Categories
বিবিধ

প্রতিমায় সাবেকি গড়ন, মণ্ডপে আধুনিকতার ছোঁয়া, ৬৭তম বর্ষের পুজোয় চমক বালুরঘাটের বিংশ শতাব্দী ক্লাবের।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট:- সময়ের সঙ্গে বদলেছে পুজোর ভাষা। মণ্ডপে এসেছে নতুন ভাবনা। আলোয় বেড়েছে ঝলক। সেই বদলের মধ্যেও কোথাও রয়ে গিয়েছে পুরনো বাংলার পুজোর চেনা টান। প্রতিমার সাবেকি গড়ন আর মণ্ডপের পরিচিত সাজে ফিরে দেখার সেই ইচ্ছে পূরণের চেষ্টা করেছে বালুরঘাটের বিংশ শতাব্দী ক্লাব।
ক্লাবের ৬৭তম বর্ষের দুর্গোৎসবের ভাবনা সাবেকিয়ানার সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন। পুরনো বাংলার পুজোর আদলকে ধরে রেখে আলো ও শব্দের আধুনিকতা যোগ করার পরিকল্পনা করেছেন উদ্যোক্তারা। অতীতের অনুকরণ নয় বরং ঐতিহ্যের ভিতের উপর দাঁড়িয়ে বর্তমানকে ছুঁয়ে দেখাই এ বারের আয়োজনের মূল কথা।
প্রতিমা গড়েছেন হিলির মৃৎশিল্পী মধুসূদন দাস। মণ্ডপসজ্জায় ভাই ডেকোরেটার্সের রাজ নারায়ণ সাহা চৌধুরী। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। মণ্ডপের সাজ থেকে প্রতিমা নির্মাণ সবেতেই স্থানীয় শিল্পী ও কারিগরদের অংশগ্রহণ এই পুজোর অন্যতম দিক।
তবে ৬৭তম বর্ষের উৎসব শুধু মণ্ডপের সাবেকি রূপে সীমাবদ্ধ নয়। মহাচতুর্থীর দিন সন্ধ্যায় জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন হবে। ওই দিন থেকেই শুরু হবে টানা সাত দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বাইরের শিল্পীরাও অংশ নেবেন। উৎসবের মঞ্চে থাকবে নানা ধরনের পরিবেশনা। পাশাপাশি ক্লাবের উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে বস্ত্র বিতরণ সহ একাধিক সমাজসেবামূলক কর্মসূচি।
অর্থাৎ এক দিকে বাংলার চেনা পুজোর আবহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অন্য দিকে সংস্কৃতি ও সমাজসেবাকে উৎসবের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ। মণ্ডপে সাবেকিয়ানা আর আয়োজনে আধুনিকতার পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগকেও গুরুত্ব দিতে চাইছে ক্লাব।
*পুজো কমিটির সম্পাদক তথা ক্লাবের সহ-সভাপতি গৌতম সাহার* কথায় সাবেকি পুজোর রূপ বজায় রেখেই এ বারের আয়োজন করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়া এবং সমাজসেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে উৎসবকে আরও অর্থবহ করে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য।
পুজোর শেষ প্রস্তুতির ব্যস্ততার মধ্যে তাই বিংশ শতাব্দী ক্লাবের এ বারের ভাবনায় শুধু মণ্ডপের রূপ বদলের গল্প নেই। আছে পুরনোকে মনে রেখে নতুনকে আপন করে নেওয়ার প্রচেষ্টাও। ক্লাবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ভাবনাকেই উৎসবের পরিসরে ছড়িয়ে দিতে চায়।

Share This
Categories
বিবিধ

প্রাচীন উত্তরবঙ্গের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ, প্রকাশিত হিমাংশু কুমার সরকারের দুটি গবেষণাগ্রন্থ।

‎দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ‎দক্ষিণ দিনাজপুরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ভারতের প্রাচীন অধ্যাত্মসাধনার যোগসূত্রকে তুলে ধরতে সোমবার হিলি বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জৈনাচার্য পঞ্চম শ্রুতকেবলী ভদ্রবাহু এবং বৌদ্ধাচার্য অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের প্রতিমূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) প্রণব ঘোষ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) আশিস ভট্টাচার্য। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) অর্ণব সেন। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বতন উপাচার্য অধ্যাপক (ড.) দীপক কুমার রায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্রী শংকর চক্রবর্তী এবং বালুরঘাট বি.এড. কলেজের (অটোনোমাস) প্রেসিডেন্ট ও ইতিহাস অনুসন্ধান পরিষদের সম্পাদক ড. নব কুমার দাস। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্বালন ও উদ্বোধনী সংগীতের মাধ্যমে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরেণ্য ঐতিহাসিক অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকার। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একতা দে এবং সূরজ দাশ।
‎
‎অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকার রচিত দুটি গবেষণাগ্রন্থ—‘প্রাচীন উত্তরবঙ্গে জৈনধর্ম’ এবং ‘ভারতের আলোকবর্তিকা অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান’-এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ। মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিবর্গের উপস্থিতিতে গ্রন্থ দুটি প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি অতিথিদের হাতে পরম পূজ্য মুনি ১০৮ অক্ষয়সাগরজী মহারাজ রচিত জৈনধর্মবিষয়ক ‘জিন সংস্কার’ গ্রন্থ এবং জৈন সংঘ, পুনে-র পক্ষ থেকে পাঠানো ফটো ফ্রেম তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অতিথিরা দুই মহাসাধকের জীবন, সাধনা এবং ভারতীয় ধর্ম-দর্শনের ইতিহাসে তাঁদের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। এই আয়োজন কেবল দুটি প্রতিমূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠান নয়, বরং দক্ষিণ দিনাজপুরের ইতিহাস, ধর্ম-দর্শন ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুনভাবে তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস। প্রতিমূর্তি স্থাপন ও গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশের মধ্য দিয়ে জেলার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাসচেতনা প্রসারের বার্তা উঠে আসে। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক হিমাংশু কুমার সরকার, ম্যানেজিং ট্রাস্টি, হিমাংশু কুমার সরকার অ্যান্ড অঞ্জলি সরকার ফাউন্ডেশন অফ এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ।
‎

Share This
Categories
বিবিধ

দুই সাংস্কৃতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বালুরঘাটে আগমনী অনুষ্ঠান, মঞ্চে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিল্পীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট: – গান, নাচ, আবৃত্তি ও বাদ্যযন্ত্রের সুরে দুর্গাপুজোর আগমনী আবহে জমে উঠল শরতের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। রবিবার সন্ধ্যায় বালুরঘাট রেডক্রস ভবনের সভাঘরে দুই সাংস্কৃতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিল্পী। তাঁদের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে সভাঘর। উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্টজন ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা।
বালুরঘাট ডান্স ট্রেনিং সেন্টারের কর্ণধার ও তবলা শিক্ষক সুবীর হোম এবং চকভৃগুর প্রতিভা নৃত্যালয়ের কর্ণধার ও নৃত্যশিক্ষিকা তনুজা বসাক দাসের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে গান ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহকে তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে দুই সংস্থার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীরাও সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, গিটার ও তবলা পরিবেশন করেন। নৃত্যশিল্পী তনুজা বসাক দাস এবং তবলাবাদক দেবজিৎ দাসের পরিবেশনা দর্শকদের নজর কাড়ে। সঙ্গীত পরিবেশন করেন পঞ্চমী ভাদুড়ী ও প্রণব কিশোর রায়চৌধুরী। গিটারে পরিবেশনা করেন কাবেরী দত্ত। পতিরাম হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা লাবণী সরকার এবং খাদিমপুর হাই স্কুলের শিক্ষিকা রাইনুপুর মিত্র অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন চন্দ্রাবলী পাল।
দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে দুই সাংস্কৃতিক সংস্থার এই যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিল্পীদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁদের শিল্পচর্চার একটি মঞ্চ তৈরি হয়। প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী ও শিল্পীর অংশগ্রহণে গান, নাচ, আবৃত্তি ও বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে রেডক্রস ভবন। সুবীর হোম ও তনুজা বসাক দাসের উদ্যোগে আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা স্থানীয় শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মিলনক্ষেত্র হয়ে ওঠে।

Share This
Categories
বিবিধ

নাট্যতীর্থ মন্মথ মঞ্চে সাংস্কৃতিক মিলনক্ষেত্র, শ্রুতির অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন প্রায় ৫০ শিল্পী।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট:- গান ও নৃত্যের পরিবেশনায় বালুরঘাটের নাট্যতীর্থ মন্মথ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল শ্রুতি সংগীত শিক্ষাঙ্গনের ষষ্ঠ বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার সংগীত প্রদীপ্তা ঠাকুরের পরিচালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৫০ জন শিল্পী অংশ নেন। তাঁদের সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণীজনেরা। শিল্পীদের পরিবেশনা উপভোগ করতে মঞ্চে ভিড় করেন বহু সংস্কৃতিপ্রেমী ও সঙ্গীতানুরাগী। দর্শকাসন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে মঞ্চে অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল।
সঙ্গীত ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিল্পচর্চা ও প্রতিভা দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা মঞ্চে পরিবেশনের সুযোগ করে দেয় এই বার্ষিক আয়োজন। শ্রুতি সংগীত শিক্ষাঙ্গনের এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে শিল্পী, সঙ্গীতপ্রেমী ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে নাট্যতীর্থ মন্মথ মঞ্চে তৈরি হয় সাংস্কৃতিক মিলনক্ষেত্র।

Share This
Categories
বিবিধ

পুলিশের আচমকা অভিযানে চাপে নিয়মভঙ্গকারীরা, জটেশ্বরে হেলমেটহীন চালকদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রবিবার বিকেলে হেলমেটহীন বাইক আরোহীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালাল জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশ। জটেশ্বর ট্র্যাফিক মোড় সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এদিনের পুলিশের কড়া ওই অভিযানে হেলমেট ছাড়া রাস্তায় বের হওয়া বহু বাইক আরোহী ধরা পড়েন। অনেককেই সেখানেই জরিমানা করা হয়। পুলিশের আচমকা এই কড়াকড়িতে কার্যত চাপে পড়ে যান নিয়মভঙ্গকারী বাইক চালকরা। কেউ রাস্তা ঘুরে পালানোর চেষ্টা করেন, আবার কেউ পুলিশের সামনে নানা অজুহাত দেখাতে থাকেন। কিন্তু এদিন কাউকেই রেয়াত করেনি পুলিশ। জটেশ্বর ফাঁড়ি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দিনেও জটেশ্বরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চলানো হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

মহিলা ফুটবলারদের প্রতিভা তুলে ধরতে উদ্যোগ, ফালাকাটার মালসাগাঁওয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ফালাকাটা ব্লকের মালসাগাঁওয়ে মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে দেখা গেল উৎসাহ ও উদ্দীপনা। রবিবার মালসাগাঁও প্রাইমারি স্কুলের মাঠে মালসাগাঁও নব যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত হয় একদিবসীয় মহিলা ফুটবল টুনামেন্ট। এদিন উপস্থিত ছিলেন ফালাকাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঘোরনাথ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী ফণিভূষণ রায়, অনুপ দাস, জটেশ্বর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অর্ণব ঘোষ এবং গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কিরণবালা বর্মন-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। মহিলা ফুটবলারদের প্রতিভা তুলে ধরা এবং তাঁদের খেলাধুলার জগতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে এই ধরনের উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

Share This
Categories
বিবিধ

মেধা পরীক্ষাকে ঘিরে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের উৎসাহ, জটেশ্বরে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন অভীক্ষা।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রবিবার নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে সারা রাজ্য ব্যাপী নিখিলবঙ্গ মেধা উৎকর্ষ অভিযান ২০২৬ এর অভীক্ষা আয়োজিত হল। সারা রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা উত্তর মন্ডলের নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে জটেশ্বর হাইস্কুলে ওই অভীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। জানা গিয়েছে, এদিন এলাকার প্রায় ৫০০ কিছু বেশি ছাত্র-ছাত্রী এই অভীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেনীর পড়ুয়ারা এই পরীক্ষা দিয়েছে। সংগঠনের ফালাকাটা উত্তর মণ্ডলের সম্পাদক নিশিকান্ত সরকার জানিয়েছেন, আমাদের এখানে একপ্রকার উৎসবের আকার নিয়েছে এই অভীক্ষা। সারা রাজ্যের পাশাপাশি জটেশ্বরে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে। এদিন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অভিভাবক ও অভিভাবকিকাদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

Share This
Categories
বিবিধ

দুর্গাপ্রতিমার ভালো অর্ডার, বাজারও ভালো—পুজোর আগে আশার আলো জটেশ্বরের মৃৎশিল্পীদের।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আসন্ন দুর্গাপুজোকে ঘিরে এখন চরম ব্যস্ততা জটেশ্বরের মৃৎশিল্পীদের মধ্যে। দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কাজের চাপ। কোথাও চলছে প্রতিমার গায়ে রঙের প্রলেপ, কোথাও আবার শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জার কাজ। প্রতিমার গায়ে শেষ তুলির টান দিতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন শিল্পীরা। ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-সহ বিভিন্ন এলাকার মৃৎশিল্পীদের ঘরে এখন জোরকদমে চলছে দুর্গাপ্রতিমা তৈরির কাজ। অনেক শিল্পীই ইতিমধ্যে প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছেন। কোথাও চলছে রং করার কাজ, আবার কোথাও প্রতিমাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। পুজোর আগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করে প্রতিমা পুজো কমিটি গুলির হাতে তুলে দেওয়াই এখন শিল্পীদের মূল লক্ষ্য। জটেশ্বরের এক মৃৎশিল্পী জানান, এবছর প্রতিমা তৈরির ভালো অর্ডার পাওয়া গিয়েছে। বাজারও বেশ ভালো রয়েছে। শুধু ফালাকাটা নয়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ফালাকাটার বাইরেও যাচ্ছে তাঁদের তৈরি দুর্গাপ্রতিমা।সব মিলিয়ে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে জটেশ্বরের মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে।

Share This
Categories
বিবিধ

ফালাকাটার ট্রাফিক মোড়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, সম্মানিত তাঁতশিল্পী ও বেতার কারিগরেরা।

ফালাকাটা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- লাইন্স ক্লাব অফ ফালাকাটার উদ্যোগে তাঁতশিল্পী ও বেতার কারিগরদের সংবর্ধনা প্রদান করা হল। শনিবার ফালাকাটার ট্রাফিক মোড়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই বিভাগের ১০ জন করে মোট ২০ জনকে সংবর্ধিত করা হয়। তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ক্লাবের সদস্যেরা।
অনুষ্ঠানে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দেওয়া হয়। এছাড়াও এদিন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দের হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

মাটি ও রঙে দেবী দুর্গার রূপ ফুটিয়ে তুলল ১২ বছরের দেবজিৎ, প্রশংসায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :- পড়াশোনার পাশাপাশি সৃষ্টিশীলতার চর্চা, মাত্র ১২ বছরেই দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে নজর কাড়ল খুদে শিল্পী দেবজিৎ।পড়াশোনার পাশাপাশি সৃষ্টিশীলতার চর্চা। আর সেই চর্চার মধ্য দিয়েই মাত্র ১২ বছর বয়সে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিল জটেশ্বর সাহা পাড়ার খুদে শিল্পী দেবজিৎ রায়। মাটি, রং ও তুলি ব্যবহার করে নিজের হাতে এক অপূর্ব দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে।দেবজিৎ জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকা এবং হাতের কাজের প্রতি তার বিশেষ ঝোঁক। তবে শুধু ছবি আঁকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি তার সৃষ্টিশীলতা। এবার নিজের হাতে দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে এক অনন্য নজির গড়েছে এই খুদে শিল্পী।জানা গিয়েছে, প্রায় দু’মাস ধরে ধৈর্য, নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে প্রতিমাটি তৈরি করেছে দেবজিৎ। প্রতিমার কাঠামো তৈরি থেকে শুরু করে সাজসজ্জা প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের শিল্পীসত্তার ছাপ রেখেছে সে। সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় মাটি ও রঙের ব্যবহারে ফুটিয়ে তুলেছে দেবী দুর্গার অপরূপ রূপ।এর আগেও মাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিমা তৈরি করেছে দেবজিৎ। তবে এবার দুর্গাপ্রতিমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে তার সৃষ্টিশীল প্রতিভা আরও একবার প্রকাশ্যে এল। বয়সে ছোট হলেও শিল্পের প্রতি তার আগ্রহ, ধৈর্য এবং কাজের প্রতি একাগ্রতা ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।দেবজিতের এই কৃতিত্বে খুশি তার পরিবার থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরাও। পড়াশোনার পাশাপাশি এমন সৃষ্টিশীল কাজ আগামী দিনে তাকে আরও বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই আশাবাদী সকলে।

Share This