Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

প্রতি বছর প্রতি মাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে বিভিন্ন দেশেই কিছু না কিছু দিবস পালিত হয়। ঐ নির্দিষ্ট দিনে অতীতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতেই এই সমস্ত দিবস পালিত হয়। এমনি ভাবে প্রতিবছর ১১ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস দিনটি পালিত হয়ে আসছে। পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই ভবিষ্যতকে সামনে রেখে জাতিসংঘ ২০০৩ সালের ১১ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।রাষ্ট্রসংঘ ২০০২ সালটিকে প্রথম ‘আন্তর্জাতিক পর্বত বছর’ (International Mountain Year) হিসেবে ঘোষণা করে। এই আন্তর্জাতিক পর্বত বছর পালন শুরু হয় নিউ ইয়র্কে। আর ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ২০০৩ সাল থেকে ১১ ডিসেম্বর ‘আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস’ পালন করা শুরু হয় সমগ্র বিশ্ব জুড়ে। রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন খাদ্য ও কৃষিকেন্দ্রিক সংস্থাগুলি এই দিবস পালনের জন্য বেশি সক্রিয় থাকে।
তাই প্রকৃতির অপরূপ দান পাহাড়-পর্বত সুরক্ষা করে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস’।

 

তাছাড়া, বিশ্বের বহু মানুষের জীবিকা পর্যটনের উপর নির্ভরশীল। সেই কারণে পর্বত পর্যটনকে টিকিয়ে রাখা বহু মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্বত পর্যটন যেমন বহু মানুষের জীবিকার ব্যবস্থা করতে পারে, তেমনই দারিদ্র্য দূর করে, সামাজিক মেলবন্ধন ঘটায় এবং প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যটনের মাধ্যমে প্রকৃতি, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া যায়। পাহাড় কে না ভালোবাসে। বহু মানুষই পাহাড়ে বেড়াতে যেতে ভালবাসেন। তাই তাঁদের জন্য আজকের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পাহাড়ে গেলে যেমন প্রকৃতির সঙ্গে একাত্মতা তৈরি হয়, তেমনই মন উদার হয়। যাঁরা পাহাড়ে বেড়াতে যান, তাঁদের দায়িত্ব হল প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখা। যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা কোনওভাবেই কাম্য নয়।
রাষ্ট্রসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ মানুষ পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করেন। এমনকি জীববৈচিত্র‍্যের ৫০ শতাংশ হটস্পট এলাকাই বিভিন্ন পর্বতের অন্তর্গত। প্রায় অর্ধেক মানবসম্প্রদায় পর্বতজাত মিষ্টি জল খেয়ে জীবনধারণ করে থাকে। পৃথিবীর প্রায় ২২ শতাংশই পার্বত্য অঞ্চল। এই অঞ্চলগুলি ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ মিষ্টি জলের উৎস। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। পর্বতমালা, নদ-নদী, বহু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী এ অঞ্চলকে করেছে বৈচিত্র্যপূর্ণ। যেকোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন অপরিহার্য। তাই এইসকল কারণে পর্বতের উন্নয়নসাধন আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু আজকের বিশ্বে প্রকৃতি পরিবর্তিত হচ্ছে। অতিমাত্রায় বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রাকৃতিক পরিবেশের স্বাভাবিকতাকে ব্যাহত করছে। পর্বতমালার জলবায়ু পরিবর্তিত হওয়ায় সেখানকার জীবকুল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষদের জীবনধারণ আরো কঠিন হয়ে পড়েছে কারণ হিমবাহগুলি এত দ্রুত হারে গলে যাচ্ছে যে তা স্বাভাবিক জলের উৎসকে প্রভাবিত করছে। আর তার থেকেও বড় অতিরিক্ত জলে প্লাবিত হবার আশঙ্কাও বেড়ে যাচ্ছে। তাই আমাদের সকলকেই দূষণ রোধে অগ্রণী হতে হবে যাতে উষ্ণতা বৃদ্ধি কমানো যায়। তা না হলে আগামীতে বিপন্ন হবে এখনকার জীবনযাত্রা। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ১১ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে ‘আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস’ পালিত হয়। আধুনিক বিশ্বে বিপন্ন প্রকৃতির কথা মাথায় রেখে পর্বতের রক্ষণাবেক্ষণ এবং তার উন্নয়নের ধারণা থেকেই এই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি পর্বতের পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ইত্যাদি বিষয়ের গুরুত্ব তুলে ধরাই এই দিবসের উদ্দেশ্য।

 

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস কীভাবে উদযাপন করবেন।

আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস আনন্দ এবং শিক্ষামূলক উপায়ে উদযাপন করা যেতে পারে। হাইকিং উত্সাহীরা আনন্দের সাথে সাথে দূরবর্তী স্থানগুলি উপভোগ করতে সক্ষম হবেন যেগুলি খুব কমই ভ্রমণ করেন। আপনি শহরের জীবনের আলোক দূষণ এবং কোলাহল থেকে দূরে ক্যাম্পে বসতি স্থাপন করতে পারেন।
অথবা হয়ত আপনি ড্রাইভ করতে পছন্দ করেন, পাহাড়ের ধারে ঘুরাঘুরির রাস্তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর কিছু দেশ আছে যা কাছে বা দূরে পাওয়া যায়।
আপনি এই দিনে পর্বতারোহণ বা হাইক করার পরিবর্তে আপনার মাউন্টেন বাইক নিয়ে যেতে পারেন। পাহাড়ের দর্শনীয় স্থানগুলি উপভোগ করতে পারেন।  তবে সর্ব প্রথম আপনি নিরাপত্তা অগ্রাধিকার নিশ্চিত করুন। সর্বদা একটি হেলমেট পরুন এবং আপনার বাইকটি আগে থেকেই পরীক্ষা করে নেওয়া ভাল।

ক্যাম্পিং করতে আপনি আন্তর্জাতিক পর্বত দিবসও ব্যবহার করতে পারেন।  পাহাড়ে সপ্তাহান্তে ক্যাম্পিং একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।  আপনি সম্পূর্ণ ক্যাম্পিং অভিজ্ঞতার জন্য যেতে চাইতে পারেন। সিদ্ধান্ত আপনার।  আপনার চারপাশের পাহাড় এবং আকাশের তারা দেখার মতো কিছু নেই।  এটি একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা, এবং অবশ্যই আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস কাটানোর সেরা উপায়গুলির মধ্যে একটি।  সুতরাং, এভাবে আপনি একটি দুর্দান্ত ক্যাম্পিং উইকএন্ড উপভোগ করুন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১১ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় ট্যাঙ্গো দিবস। (আর্জেন্টিনা)

 

(খ) আজ আন্তর্জাতিক পাহাড় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

২০০০ – দীপঙ্কর সাহা (দীপ) আধুনিক বাংলার আধুনিক যুগের কবি বা খুদে কবি।

 

১৯১১ – নাগিব মাহফুজ, নোবেল বিজয়ী মিশরীয় সাহিত্যিক।

 

১৯১৫ – বিভূতিভূষণ সরকার,ভারতীয় বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯১৮ – নোবেলজয়ী [১৯৭০] রুশ লেখক আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন।

 

১৯২২ – দিলীপ কুমার (জন্ম নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান)’ট্রাজেডি কিং’নামে সুপরিচিত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯২৪ – কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসুর (কালকূট)।

 

১৯২৮ – খান আতাউর রহমান, বাংলাদেশী চলচ্চিত্রাভিনেতা, সুরকার, গায়ক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

১৯৩৫ – ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ তথা জাতীয় কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা পরবর্তীতে ভারতের প্রথম বাঙালি ও ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৪২ – আনন্দশঙ্কর বিশ্ববিখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ, ফিউশন মিউজিকের গুরু।

১৯৫৪ – জ্যাকসন ৫-এর সদস্য ও মাইকেল জ্যাকসনের ভাই জার্মেইন জ্যাকসন।

 

১৯৬৯ – বিশ্বনাথন আনন্দ, ভারতীয় দাবা গ্র্যান্ডমাস্টার।

১৯৮১ – হাভিয়ের সাভিয়োলা আর্জেন্টাইন ফুটবলার।

১৮১০ – ঊনবিংশ শতাব্দির বিখ্যাত কবি ও লেখক আলফ্রেড ডি মুসেট।

১৮৪৩ – রবার্ট কখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীব বিজ্ঞানী।

 

১৮৪৬ – অক্ষয়চন্দ্র সরকার, বাংলা সাহিত্যের কবি ও সাহিত্য সমালোচক।

 

১৮৬৮ – বাঙালি অভিনেতা সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ (দানীবাবু)।

১৮৮৩ – শ্রীঅরবিন্দের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মাস্টারমশাই নামে পরিচিত জ্যোতিষ ঘোষ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – ১৫ বছরব্যাপী আলোচনার পর চীন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।

১৯০১ – মার্কনি প্রথম বেতার সংকেত প্রেরণ করেন।

১৯০৭ – নিউজিল্যান্ডের সংসদ ভবন আগুনে ধ্বংস হয়ে যায়।

 

১৯১৭ – ব্রিটিশ জেনারেল অ্যাডমন্ড অ্যালানবি জেরুজালেমে প্রবেশ করেন এবং জেরুজালেমে সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

১৯২৭ – সোভিয়েত সেনাবাহিনী চীনের গুয়ানজুতে প্রবেশ করে এবং শহরের বেশিরভাগ অংশ দখল করে সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হিসাবে ঘোষণা দেয়।

১৯৩০ – ইতালি জাতিসংঘ পরিত্যাগ করে।

১৯৩৭ – দ্বিতীয় ইতালি-আবিসিনিয়া যুদ্ধ শুরু হয়। ইতালি জাতিপুঞ্জ ত্যাগ করে।

১৯৪১ – জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে জার্মানি ও ইতালি।

১৯৪৬ – নিউইয়র্কে জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৮ – আপার ভোল্টা (বর্তমানে বুরকিনা ফাসো) ফ্রান্সের নিকট থেকে স্বায়ত্বশাসন লাভ করে।

 

১৯৬৪ – চে গুয়েভারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা দেন।

 

১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: টাঙ্গাইল, নীলফামারীর ডিমলা ও দিনাজপুরের হিলি শত্রুমুক্ত হয়।

১৯৮১ – সালভাদর গৃহ যুদ্ধের সময় এল সালভাদরের সেনাবাহিনী গেরিলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় গেরিলা সন্দেহে প্রায় ৯০০ সাধারণ নাগরিককে হত্যা করে।

১৯৯১ – ইসির রাষ্ট্রপ্রধানরা রাজনৈতিক ইউনিয়ন গঠনের চুক্তিতে উপনীত হয়।

১৯৯৪ – প্রথম চেচনিয়া যুদ্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন সেনাবাহিনীকে চেচনিয়ায় প্রবেশের আদেশ দেন।

১৮১৬ – ইন্ডিয়ানা ১৯তম রাজ্য হিসেবে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হয়।

 

১৮২৩ – ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে রাজা রামমোহন রায় নিজ ব্যয়ে অ্যাংলো হিন্দু স্কুল স্থাপন করেন।

 

১৮৫১ – স্ত্রী শিক্ষার প্রসার ও সমাজকল্যাণমূলক কাজের জন্য কলকাতায় বেথুন সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬২ – আর্থার লুকাস নামক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়ার মাধ্যমে কানাডায় সর্বশেষ ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়।

১৮৯৪ – সারে পারিতে প্রথম মটর প্রদর্শনী শুরু হয়।

১৭৯২ – ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইয়ের বিচার শুরু হয়।

১৬১৮ – রাশিয়া ও পোল্যান্ডের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৬৮৭ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সর্বপ্রথম মাদ্রাজে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার সনদ তৈরির অনুমোদন দেয়।

১৬৮৮ – রাজা দ্বিতীয় জেমসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – কর্ণাটক শাস্ত্রীয় সংগীতের সংগীত শিল্পী ভারতরত্ন এম এস শুভলক্ষ্মী।

২০০৬ – বিনয় মজুমদার, বাঙালি কবি।

২০১২ – মুফতি ফজলুল হক আমিনী বাংলাদেশের একজন ইসলামী চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

 

২০১২ – পণ্ডিত রবি শঙ্কর, ভারতের বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ ও কিংবদন্তি সেতার বাদক।

 

১৯৬১ – তুলসী চক্রবর্তী,বাংলা সিনেমার স্বনামধন্য কমিক অভিনেতা।

১৯৭১ – আ. ন. ম. গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশী সাংবাদিক।

১৯৭৮ – নোবেলজয়ী মার্কিন জীবরসায়নবিদ ভিনসেন্ট ড্যু ভিগনাউড।

 

১৯৮০ – সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী।

১৯৮২ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রসায়নবিদ ড. প্রিয়দারঞ্জন রায়।

১৮৪০ – জাপানের সম্রাট কোকাকুর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) মানবাধিকার দিবস – জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর পালিত হয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৯ – শিশু ও কিশোর সাহিত্যের সুপরিচিত লেখক মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়।

 

১৯২৫ –  সংগীত পরিচালক সমর দাস।

১৯২৯ – সমর দাস, বিখ্যাত বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৩৪ –  হাওয়ার্ড মার্টিন টেমিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও অধ্যাপক।

১৯৪১ –  কয়ু সাকামটো, জাপানি শিল্পী, গীতিকার ও অভিনেতা।

 

১৯৪৮ –  পিএলএফ-এর (ফিলিস্তিন লিবারেশন ফ্রন্ট) প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্দ জাইদান (আবু আব্বাস)।

১৯৬০ –  কেনেথ ব্রানাঘ, উত্তর আইরিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ অভিনেতা পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৭৫ –  জসিপ স্ককো, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল।

১৯৮৫ –  চার্লি অ্যাডাম, স্কটিশ ফুটবল।

১৯৮৭ – গঞ্জালো ইগুয়াইন, ফরাসি বংশোদ্ভূত আর্জেন্টাইন ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৮ –  নেভেন সুবটিক, সার্বিয়ার ফুটবল।

১৮০৪ – কার্ল গুস্তাফ ইয়াকপ ইয়াকবি, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।

১৮১৫ – অ্যাডা লাভলেস, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণার একজন প্রবর্তক।

১৮২১ –  নিকোলাই নেক্রাসভ, রাশিয়ান কবি ও সমালোচক।

১৮৩০- বিখ্যাত মার্কিন কবি এমিলি ডিকেনসন।

১৮৪৫ – পুরাতত্ত্ব বিষয়ক রচনার জন্য খ্যাতিমান লেখক রামদাস সেন।

 

১৮৭০ – স্যার যদুনাথ সরকার, স্বনামধন্য বাঙালি ইতিহাসবিদ।

 

১৮৭৮ – চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী, বিশিষ্ট ভারতীয় আইনজীবী, স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম নেতা।

 

১৮৮৮ – প্রফুল্ল চাকী, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।

১৮৯১- নোবেলজয়ী সুইডিশ নারী কবি ও নাট্যকার নেলি সাকস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সুইডেন ও নরওয়ের রাজধানীতে আলাদা আলাদাভাবে ২০০১ সালের নোবেল পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৭ – ক্রিস্টিনা ফর্নান্দেজ আর্জেন্টিনার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হন।

১৯০১- আলফ্রেড নোবেলের অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

১৯০২- তাসমানিয়ায় (অস্ট্রেলিয়া) নারীরা ভোটাধিকার পায়।

১৯০৩ – ব্রিগেডিয়ার থাংনার নেতৃত্বে ইংগো-ভারতীয় যুক্ত বাহিনীর দু হাজারেরও বেশি সৈন্য জারিলা অতিক্রম করে তিববতের বিরুদ্ধে আগ্রাসী দ্বিতীয় যুদ্ধ বাঁধায় ।

১৯০৬- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট প্রথম আমেরিকান হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান।

১৯২১ – নাট্যাচার্য্য শিশিরকুমার ভাদুড়ী প্রথম ম্যাডান কোম্পানির রঙ্গালয়ে ‘আলমগীর’নাটকে নামভূমিকায় আবির্ভূত হন ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

১৯৪৮- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণা দেয় এবং মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক অধিকারের বিষয়টি অনুমোদন করে। এই দিন থেকেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা শুরু হয়।

১৯৬৩ –  জাঞ্জিবার স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭১ – সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন নিখোঁজ হন।

১৯৮৩ – রাউল আনফোন্সিনের ক্ষমতাগ্রহণের মাধ্যমে আর্জেন্টিনায় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

১৯৮৮ – আর্মেনিয়ায় এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়, ৫ লাখ লোক গৃহহীন হয়।

১৯৮৯ – চেকোশ্লাকিভিয়ায় ৪১ বছর পর অকমিউনিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসে।

১৮১৭- মিসিসিপি ২০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়।

১৮৬৮- বিশ্বের প্রথম ট্রাফিক বাতি বসানো হয় লন্ডনের প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টারের সামনে। লাল ও সবুজ গ্যাস বাতি ছিল সেগুলো।

১৮৮৪- মার্ক টোয়েনের বর্ণবাদবিরোধী উপন্যাস ‘অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৯৮- স্পেন থেকে কিউবা স্বাধীনতা লাভ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ -অশোক কুমার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

২০০৪ – গ্যারি ওয়েব্ব, তিনি ছিলেন আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।

 

২০১০ – জন বেনেট ফেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

২০১২ – ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, বাংলাদেশের ১৩ তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯২৬ – নিকোলা পাসিক, সার্বীয় রাজনীতিবিদ ও ৪৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৬ – লুইগি পিরান্ডেলো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান লেখক ও নাট্যকার।

 

১৯৫৩ – আবদুল্লাহ ইউসুফ আলী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ পণ্ডিত ও অনুবাদক। আল কুরআনের ইংরেজী অনুবাদক হিসেবে সমগ্র বিশ্বে খ্যাতি লাভকারী একজন মুসলিম ব্যাক্তিত্ব ছিলেন।

 

১৯৬৮ – চীনের বিখ্যাত নাট্যকার থিয়ান হান।

 

১৯৭১ – বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

১৯৮২ – ইরানের বিশিষ্ট লেখক ও অনুবাদক আলি আসগর সুরূশ।

১৯৮৮ – রিচার্ড এস. কাস্তেলানো, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৯৫ –  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রথম কণ্ঠদাতা আবুল কাসেম সন্দ্বীপের মৃত্যু।

 

১৯৯৮ – (ক) কিরণময় সেন বাঙালি ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী।

(খ) চীনের বিখ্যাত পারমাণবিক পদার্থবিদ ওয়াং কানছাং।

 

১৮৯৬- সুইডিশ বিজ্ঞানী ও নোবেল পুরস্কার প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৯ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস৷

(খ) আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস৷

(গ) জাতীয় রোকেয়া দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – (ক) কানু রায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও সঙ্গীত পরিচালক।

 

(খ) কমল মিত্র, বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা।

 

১৯১৬ – হলিউড কিংবদন্তি ডগলাসের।

১৯২০ – কার্লো আজেলিও চিয়াম্পি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯২৭ – ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু ব্রজেন দাস।

১৯৩৮ – বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলী।

 

১৯৪১ – খ্যাতনামা ইংরেজ ফুটবলার জিওফ্রে চার্লস হার্স্ট।

 

১৯৪৬ – সোনিয়া গান্ধী, ইতালীয় বংশোদ্ভূত ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৭৮ – গাস্তন গাউদিও, আর্জেন্টিনার একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৯৮১ – দিয়া মির্জা, ভারতীয় একজন মডেল এবং অভিনেত্রী।

১৮৬৫ – ফরাসি গণিতবিদ জাক হাদামার্দ।

১৮৬৮ – জার্মান রসায়নবিদ ফ্রিৎস হেবার।

১৮৭৯ – বাঙালি বহুভাষাবিদ পণ্ডিত এবং প্রাবন্ধিক অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ।

 

১৮৮০ – বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, খ্যাতিমান বাঙালী সাহিত্যিক এবং সমাজ সংষ্কারক।

১৭৪২ – সুইডেনের বিখ্যাত রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শিল।

১৭৪৮ – ফরাসী রসায়নবিদ ক্লাউড লুই বার্থোলে।

 

১৬০৮ – জন মিলটন, ইংরেজ কবি।

১৪৮৪ – সুরদাস ছিলেন মধ্যযুগীয় ভক্তিবাদী সন্তকবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৫ – ফ্রান্সে রাষ্ট্র থেকে গীর্জা পৃথকীকরণ আইন পাশ হয়।

১৯১৭ – ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯১৭ – প্রথম মহাযুদ্ধে তুরস্কের ওসমানীয় সরকারের সেনারা ফিলিস্তিনে ইংরেজ সেনাদের কাছে পরাজিত হয়।

১৯১৭ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফিল্ড মার্শাল এডমুন্ড অ্যালেনবি জেরুজালেম দখল করেন।

১৯২৪ – কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৯৩১ – দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র স্থাপিত।

১৯৪০ – লিবিয়ার বেনগাজীতে ব্রিটিশ আক্রমণ।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চীন প্রজাতন্ত্র, ফিলিপাইন কমনওয়েলথ, কিউবা, গুয়াতেমালা, ও কোরিয়া প্রজাতন্ত্র জার্মানি ও ইতালীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ষোষণা করে।

১৯৬১ – ব্রিটিশ শাসিত তাঙ্গানিয়াকা এলাকার স্বাধীনতা লাভ।

 

১৯৬১ – যুদ্ধপরাধে মোসাদ কর্তৃক আর্জেন্টিনায় ধৃত কর্ণেল অ্যাডলফ আইখম্যানের বিচার সম্পন্ন।

১৯৬৪ – ট্যাঙ্গানিকার সাথে যোগ দেয় জান্জিবার দ্বীপ, তখন এটি নাম নেয় ইউনাইটেড রিপাবলিক অব ট্যাঙ্গানিকা ও জান্জিবার। একই বছর নাম পাল্টে রাখে ইউনাইটেড রিপাবলিক অব তান্জানিয়া।

১৯৭১ – সংযুক্ত আরব আমিরাত জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৮৭ – অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনী জনগণের ইন্তিফাদা গণ-জাগরণ শুরু হয়।

১৯৯১ – ইউরোপীয় কমিউনিটি ১৯৯৯ সালের মধ্যে অভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অভিন্ন মুদ্রা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৯৬ – ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন ব্যাপী বিশ্ব সংস্থার প্রথম মন্ত্রী সম্মেলন সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭ – ১১ তারিখ পর্যন্ত ইসলামী সম্মেলন সংস্থার অষ্টম শীর্ষ সম্মেলন ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭ – চীনের গণ মুক্তি ফৌজের উপ-প্রধান ( ডেপুটি চিফ অব দি জেনারেল স্টাফ) লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল সিয়োং কুয়াং খাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে চীন-মার্কিন দুদেশের প্রতিরক্ষা দফতরের পরামর্শ করেন।

১৮৮৩ – ভবতারিণী (মৃণালিনী) দেবীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ে হয়।

১৭৫৮ – ভারতের মাদ্রাজকে নিয়ে উপনিবেশবাদী বৃটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে ১৮ মাসের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৭৯৩ – নিউ ইয়র্ক শহড়ের প্রথম সংবাদপত্র ‘আমেরিকান মিনার্ভা’ নোয়াহ ওয়েবস্টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৪২ – দ্বারকানাথ কোটনিস, ভারতের পাঁচজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন যাঁরা দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধের সময় চীনে চিকিৎসা সহায়তায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।

 

১৯৫৫ – জার্মান গণিতবিদ হেরমান ভাইল।

 

১৯৭০ – ফিরোজ খান নুন, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ, পাকিস্তানের ৭ম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৬ – জাপানি ঔপন্যাসিক সোসেকি নাৎসুম।

১৯৩২ – বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৪১ – রাশিয়ান লেখক ও দার্শনিক দিমিত্রি মেরজোকোভস্কি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস, জানুন দিনটি কি এবং কেন পালিত হয়।

প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস।  এটি জাতিসংঘ কর্তৃক মনোনীত একটি দিবস।  এই দিনটি দুর্নীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এটি মোকাবেলা এবং প্রতিরোধ করার জন্য বিশ্বব্যাপী উদ্যোগের জন্য নিবেদিত।  এটি সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সততা বজায় রাখার তাৎপর্যের উপর জোর দেয়।  আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং নৈতিক অনুশীলনের প্রচারে চলমান বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির একটি মর্মস্পর্শী অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

 

দুর্নীতি একটি জটিল সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ঘটনা যা সমস্ত দেশকে প্রভাবিত করে।  দুর্নীতি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে, অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধীর করে দেয় এবং সরকারী অস্থিতিশীলতায় অবদান রাখে।
দুর্নীতি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে, আইনের শাসনকে বিকৃত করে এবং আমলাতান্ত্রিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিকে আক্রমণ করে, যার বিদ্যমান একমাত্র কারণ ঘুষ চাওয়া।  অর্থনৈতিক উন্নয়ন স্তব্ধ, কারণ বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করা হয় এবং দেশের অভ্যন্তরে ছোট ব্যবসাগুলি প্রায়ই দুর্নীতির কারণে প্রয়োজনীয় “স্টার্ট-আপ খরচ” অতিক্রম করা অসম্ভব বলে মনে করে।
৩১ অক্টোবর ২০০৩-এ, সাধারণ পরিষদ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশন গৃহীত হয় এবং সেক্রেটারি-জেনারেল রাষ্ট্রপক্ষের কনভেনশনের কনফারেন্স অফ স্টেটস পার্টিস (রেজোলিউশন 58/4) এর জন্য সচিবালয় হিসাবে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত অফিস (UNODC) মনোনীত করার অনুরোধ জানায়।  .  তারপর থেকে, 190টি দল কনভেনশনের দুর্নীতিবিরোধী দায়িত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির গুরুত্বের কাছাকাছি-সর্বজনীন স্বীকৃতি দেখাচ্ছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই ও প্রতিরোধে কনভেনশনের ভূমিকার জন্য বিধানসভা ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবেও মনোনীত করেছে।  কনভেনশনটি ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়।
এর বিংশতম বার্ষিকীতে এবং তার পরে, এই কনভেনশন এবং এটি যে মূল্যবোধগুলি প্রচার করে তা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যার জন্য প্রত্যেককে এই অপরাধ মোকাবেলা করার প্রচেষ্টায় যোগদান করতে হবে। সারা বিশ্বকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই ইউনাইটেড ন্যাশনস কনভেনশন অ্যাগেইনেস্ট করাপশনের (আনকাক) মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংস্থাটি।দিবসটিকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও নানা কর্মসূচিতে পালন করা হয়। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও সরকারি-বেসরকারিভাবে জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণের ঘুষ আদান-প্রদান হয়ে থাকে। অন্যদিকে দুর্নীতির মাধ্যমে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার চুরি করা হয় সারা বিশ্বে। এই দুইয়ের যোগফল বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশেরও বেশি।জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির হিসেবে দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত তহবিলের পরিমাণ সরকারি উন্নয়ন সহায়তার ১০ গুণ। দুর্নীতির কালো হাত থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয় এ দিবস।

 

 

।।ছবি ও তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস কি, কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

গণহত্যার অপরাধ এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবস প্রতি বছরের ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।  আমরা এই বছরের অনুষ্ঠানটি সংযম ও সচেতনতার সাথে পালন করতে পেরে আনন্দিত।  মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য গণহত্যা একটি অপরাধ।  এই অপশক্তির অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টা রয়েছে।

 

মানবতার ইতিহাসে, গণহত্যা মানুষের বিরুদ্ধে মানুষের দ্বারা সংঘটিত সবচেয়ে বড় অপরাধ এবং মন্দ হিসাবে দাঁড়িয়েছে।  এটি একটি জাতি, গোষ্ঠী, জাতিগত একক, উপজাতি, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ইউনিটকে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা এবং পঙ্গুত্ব গঠন করে, যার মধ্যে এই জাতীয় অনুষঙ্গের নারী ও শিশু রয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে, গণহত্যা এবং গণহত্যার গল্পগুলি মানুষের দল, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ইউনিটের বেশ কয়েকটি ইতিহাসের বই এবং বাইবেলের মতো ধর্মীয় গ্রন্থে বিদ্যমান, যা ইসরায়েল দ্বারা মিদিয়ানদের ধ্বংসকে লিপিবদ্ধ করে।  কিন্তু গণহত্যার প্রথম সরকারী রেকর্ড খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে পুনিক যুদ্ধে পাওয়া যায়।  কার্থেজ এবং রোমের মধ্যে যার ফলশ্রুতিতে কার্থেজ শহরগুলি ধ্বংস হয়েছিল, লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছিল এবং অল্প বেঁচে থাকাদের দাসত্বে নিন্দা হয়েছিল।

 

পিউনিক জনগণের হত্যাকাণ্ডের পর, সারা বিশ্বে গণহত্যার বেশ কয়েকটি ঘটনা অব্যাহত থাকে।  চীনে ২০০০০০ টিরও বেশি উ হু এবং জি জনগণকে গণহত্যা করেছে, বেলজিয়ামের দ্বিতীয় লিওপোল্ডের অধীনে কঙ্গো তার নিপীড়নের অধীনে দুই থেকে ১৫ মিলিয়ন কঙ্গোলিকে মারা যেতে দেখেছিল, ইথিওপিয়া, রাশিয়া এবং জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উচ্চ শিখরে পৌঁছেছিল, বিশেষ ভয়াবহতার সাথে  হলোকাস্ট যা নাৎসি-জার্মান শাসনের অধীনে প্রায় ৬ মিলিয়ন ইহুদিদের সংগঠিত মৃত্যু দেখেছিল।
ঘৃণা এবং অপছন্দ থেকে জন্ম নেওয়া, গণহত্যার কুফল এবং প্রচার অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রজন্ম পর্যন্ত চলতে থাকে।  গণহত্যার অপরাধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবস এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের দিনটি আমাদের সমস্ত মানবতাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার, গণহত্যার কারণে যারা মারা গেছে তাদের স্মরণ করার এবং প্রত্যেকে আমাদের ধার দেয়।  যেখানে এটি এখনও ঘটছে সেখানে মন্দ কাজের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর এবং ভবিষ্যতের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে।

 

 

 

তাই প্রতি ৯ ডিসেম্বর, গণহত্যা প্রতিরোধের বিশেষ উপদেষ্টার কার্যালয় গণহত্যার অপরাধের প্রতিরোধ এবং শাস্তি সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণকে চিহ্নিত করে – একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব প্রতিশ্রুতি যা জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সময় করা হয়েছিল, এর ঠিক আগে।  মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা.  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫-এর সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন A/RES/69/323 দ্বারা, সেই দিনটি গণহত্যা এবং এই অপরাধের প্রতিরোধের অপরাধের শিকারদের স্মরণ ও মর্যাদার আন্তর্জাতিক দিবসও হয়ে ওঠে।
এই বছর এর ৭৫তম বার্ষিকীতে, গণহত্যা কনভেনশন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে।  ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক আইনে গণহত্যার অপরাধকে কোডিফাই করে।  এর প্রস্তাবনা স্বীকার করে যে “ইতিহাসের সব সময়ে গণহত্যা মানবতার জন্য ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে” এবং “মানবজাতিকে এমন একটি ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করতে” আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।  আজ অবধি, ১৫৩টি রাজ্য কনভেনশনটি অনুমোদন করেছে।  কনভেনশনের সার্বজনীন অনুসমর্থন অর্জনের পাশাপাশি এর পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, গণহত্যা প্রতিরোধকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অপরিহার্য।  জেনোসাইড কনভেনশনে শুধুমাত্র গণহত্যার অপরাধের শাস্তি দেওয়ার বাধ্যবাধকতাই অন্তর্ভুক্ত নয়, গুরুত্বপূর্ণভাবে, এটি প্রতিরোধ করা।  গৃহীত হওয়ার ৭৫ বছরে, জেনোসাইড কনভেনশন আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের বিকাশে, এই অপরাধের অপরাধীদেরকে জবাবদিহি করতে, প্রতিরোধের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে এবং গণহত্যার শিকারদের কাছে কণ্ঠস্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

 

কেন আন্তর্জাতিক গণহত্যা এবং এই অপরাধ প্রতিরোধের অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ ও মর্যাদা দিবস গুরুত্বপূর্ণ—

 

 

এই দিনটি আমাদের সকল নিরপরাধদের স্মরণ করিয়ে দেয় যারা গণহত্যার মন্দ কাজের ফলে মারা গেছে।  এটি তাদের স্মরণ করার এবং বেঁচে থাকা এবং তাদের পরিবারকে সহায়তার হাত ধার দেওয়ার সময়। গণহত্যার ভবিষ্যৎ সংঘটন প্রতিরোধ এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে।  এটি সারা বিশ্বের সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় হত্যা প্রতিরোধের প্রতি অঙ্গীকার।

এটি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে

এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কেন শান্তি গুরুত্বপূর্ণ এবং লালন করা উচিত।  এটি প্রতিবেশীর প্রতি ভালবাসা, ঐক্য এবং সহযোগিতাকে অন্য কিছুর উপরে প্রচার করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৮ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্রতি বছর ৮ ডিসেম্বর, বোধি দিবস সারা বিশ্বে পালিত হয়, সাধারণত বিভিন্ন নামে। গৌতম বুদ্ধ এবং তাঁর প্রচারকে সম্মান করার জন্য, এটি সাধারণত চন্দ্রাভিযান ক্যালেন্ডারের 12 তম মাসের অষ্টম দিনে ঘটে

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – ভারতের খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী, নৃত্যপরিকল্পক ও অভিনেতা উদয়শঙ্কর।

 

১৯১৩ – কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী ও ইতিহাসবিদ চিন্মোহন সেহানবীশ।

 

১৯৪১ – জিওফ্রে চার্লস হার্স্ট, ইংরেজ ফুটবলার।

 

১৯৪২ – হেমন্ত কানিদকর, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৪৩ – জিম মরিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আমেরিকান সংগীতশিল্পী, গীতিকার, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং কবি।

১৮৩২ – নোবেলজয়ী নরওয়েজীয় কবি ও নাট্যকার বিওর্নস্টার্নে বিওর্নসন।

 

১৮৬৫ – জাক হাদামার্দ, ফরাসি গণিতবিদ।

১৬২৬ – সুইডেনের রানি ক্রিশ্চিয়ানা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – আর্জেন্টিনার উপকণ্ঠে একটি দ্বীপপুঞ্জের কাছে ফাল্কল্যাণ্ড সাগরে ব্রিটিশ ও জার্মানির মধ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

১৯১৭ – ব্রিটেনের কাছে জেরুজালেমের আত্মসমর্পণ।

১৯১৮ – ব্রিটেন জেরুজালেম দখল করে।

১৯২৩ – যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে বন্ধুত্ব চুক্তি হয়।

১৯৩০ – কলকাতা শহরের মহাকরণে অলিন্দ যুদ্ধে বিনয় বসু,বাদল গুপ্ত, দীনেশ গুপ্ত অত্যাচারী ইংরেজ অফিসার এন জি সিম্পসন হত্যা করেন।

১৯৪১ – গ্রেট ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৬ – সংবিধান রচনার জন্য দিল্লিতে ভারতের গণপরিষদের প্রথম সভা হয়।

১৯৪৯ – চীনের জাতীয়তাবাদী নেতা চিয়াং কাইশেক মাওসেতুং এর নেতৃত্বে কমিউনিস্ট দলের সমর্থকদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর কিছু সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তাইওয়ানে পালিয়ে যান।

১৯৫৮ – নিখিল আফ্রিকা গণ সম্মেলন ঘানার রাজধানী আক্রায় অনুষ্ঠিত হয় ।

১৯৭১ – ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে ভারতীয় নৌবাহিনী পাকিস্তানের করাচী বন্দরে হামলা করে।

১৯৭১ – শেরপুরের নকলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ঘানা।

১৯৭৪ – গ্রীসে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়।

১৯৮৫ – দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা তথা সার্ক ঢাকায় গঠিত হয়।

১৯৮৭ – ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতকারী ইজরায়েলের সৈন্যরা গাজা সীমান্তে এক সড়ক ‘দূর্ঘটনায়’ ৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ও ৭ জনকে আহত করে। এর ফলে ইন্তিফাদা আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৯১ – রাশিয়া, বেলারুশ ও ইউক্রেইনের নেতারা একটি চুক্তির মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত করেন এবং কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস গঠন করেন।

১৯৯৬ – জাকার্তায় ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯৭ – ৪৫ বছর বয়স্ক জেনী হিপলি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন এবং নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন।

১৮৬৮ – জাপানে শুউগুনদের একনায়ক শাসনের অবসান ঘটে এবং এরপর থেকে সেদেশে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১৮৮১ – ভিয়েনার রিং থিয়েটার পুড়ে যায়।

২০০৯ – বাগদাদে এক বোমা বিষ্ফোরণে ১২৭ জন নিহত ও ৪৪৮ জন আহত হয়।

১৭৯৪ – হেরাল্ড অব রুটল্যান্ডের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৬০৯ – ইউরোপের দ্বিতীয় পাবলিক লাইব্রেরি চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২১ – (ক) ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বিপিন রাওয়াত।

(খ) টপ্পা ও পুরাতনী বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী চণ্ডীদাস মাল।

 

১৯০৩ – খ্যাতনামা ব্রিটিশ চিন্তাবিদ ও দার্শনিক হার্বার্ট স্পেন্সার।

১৯২০ – শাইখুলহিন্দ হযরত মাওলানা মাহমুদ হোসাইন।

 

১৯৫৫ – হেরমান ভাইল, জার্মান গণিতবিদ।

 

১৯৮০ – বিটলসের কিংবন্তী গায়ক, গীতিকার ও শান্তিকর্মী জন লেনন নিউ ইয়র্কে মার্ক ডেভিড চাপম্যান নামক মানসিক ভারসাম্যবিহীন এক ব্যক্তির গুলিতে নিহত হন।

 

১৯৮৬ – আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৯১ – মেলবোর্ন অলিম্পিক [১৯৫৬] তিন হাজার মিটার, পাঁচ হাজার মিটার ও ৬ মাইল দৌড় প্রতিযোগিতায় রেকর্ড সৃষ্টিকারী অ্যাথলিট গর্ডন পিরি।

 

১৫৬০ – সুইডেনের রাজা ফ্রেডরিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৭ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  সশস্ত্র বাহিনীর পতাকা দিবস (ভারত)

 

(খ) আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান পরিবহণ দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৭৯ – বাঘা যতীন, বাঙালি বিপ্লবী।

 

১৮৯৩ – ফে বেইন্টার, মার্কিন চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেত্রী।

 

১৯১৫ – প্রফুল্লকুমার সেন, ভারতীয় বাঙালি, ভারতে প্রথম মানব হৃদয় ট্রান্সপ্লান্টের শল্যচিকিৎসক।

 

১৯২৮ – নোম চম্‌স্কি, মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

 

১৯৩৩ – মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়,শঙ্কর নামে বহু পরিচিত বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯৫৭ – জিওফ লসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ।

 

১৯৬০ – আবদুল্লাতিফ কাশিশ, তিউনিশীয়-ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৭০ – কোর্টনি ব্রাউন, বার্বাডীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৮৮ – এমিলি ব্রাউনিং, অস্ট্রেলীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, গায়িকা ও মডেল।

 

১৯৮৯ – নিকোলাস হল্ট, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৯১ – অ্যানিয়া শ্রাবসোল, ইংরেজ প্রমীলা ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৮২ – টিপু সুলতান ভারতের মহীশূরের রাজা হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৮৫৬ – রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

 

১৮৭২ – বাংলায় প্রথম নাট্যশালা ন্যাশনাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত এবং দীনবন্ধু মিত্রের নাটক নীল দর্পণ অভিনীত।

১৮৮৯ – পৃথিবীর প্রথম অটোমোবাইল তৈরি হয়।

১৯১৭ – মার্কিন সরকার অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

 

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ।

 

১৯৭০ – সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।

 

১৯৭১ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভুটান।

 

১৯৭২ – চাঁদে অ্যাপোলোর শেষ অভিযান অ্যাপোলো-১৭ এর যাত্রা শুরু।

 

১৯৮৪ – কলকাতা হতে বরুণ সেনগুপ্তর সম্পাদনায় দৈনিক বর্তমান পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।

১৯৮৫ – ঢাকায় প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৮২ – মহীশুরের বীর যোদ্ধা হায়দার আলী।

 

১৯৭০ – রুব গোল্ডবার্গ, মার্কিন কার্টুনিস্ট, স্থপতি, লেখক, প্রকৌশলী ও আবিষ্কারক।

 

১৯৯১ – আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং লেখক।

 

২০১৪ – খলিল উল্লাহ খান, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

 

২০২০ – জারওয়ালি খান, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান পরিবহণ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসটি বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিমান চলাচল এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনের ভূমিকা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে পালিত হয়।  দিবসটি আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের দক্ষতা, নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) এর বিশেষ অবদানকেও স্বীকৃতি দেয়।  বৈশ্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিমান চলাচলের মূল্য এবং এর ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর এটি পালন করা হয়।  এই দিনে, আন্তর্জাতিক বিমান চালনা এবং এটি কীভাবে বিশ্বকে সংযুক্ত করে সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়।  এটি অসংখ্য ঘটনা, কার্যক্রম, প্রেস রিলিজ, সেমিনার এবং বিমান চালনার উপর বক্তৃতা দিয়ে উদযাপিত হয়।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস ২০২৩: তারিখ এবং থিম—

বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস পালিত হবে। এ বছর উদযাপনের মূল প্রতিপাদ্য “অ্যাডভান্সিং ইনোভেশন ফর গ্লোবাল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট” “Advancing Innovation for Global Aviation Development.”।  এই থিমটি কীভাবে উদ্ভাবন ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী বেসামরিক বিমান চলাচলকে রূপ দেবে এবং উন্নত করবে তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  এটি এভিয়েশন সেক্টরকে অগ্রসর ও উন্নত করার জন্য উদ্ভাবনী ধারণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অন্বেষণ এবং বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি বোঝায়।  উদ্ভাবনের উপর ফোকাস বিমান চলাচলের নিরাপত্তা, দক্ষতা এবং স্থায়িত্ব উন্নত করার চলমান প্রচেষ্টার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের ইতিহাস—

৭ ডিসেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) 7 ডিসেম্বর ১৯৯৪ সালে বেসামরিক বিমান চলাচলের বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতা এবং অভিন্নতা উন্নীত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  একই বছরে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিষেবা ট্রানজিট চুক্তি উভয়ই স্বাক্ষরিত হয়।  ৫০ তম বার্ষিকীর সম্মানে, ICAO ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবস প্রতিষ্ঠা করে।

 

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের তাৎপর্য—

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল দিবসের তাৎপর্য হল বেসামরিক বিমান চলাচলের মূল্য এবং বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির উপর এর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।  এটি কার্যকর, নিরাপদ এবং দক্ষ বিমান পরিবহনের জন্য বৈশ্বিক মান প্রতিষ্ঠা ও বজায় রাখার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলির ভূমিকা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)-এর ভূমিকা তুলে ধরার একটি সুযোগ৷  এই দিনটি কীভাবে বিমান পরিবহন বিশ্বকে সংযুক্ত করে এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং বিমান চলাচলে নিরাপত্তার মতো সাধারণ সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য একত্রে কাজ করার জন্য দেশগুলির গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  এটি বাণিজ্য, পর্যটন, বৈশ্বিক সংযোগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিমান চলাচলের সুবিধা স্বীকার করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৬ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৬ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় স্বৈরাচার পতন দিবস।

(খ) শৌর্য দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অগ্রণী সংগঠক আবদুল হালিম।

 

১৯১১ – বিপ্লবী দীনেশচন্দ্র গুপ্ত।

 

১৯১৭ – ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯২০ – জর্জ পোর্টার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯২৮ – ভারততত্ত্বের গবেষক অধ্যাপক তারাপদ মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৪২ – পিটার হ্যান্ডকে, অস্ট্রিয়ান লেখক ও নাট্যকার।

 

১৯৫৬ – তারেক মাসুদ, বাংলাদেশের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গীতিকার।

 

১৯৬৭ – জুড আপাটও, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৭৬ – কলিন হাস্কেল, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৭৭ – অ্যান্ড্রু ফ্রেদি ফ্লিনটফ, সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

 

১৯৮৮ – নিলস পিটারসেন, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৯০ – টামিরা পাসযেক, অস্ট্রিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।

 

১৮২৩ – ম্যাক্স মুলার, বিখ্যাত ভারত বিদ্যাবিশারদ, সংস্কৃত ভাষার সুপ্রসিদ্ধ পণ্ডিত ও অনুবাদক।

 

১৮৫৩ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।

১৮৯৮ – গুনার মিরদাল, ১৯৭৪ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ।

১৭৩২ – ওয়ারেন হেস্টিংস, ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল।

১৪৭৮ – বাল্ডাসারে কাস্তিগ্লিওনে, ইতালিয়ান কূটনীতিক ও লেখক।

০৮৪৬ – হাসান আল-আসকারি, সৌদি আরবের ইমাম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – সৌদী আরবের জেদ্দায় মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে সন্ত্রাসী হামলায় ১২ জন নিহত হয়।

২০২০ – প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকার ভুটানের সাথে অগ্ৰাধিকার মূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সাক্ষর করে।

১৯১৬ – সেন্ট্রাল পাওয়ার বুখারেস্ট দখল করে।

১৯১৭ – ফিনল্যান্ড রাশিয়ার কাছ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ।

১৯১৭ – কানাডার এক যুদ্ধোপকরণ ঘাটিতে হ্যালিফ্যাক্স বিষ্ফোরনের ফলে ১৯০০’র বেশি মানুষ নিহত।

১৯২১- ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মাঝে আংলো-আইরিশ চুক্তি হয়।

১৯২২ – স্বাধীন আইরিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত।

১৯৪১ – ব্রিটেন ফিল্যান্ড, রোমানিয়া আর হাংগেরি বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঘোষণা করে।

১৯৪২ – কলম্বাস কর্তৃক হাইতি আবিষ্কার।

১৯৫৭ – পৃথিবীর প্রথম উপগ্রহ স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

১৯৫৮ – বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

১৯৬৫ – পাকিস্থানের ইসলামী দার্শনিকরা প্রাইমারী থেকে স্নাতক পর্যন্ত ইসলামীক স্টাডিস বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে বলে।

১৯৬৬ – প্রথম এশিয়ার নবোদিত শক্তি গেমস কাম্পুচিয়ার রাজধানী নমপেনে সমাপ্ত হয়।

১৯৭১ – দেশের প্রথম স্বাধীন জেলা হিসেবে যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল।

১৯৭১ – মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, যশোরের চৌগাছা, দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ, রংপুরের পীরগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, ও নেত্রকোনার দুর্গাপুর পাকিস্থানী হানাদার মুক্ত হয়।

১৯৭১ – ভারত এবং ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়।

১৯৮৪ – চীনের সংবাদ সমিতির যুক্ত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৯ – পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্রের অবসানের পর প্রথম অকমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা। মানফ্রেড গেরল্যাচ রাষ্ট্রপ্রধান নিযুক্ত।

১৯৯০ – বাংলাদেশে স্বৈরশাসক, জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর পতন ঘটে।

১৯৯২ – কয়েক হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘স্বেচ্ছাসেবক’ দ্রুত বেগে ভারতের উত্তর প্রদেশের বাবরি মসজিদের দিকে ছুটে যায় এবং তা ভেঙ্গে দেয়। এই নিয়ে যে দাঙ্গা বাধে তাতে প্রায় ১৫০০ মানুষের মৃত্যু হয় ।

১৯৯৪ – ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আর উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের মধ্যে দু’দেশের রাজধানীতে যার যার লিয়াজোঁ কার্যালয়ের স্থাপন নিয়ে বৈঠক হয়।

১৯৯৮ – সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ এশীয় গেমস থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়।

১৮৪৯ – আমেরিকার মৃত্যুদন্ড প্রথা বিলোপপন্থি হ্যারিয়েট টোবম্যান দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন।

১৮৫৭ – কানপুরের যুদ্ধে স্যার কলিন ক্যাম্পবেল বাহিনীর কাছে সিপাহি বিদ্রোহীদের পরাজয়।

১৮৬৫ – যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী দাসত্ব প্রথা নিষিদ্ধ হয়।

১৮৭৭ – পৃথিবী বিখ্যাত পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম প্রকাশ হয়।

১৮৭৭ – বিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন তার ফনোগ্রাফ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথম শব্দ রের্কড করতে সক্ষম হন।

১৮৮৪ – ওয়াশিংটন মনুমেন্টের কাজ শেষ হয়।

১৮৯৭ – লন্ডন বিশ্বের প্রথম শহর হিসাবে টেক্সিক্যাবের অনুমোদন দেয়।

১৭৬৮ – বিশ্বকোষ এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটেনিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৭৯০ – আমেরিকার কংগ্রেস স্থান পরিবর্তন করে নিউ ইর্য়ক থেকে ফিলাডেলফিয়াতে চলে আসে।

১৫৩৪ – ইকুয়েডরের কুইটো শহর স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সেবাস্টিয়ান ডি বালকাজার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৪৯২ – প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ক্রিস্টোফার কলম্বাস নতুন পৃথিবীর হিসপানিওলা (ডমিনিকান রিপাবলিক ও হাইতি) দ্বীপ আবিষ্কার করেন।

১২৪০ – মোঙ্গল আক্রমনে রুশ সাম্রাজ্য থেকে কিয়েভ বিচ্ছিন্ন হয়। কিয়েভ মঙ্গল নেতা বাটু খানের আওতায় আসে।

৭৩১ – সমরখন্দের তৃতীয় যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আজিজ মিয়া, পাকিস্তানি কাউয়ালি গায়ক ও কবি।

২০০৫ – ডেভান নাইর, মালয়েশিয়ার বংশোদ্ভূত সিঙ্গাপুরের রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট।

 

২০১০ – সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়,প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০১৬ – জয়ললিতা, সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়্গম পার্টির নেত্রী, তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০২০ – মনু মুখোপাধ্যায়, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বিখ্যাত অভিনেতা।

 

১৯২২ – মরমী সাধক হাসন রাজা।

 

১৯৫৬ – ভীমরাও রামজি আম্বেডকর, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী, আইনজ্ঞ এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।

 

১৯৯১ – রিচার্ড স্টোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – ডন আমেচা, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

১৮৩৭ – জোশুয়া মার্শম্যান বৃটিশ ভারতের বঙ্গে খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারক ।

 

১৮৮৯ – জেফারসন ডেভিস, আমেরিকান সাধারণ এবং রাজনীতিবিদ, আমেরিকা কনফেডারেট যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This