুক্তরাষ্ট্র ১৩ সেপ্টেম্বরকে ‘আন্তর্জাতিক চকলেট দিবসের’ মর্যাদা দিয়েছে। ব্রিটেনে ২৮ অক্টোবর দেশটির বাসিন্দারা ‘জাতীয় চকলেট দিবস’ পালন করে।
শুধু তাই নয়, লাইট বিটারসুইট চকলেট ডে – ১০ জানুয়ারী, মিল্ক ফ্লেভারড চকলেট ডে – ২৮ জুলাই, হোয়াইট চকলেট ডে – ২০ সেপ্টেম্বর, চাঙ্কি চকোলেট ডে – ১৫ মে, আইসক্রিম চকোলেট ডে – ৭ জুন, চকলেট মিল্কশেক ডে – ১২ সেপ্টেম্বর, চকলেট  কোন উপাদান দিয়ে সজ্জিত দিন – ১৬ ডিসেম্বর।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০৯ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৯ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) চকলেট ডে।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩৭ – টমাস পেইন, ইংরেজ-মার্কিন দার্শনিক, লেখক এবং কর্মী।

 

১৭৭৩ – উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৪৭ – কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি আইনজ্ঞ অধ্যাপক ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি রেজিস্ট্রার ।

 

১৮৭৯ – সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক বা রাজা সুবোধ মল্লিক বাংলার গুপ্ত সমিতির বিপ্লবী নেতা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯০২ – মণীশ ঘটক, বাঙালি গল্পকার, কবি এবং ঔপন্যাসিক।

 

১৯০৯ – বিশিষ্ট কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী শৈল চক্রবর্তী।

 

১৯২২ – জিম লেকার, ইংরেজ ক্রিকেটার এবং ধারাভাষ্যকার

১৯২৩ – কবীর চৌধুরী, বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদক।

 

১৯৩০ – সুভাষ দত্ত, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং অভিনেতা

১৯৩৫ – শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪০ – জন ম্যাক্সওয়েল কুতসি, দক্ষিণ আফ্রিকান-অস্ট্রেলিয়ান ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার এবং ভাষাবিৎ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী

১৪৪১ – উজবেক কবি ও চিন্তানায়ক নিজামুদ্দিন মির আলিশের নভোইয়ে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪২ – এম এ জলিল, বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ এবং সামরিক কর্মকর্তা

১৯৪৩ – জোসেফ স্টিগ্‌লিয্‌, মার্কিন অর্থনীতিবিদ এবং অধিবিদ্যাবিৎ, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী

১৯৪৪ – অ্যালিস ওয়াকার, মার্কিন ঔপন্যাসিক, ছোট গল্প লেখক এবং কবি

১৯৪৫ – ইয়োশিনোরি ওসুমি, জাপানিজ কোষ জীবতত্ত্ববিদ, চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী

১৯৫৪ – ক্রিস গার্ডনার, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং জনহিতৈষী

১৯৫৭ – গর্ডন স্ট্র্যাচান, স্কটিশ ফুটবলার এবং ম্যানেজার

১৯৬৪ – এর্নেস্তো ভালভেরদে, স্প্যানীয় ফুটবলার এবং ম্যানেজার

১৯৭০ – গ্লেন ম্যাকগ্রা, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার এবং ধারাভাষ্যকার

১৯৮০ – মার্গারিটা লেভিয়েভা, রাশিয়ান-মার্কিন অভিনেত্রী

১৯৮১ – টম হিডেলস্টোন, ইংরেজ অভিনেতা, প্রযোজক এবং সঙ্গীত পরিবেশক

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৩৯ – অলিভার ক্রোমওয়েলের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের শাসনের শুরু হয়।

১৭৫৭ – ইষ্ট ইন্ডিয়া কোন্পানীর লর্ড ক্লাইভ ও বাংলার নবাব সিরাজদৌল্লার মধ্যে আলিনগর সন্ধি হয় এবং বৃটিশরা কলকাতার দখল নিয়ে নেয়।

১৮৪৩ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।

১৮৯৫ – উইলিয়াম জি. মরগ্যান ভলিবল খেলার প্রচলন করেন।

১৯০০ – ডেভিস কাপ টেনিস টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

১৯৫৭ -মাওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন।

১৯৬৯ – প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে যায় বোয়িং ৭৪৭ বিমান।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কিউবা।

১৯৭৯ – ইরানের স্বৈরাচারী শাসক শাহের জেনারেলরা তেহরানে সামরিক শাসনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেন।

১৯৯১ – লিথুনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯২ – নির্বাচনে ইসলামী স্যালভেশন ফ্রন্ট বা এফআইএস ব্যাপক সাফল্য দেখে দেশটির ক্ষমতাসীন সেনা কর্মকর্তারা নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দেয়।

১৯৯৪ – গাজা ও জেরিকো থেকে ইসরাইলি অপসারণ ও সেখানে ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন প্রদানে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

১৯৯৪ – নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০১ – যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ ইউএসএস গ্রীনভিল হাওয়াই দ্বীপের কাছে পার্ল হারবার সাগরে জাপানের একটি মাছ ধরার জাহাজকে ধাক্কা দেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮১ – ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি, বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক।

 

১৮৯৪ – নবগোপাল মিত্র , ঊনবিংশ শতকের জাতীয়তাবাদের মহান কর্মী ও ‘হিন্দুমেলা’ র মূল সংগঠক।

 

১৯৬৫ – (ক) খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ এর মৃত্যু।

(খ) ডা রফিউদ্দিন আহমেদ ভারতে প্রথম ডেন্টাল কলেজ ও হসপিটালের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৭৪ – অর্ধেন্দুকুমার গঙ্গোপাধ্যায়, বাঙালি শিল্প সমালোচক এবং অধ্যাপক।

 

১৯৭৫ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার।

 

১৯৭৯ – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৭৯ –   কমলকুমার মজুমদার বিংশ শতাব্দীর একজন ভারতের বাঙালি ঔপন্যাসিক।

২০১৪ – ফজল শাহাবুদ্দীন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।

২০২২ – জিয়াদ আল-জাজা, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৪ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ক্যান্সার দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩৮ – কত্থক ঘরানার ভারতীয় নৃত্যশিল্পী পণ্ডিত বিরজু মহারাজ নামে সুপরিচিত ব্রিজমোহন মিশ্র।

১৮৭১ – ফ্রেডরিক এবের্ট‌, জার্মান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, জার্মানির প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৯১ – এম. এ. আয়েঙ্গার, ভারতীয় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, লোকসভার ২য় স্পিকার।

১৯০২ – চার্লস লিন্ডবার্গ, আমেরিকান পাইলট ও অভিযাত্রী।

 

১৯১৭ – ইয়াহিয়া খান, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন।

 

১৯১৮ – বাঙালি ঔপন্যাসিক কবি প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্প কার নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়।

১৯২১ – লতফি জাদেহ, ইরানী ও আজারবাইজানী বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯২২ – ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী ভারত-রত্ন পণ্ডিত ভীমসেন জোশী।

১৯২৫ – জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক চিত্তরঞ্জন মাইতি।

 

১৯৩৬ – ফজল শাহাবুদ্দীন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।

 

১৯৪০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওয়েলশ পদার্থবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক ব্রায়ান ডেভিড জোসেফসন।

১৯৪০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক ও নাট্যকার গাও শিংশিয়ান।

 

১৯৪৩ – কেন থম্পসন, আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও প্রোগ্রামার, বি প্রোগ্রামিং ভাষার সহ-স্থপতি।

১৯৪৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক রিচার্ড রয়েস শ্রক।

 

১৯৭৪ – ঊর্মিলা মাতন্ডকর, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৭৭ – মেক্সিকান অভিনেত্রী ও গায়ক ইরান কাস্টিলো।

১৯৮২ – ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় রিচার্ড লোগান।

১৯৮৬ – মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৬৩৪ – দাসিনের যুদ্ধ: মুসলিমরা গাজার নিকটে বাইজেন্টাইনদের পরাজিত করে।

১৬২৮ – সম্রাট শাহজাহান আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রার সিংহাসনে বসেন।

১৭৮৩ – ইতালিতে ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৭৮৩ – যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে বৈরিতার অবসান ঘটে।

১৭৮৯ – জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৭৯২ – যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর টিপু সুলতান অর্ধেক মহীশুর ইংরেজদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

১৭৯৪ – ফরাসি আইনসভা দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে। ১৮০২ সালে ফরাসি ওয়েস্ট ইন্ডিজে তা পুনরায় চালু হয়।

১৭৯৭ – ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৮০১ – জন মার্শাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

১৮৯৯ – যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের বিদ্রোহের সূচনা ঘটে।

১৯০৪ – রুশ-জাপান যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৫ – জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটেনে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে।

১৯১৬ – তুরস্কের যুবরাজ ইউসুফ ইজেদিন আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯২২ – বাংলার গভর্নর-জেনারেল রোনাল্ডসে কলকাতার “স্কুল অফ ট্রপিক্যাল ডিজিজেস”-এর দ্বারোদ্‌ঘাটন করেন।

১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট, বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিন রাশিয়ার ইয়েল্টা নগরীতে বৈঠক করেছিলেন।

১৯৪৮ – সিংহল (পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কা নামকরণ হয়) স্বাধীন হয়।

১৯৪৯ – নির্মাণের ১৭৬ বছর পর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের দরজা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

১৯৫২ – রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে ধর্মঘট।

১৯৬৯ – ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড ও ইসরায়েলসহ দশটি দেশ।

১৯৭২ – বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করে।

১৯৭৫ – যশোরের নির্বাচিত সাংসদ মাইনুদ্দিন মিঞাজী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

১৯৯৫ – গ্রোজনিতে চেচেন বিদ্রোহীরা প্রথম রাশিয়ার জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে।

১৯৯৭ – ইসরাইলে ভয়াবহ সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় ৭৩ সৈন্য নিহত হয়।

১৯৯৮ – আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে সাড়ে ৪ সহস্রাধিক নিহত হয়।

২০০৪ – সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২১১ – সেপ্টিমিয়াস সেভেরাস, রোমান সম্রাট।

৭০৮ – পোপ সিসিন্নিয়াস।

১৮৭১ – ইমাম শামিল (জন্ম.১৭৯৭) ককেশাস প্রতিরোধ আন্দোলনের মহান নেতা।

১৯১২ – মনোমোহন বসু, বাঙালি কবি, নাট্যকার ও হিন্দুমেলার সংগঠক।

১৯২৮ – নোবেল বিজয়ী ওলন্দাজ পদার্থবিজ্ঞানী হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস।

১৯৩৯ – এডওয়ার্ড স্যাপির, মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৪১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি দার্শনিক ও অধ্যাপক অঁরি-লুই বর্গসাঁ।

১৯৬০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলজেরিয়ার বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক, লেখক ও নাট্যকার আলবেয়ার কামু।

১৯৬১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক এরভিন শ্রোডিঙার।

 

১৯৭৪ – সত্যেন্দ্রনাথ বসু (সত্যেন বোস), আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৭৪ – বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অনাদিকুমার ঘোষদস্তিদার।

১৯৮৩ – ক্যারেন কার্পে‌ন্টার, আমেরিকান গায়ক ও ড্রামার।

 

১৯৯০ – মৈত্রেয়ী দেবী, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৯৩ – একজন বাঙালি কবি, অনুবাদক, সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক, শিক্ষাবিদ সানাউল হক।

১৯৯৭ – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য আজিজুর রহমান মল্লিক।

 

১৯৯৮ – রবি ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র কৌতুকাভিনেতা।

২০০০ – কার্ল আলবার্ট, আমেরিকান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ৫৪তম স্পিকার।

 

২০০১ – প্রখ্যাত ভারতীয় ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়।

২০০৮ – স্টিফেন মেলের, পোলিশ রাজনীতিবিদ, পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২০০৯ – অস্ট্রিয়ান কবি, নাট্যকার ও লেখক গেরট জনকে।

২০১২ – ইংরেজ অভিনেতা হ্যারি ফওলের।

২০১৩ – আমেরিকান অভিনেতা টনি লিপ।

 

২০২৩ – বাণী জয়রাম, প্রখ্যাত ভারতীয় গায়িকা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৩ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্রবীণ দিবস (থাইল্যান্ড)
(খ) শহীদ দিবস (সাওটোম ও প্রিন্সিপে)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮০৯ – জার্মানীর বিখ্যাত সুরস্রষ্টা এবং সংগীতবিদ ফিলিক্স মেনডেলসন বার্থোলডি।

 

১৮৭৩ – অতীন্দ্রনাথ বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী বাঙালি বিপ্লবী।

 

১৮৭৩ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৮৮৩ – ঊর্মিলা দেবী, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী নেত্রী ও লেখিকা।

 

১৮৮৩ – চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।

 

১৯০৯ – ভারতীয় মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী সুহাসিনী গঙ্গোপাধ্যায়।

 

১৯৩৬ – বব সিম্পসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৬০ – ইওয়াখিম ল্যোভ, জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৩ – রঘুরাম রাজন, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ ও আকাদেমিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৬৬ – ড্যানি মরিসন, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও ক্রীড়া ভাষ্যকার।

 

১৯৭৬ – ইসলা ফিশার, ওমানী-অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৩০ – লন্ডন সম্মেলনে ফ্রান্স, রাশিয়া ও ব্রিটেনের তত্ত্বাবধানে গ্রিস স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮৫৫ – লর্ড ডালহৌসি হাওড়া-বর্ধমান রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

১৯১৩ – বুলগেরিয়া-তুরস্ক যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৭ – যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন।

১৯১৯ – লীগ অব নেশনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত।

১৯২৫ – অবিভক্ত ভারতে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন সার্ভিস চালু হয়।

১৯২৭ – হেমেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ ও পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বসুমতী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯২৮ – সাইমন কমিশন ভারতে এলে গণবিৰোভ ও ধর্মঘট শুরু হয়।

১৯৩০ – ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯৩১ – নিউজিল্যান্ডের হকস উপসাগরে ভূমিকম্পে ২৫৬ জন নিহত।

১৯৪৩ – কলকাতা ও হাওড়ার সংযোগকারী রবীন্দ্র সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

১৯৪৫ – মিত্রশক্তির এক হাজার বোমারু বিমান দিনের আলোয় বার্লিনে বোমাবর্ষণ করে।

১৯৬৬ – সোভিয়েত যান লুনা-এ চাঁদে পৌঁছে এবং টিভিতে ছবি প্রেরণ করে।

১৯৬৯ – মোজাম্বিক ন্যাশনাল লিবারশন ফ্রন্টের প্রেসিডেন্ট ড: এদুয়ার্দো মোন্ডলেন তাঞ্জানিয়ায় টাইম বোমায় নিহত হয়।

১৯৬৯ – ইয়াসির আরাফাতকে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনিত করা হয়।

১৯৭৭ – রাজধানী আদ্দিস আবাবায় ইথিপিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান জেনারেল তারাফি বান্টি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত।

১৯৭৯ – শাহ শাসনের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের সংগ্রাম আরো তীব্রতর হয়ে উঠে।

১৯৮৯ – প্যারাগুয়েতে সামরিক অভ্যত্থান ঘটে।

১৯৯৬ – চীনের লিজিয়াংয়ে ভূমিকম্পে ২১০ জন নিহত হয়।

১৯৯৭ – বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কলকাতা পুস্তকমেলা ভষ্মীভূত হয়।

২০০৭ – বাগদাদে একটি মার্কেটে বোমা বিস্ফোরণে ১৩৫ জন নিহত ও ৩৩৯ জন আহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৪৬৮ – মুদ্রণ শিল্পের জার্মান পুরোধা ইওহান গুটেনবার্গ।

 

১৯২৪ – উড্রো উইল্‌সন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৫ – ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বিপ্লবী (ফাঁসি হয়েছিল)।

 

১৯৬৫ – ফুটবল জাদুকর আবদুস সামাদ।

 

১৯৭৬ – বিপ্লবী ও কৃষক নেতা জিতেন ঘোষ।

 

২০০০ – ওস্তাদ আল্লারাখা, বিখ্যাত ভারতীয় তবলা বাদক।

 

২০১২ – ভারতীয় চলচিত্রকার, রাইটার রাজ কানওয়ারা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০২ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব জলাভূমি দিবস।

(খ) জাতীয় জনসংখ্যা দিবস (বাংলাদেশ)।

(গ) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস (বাংলাদেশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২০৮ – আরাগনের প্রথম জেমস, বার্সেলোনার কাউন্ট, আরাগণের রাজা, ভ্যালেন্সিয়ার রাজা ও ম্যাজোর্কার রাজা, মন্টপিলার-এর লর্ড।

১৬৫০ – পোপ ত্রয়োদশ বেনেডিক্ট।

 

১৮৮২ – জেমস জয়েস, আইরিশ ঔপন্যাসিক, ছোট গল্প লেখক ও কবি।

 

১৮৮৬ – উইলিয়াম রোজ বেনেট, মার্কিন কবি ও লেখক।

১৮৮৯ – রাজকুমারী বিবিজী অমৃত কাউর, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিক।

১৯১৫ – আবা ইবান, দক্ষিণ আফ্রিকান-ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ ও কূটনৈতিক, জাতিসংঘে ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ট্রদূত।

১৯১৫ – খুশবন্ত সিং, ভারতীয় সাংবাদিক ও লেখক।

১৯১৮ – কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট বাঙালি কবি।

১৯৩১ – পূর্ণেন্দু পত্রী বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।

১৯৩৩ – থান শি, বার্মিজ জেনারেল ও রাজনীতিবিদ, মায়ানমারের ৮ম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৩৬ – সুমিতা দেবী, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৩৯ – (ক) ডেল টমাস মর্টেনসেন, মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও অধিবিদ্যাবিৎ, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

(খ) হাসান আজিজুল হক, বাংলাদেশী গল্পকার ও কথাসাহিত্যিক।

১৯৪৪ – বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী মো. আলী সিদ্দীকী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫২ – পার্ক গিউন-হাই, দক্ষিণ কোরীয় রাজনীতিবিদ, দক্ষিণ কোরিয়ার ১১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫২ – রালফ মার্কেল, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও অধিবিদ্যাবিৎ।

 

১৯৫৩ – হামিদুর রহমান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত।

 

১৯৫৪ – ক্রিস্টি ব্রিংকলি, মার্কিন অভিনেত্রী, মডেল ও ব্যবসায়ী।

১৯৫৬ – আদনান ওকতার, তুর্কি তাত্ত্বিক ও লেখক।

১৯৫৬ – আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশি ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক, লেখক ও তাত্ত্বিক আলোচক।

১৯৬৮ – আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বাংলাদেশী ক্রিকেট খেলোয়াড়।

 

১৯৭৭ – শাকিরা, কলম্বিয়ান গায়িকা-গীতিকার, প্রযোজক ও অভিনেত্রী।

১৯৮৬ – জেমা আর্টাট্রন, ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৮৭ – হেরার্দ পিকে, স্পেনীয় ফুটবলার।

১৯৮৭ – ইমরুল কায়েস, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার।

১৯৯২- নেইমার জুনিআর ব্রাজিল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৪ – কলকাতায় ভারতীয় সংগ্রহালয় (ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮১৭ – শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে চার্চ মিশনারি সোসাইটির প্রথম শাখাটি কলকাতায় স্থাপিত হয়।

১৮৫৩ – শম্ভুনাথ পণ্ডিত প্রথম বাঙালি হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে সরকারি উকিল নিযুক্ত হন।

১৮৬২ – শম্ভুনাথ পণ্ডিত প্রথম বাঙালি হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।

১৮৮৮ – খান বাহাদুর হাশেম আলি খান, বাঙালি রাজনীতিবিদ।

১৯০১ – রাণী ভিক্টোরিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া।

১৯১৩ – নিউ ইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল টার্মিনাল চালু হয়।

১৯২০ – নিউইর্য়ক শহরে গ্রান্ড সেন্ট্রাল টারমিনাল উদ্বোধন হয়।

১৯২২ – জেমস জয়েসের উপন্যাস ইউলিসিস প্রকাশিত হয়।

১৯৩৫ – যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রথম স্বাক্ষী ও প্রমাণ হিসেবে ফটোগ্রাফকে অনুমোদন করা হয়।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: স্টালিনগ্রাদের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সোভিয়েতের কাছে জার্মান সেনারা আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫৭ – ইসকান্দার মির্জা গুড্ডু ব্যারেজের ভিত্তি স্থাপন করেন।

১৯৫৯ – শিশিরকুমার ভাদুড়ী কর্তৃক ভারত সরকার প্রদত্ত “পদ্মভূষণ” সম্মান প্রত্যাখ্যান।

১৯৮৯ – সত্যজিৎ রায়কে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মান “লিজিয়ন ডি অনার” প্রদান।

২০০৪ – দুইশত ৩৭ সপ্তাহ ধরে টেনিসে এক নম্বর র‌্যাংকিং ধরে রাখার রেকর্ড অর্জন করেন সুইস টেনিস তারকা রজার ফেদারার।

২০১২ – পাপুয়া নিউগিনির সমুদ্রতীরে ফেরি এমভি রাবাউল কুইন ডুবে দেড়শতাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৪৪৮ – ইবনে হাজার আল-আসকালানি, মিশরীয় আইনবিদ ও পণ্ডিত।

১৭১৪ – জন শার্প, ইংরেজ আর্চবিশপ।

১৭৬৯ – পোপ ত্রয়োদশ ক্লেমেন্ট।

১৮০৪ – জর্জ ওয়ালটন, আমেরিকান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, জর্জিয়ার গভর্নর।

১৯০৭ – দিমিত্রি মেন্ডেলেভ, রুশ রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৩৬ – বিপিনবিহারী গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও সমালোচক।

১৯৬৪ – সৈয়দ আবদুস সামাদ, বাঙালি ফুটবলার।

 

১৯৭০ – বারট্রান্ড রাসেল, ইংরেজ গণিতজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, লেখক এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক।

 

১৯৮০ – উইলিয়াম এইচ. স্টেইন, ১৯৭২ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

 

১৯৮৮ – বাঙালি চিত্রশিল্পী বাংলাদেশের পটুয়া কামরুল হাসান।

 

২০০৬ – মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জাতীয় মতদাতা দিবস কি, কেন পালিত হয় জানুন।

যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার গঠনে ভোটারদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি থাকে।ভোটার তার মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্দিষ্ট দলকে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় আনে এবং দেশ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে।কিন্তু ভারতের মতো বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ কম।ভোটারদের ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতি বছর জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়।

 

জাতীয় মতদাতা দিবস ভারতে প্রতি বছর ২৫ জানুয়ারি তারিখে পালন করা হয়। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি তারিখ ভারতের নির্বাচনী আয়োগের ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের সঙ্গে সংগতি রেখে তখনকার রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল এই দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন।

মিটিংএ জাতীয় মতদাতা দিবস উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ভারতের আইন মন্ত্রণালয় এই দিবস উদ্‌যাপন করা প্রস্তাব এগিয়ে নিয়ে যায়।

 

জাতীয় মতদাতা দিবস ভারতের সকল নির্বাচনী কেন্দ্রে পালন করা হয়। প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্রে ১৮ বছর সম্পূর্ণ করা ব্যক্তি শনাক্ত করে তাদেরকে ভোটদানের বিষয়ে সজাগ করা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ভোটাধিকার লাভ করা ব্যক্তিকে শনাক্ত করে ভোটার পরিচয়পত্র প্রদান করা এই দিবসের অন্যতম উদেশ্য।

 

জাতীয় ভোটার দিবসের গুরুত্ব কী?
২০১১ সাল থেকে প্রতি বছরই ২৫ জানুয়ারি দিনটিকে দেশব্যাপী জাতীয় ভোটার দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে। ১৯৫০ সালের এই দিনেই স্থাপিত হয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জাতীয় ভোটার দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হল সর্বোচ্চ সংখ্যায় ভোটারদের, বিশেষত নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করায় উত্সাহ দেওয়া, সেই প্রক্রিয়া জোরদার করা।

 

জাতীয় ভোটার দিবস কীভাবে পালন করা হয়?
দেশের ভোটারদের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করে কমিশন দিনটিকে কাজে লাগায় তাঁদের মধ্যে সচেতনতার প্রসারে, ভোট প্রক্রিয়ায় তাঁরা যাতে সব জেনেবুঝে অবহিত হয়ে তাতে সামিল হন। নতুন ভোটারদের সংবর্ধনা দিয়ে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সচিত্র পরিচয়পত্র বা এপিক কার্ড।

 

প্রতি বছর ১ জানুয়ারিতে এই শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয় এবং ২৫ জানুয়ারিতে তাদেরকে ফটোযুক্ত ভোটার কার্ড প্রদান করা হয়। ভোটার দিবসে সারা দেশে সমস্ত ভোটকেন্দ্র এলাকায় যোগ্য ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়।যোগ্য ভোটারদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী যুবকরা অন্তর্ভুক্ত।ভোটার তালিকায় এসব ভোটারদের নাম লেখার পর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নির্বাচনী পরিচয়পত্র।প্রতি বছর ভোটার দিবসে ভোটারদের ভোট দেওয়ার শপথও দেওয়া হয় যাতে তারা গণতন্ত্র রক্ষায় সচেতন থাকেন।

সঙ্গে নতুন ভোটদাতাদেরকে “ভোটদাতা হিসাবে গর্বিত হন, ভোট দিতে প্রস্তুত হন” (Proud to be a voter – Ready to vote) লিখিত ব্যাজ দেয়া হয়। প্রতি বছর এই দিবসের মূল বিষয় বা থিম বেছে নেওয়া হয়।

।। তথ্য ও ছবি : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This