কবিতা: বাবার নীরব ভালোবাসা।
হোগেনাক্কাল জলপ্রপাত: দক্ষিণ ভারতের নায়াগ্রা, কাবেরী নদীর রোমাঞ্চ ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান: ডুয়ার্সের সবুজ অরণ্য, একশৃঙ্গ গণ্ডার ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য।
সিসিমারা ও সিমলিপাল: ওড়িশার সবুজ অরণ্য, পাহাড়ি ঝরনা ও বন্যপ্রাণের রহস্যময় জগৎ।
চন্দননগর: ফরাসি ঐতিহ্য, গঙ্গার সৌন্দর্য ও বাংলার ইতিহাসের এক অপূর্ব মিলনভূমি।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান: ডুয়ার্সের সবুজ অরণ্যে গণ্ডার, হাতি ও বন্যপ্রাণের অপূর্ব জগৎ।
বিজয়া মুলে: ভারতীয় চলচ্চিত্র শিক্ষার পথিকৃৎ ও তথ্যচিত্র নির্মাণের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
উষা প্রিয়ম্বদা: নিঃসঙ্গতা, নারীর মন ও আধুনিক জীবনের টানাপোড়েনের এক অনন্য কথাশিল্পী।
কুমারী কমলা: ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য ও চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক বিস্মৃতপ্রায় কিংবদন্তি।
অম্মু জোসেফ: নারী, সংবাদমাধ্যম ও সমানাধিকারের পক্ষে এক নিরলস কলমযোদ্ধা।
জানালাটার ওপারেতে নীল আকাশের মেলা, মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়ায় রোদের সোনার খেলা। ঘরের মধ্যে বন্দি থেকে ক্লান্ত যখন মন, আকাশ তখন ডাক পাঠায় খুলে দাও যে ক্ষণ। সাদা মেঘের নরম ভাঁজে কত ছবি আঁকা, কখনও হাতি, কখনও পাহাড়, কখনও স্বপ্নমাখা। পাখিরা সব ডানা মেলে দূর দিগন্তে যায়, তাদের দেখে মনে আমার মুক্তির সুর বাজায়। মানুষ […]
নীল পতাকার দিন।
রায় ঘোষণার আগে।
আকাশ ছোঁয়ার ছোট্ট কারখানা।
নীরব ঘরের শেষ সুর।
মেঘের ভেতর লুকোনো ছবি।
গল্প : শেষ মুদ্রণযন্ত্রের অক্ষরে লেখা ছিল এক অসমাপ্ত স্বপ্ন।
গল্প : যে বন্ধ জানালার ওপারে অপেক্ষা করছিল এক নতুন পৃথিবী।
গল্প : যে পুরোনো নোটিশ বোর্ডে বদলে গেল গ্রামের ভাগ্য।
গল্প : শেষ সংকেতের ওপারে।
গল্প : শেষ বেঞ্চের নিচে লুকিয়ে ছিল এক অসমাপ্ত প্রতিজ্ঞা।
গল্প : যে ছোট্ট মানচিত্র বদলে দিয়েছিল একটি পরিবারের ভাগ্য।
গল্প : সাতটি সুরে বাঁধা ছিল সাতটি মানুষের জীবন।।
অন্ধকার ঘরের তেরো নম্বর দরজা (তৃতীয় ও শেষ পর্ব: শেষ দরজার ওপারে)।
অন্ধকার ঘরের তেরো নম্বর দরজা (দ্বিতীয় পর্ব: আয়নায় বন্দি মৃত মানুষ)।
অন্ধকার ঘরের তেরো নম্বর দরজা (প্রথম পর্ব: যে বাড়িতে মৃতেরা ফিরে আসে)।
মৃত্যুর আগে শেষ ফোন (তৃতীয় ও শেষ পর্ব: যে মানুষটি নিজের মৃত্যুর খবর পেয়েছিল)।
মৃত্যুর আগে শেষ ফোন (দ্বিতীয় পর্ব: মৃত মানুষের গোপন ডায়েরি)।
মৃত্যুর আগে শেষ ফোন (প্রথম পর্ব: যে খুন এখনও ঘটেনি)।
শেষ ট্রেনের যাত্রী(তৃতীয় ও শেষ পর্ব: শেষ ট্রেনের শেষ সত্য)।
শেষ ট্রেনের যাত্রী (দ্বিতীয় পর্ব: যে ছেলেটি নিজের জন্মের সাক্ষী)।
-
নীল পতাকার দিন।
-
রায় ঘোষণার আগে।
-
আকাশ ছোঁয়ার ছোট্ট কারখানা।
-
নীরব ঘরের শেষ সুর।
-
মেঘের ভেতর লুকোনো ছবি।
-
গল্প : শেষ মুদ্রণযন্ত্রের অক্ষরে লেখা ছিল এক অসমাপ্ত স্বপ্ন।
-
গল্প : যে বন্ধ জানালার ওপারে অপেক্ষা করছিল এক নতুন পৃথিবী।
-
গল্প : যে পুরোনো নোটিশ বোর্ডে বদলে গেল গ্রামের ভাগ্য।
-
গল্প : শেষ সংকেতের ওপারে।
জানালাটার ওপারেতে নীল আকাশের মেলা, মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়ায় রোদের সোনার খেলা। ঘরের মধ্যে বন্দি থেকে ক্লান্ত যখন মন, আকাশ তখন ডাক পাঠায় খুলে দাও যে ক্ষণ। সাদা মেঘের নরম ভাঁজে কত ছবি আঁকা, কখনও হাতি, কখনও পাহাড়, কখনও স্বপ্নমাখা। পাখিরা সব ডানা মেলে দূর দিগন্তে যায়, তাদের দেখে মনে আমার মুক্তির সুর বাজায়। মানুষ […]
আমি গ্রামের পুরনো বট, দাঁড়িয়ে আছি পথে, কত শত বছর কেটেছে আমার নীরব রথে। আমার ছায়ায় পথিক বসে মেটায় ক্লান্তি ভার, শিশুরা সব দোলনা বেঁধে করে হইচই অপার। আমার ডালে পাখিরা এসে গড়েছে কত বাসা, পাতার ফাঁকে বাতাস গেয়ে শোনায় ভালোবাসা। দেখেছি কত জন্ম-মৃত্যু, কত বিয়ের সানাই, কত বিদায়ের চোখের জল, কত ফিরে পাওয়াই। যে […]
-
নীল পতাকার দিন।
-
রায় ঘোষণার আগে।
-
আকাশ ছোঁয়ার ছোট্ট কারখানা।
-
নীরব ঘরের শেষ সুর।
-
মেঘের ভেতর লুকোনো ছবি।
-
গল্প : শেষ মুদ্রণযন্ত্রের অক্ষরে লেখা ছিল এক অসমাপ্ত স্বপ্ন।
-
গল্প : যে বন্ধ জানালার ওপারে অপেক্ষা করছিল এক নতুন পৃথিবী।
-
গল্প : যে পুরোনো নোটিশ বোর্ডে বদলে গেল গ্রামের ভাগ্য।
-
গল্প : শেষ সংকেতের ওপারে।
-
গল্প : শেষ বেঞ্চের নিচে লুকিয়ে ছিল এক অসমাপ্ত প্রতিজ্ঞা।